মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৭ পি.এম
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে একটি চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আগুন লেগে সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ৩ নম্বর মির্জাপুর ইউনিয়নের চারিয়া বোর্ড স্কুলের কাছে হাটহাজারী নাজিরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের ওপর এই দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিসের সূত্র অনুযায়ী, যাত্রী নিয়ে হাটহাজারী থেকে নাজিরহাটের দিকে যাচ্ছিল একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। উল্লেখিত স্থান অতিক্রম করার সময় ইঞ্জিনের ওভার হিটিংয়ের কারণে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এ সময় চালক ও যাত্রীরা দ্রুত সিএনজি থেকে নেমে যেতে সক্ষম হন। পরে পুরো অটোরিকশাটি আগুনে পুড়ে যায়। খবর পেয়ে হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মো. মাহফুজ রিবেনের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুন লাগার পর অটোরিকশাটি সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত সিএনজিচালক মো. আলমগীর বলেন, ‘আমি হাটহাজারী থেকে যাত্রী নিয়ে উল্লেখিত স্থানে আসার পর গাড়িতে আগুন ধরে যায়। আমি এবং যাত্রীরা দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে পালিয়ে রক্ষা পাই। এই সিএনজি চালিয়ে আমি আমার পরিবারের ভরণ পোষণ করতাম। এখন আমার রুজি রোজগারের গাড়িটি পুড়ে গেছে। কিভাবে জীবিকা নির্বাহ করব কিছুই মাথায় আসছে না।’
হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মো. আবদুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ২ হাজার ৯৩৭ টি মামলা দায়ের করেছে।
আজ ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গতকাল সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৫ টি বাস, ৬ টি কাভার্ডভ্যান, ৯ টি সিএনজি ও ৩০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১১২ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৮ টি বাস, ৯ টি ট্রাক, ৪ টি কাভার্ডভ্যান, ২৭ টি সিএনজি ও ৮০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৭২ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ১৩ টি বাস, ২ টি ট্রাক, ২৬ টি কাভার্ডভ্যান, ৫১ টি সিএনজিসহ মোট ৩৩৯ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩৬ টি বাস, ৫৪ টি ট্রাক, ৪৬ টি কাভার্ডভ্যান, ৫৩ টি সিএনজিসহ ও ১৫১ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৫২ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়া, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ২৩ টি বাস, ৯ টি কাভার্ডভ্যান, ২৮ টি সিএনজি ও ৮৬ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২২০ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৪৬ টি বাস, ২২ টি ট্রাক, ৩৯ টি কাভার্ডভ্যান, ৭৮ টি সিএনজি ও ২৭০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬১৫ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৫৩ টি বাস, ১৫ টি ট্রাক, ৩০ টি কাভার্ডভ্যান, ৭৯ টি সিএনজি ও ২৭১ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬৬৬ টি মামলা হয়েছে।
এছাড়া, ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৪৪ টি বাস, ২ টি ট্রাক, ৯ টি কাভার্ডভ্যান, ২৭ টি সিএনজি ও ১৩২ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩৩ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে মোট ৬৪৬ টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৪০১ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফার বাতিল হওয়া ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) প্রস্তাব ফুটবল শাসন ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য ত্রুটি প্রকাশ করেছে বলে অভিযোগ করেছে ইউরোপের ফুটবলারদের সংগঠন ফিফপ্রো ইউরোপ। সোমবার প্রকাশিত একটি গবেষণায় তারা ফিফার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।
ফিফপ্রো ইউরোপের মতে, এফএফই উদ্যোগটি বিশ্বকাপসহ অন্যান্য বড় প্রতিযোগিতাগুলোকে বেসরকারি মূলধনের সম্পদে পরিণত করার চেষ্টা করেছিল। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই বছর প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিলেন, কিন্তু ব্যাপক বিরোধিতার কারণে এটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
যদিও প্রস্তাবটি বাতিল হয়েছে, তবুও যে শাসন কাঠামোতে এটি তৈরি হয়েছিল, তার ত্রুটি এখনো বিদ্যমান বলে মনে করছে ইউনিয়নটি।
২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ৮৫৬ খেলোয়াড়কে নিয়োগ দিয়েছে ইউরোপীয় ক্লাবগুলো, যাদের সম্মিলিত মূল্য প্রায় ১৬.৯ বিলিয়ন ইউরো (১৯.৮ বিলিয়ন ডলার)। এটি পুরো টুর্নামেন্টের খেলোয়াড় মূল্যের ৯৪%।
গত পাঁচটি বিশ্বকাপে সব ২০ জন ব্যক্তিগত পুরস্কারজয়ী খেলোয়াড় ইউরোপীয় ক্লাবের হয়ে খেলেছেন।
বিশ্বকাপের রাজস্বের মধ্যে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রাইজমানি ২০০৬ সালে ১০.৫% থেকে ২০২৬ সালে কমে ৭.৭% এ দাঁড়িয়েছে।
ফিফপ্রো ইউরোপের বক্তব্য, "FFE ছিল ফুটবলের মূল প্রতিযোগিতাগুলোকে বিনিয়োগযোগ্য ও বাণিজ্যযোগ্য সম্পদে রূপান্তরের চেষ্টা," প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইউনিয়নটি বলেছে, ছোট ফেডারেশনগুলোর উন্নয়ন তহবিল বৃদ্ধি করা জরুরি, তবে এটি একতরফাভাবে নয়, বরং সকল স্টেকহোল্ডারের যৌথ আলোচনার মাধ্যমে হওয়া উচিত।
তারা ফিফা কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বাধীন পর্যালোচনা দাবি করেছে, যাতে কোনো একক অফিস থেকে বড় পরিবর্তন চাপিয়ে দেওয়া না হয়।
খেলোয়াড়, ক্লাব ও লিগগুলোকে জাতীয় সংস্থার পাশাপাশি আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটবল শাসনে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ফিফা যুক্তি দিয়েছে যে, ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফার বিরোধিতা মূলত তাদের আধিপত্য বজায় রাখার প্রচেষ্টা।
ফিফপ্রো ইউরোপ বলছে, খেলোয়াড়রা সামান্য অংশই পাচ্ছে, অথচ ফেডারেশনগুলো প্রাইজমানির ওপর নির্ভরশীল।
ফিফপ্রো ইউরোপ মনে করে ফুটবলের "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো" রক্ষায় এখনই সংস্কারের প্রয়োজন, নাহলে ভবিষ্যতে আবারও একই ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের লাইছ ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে পিতা-মাতা ও শিক্ষকের প্রতি ছাত্র-ছাত্রীদের কর্তব্য, মাদকের কুফল এবং ইভটিজিংয়ের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) সোমবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ আলোচনায় বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক ও শিক্ষক মন্ডলীরা অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলাবোধ, পিতা-মাতা ও শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনা করেন মধ্যনগর থানা অফিসার ইনচার্জ এ কে এম শাহাবুদ্দিন শাহীন।
তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের কাছাকাছি গিয়ে মমত্ববোধ সৃষ্টি করে মাদকের ভয়াবহতা ও এর সামাজিক কুফল এবং ইভটিজিং এর বদঅভ্যাসের আইনী প্রতিকারের শাস্তি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এসময় বক্তারা বলেন, মাদক একজন শিক্ষার্থীর সুন্দর ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে নানা ধরনের অপরাধ ও অস্থিরতা সৃষ্টি করে। তাই মাদক থেকে দূরে থেকে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
এছাড়া ইভটিজিংয়ের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়েও শিক্ষার্থীদের সচেতন করা হয়। ইভটিজিং শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও সমাজের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
উন্মুক্ত আলোচনায় শিক্ষার্থীরা থানা অফিসার ইনচার্জ শাহাবুদ্দিন শাহীন সাবের সাথে আন্তরিকতার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা প্রশ্ন করেন এবং তিনি শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দেন। এ ধরনের সচেতনতামূলক আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও অপরাধবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ