শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫১ পি.এম
ইতালির স্কুলগুলোতে মুখঢাকা পোশাক নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, যেসব শিক্ষার্থী ইতালীয় ভাষায় কথা বলতে পারেন না, তাদের সংখ্যা একটি শ্রেণিকক্ষে মোট শিক্ষার্থীর ৩০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার পরিকল্পনাও করেছে দেশটির সরকার। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এই নিয়ম ভাঙলে সর্বোচ্চ ১ হাজার ইউরো বা প্রায় ১ হাজার ১৪০ ডলার জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
রবিবার, জাতীয়তাবাদী রক্ষণশীল দল ব্রাদার্স অব ইতালির যুব শাখার এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এসব পরিবর্তনের কথা জানান। বৃহস্পতিবার, মেলোনির মন্ত্রিসভা এ বিষয়ে একটি অধ্যাদেশ অনুমোদন দেয়। এটি কার্যকর হলে ইতালির স্কুলে বোরকা ও নিকাব পরা নিষিদ্ধ হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছর থেকে যেসব শিক্ষার্থী ইতালীয় ভাষায় কথা বলতে পারেন না, তাদের সংখ্যা কোনো শ্রেণিকক্ষে মোট শিক্ষার্থীর ৩০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। সরকার বলছে, এর উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ইতালীয় ভাষা শেখার সুযোগ বাড়ানো এবং স্কুলে তাদের একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা।
শিক্ষামন্ত্রী জুসেপ্পে ভালদিতারা জানিয়েছেন, কোনো একটি শ্রেণিকক্ষে ইতালীয় ভাষায় কথা বলতে পারে না—এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে স্থানীয় স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে দেবে।
আরো পড়ুন
সৌদির তেলপথ রক্ষায় লোহিত সাগরে সেনা পাঠাবে ফ্রান্স: ম্যাখোঁ
তবে কোনো স্কুলের পক্ষে এই নিয়ম মানা সম্ভব না হলে বিশেষ ছাড় দেওয়ার সুযোগ থাকবে। এ ছাড়া এসব স্কুলকে অতিরিক্ত ভাষা সহায়তার জন্য অর্থও দেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রীর হিসাব অনুযায়ী, নতুন নিয়মের আওতায় পড়বে প্রায় ১ হাজার শ্রেণিকক্ষ। দেশজুড়ে মোট শ্রেণিকক্ষের তুলনায় এটি প্রায় ০.৩ শতাংশ। নতুন নিয়মগুলো অধ্যাদেশভিত্তিক আইনের মাধ্যমে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে আইনটি দ্রুত কার্যকর হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে ৬০ দিনের মধ্যে সংসদের অনুমোদন নিতে হবে। ইতালির প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাতারেল্লাকেও এতে স্বাক্ষর করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী মেলোনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, "ইতালীয় ভাষা শেখার সুযোগ তৈরি করা এবং স্কুলে বোরকা ও নিকাব বন্ধের উদ্যোগ এমন বিষয়, যা সাধারণ মানুষের কাছে স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য।"
তিনি বলেন, সরকার এমন একটি স্কুলব্যবস্থা চায়, যেখানে নিয়ম মেনে সবাইকে একীভূত করা হবে। একই সঙ্গে যেসব শিক্ষার্থী বেশি সমস্যায় আছে, তাদের সহায়তা দেওয়া হবে এবং সবাইকে সমান সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। তবে সরকারের এই উদ্যোগ নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনা রয়েছে।
বিরোধী রাজনীতিকরা অভিযোগ করেছেন, আগামী বছরের নির্বাচনের আগে মেলোনির সরকার সংস্কৃতি ও অভিবাসন নিয়ে বিভাজন তৈরি করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, সাবেক সেনা কর্মকর্তা রবার্তো ভান্নাচ্চির নেতৃত্বাধীন উগ্র ডানপন্থী ন্যাশনাল ফিউচার দলের জনপ্রিয়তা ঠেকাতেও সরকার এসব বিষয়কে সামনে আনছে।
আরো পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দুবাই হয়ে দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী
অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রচারকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী প্রচারে স্কুলকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে তুলে ধরেছে ন্যাশনাল ফিউচার। গত জুলাইয়ে দলটি স্কুলে বোরকা নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছিল। বিরোধী নেতারা আরো অভিযোগ করেছেন, শিক্ষার্থী ও স্কুলগুলোর বাস্তব সমস্যার সমাধানের বদলে সরকার সংস্কৃতি ও পরিচয় নিয়ে বিতর্ককে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। মধ্য-বামপন্থী ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা এলি শ্লেইন সরকারের অধ্যাদেশের সমালোচনা করেছেন। তার অভিযোগ, নতুন একটি আদর্শিক বিতর্কের আড়ালে সরকারি স্কুলব্যবস্থার প্রকৃত সমস্যাগুলো সমাধানে সরকারের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা করা হচ্ছে। শিক্ষক ইউনিয়নগুলোও সরকারের উদ্যোগের সমালোচনা করেছে। তাদের অভিযোগ, নতুন নিয়ম করার আগে শিক্ষকদের সঙ্গে যথেষ্ট আলোচনা করা হয়নি। পাশাপাশি এই নিয়ম বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও সহায়তার ব্যবস্থাও করা হয়নি।
বিশেষ করে যেসব এলাকায় অভিবাসী পরিবারের সংখ্যা বেশি, সেসব এলাকায় নতুন নিয়ম কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্কুল প্রধানরা।
জাতীয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি আন্তোনেল্লো জিয়ানেল্লি বলেন, "শিক্ষার দিক থেকে এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটিকে বাস্তবে কার্যকর করার মতো সমাধানে পরিণত করা কঠিন।"
ইতালির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে দেশটির স্কুলগুলোর মোট শিক্ষার্থীর ১১.২ শতাংশ ছিল অন্য দেশের নাগরিক। তবে সব শ্রেণিকক্ষে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সমান নয়। ওই শিক্ষাবর্ষে দেশটির মোট শ্রেণিকক্ষের ৭.৬ শতাংশে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩০ শতাংশের বেশি।
আরো পড়ুন
সৌদির তেলপথ রক্ষায় লোহিত সাগরে সেনা পাঠাবে ফ্রান্স: ম্যাখোঁ
সরকারের নতুন নিয়ম মূলত এসব শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ও বিন্যাসে পরিবর্তন আনবে। এদিকে বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ভাষাগত সহায়তার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। ফলে নতুন নিয়ম কার্যকর হলে ইতালির স্কুলগুলোতে পোশাক, ভাষা শিক্ষা এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের শ্রেণিবিন্যাস- তিন ক্ষেত্রেই পরিবর্তন আসতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফার শাসন কাঠামোতে স্বাধীন পর্যালোচনা চালুর ঘোষণা দিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, যিনি অব্যহত সমালোচনার মাঝে এই পদক্ষেপটি গ্রহণ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ফুটবলের ভালোর জন্য সঠিক কাজটি করতে তিনি “কখনও এতটা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন না”।
গত জুলাইয়ে দ্য টাইমস প্রথমবারের মতো প্রকাশ করে যে, ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলো, যার মধ্যে বিশ্বকাপ অন্তর্ভুক্ত, পরিচালনার জন্য একটি বাণিজ্যিক সংস্থা গঠনে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।
এ বিষয়ে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা মার্কিন আদালতে নথি প্রকাশের জন্য আবেদন করেছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, ইনফান্তিনো সংস্থাটির মূল্যায়ন মাত্র ২০ বিলিয়ন ডলার করে কম দেখিয়েছেন।
ফিফা এই অভিযোগকে “কুৎসা প্রচার” বলে দাবি করেছে।
ইনফান্তিনো ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, “এটি ইতিবাচক শিরোনাম তৈরির জন্য নয়, বরং খেলার জন্য সঠিক কাজ করার জন্য। আমি কখনও এতটা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলাম না।”
তিনি সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে এই বার্তা দেন, যেখানে তিনি সৌদি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সৌদি আরব ও কাতারকে তার সম্ভাব্য বড় সমর্থক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সৌদিতে গালফ কাপ টুর্নামেন্টে থাকা ইনফান্তিনো আয়োজক দেশের প্রশংসা করেন এবং ফিফা কাউন্সিল ও সদস্য দেশগুলোকে পাঠানো তার একটি চিঠির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে তিনি সংস্কার নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
ইনস্টাগ্রামে চিঠিটির প্রতিক্রিয়ায় তিনি ‘ইতিবাচক বার্তা’ পেয়েছেন উল্লেখ করে ইনফান্তিনো খোলামেলা যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
“আগামী মাসে আমাদের ফিফা কাউন্সিলের বৈঠক আছে, তাই আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাব। আলোচনার একটি সংস্কৃতি থাকতে হবে, যেখানে পরস্পরের কথা শুনতে হবে এবং একে অপরকে সম্মান করতে হবে।”
ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ও ফিফার সহ-সভাপতি ডেবি হিউইট ইনফান্তিনোকে চিঠি দিয়ে নথি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের হাউস জুডিশিয়ারি কমিটির সদস্যরা ট্রাম্পের সঙ্গে ইনফান্তিনোর সম্পর্ক নিয়ে তদন্তে ফিফার সহযোগিতাকে “অপর্যাপ্ত” বলেছেন।
ফিফা দাবি করেছে, তারা মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে “গঠনমূলক আলোচনা” করেছে।
ইনফান্তিনো আগামী বছরের নির্বাচনে চতুর্থ মেয়াদে প্রার্থী হতে চান। উয়েফা জানিয়েছে, তারা তার বিপক্ষে একজন বিশ্বাসযোগ্য প্রার্থী দাঁড় করাবে।
প্রার্থিতা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৮ নভেম্বর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে এটি অপরিহার্য এবং এর কোনো বিকল্প অকল্পনীয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান।
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘জাতিসংঘ কোথায় পিছিয়ে পড়ছে তা চিহ্নিত করতে হবে। যেসব বিষয় আর কার্যকর নয়, সেগুলোতে সংস্কার আনতে হবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আস্থা চাওয়া যায় না, এটি অর্জন করতে হয়।’ শিল্প খাতের নেতা থেকে শুরু করে তরুণ পরিবর্তনকারীদের মতো আরো বেশি কণ্ঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আলোচনায় যুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি আরো বলেন, এবারের অধিবেশন এমন একটি জাতিসংঘ গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করেছে, যা কঠিন বাস্তবতা মোকাবেলায় যথেষ্ট বাস্তববাদী, সংস্কারের জন্য যথেষ্ট সাহসী এবং প্রয়োজনীয় অংশীজনদের অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্মুক্ত।
এভাবেই জাতিসংঘকে ভবিষ্যতের উপযোগী করে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভারের আমিন বাজারে এসআই আলতাব হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৮ নাম্বার আসামি মারুন (২০) পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১.৩০ মিনিটে আমিন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই মো. জাকির আল আহসান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স-সহ বড়দেশী পশ্চিম পাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় মারুনকে তার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আলতাব হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মারুনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, রিমান্ডের আবেদন করে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের আকস্মিক বিদায়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে নেইমার অবসর গ্রহণ করেন। এরপর থেকেই ফুটবল জগতে চলছিল আলোচনা—পরবর্তী বিশ্বকাপচক্রে সেলেসাওদের ঐতিহ্যবাহী ১০ নম্বর জার্সিটি কার গায়ে উঠবে? অবশেষে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) সেই কৌতুহলের উত্তর দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিরতির সময় তিনটি প্রীতি ম্যাচের জন্য নতুন জার্সি নম্বর প্রকাশ করেছে তারা, যেখানে নেইমারের ১০ নম্বর জার্সিটি পেয়েছেন বার্সেলোনা তারকা রাফিনিয়া।
সর্বশেষ বিশ্বকাপে ১১ নম্বর জার্সি পরে খেলা রাফিনিয়া বর্তমানে বার্সেলোনার হয়ে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। তিনি চলতি মৌসুমে ৮ ম্যাচে ১৪ গোল করেছেন এবং ৩টি গোল করিয়েছেন। এই ভূমিকা ব্রাজিলের ঐতিহাসিক ১০ নম্বর জার্সির ঐতিহ্যকে মনে করিয়ে দেয়, যা অতীতে কিংবদন্তি পেলে, জিকো, রোনালদিনহো, কাকা ও নেইমার ধারণ করেছেন।
জার্সি নম্বরে এসেছে আরও একাধিক পরিবর্তন। রাফিনিয়ার সাবেক ১১ নম্বর জার্সিটি এখন চেলসি উইঙ্গার এস্তেভাওয়ের গায়ে, যিনি পূর্বে ২০ নম্বর পরতেন। মাতেউস কুনিয়ার অনুপস্থিতিতে ৯ নম্বর জার্সি পেয়েছেন এনদ্রিক, দগলাস সান্তোস পেয়েছেন ৬ নম্বর এবং কাসেমিরোর ৫ নম্বর জার্সিটি উঠেছে দানিলো সান্তোসের গায়ে। অন্যদিকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (৭), ব্রুনো গিমারাইস (৮) এবং মারকিনিওস (৪) তাদের পূর্বের জার্সি নম্বরই ধরে রেখেছেন।
গুঞ্জন ছিল ভিনিসিয়ুস বা এস্তেভাও ১০ নম্বর জার্সি পেতে পারেন, কিন্তু সাম্প্রতিক ক্লাবের দুর্দান্ত ফর্ম রাফিনিয়াকেই এই সম্মানের দৌড়ে এগিয়ে নিয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ