বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:২৫ পি.এম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াতে ইসলামী ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক দেশ গঠনে নেতৃত্ব তৈরি করছে। তিনি উল্লেখ করেন, "ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণ নয়, বরং দেশ গঠন ও মানবতার কল্যাণের জন্যই আমাদের রাজনীতি।"
তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে অসংখ্য নেতাকর্মীর মেহনত, শ্রম ও ত্যাগ-কোরবানির ফলস্বরূপ জামায়াত বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দলের আসনে অবস্থান করছে। জামায়াত দেশকে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত করার জন্য জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
বৃহস্পতিবার সকালে দিনাজপুর শহরের নাজমা গার্ডেন কমিউনিটি সেন্টারে দিনাজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক আয়োজিত ২০২৭-২৮ কার্যকালের জেলা আমির নির্বাচনে ভোট গ্রহণ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা আবদুল হালিম উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় দ্বীন কায়েমের জন্য জামায়াতের সদস্যগণ (রুকন) প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, "দ্বীন কায়েমের ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় দাওয়াত ও তাবলিগ, সংগঠন ও শৃঙ্খলা, নৈতিক প্রশিক্ষণ, সমাজসেবা ও রাষ্ট্র সংস্কার কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে জামায়াত ভূমিকা পালন করে আসছে।" জামায়াতের রুকনগণকে সমকালীন নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সতর্ক ও কৌশলী ভূমিকা পালন করতে হবে। সংগঠনের শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে রুকনগণকে অগ্রণী ভূমিকায় থাকতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হলে সংগঠনের সব দায়িত্বশীল ও রুকনকে ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে সামাজিক পরিসর পর্যন্ত সর্বত্র ইলম ও আমলের প্রতিফলন ঘটাতে হবে। তিনি বলেন, "কেবল সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; বরং মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, অসহায় মানুষের সহযোগিতা করা এবং সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখাও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।"
আত্মগঠন ও দাওয়াতি কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক রুকনকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কাছে ইসলামের সুমহান আদর্শ তুলে ধরতে হবে। সততা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে। আল্লাহ ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শের বার্তা দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সংগঠনের সর্বস্তরের দায়িত্বশীলদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও দিনাজপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ডক্টর এনামুল হকের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার এমপি, চিরিরবন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক জেলা আমির আফতাব উদ্দীন মোল্লা, দিনাজপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি রাজিবুর রহমান পলাশ ও সহকারী সেক্রেটারি সাইদুল ইসলাম সৈকত।
সম্মেলনে দিনাজপুর জেলা ও উপজেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের (পুরুষ ও মহিলা) প্রায় দুই হাজার রুকন ও ডেলিগেট অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর হাজারীবাগে অবস্থিত এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিসের একটি ওয়্যারহাউসে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) হাজারীবাগ থানা-পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেন হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশাররফ হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত বুধবার রাতে ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করার পর মামলা রুজু করা হয়। এরপর হাজারীবাগ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এ ঘটনার সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্যদের চিহ্নিত করার জন্য সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযানকে আরও জোরদার করা হয়েছে।
এর আগে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় হাজারীবাগের সিকদার মেডিকেলের পেছনে ম্যান্ডি ডেন্টাল রোডে ২৩টি মোটরসাইকেলে হেলমেট ও মাস্ক পরা প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ জন দুর্বৃত্ত প্রবেশ করে। মাত্র ১৮ মিনিটের মধ্যে তারা এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউসে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন যে, কোনো নেতা যদি মাদক, নারী ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে তবে বিএনপিতে তার জন্য কোনো স্থান নেই।
তিনি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের তিতারকান্দি ফাজিল মাদরাসা মাঠে মহিলা দলের পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি উল্লেখ করেন, ‘ভালো লোককে যুবদলের নেতৃত্বে দেব। যুবদলের নেতাগিরি করবেন, আর লোহালক্কড় নিয়ে হাঁটাহাঁটির চেষ্টা করবেন, ওইদিন শেষ। লোহালক্কড়ের রাজনীতি লক্ষ্মীপুরে চলবে না।’
এ্যানি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আগের লোকের সঙ্গে থেকে অপকর্মে লিপ্ত হয়ে কিছু মাল কামাবেন, অপকর্ম করবেন, ওই সুযোগ বিএনপির রাজনীতিতে তারেক জিয়ার আমলে হবে না।’
সভায় বাফুফে সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, বিএনপি নেতা আবুল হাশেম, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন এবং জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ, ক্যানুলা, স্যালাইনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী নগরের শম্ভুগঞ্জ এলাকার একটি বর্জ্য সংরক্ষণাগারে পাওয়া যাচ্ছে। এসব সামগ্রীর মেয়াদ ২০২৮ ও ২০৩১ সাল পর্যন্ত থাকলেও, হাসপাতাল থেকে বর্জ্যের সঙ্গে সেগুলো কীভাবে বাইরে যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মমেক হাসপাতাল বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন এখানে হাজারো রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। প্রয়োজনীয় ওষুধ ও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগের মধ্যে অব্যবহৃত চিকিৎসাসামগ্রী বর্জ্য সংরক্ষণাগারে পাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শম্ভুগঞ্জের ওই বর্জ্য সংরক্ষণাগারে কয়েক বস্তা সিরিঞ্জ, ক্যানুলা, স্যালাইনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া গেছে। এসব সামগ্রীর মেয়াদ শেষ হতে এখনো কয়েক বছর বাকি। বর্জ্য সংগ্রহ ও বাছাইয়ের কাজে যুক্ত শ্রমিকদের দাবি, বর্জ্যের সঙ্গে আসা নতুন চিকিৎসাসামগ্রী আলাদা করে রাখা হয়। পরে কিছু সামগ্রী হাসপাতালে ফেরত দেওয়া হয় এবং অবশিষ্টগুলো পাইকারি দরে বিক্রি করা হয়।
বর্জ্য সংগ্রহ ও বাছাইয়ের কাজে যুক্ত শ্রমিক জুবেদা খাতুন জানিয়েছেন, এ কাজে ১১ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চারজন মমেক হাসপাতাল থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করেন। অন্য সাতজন বর্জ্য সংরক্ষণাগারে সেগুলো বাছাই করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন বর্জ্যের সঙ্গে নতুন সিরিঞ্জ, ক্যানুলা ও স্যালাইন আসে। এগুলো আলাদা বস্তায় রাখা হয়। ১০ থেকে ১২ দিন পর তিন থেকে চার বস্তা জমলে সেগুলো হাসপাতালে ফেরত দেওয়া হয়। অবশিষ্ট সামগ্রী পাইকারি দরে বিক্রি করা হয়।
হাসপাতালের অব্যবহৃত চিকিৎসাসামগ্রী কীভাবে বর্জ্য সংরক্ষণাগারে যাচ্ছে, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সংগঠন ময়মনসিংহ মঞ্চের মুখ্য সমন্বয়ক ইমতিয়াজ আহমেদ। তিনি বলেন, এসব সামগ্রী হাসপাতালের বাইরে যাওয়ার ঘটনায় কর্তৃপক্ষের দায় ও তদারকির বিষয়টি খতিয়ে দেখা জরুরি। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে ঠিকাদার আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর কর্মকর্তা ঝন্টু সরকার জানিয়েছেন, অব্যবহৃত সিরিঞ্জ, ক্যানুলা, স্যালাইনসহ চিকিৎসাসামগ্রী হাসপাতালের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এসব সামগ্রী হাসপাতালের বাইরে যাওয়ার সুযোগ না থাকলে সেগুলো কীভাবে ফেরত দেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ছুটি শেষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ডেকে জবাবদিহি চাওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন মমেক হাসপাতাল থেকে ৩৫ থেকে ৪০ ভ্যানগাড়ি বর্জ্য সরানো হয়। এসব বর্জ্য থেকে প্রতি সপ্তাহে তিন থেকে কয়েক বস্তা অব্যবহৃত সিরিঞ্জ, ক্যানুলা, স্যালাইনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া যায় বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভারের ‘আব্বাস স্পেশালাইজড হাসপাতাল লিমিটেড’-এ নাকের পলিপাস অপারেশন করতে গিয়ে ভুল চিকিৎসার কারণে আবরাহাম নামের নয় বছরের এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হলেও, পরে প্রভাবশালী একটি চক্রের মধ্যস্থতায় ঘটনাটি ২০ লাখ টাকায় ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, নিহতের পরিবার মাত্র ১০ লাখ টাকা পেয়েছে; বাকি ১০ লাখ টাকা শালিসকারীরা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (২২ অক্টোবর) রাতে পৌর এলাকার মুক্তির মোড়ে অবস্থিত লন্ডনাস রেস্টুরেন্টের ভিতরে রেস্টুরেন্টটির মালিক ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ও জনৈক আবুল কালাম তাপসের উপস্থিতিতে এবং তাদের মধ্যস্থতায় স্ট্যাম্পে লিখে মৃতের স্বজনদের ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে ঘটনাটি আপস-মীমাংসা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাভার উপজেলার পার্শ্ববর্তী রাজাবাড়ী এলাকার আব্বাস স্পেশালাইজড হাসপাতাল লিমিটেডে বুধবার নাকের সাধারণ পলিপাস অপারেশনের জন্য ভর্তি করা হয় ৯ বছরের শিশু আবরাহামকে। কিন্তু অপারেশনের সময় চিকিৎসকদের চরম অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণে অস্ত্রোপচার কক্ষে শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়লে তাকে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের দায়িত্ব চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকরা বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করেন এবং শিশুটি আগেই অসুস্থ ছিল বলে দায় এড়ানোর বাহানা খোঁজেন।
ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার পর শিশুর স্বজনরা আব্বাস হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ করেন এবং ভিতরে ঢুকে রিসিপশনসহ বিভিন্ন দরজার কাচ ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ও আইনি ঝামেলা এড়াতে হাসপাতালের মালিকপক্ষ দ্রুত স্থানীয় কতিপয় নেতা, প্রভাবশালী মাতব্বরের শরণাপন্ন হন।
শিশু আবরাহাম (৯) মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার রাজনগর নোয়াদ্দা এলাকায় মায়ের সাথে বসবাস করত। তার বাবা আল আমিন দুবাই প্রবাসী।
শিশুটির মামা মোঃ রুবেল বলেন, "যে চলে গেছে সে তার ফেরত আসবে না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সমঝোতার জন্য শিশু আবরাহামের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দিয়েছে। আমাদের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে যা হাসপাতাল ভাঙচুর করেছিল এ ব্যাপারে ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিবে না এই শর্তে আমরা সমঝোতা করেছি।"
যদিও বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে লন্ডনাস রেস্টুরেন্টের মালিক সাবেক ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে আপস-মীমাংসার বিষয়টি স্বীকার করলেও টাকা লেনদেনের বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হননি তিনি। যারা বিচার সালিশ করে আপোষ করেছে তাদের মধ্যে দশ লাখ টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছে এমন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "হাসপাতালই আমাদের, আমরা আবার টাকা নেব। টাকা কি এতই সস্তা।"
এদিকে, সমঝোতার পর পর রাতেই শিশুটির পরিবারের সদস্যরা বিনা ময়নাতদন্তে লাশ গ্রহণ করে নিজ গ্রামে নিয়ে যায়।
তবে আপস মিমাংসার সময় ভুক্তভোগী পরিবার ছাড়াও সাভার মডেল থানায় ২ লক্ষ টাকা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলেও শোনা গেছে।
সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, "হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় আপস মীমাংসা হয়েছে শুনেছি। তবে টাকা লেনদেনের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।"
এ বিষয়ে জানতে আব্বাস স্পেশালাইজড হাসপাতালের মালিক ডা. মো. আব্বাস উদ্দিনের মুঠোফোন একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি। ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও কোনও সাড়া দেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ