ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরে জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবি উত্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরে জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবি উত্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরে জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তার কাছে তুলে ধরা হবে।

তিনি জানান, এসব বিষয় মধ্যে রয়েছে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা এবং কক্সবাজারে একটি ব্লু ইকোনমি ও মেরিন সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।

শুক্রবার (১২ জুন) কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার বাস টার্মিনাল এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা তিনি বলেন।

আরও পড়ুন: শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এসব দাবি প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মাতামুহুরী নামে নতুন উপজেলা সৃষ্টির প্রস্তাব জাতীয় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির (নিকার) সভায় অনুমোদন পেয়েছে। সেখানে একটি থানা প্রতিষ্ঠারও উদ্যোগ নেয়া হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার সফরে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক সংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম তিনি কক্সবাজারে আসছেন। নির্বাচনের আগে তিনি আসতে পারেননি। তাই জেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। এ অঞ্চলের মানুষ তাকে সরাসরি দেখবেন, তার বক্তব্য শুনবেন। এটিই আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি।’

সফরসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী একটি জনসভায় ভাষণ দেবেন বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সেখানে আমরা আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা তার কাছে তুলে ধরব। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী নির্বাচনী ইশতেহারে দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে, উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং মানুষের জীবনমান উন্নত হবে।’

আরও পড়ুন: গোয়েন্দা তথ্যের বিষয়ে সরকারের পরিষ্কার ব্যাখ্যা চায় নেজামে ইসলাম পার্টি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবজাতকের নামকরণে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নেইমার, পিছিয়ে মেসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ পি.এম


নবজাতকের নামকরণে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নেইমার, পিছিয়ে মেসি

দক্ষিণ আমেরিকাজুড়ে নবজাতকের নামকরণে দেখা যাচ্ছে নতুন এক প্রবণতা। ফুটবল তারকাদের নামেই সন্তানের নাম রাখছেন অনেক অভিভাবক। একসময় মাঠের নায়কদের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এসব নাম এখন নতুন প্রজন্মের পরিচয়ের অংশ হয়ে উঠছে।

এক বছরের মধ্যেই এই তালিকায় আরও নতুন নাম যুক্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমান পারফরম্যান্স বজায় থাকলে ভবিষ্যতে স্পেনের লামিনে ইয়ামাল, ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলে, ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন অথবা পর্তুগালের ভিতিনহা-এসব তারকার নামেও শিশুদের নাম রাখা হতে পারে।

লাতিনের দেশ ইকুয়েডরে এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট। দেশটির সিভিল রেজিস্ট্রির তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় তারকা যেমন কেন্দ্রি পায়েজ বা পিএসজির ডিফেন্ডার উইলিয়ান পাচোর চেয়ে বিশ্ব তারকাদের নামেই বেশি আগ্রহ দেখা গেছে।

তালিকার শীর্ষে আছেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার। তার নামে ইকুয়েডরে ৩,৮৪৭ জন শিশুর নাম রাখা হয়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন ফ্রান্সের তরুণ তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে, যার নামে ২,৮০০-এর বেশি শিশু নামকরণ করা হয়েছে। তৃতীয় স্থানে আছেন কলম্বিয়ার জেমস রদ্রিগেজ, যার নামে রয়েছে ২,১৩৬ জন।

আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এবং পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও এ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। ইকুয়েডরে ১,৫৪৯ জনের নাম লিওনেল, ১,০০৬ জন রোনালদো এবং ৩৮ জন মেসি।

কলম্বিয়ায় ২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী, কিলিয়ান এমবাপ্পে নামই সবচেয়ে জনপ্রিয়, যেখানে ৮৩৬ শিশু এই নামে পরিচিত। এরপর আছে নেইমার ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো সংক্রান্ত নাম।

ব্রাজিলেও একই প্রবণতা দেখা গেছে, সেখানে ২,৪০০-এর বেশি শিশু নেইমারের নামে নামকরণ করা হয়েছে।

আর্জেন্টিনায় ২০২৩ সালে মেসির নামে নাম রাখার প্রবণতা আবারও বেড়েছিল, বিশেষ করে ২০২২ বিশ্বকাপে তার নেতৃত্বে শিরোপা জয়ের পর।

চিলিতে আবার এক পরিবার আলোচনায় আসে ২০২২ বিশ্বকাপের আগে, যখন তারা তাদের নবজাতকের নাম রাখে ‘গ্রিজম্যান এমবাপ্পে’। ওই পরিবারের অন্য সদস্যদের নামেও রয়েছে ফুটবল কিংবদন্তিদের ছোঁয়া-যেমন ‘জেমস মদ্রিচ’, ‘আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা’, ‘লিওনেল মেসি’ এবং ‘নেইমার রোনালদো’।

সূত্র: ডেইলি সাবাহ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখেই সত্যিকারের চ্যাম্পিয়নদের পরীক্ষা হয়: রোনালদো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখেই সত্যিকারের চ্যাম্পিয়নদের পরীক্ষা হয়: রোনালদো

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের দিকে রওনা হয়েছে পর্তুগাল জাতীয় দলের সদস্যরা। ‘সিটি অব ফুটবল’ থেকে যাত্রার আগে দলের মুখপাত্র হিসেবে সংবাদমাধ্যমের সামনে হাজির হন অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। যদিও তিনি দলকে সরাসরি শিরোপার জন্য অন্যতম দাবিদার হিসেবে ঘোষণা দিতে রাজি হননি, তবুও বিশ্বকাপ সম্পর্কে তার আশাবাদের অভাব নেই।

৪১ বছর বয়সি এই তারকা ফরোয়ার্ড নিজের ক্যারিয়ারের আরেকটি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সাথে দলের প্রস্তুতি ও সম্ভাবনাকে নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দেন তিনি।

পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম ‘এ বোলা’-কে রোনালদো বলেছেন, ‘আমরা অনেক আনন্দ ও আশা নিয়ে যাচ্ছি। ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের মতো বিশ্বকাপও সবসময়ই বিশেষ একটি প্রতিযোগিতা। আমাদের প্রত্যাশাও অনেক।’

বিশ্বকাপের পূর্বে নিজের শারীরিক অবস্থা জানাতে চাইলে আত্মবিশ্বাসী সুরে রোনালদো বলেন, ‘আমি ভালো আছি। আপনারা কি খেলাগুলো দেখছেন না?’

সাম্প্রতিক অর্জনের কারণে পর্তুগালকে ঘিরে প্রত্যাশার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে অধিনায়ক চাপ কিছুটা হালকা করতে চান। তিনি মনে করেন, টুর্নামেন্ট যতই এগোবে, ততই পরিষ্কার হবে কোন দল আসল দাবিদার।

রোনালদো বলেন, ‘আমাদের মধ্যে দারুণ একটি প্রজন্ম বিদ্যমান। কিন্তু এমন কিছু বিষয় রয়েছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। জয়-পরাজয় বা ম্যাচের পরিস্থিতি অনেক কিছু বদলে দিতে পারে। তারপরেও আমি আশাবাদী যে, এই প্রজন্ম পর্তুগালের জনগণকে অনেক আনন্দ দেবে।’

বর্তমান পর্তুগাল দলকে সাম্প্রতিক সময়ে অন্যতম প্রতিভাবান স্কোয়াড হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। রোনালদোর সঙ্গে দলে রয়েছেন ব্রুনো ফার্নান্দেস, বার্নার্দো সিলভা, রাফায়েল লিয়াও, জোয়াও নেভেস এবং ভিতিনহার মতো ইউরোপের শীর্ষ লিগের খেলোয়াড়রা।

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের পূর্বে নেওয়া প্রস্তুতির ব্যাপারে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রোনালদো। তিনি জানান, ‘সময়টি কিছুটা ক্লান্তিকর ছিল, কারণ আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। প্রস্তুতি ম্যাচগুলোর মধ্যে আমরা জয় পেয়েছি। তবে আসল পরীক্ষা শুরু হবে ১৭ তারিখ থেকে।’

বিশ্বকাপে কঠিন পরিস্থিতিতে প্রকৃত চ্যাম্পিয়নদের পরিচয় মেলে বলেও মনে করেন পর্তুগাল অধিনায়ক।

তার বক্তব্য হলো, ‘যখন চাপ বাড়বে এবং পরিস্থিতি কঠিন হবে, তখন প্রকৃত চ্যাম্পিয়নদের দেখা যাবে। ফল অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে, তবে আমি খুব আশাবাদী যে সবকিছু ভালোভাবেই চলবে।’

গ্রুপ পর্বে শীর্ষ স্থান অর্জনকে দলের প্রথম লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন রোনালদো। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া। তারপর ধাপে ধাপে এগোতে হবে, ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে হবে এবং প্রতিযোগিতার ছন্দ ধরে রাখতে হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জীবনমান উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন: আমানউল্লাহ আমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫০ পি.এম


জীবনমান উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন: আমানউল্লাহ আমান

ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করাই এবারের জাতীয় বাজেটের মূল লক্ষ্য। জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য সামনে রেখে এ বছর জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করেছে সরকার।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কলাতিয়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমানউল্লাহ আমান বলেন, মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে হৃদরোগ, কিডনি ও চক্ষু চিকিৎসাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সেবাকে আরও সুলভ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য সার, বীজ, সেচ, কীটনাশক ও কৃষি বিমা সহজলভ্য করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অতীতে বাজেট ঘোষণার পর অনেক নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যেত। তবে এবারের জনবান্ধব বাজেটে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সৌরবিদ্যুৎসহ টেকসই জ্বালানি খাতে বিশেষ সহায়তা ও প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গরিব ও নিম্নআয়ের মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন পণ্যের দাম কমানোর পাশাপাশি বেশকিছু ক্ষেত্রে কর মওকুফ ও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আমানউল্লাহ আমান বলেন, এসব উদ্যোগ প্রমাণ করে বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, বিভিন্ন উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে দেশ আরও শক্তিশালী ও স্বনির্ভর অবস্থানে পৌঁছাবে।

অনুষ্ঠানে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা বিএনপির সভাপতি শামীম হাসান, স্থানীয় সমাজসেবক সাজুসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ক্রীড়া সংগঠক এবং বিভিন্ন বয়সী খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন। পরে টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুশইন প্রতিরোধে জলসীমায় জোরদার নজরদারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ পি.এম


পুশইন প্রতিরোধে জলসীমায় জোরদার নজরদারি

মোংলায় কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন কার্যালয়ের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম বলেছেন, দেশে অবৈধ পুশইন ঠেকাতে স্থলের পাশাপাশি জলসীমাতেও কঠোর নজরদারি অব্যহত থাকায় পুশইন অপচেষ্টা সফল হচ্ছে না। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার লক্ষ্যে কোস্টগার্ড জলসীমার নজরদারিতে অত্যাধুনিক ড্রোন ও সার্ভিলেন্স প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।

শুক্রবার (১২ জুন) বাগেরহাটের মোংলায় কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব তথ্য জানান।

তিনি আরও বলেন, দেশের সমুদ্রসীমা, উপকূলীয় অঞ্চল এবং নদীতীরবর্তী সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অপরাধ দমনে কোস্টগার্ড সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সাতক্ষীরার মান্দারবাড়ি দিয়ে আগে পুশইনের ঘটনা ঘটে, তাই সেখানে সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, আধুনিক ড্রোন ও সার্ভেলেন্স প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিশেষ ও যৌথ অভিযান পরিচালনা করছেন।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্তে ভারতের পুশইন চেষ্টায় অস্থিরতা শুরু হয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দৃঢ়তার সঙ্গে পুশইন চেষ্টা প্রতিহত করছে। এরই মধ্যে কোস্টগার্ড জলসীমায় সক্রিয়তার কথা জানিয়েছে।

জোনাল কমান্ডার মেসবাউল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করার সময় আরও বলেন, সুন্দরবনে ইলিশ-মাছ ধরার মৌসুম এবং মধু সংগ্রহের সময়ে দস্যুদের তৎপরতা বেড়ে যায়। এ সময় বিপুলসংখ্যক জেলে, মৌয়াল এবং বনজীবী সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। তাদের লক্ষ্য করে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও চাঁদাবাজির পরিকল্পনা করেন দস্যুরা। তবে বর্তমানে সরকার ঘোষিত তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার কারণে বনজীবীদের প্রবেশ সীমিত হয়েছে। ফলে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনাও কমে গেছে। কিন্তু মৌসুম শুরু হলে দস্যুরা আবার সক্রিয় হতে চেষ্টা চালায়। তবে কোস্টগার্ডের কার্যক্রমের জন্য দস্যুরা এখন আগের মতো কার্যক্রম চালাতে পারছে না। তাদের চলাচল, অস্ত্র সরবরাহ, অর্থ সংগ্রহ এবং সংগঠন পরিচালনার সক্ষমতা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ চাপের মুখে সুন্দরবনের কুখ্যাত ‘ছোট সুমন বাহিনীর’ প্রধান সুমন হাওলাদার ও তার সহযোগীরা গত ১৭ মে কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। একটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় তিনি বলেন, আত্মসমর্পণের পর অনেকেই কর্মসংস্থানের সুযোগ পান না। সমাজও তাদের সহজভাবে গ্রহণ করে না। সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার অভাব, আর্থিক অনিশ্চিয়তা এবং ব্যক্তিগত মানসিক সমস্যা কারণে কিছু মানুষ আবার অপরাধের পথে ফিরে যায়।

কোস্টগার্ড জানিয়েছে, বর্তমানে সুন্দরবনে ছয় থেকে আটটি দস্যু বাহিনী সক্রিয় রয়েছে। প্রতিটি বাহিনীতে সাধারণত ৮ থেকে ১০ নাগরিক কিংবা ১২ জন সদস্য থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই বড় বাহিনীগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে ছোট ছোট উপদল বা ‘ক্লোন’ বাহিনী তৈরি হয়। এসব বাহিনী মূলত জেলে ও মৌয়ালদের লক্ষ্য করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে।

ক্যাপ্টেন মেসবাউল আরও বলেন, বনজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য সরু খাল ও ন্যারো চ্যানেলকে আত্মগোপনের স্থান হিসেবে ব্যবহার করে দস্যুরা। জোয়ারের সময় যেসব পথে নৌকা চলাচল করে, ভাটার সময় সেগুলোর অনেক অংশ শুকিয়ে যায়। এ কারণে বড় বোট বা জাহাজ নিয়ে সেখানে প্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে বর্তমানে ড্রোন প্রযুক্তির সাহায্যে এসব দুর্গম এলাকাও নজরদারি করা হচ্ছে।

এছাড়া, অপহরণের ঘটনা বনের ভেতরে ঘটলেও মুক্তিপণের টাকা অনেকসময় মংলা, বরগুনা, পাথরঘাটা অথবা খুলনা শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাতবদল হয়। এই কোস্টগার্ড কর্মকর্তা বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে পাঠানো মুক্তিপণের অর্থের গতিপথ অনুসরণ করে একাধিক সহযোগীকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করা হয়েছে। বনের ভেতরের দস্যুদের পাশাপাশি স্থলভাগে থাকা সহযোগী চক্রের বিরুদ্ধেও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এ সহযোগী চক্রের ইন্ধনেই মোংলায় জয়মনিঘোল এলাকায় কোস্টগার্ডের হারবারিয়া স্টেশনে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা ঘটেছে।

কোস্টগার্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সুন্দরবনে পরিচালিত অভিযানে ৪২টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড গুলি, ২৫০ রাউন্ড কার্তুজ, ৯৩ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১৯৪ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি, ককটেল, টেলিস্কোপ এবং দুটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে ৩৯ জন বনদস্যু ও জলদস্যুকে আটক করা হয়েছে। তাদের কবল থেকে ৪১ জন জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো বলেন, দেশের সমুদ্রসীমা, উপকূলীয় অঞ্চল এবং নদীতীরবর্তী সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অপরাধ দমনে কোস্টগার্ড সর্বোচ্চ সচেতন অবস্থানে রয়েছে। সাতক্ষীরার মান্দারবাড়ি দিয়ে আগে পুশইনের ঘটনা ঘটায় সেখানেও সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয়েছে। এবং এই লক্ষ্যে বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, আধুনিক ড্রোন ও সার্ভেলেন্স প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিশেষ ও যৌথ অভিযান পরিচালনা করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%