বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৭ পি.এম
বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে শ্রমিক অসন্তোষ, আন্দোলন, সংঘাত এবং সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। শিল্পের উৎপাদন ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা রক্ষা করতে হবে, এবং শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে সরকারের ব্যর্থতা শিল্প খাতকে সংকটের মুখে ফেলছে বলে মন্তব্য করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর বিজয়নগরে এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এই আহ্বান জানান।
শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শাহ আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় এবি পার্টির পক্ষ থেকে কিছু দাবি তুলে ধরেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান।
এ সময় মঞ্জু বলেন, "শ্রমিকের অধিকার এবং পোশাকশিল্পের স্বার্থ পরস্পরবিরোধী নয়। শ্রমিককে ন্যায্য মজুরি দিতে হবে, একই সঙ্গে শিল্পের কর্মসংস্থান ও উৎপাদন সক্ষমতাও রক্ষা করতে হবে। তবে শ্রমিকের অধিকার ও শিল্পের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাকশিল্প থেকে। প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক সরাসরি এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। কাজেই পোশাকশিল্পের সংকট শুধু মালিকদের ব্যবসায়িক সমস্যা নয়, এটি জাতীয় অর্থনীতি ও লাখ লাখ পরিবারের জীবিকার প্রশ্ন।" দ্রব্যমূল্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াত ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান মজুরিতে শ্রমিকদের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে। উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি ও অর্থায়নের খরচ বেড়ে গেলেও আন্তর্জাতিক ক্রেতারা অনেক ক্ষেত্রে পণ্যের ন্যায্য মূল্য দিচ্ছে না। ফলে শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির পুরো চাপ যদি শুধু কারখানার মালিকদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানাগুলো সংকটে পড়তে পারে। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও ক্রেতাদেরও শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার দায় নিতে হবে।"
শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলায় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ভূমিকার সমালোচনা করে এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, "আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব নয়। দেশে পুলিশ, শিল্প পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থাকা সত্ত্বেও বিএনপির নেতাকর্মীদের লাঠিসোঁটা নিয়ে রাজপথে নামতে দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের উপস্থিতির খবরও এসেছে। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা কেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করবেন? এই একই ভুল আওয়ামী লীগও করেছিলো। শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণের নামে রাজনৈতিক কর্মীদের মাঠে নামানো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে এবং নতুন সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করে। বিএনপি বিরোধী দলে থাকার সময় যে নিরপেক্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি করেছিল, এখন তাদের সেই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় বিএনপি গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছিল। অন্যদিকে এর আগে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী বর্তমান পরিকল্পনা প্রতি মন্ত্রী জোনায়েদ সাকি ২৫ হাজার টাকা মজুরির দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।"
এখন শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকার দাবির বিষয়ে তাদের অবস্থান কী, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। বিরোধী দলে থাকলে শ্রমিকের অধিকারের পক্ষে কথা বলা আর ক্ষমতায় এসে সেই প্রশ্নে ভিন্ন অবস্থান নেওয়া উচিত নয়।
মজুরি বোর্ড গঠন ও সরকারের উদ্যোগের বিলম্বের সমালোচনা করে মঞ্জু বলেন, "১৫ অক্টোবর মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ড গঠন করতে ১ নভেম্বর পর্যন্ত সময় লেগেছে। প্রথম সভা হয়েছে ৪ নভেম্বর। শ্রমিক অসন্তোষ বাড়তে থাকার মধ্যে এতদিন কার্যকর আলোচনা ও সমাধানের উদ্যোগ না নেওয়া সরকারের সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। শ্রমিকদের দাবি ও অসন্তোষকে শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখলে চলবে না; এটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায্যতার প্রশ্ন।"
গাজীপুরে শ্রমিক তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে তিনি বলেন, "এই মৃত্যুর জন্য কারা দায়ী, শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় কারা জড়িত এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছে কি না, তা তদন্ত করে জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। আন্দোলনে কোনো রাজনৈতিক দলের অনুপ্রবেশ, উসকানি, ভাঙচুর বা নাশকতার অভিযোগ থাকলে সেগুলোও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে। কোনভাবেই নৈরাজ্য, গাড়ী ভাঙচুর, প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর গ্রহণযোগ্য নয়। এর সাথে যারা জড়িত তাদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।"
সংবাদ সম্মেলনে এবি পার্টির পক্ষ থেকে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান বর্তমান মজুরি বোর্ডকে কার্যকর করে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামোর সুপারিশ চূড়ান্ত করার দাবি জানান। শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনার ভিত্তিতে বাস্তবায়নযোগ্য মজুরি বৃদ্ধির রোডম্যাপ ঘোষণা করারও দাবি জানানো হয়। প্রয়োজনে ধাপে ধাপে বৃদ্ধি করা হলেও প্রতিটি ধাপের পরিমাণ ও কার্যকর হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করার দাবি জানানো হয়।
ব্যারিস্টার নোমান আরও বলেন, "শ্রমিকের মজুরি কমিয়ে কিংবা আন্দোলন দমন করে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। আবার ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার মধ্য দিয়েও শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না। প্রয়োজন ন্যায়ভিত্তিক মজুরি, দায়িত্বশীল মালিকানা, দক্ষ ও উৎপাদনশীল শ্রমশক্তি এবং জবাবদিহিমূলক সরকার।"
এবি পার্টি সংকট তৈরি হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানোর রাজনীতি নয়, সংকট তৈরি হওয়ার আগেই সমাধানের রাজনীতি চায়। শ্রমিকের মর্যাদা, শিল্পের সুরক্ষা এবং জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত জাতীয় পোশাকশিল্প ও শ্রমনীতি প্রণয়ন করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এবি পার্টির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন রানা, এবিএম খালিদ হাসান, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, শ্রমিক পার্টির সমন্বয়ক জামাল শেখ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ, সহকারী দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, মোহসীনুল হক চৌধুরী, মশিউর রহমান মিলু, শ্রমিক নেত্রী বেবি পাঠান গাইবান্ধা জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম, রমনা থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী এবং পল্টন থানার সদস্য আব্দুল কুদ্দুস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মোংলা বন্দরে নির্ধারিত কর্মসূচি সম্পন্ন করার পর তিনি বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজারে গমন করেন।
এই সময় প্রধানমন্ত্রী মাজার জিয়ারত করেন এবং দোয়া ও মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
বিকেলে প্রধানমন্ত্রী খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতে যাওয়ার পথে কাটাখালি মোড়ে অনুষ্ঠিত একটি পথসভায় বক্তব্য প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
পথসভাটি বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা-মোংলা মহাসড়কের কাটাখালি মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী এর আগে সকালে মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
পথসভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের কর্মসূচি রয়েছে। এরপর খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের প্রধান বিরোধী দলের নেতারা সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন। তারা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে যত দ্রুত সম্ভব ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নতুন সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) হার্জলিয়া শহরে ইহুদি নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর এটি ছিল তাদের প্রথম যৌথ বৈঠক। নির্বাচনে ১২০ আসনের ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে কোনো জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ। তিনি বুধবার থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ শুরু করবেন। বিরোধী নেতাদের এই সমঝোতা নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।
তবে বিরোধী জোটের মধ্যে কিছু মতপার্থক্য বিদ্যমান। বিশেষ করে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন করা হবে কি না, তা নিয়ে নেতাদের মধ্যে একমত হতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। নতুন সরকার গঠনে এসব দলের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
বিরোধী নেতারা যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তারা প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের কাছে ইয়াশার পার্টির প্রধান গাদি আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী পদে মনোনয়নের সুপারিশ করবে। পাশাপাশি, সরকারের নীতিমালা ও জোট চুক্তির খসড়া তৈরির জন্য আলোচনা অবিলম্বে শুরু করবে দলগুলো।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন বর্তমান জোট সরকারকে সরিয়ে ‘জাতীয় জরুরি সরকার’ গঠনের লক্ষ্যে দলগুলোর নেতারা সমন্বিতভাবে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈঠকে গাদি আইজেনকট, সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট, ইসরাইল বেইতেনু পার্টির নেতা আভিগদর লিবারম্যান, ডেমোক্র্যাটস পার্টির ইয়ার গোলান এবং ইয়েশ আতিদ পার্টির প্রধান ইয়ার লাপিদ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আইজেনকটের উত্থাপিত চারটি মূলনীতির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন বিরোধী নেতারা। এসব নীতির মধ্যে রয়েছে—সরকারের অংশীদার সব দলকে ইসরাইলকে ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং হামাসকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে অভিহিত করতে হবে।
তবে এসব শর্তের কারণে আরব নেতৃত্বাধীন কয়েকটি দল বিরোধী জোটের সঙ্গে সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে না-ও পারে।
এদিকে, নির্বাচনে তৃতীয় স্থান অর্জন করা বেনেট সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের হাতে সময় নেই। অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে।’
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের ছয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। বুধবার (৪ নভেম্বর) গভীর রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মাহমুদপুর মহল্লা এবং সদর উপজেলার ছোনগাছা, শিয়ালকোল ও সয়দাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ছয় নেতাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—শিয়ালকোল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শিলন্দা গ্রামের আবু তালেবের ছেলে মো. শামসুল আলম (৪৭), সয়দাবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি খিদির ব্রিজ এলাকার মৃত জালাল উদ্দিন শেখের ছেলে মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৮), একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক জারিলা গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে মো. জয়নাল আবেদীন (৪১)।
এ ছাড়া ছোনগাছা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি ছোনগাছা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো. রাশেদুল ইসলাম (৩৪), একই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য পোটল ছোনগাছা গ্রামের আব্দুর রহিম ওরফে শওকতের ছেলে মো. শাহাদাত হোসেন (২২) এবং সিরাজগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের গ্রন্থনা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদপুর মহল্লার আব্দুল বাছেদের ছেলে মো. নাদিম সেখকে (২৩) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার রাতভর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ছয় নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ