রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫০ পি.এম
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের কথা বলা হলেও সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা চলতে পারে না।
রোববার এক বিবৃতিতে রাশেদ প্রধান বলেন, “ভারত মুখে বলে বন্ধুত্বের কথা, আর সীমান্তে চালায় হত্যাকাণ্ড। ভারতের তথাকথিত বন্ধুত্ব আর সীমান্ত হত্যা একসঙ্গে চলতে পারে না।”
তিনি আরও বলেন, গঙ্গা চুক্তির ৩০ বছরে বাংলাদেশ ২৩ বার বঞ্চনার শিকার হয়েছে। ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা এখনও পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি বিভিন্ন কৌশলে অবৈধ পুশ-ইনের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
রাশেদ প্রধান অভিযোগ করেন, পিলখানা ও শাপলা গণহত্যার পেছনে ভারতের প্রত্যক্ষ ইন্ধন ছিল এবং দেশটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করে আসছে। তিনি দাবি করেন, জুলাইয়ের গণহত্যার সঙ্গে জড়িত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ভারত আশ্রয় দিয়েছে।
তিনি বলেন, “তাই এই আগ্রাসী উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারতের সঙ্গে কোনোভাবেই বন্ধুত্ব সম্ভব নয়।”
জাগপা মুখপাত্র জানান, তারা নতজানু পররাষ্ট্রনীতি চান না। সীমান্তে গুলি এলে পাল্টা জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভারত যদি বন্ধুত্ব চায়, তাহলে বন্ধুত্বের যথাযথ প্রতিদান দিতে হবে এবং সম্মান চাইলে অন্যকেও সম্মান করতে হবে।
বর্তমান বিএনপি সরকারের উদ্দেশে রাশেদ প্রধান বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সরকারকে মাথা উঁচু করে দেশের স্বার্থের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। তিনি মন্তব্য করেন, “সবার আগে বাংলাদেশ” নীতির কথা বলে ভারতের সামনে নতজানু হলে জনগণ রাজপথে তার জবাব দেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে জুবা আক্তার নামে এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আদালত দুই আসামির জন্য মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন। একই সঙ্গে, তাঁদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক সৈয়দা মিনহাজ উম মুনীরা এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নবীগঞ্জ উপজেলার খলিল উদ্দিন ও গোলাম হোসেন (৬০)। মামলার এজাহার এবং তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়নের হরিনগর এলাকায় একটি জমি থেকে জুবা আক্তারের হাত-পা বাঁধা ও গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর বাবা নবীগঞ্জ থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্তভার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), হবিগঞ্জের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তদন্তে জানা যায়, ঘটনার রাতে কিশোরীটি তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে ওই এলাকায় গিয়েছিল। সেখানে খলিল উদ্দিনের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। মামলার তদন্ত এবং আদালতে দেওয়া জবানবন্দির বরাত দিয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, খলিল কিশোরীকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে গোলাম হোসেন সেখানে উপস্থিত হন এবং কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এতে বাধা দিলে তাঁকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। ঘটনার তিন দিনের মাথায় খলিল উদ্দিন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে গোলাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার নথি ও সাক্ষ্য অনুযায়ী, ধর্ষণের একপর্যায়ে কিশোরীর মৃত্যু ঘটে। পরে ঘটনা আড়াল করতে তাঁর গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়। এরপর হাত-পা বেঁধে মরদেহটি জমিতে ফেলে রাখা হয়।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন সেলিম বলেন, "কিশোরী হত্যার মতো নৃশংস ঘটনায় আদালত সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ব্যবসা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিমান যোগাযোগ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম ইউএনবিকে এ তথ্য জানান।
সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ পুনর্ব্যক্ত করেন হাইকমিশনার। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টকে তার সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, পাকিস্তান বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বিভিন্ন ক্ষেত্রে। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ করা গেলে উভয় দেশের জনগণই উপকৃত হবে।
রাষ্ট্রপতি দুই দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা খুঁজে বের করার ওপরও গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, পাকিস্তানে তৈরি পোশাক, বিশেষ করে নারীদের পোশাক বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানি তৈরি পোশাক, কটন ইয়ার্নসহ অন্যান্য পণ্য বাংলাদেশে রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার ওপর গুরুত্ব দেন।
হাইকমিশনার ইমরান হায়দার জানান, পাকিস্তানের তৈরি পণ্য নিয়ে অক্টোবরে ঢাকায় একটি বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বাংলাদেশি পণ্য নিয়ে পাকিস্তানেও একই ধরনের বাণিজ্য মেলা আয়োজনের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, ফুটবলসহ অন্যান্য ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরিতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণে পাকিস্তানের উদ্যোক্তারা আগ্রহী।
এ বছর ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালু হওয়ার কথা উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, এ যোগাযোগ দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা পর্যটন ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তিনি দুই শহরের মধ্যে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
এছাড়া বাংলাদেশে উৎপাদিত চায়ের গুণগত মানের প্রশংসা করে ইমরান হায়দার বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশ থেকে চা রপ্তানি বাড়ানোর আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য, পান ও অন্যান্য কৃষিপণ্য, ওষুধসহ বিভিন্ন মানসম্মত পণ্য পাকিস্তানে রপ্তানি বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে পাকিস্তান অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারে পাকিস্তান কাজ করে যাচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি দুই দেশের সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের সদস্যদের মধ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বিনিময় এবং বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেন।
ইমরান হায়দার বাংলাদেশে তার কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি তাকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাণিজ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রশিক্ষণে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও ফলপ্রসূ ও বহুমাত্রিক হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদে পরিবর্তন এসেছে। নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে মোঃ এরফান উদ্দিন দায়িত্ব নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এর আগে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন শাহীনা নাছরিন। তিনি ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর নাসিরনগর ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন এবং দীর্ঘদিন উপজেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
সম্প্রতি শাহীনা নাছরিনকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পদোন্নতির তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে মোঃ এরফান উদ্দিন নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। নতুন ইউএনও হিসেবে তার যোগদানের মধ্য দিয়ে নাসিরনগর উপজেলা প্রশাসনে নতুন নেতৃত্বের সূচনা হতে যাচ্ছে।
এদিকে নতুন ইউএনওর দায়িত্ব গ্রহণের পর উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সরকারি সেবা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনসাধারণের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, তজুমদ্দিনকে পৌরসভায় রূপান্তরিত করার পাশাপাশি শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নয়ন সাধন করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, তজুমদ্দিনকে একটি আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করতে গিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, "আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "তাদের বিরুদ্ধে রিজার্ভ চুরি, ‘আয়নাঘর’ নামে কথিত টর্চার সেল পরিচালনা, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।" ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এর প্রতিফলন ঘটবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের পরও আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "বাংলাদেশের সুনাম ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।"
প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ভারতকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিলেও সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে পারেনি। তিনি মাদক নিয়ে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযোগও তোলেন।
নিজের রাজনৈতিক ও সামরিক জীবনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, "লালমোহন থেকে সর্বপ্রথম আমিই সেনাবাহিনীতে যোগদান করেছি। মেজর জিয়াউর রহমান ছিলেন আমার প্রশিক্ষক।" তিনি দাবি করেন, তিনি কখনো ধনসম্পদ অর্জনের চেষ্টা করেননি।
মতবিনিময় সভায় স্পিকার তজুমদ্দিনের রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে তজুমদ্দিন উপজেলাকে পৌরসভায় রূপান্তরের আশ্বাসও দেন তিনি। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টুর সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি নেতা জাকির হোসেন হাওলাদার, অ্যাডভোকেট ড. আমিরুল ইসলাম বাসেত, একেএম মহিউদ্দিন জুলফিকারসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ