মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৫ পি.এম
অবশেষে বাংলাদেশের জন্য এশিয়ান গেমসে পদক নিশ্চিত হলো। সোমবার উশুর ৫২ কেজি ওজনশ্রেণীর ফাইট ইভেন্টে জিন্নাত আক্তারের হাত ধরে পদক তালিকায় বাংলাদেশের নাম যুক্ত হলো।
১৯৮৬ সালে সিউল এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত ইভেন্টে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন বক্সার মোশাররফ হোসেন। এটাই ছিল এশিয়ার সর্বোচ্চ এই আসরে বাংলাদেশের একমাত্র অর্জন ব্যক্তিগত ইভেন্টে। দীর্ঘ ৪০ বছরের খরা কাটিয়ে এবার মোশাররফের পাশে নাম লেখালেন জিন্নাত।
আইচির প্রিফেকচারাল মার্শাল আর্টস হলে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালের প্রতিযোগিতায় ইন্দোনেশিয়ার থারিসা ডি ফ্লোরেন্টিনা অতিরিক্ত ওজনের কারণে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়লে জিন্নাতের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়। এর আগে প্রাথমিক পর্বে জিন্নাত বাই পেয়ে শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করেন।
গেমসের নিয়ম অনুযায়ী, আটজনের বেশি প্রতিযোগী অংশ নিলে সেমিফাইনালে ওঠা চারজনেরই পদক নিশ্চিত হয়। জিন্নাত যে ওজনশ্রেণীতে অংশ নিয়েছেন সেখানে ১৬ জন প্রতিযোগী থাকায় সেমিফাইনালে ওঠার ফলে বাংলাদেশের অন্তত ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ উশু এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দিলদার হোসেন দিলু।
দিলু আরও জানান, জিন্নাত সেমিফাইনালে জয়লাভ করলে তারা স্বর্ণ পদকের লড়াইয়ে অংশ নেবেন। আর যদি সেমিফাইনালে পরাজিত হন, তবুও এই ইভেন্টে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত হয়ে যাবে।
মঙ্গলবার সেমিফাইনালে চীনের প্রতিপক্ষ ডি উর বিপক্ষে লড়াইয়ে নামবেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উশুকা জিন্নাত।
দেশের জন্য ৪০ বছর পর ব্যক্তিগত কোন ইভেন্টে আন্তর্জাতিক পদক অর্জনের খবর শুনে জিন্নাত বলেন, ‘আমি অনেক খুশী, দেশের জন্য কিছু করতে পেরেছি। সকলের দোয়া চাই। বাংলাদেশের উশুকে যেন আরও অনেকদুর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ অবকাঠামোয় প্রতিযোগিতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের মতে, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)-নির্ভর আন্তর্জাতিক সংযোগ অবকাঠামোর কারণে বাজারে কাঙ্ক্ষিত প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে না। এই কারণে ইন্টারনেটের দাম কমানো এবং সেবার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উল্লেখ করেছেন যে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনে বিনিয়োগের সুযোগ সহজ করতে হবে। পাশাপাশি সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশনে উন্মুক্ত ও বৈষম্যহীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা আবশ্যক। এর ফলে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথের বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে এবং এর সুফল গ্রাহকরা লাভ করবেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া কনভেনশন হলে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত ‘সবার জন্য সাশ্রয়ী ইন্টারনেট ও টেক জায়ান্টদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ : বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনার ও কর্মশালায় এসব বিষয় তুলে ধরা হয়।
টিআরএনবির সভাপতি মাসুদুজ্জামান রবিনের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মেটাকোর সাবকম লিমিটেডের প্রকল্প প্রধান মাহমুদ শাহেদ এবং আইএসপিএবির কোষাধ্যক্ষ মইন উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি সমীর কুমার দে।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মেটাকোর সাবকম লিমিটেডের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল হাকিম, সিডিনেট কমিউনিকেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মশিউর রহমান এবং বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম বজলুর রহমান।
সেমিনারে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, বিএসসিপিএলসি সি-মি-উই-৪ ও সি-মি-উই-৫—দুটি সাবমেরিন ক্যাবলে মোট ৮১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছে। ২০০৮ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির রাজস্ব ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এই সময়ে নিট মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৩৬২ কোটি টাকার বেশি।
সেমিনারে জানানো হয়, ২০০৬ সালে বিটিসিএল এক এমবিপিএস ব্যান্ডউইথ ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করত। পরবর্তীতে বিএসসিপিএলসি ব্যান্ডউইথ বিক্রি শুরু করে। ২০১৬ সালে এক এমবিপিএস ব্যান্ডউইথের দাম কমে ৫০০ টাকায় নেমে আসে। বর্তমানে তা ১২০ টাকা।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দাবি, বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল চালু করে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে ২০২৭ সালে এক এমবিপিএস ব্যান্ডউইথের দাম ৬০ থেকে ৭০ টাকায় নামিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে।
সেমিনারে আরো জানানো হয়, বর্তমানে বাংলাদেশ প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ জিবিপিএস আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করছে। বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবা ও অবকাঠামোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংযোগের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সংযোগের সীমাবদ্ধতা, বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতার ঘাটতি, অনুকূল নীতিমালার অভাব এবং বিএসসিপিএলসিনির্ভর অবকাঠামোর কারণে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও হাইপারস্কেলারদের বিনিয়োগে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হচ্ছে বলে আলোচনায় উঠে আসে।
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) পক্ষ থেকে মনোপলি কমিয়ে বেসরকারি বিনিয়োগ ও উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের প্রক্রিয়া সহজ করা, ল্যান্ডিং স্টেশনে ক্যারিয়ার-নিরপেক্ষ ও বৈষম্যহীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা এবং একাধিক সাবমেরিন ক্যাবল ও ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের সুযোগ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
এ ছাড়া দেশীয় ফাইবার শেয়ারিং বাড়ানো, ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ পয়েন্ট (আইএক্সপি) ও স্থানীয় পিয়ারিং সম্প্রসারণ এবং ব্রডব্যান্ড অবকাঠামো ও সরঞ্জামের ওপর কর যৌক্তিকীকরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
আলোচনায় আমিনুল হাকিম বলেন, বিএসসিপিএলসির একচেটিয়া ব্যবস্থা বহাল রেখে দেশে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত ইন্টারনেট নিশ্চিত করা কঠিন। আন্তর্জাতিক সংযোগ অবকাঠামোয় প্রতিযোগিতা বাড়াতে হবে। বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হলে ব্যান্ডউইথের বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে এবং এর সুফল গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছাবে।
বক্তারা বলেন, নতুন সাবমেরিন ক্যাবল ও বিকল্প আন্তর্জাতিক রুটের সুযোগ সীমিত থাকলে দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো সম্প্রসারণের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো কঠিন হবে। আন্তর্জাতিক সংযোগ অবকাঠামোয় প্রতিযোগিতা, স্থিতিশীল ও পূর্বাভাসযোগ্য নীতিমালা এবং প্রযুক্তি-নিরপেক্ষ বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ডিজিটাল অবকাঠামো হাবে পরিণত করার সুযোগ তৈরি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রামের পাহাড়তলী সাবরেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান চালিয়ে সাবরেজিস্ট্রারসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করেছে। এ সময় ২ লাখ টাকা ঘুষের অর্থ জব্দ করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন পাহাড়তলী সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম এবং অফিসের উমেদার রূপন দাশ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুদকের জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১-এর একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে। এ বিষয়ে দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজীর আহমেদ তথ্য প্রদান করেন।
সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের একজন আইনজীবী তার মক্কেলের দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র রেজিস্ট্রির জন্য পাহাড়তলী সাবরেজিস্ট্রি অফিসে দাখিল করেন। দলিল দুটিতে কোনো ত্রুটি না থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া আটকে ঘুষ দাবি করেন। আইনজীবী নিরুপায় হয়ে দুদকের হটলাইন ১০৬-এ অভিযোগ করেন। পরে তিনি দুদকের জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১-এ লিখিত আবেদনও করেন।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর কমিশনের অনুমোদন নিয়ে মঙ্গলবার ট্র্যাপ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ২ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণকালে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম এবং উমেদার রূপন দাশকে হাতেনাতে আটক করা হয়। আটক তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১-এ মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দখলীকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরায়েলি বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইউরোপের দুই দেশ, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডস।
আয়ারল্যান্ড, স্লোভেনিয়া ও স্পেনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় এই দুটি দেশের কঠোর সিদ্ধান্তটি এসেছে।
এই সিদ্ধান্তটি আন্তর্জাতিক আইন ও নীতিমালার আলোকে গৃহীত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারিত্বকে "অবৈধ" হিসেবে চিহ্নিত করে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, দখলীকৃত ভূমিতে ইসরায়েলি বসতি স্থাপন এবং সেনা ফাঁড়ি নির্মাণ সম্পূর্ণ বেআইনি।
বিশ্বজুড়ে দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে এক ডজনেরও বেশি দেশ ইসরায়েলি অবৈধ বসতির পণ্য আমদানির ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
এই নতুন পদক্ষেপটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের রাজধানী ভোপালে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় বিজেপি বিধায়ক রামেশ্বর শর্মা কথিত ‘লাভ জিহাদ’ (হিন্দু নারীদের ধর্মান্তরিত করার কাল্পনিক অভিযোগ) এর অজুহাতে মন্তব্য করেছেন যে, মুসলিম যুবকদের একা একা গরবা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা উচিত নয়। তিনি বলেন, যদি তারা আসতেই চান, তবে নিজেদের পরিবারের বোন ও মেয়েদেরও সঙ্গে নিয়ে আসা উচিত। তিনি আরও যোগ করেছেন, "আমাদের ছেলেরাও প্রস্তুত রয়েছে।"
বিধায়কের এই মন্তব্যের পর সভাস্থলে উপস্থিত তার সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়ে। বিজেপি বিধায়কের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর ভারতের রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস এবং এআইএমআইএম এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে চরম ধর্মীয় মেরুকরণ সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি কুরুচিকর আক্রমণ বলে অভিহিত করেছে।
রাজনৈতিক প্রতিবাদের পাশাপাশি নাগরিক সমাজ ও নেটিজেনরা বিধায়কের এই বক্তব্যকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাদের মতে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে নারীদের সম্মানকে কার্যত সামাজিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার এক কুরুচিকর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যা চরম লিঙ্গবৈষম্যমূলক ও অবমাননাকর।
ভোপাল সেন্ট্রালের কংগ্রেস বিধায়ক আরিফ মাসুদ অত্যন্ত কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, "রামেশ্বর শর্মার এই মন্তব্য অত্যন্ত নোংরা ও জঘন্য। আমি কেবল এটুকুই বলব—নিজের স্বভাব শুধরে নিন। মুখ থেকে এমন নোংরা কথা উগড়ানো বন্ধ করুন। প্রথমত, সাধারণ মুসলমানেরা গরবা অনুষ্ঠানে যায় না, গরবার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। যে ধরণের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে তা চরম আপত্তিকর।"
অন্যদিকে, এআইএমআইএম-এর মধ্যপ্রদেশ সভাপতি মহসিন আলী খান তীব্র আক্রমণ চালিয়ে বিধায়ককে দেশের সংবিধান পড়ার পরামর্শ দেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, "এই ধরণের উসকানিমূলক বক্তব্য দেশ ভাগ করার চক্রান্ত। রামেশ্বর শর্মা যদি মুসলমানদের নিজেদের বোন ও মেয়েদের গরবায় আনার কথা বলেন, তবে বিজেপির নিজস্ব মুসলিম নেতারা—যেমন শাহনেওয়াজ হোসেন বা সৈয়দ জাফর ইসলামরা কি তাদের নিজেদের বোন-মেয়েদের গরবা অনুষ্ঠানে নিয়ে যাবেন?"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ