প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের কথা বলা হলেও সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা চলতে পারে না।
রোববার এক বিবৃতিতে রাশেদ প্রধান বলেন, “ভারত মুখে বলে বন্ধুত্বের কথা, আর সীমান্তে চালায় হত্যাকাণ্ড। ভারতের তথাকথিত বন্ধুত্ব আর সীমান্ত হত্যা একসঙ্গে চলতে পারে না।”
তিনি আরও বলেন, গঙ্গা চুক্তির ৩০ বছরে বাংলাদেশ ২৩ বার বঞ্চনার শিকার হয়েছে। ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা এখনও পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি বিভিন্ন কৌশলে অবৈধ পুশ-ইনের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
রাশেদ প্রধান অভিযোগ করেন, পিলখানা ও শাপলা গণহত্যার পেছনে ভারতের প্রত্যক্ষ ইন্ধন ছিল এবং দেশটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করে আসছে। তিনি দাবি করেন, জুলাইয়ের গণহত্যার সঙ্গে জড়িত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ভারত আশ্রয় দিয়েছে।
তিনি বলেন, “তাই এই আগ্রাসী উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারতের সঙ্গে কোনোভাবেই বন্ধুত্ব সম্ভব নয়।”
জাগপা মুখপাত্র জানান, তারা নতজানু পররাষ্ট্রনীতি চান না। সীমান্তে গুলি এলে পাল্টা জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভারত যদি বন্ধুত্ব চায়, তাহলে বন্ধুত্বের যথাযথ প্রতিদান দিতে হবে এবং সম্মান চাইলে অন্যকেও সম্মান করতে হবে।
বর্তমান বিএনপি সরকারের উদ্দেশে রাশেদ প্রধান বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সরকারকে মাথা উঁচু করে দেশের স্বার্থের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। তিনি মন্তব্য করেন, “সবার আগে বাংলাদেশ” নীতির কথা বলে ভারতের সামনে নতজানু হলে জনগণ রাজপথে তার জবাব দেবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন