বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৭ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মোংলা বন্দরে নির্ধারিত কর্মসূচি সম্পন্ন করার পর তিনি বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজারে গমন করেন।
এই সময় প্রধানমন্ত্রী মাজার জিয়ারত করেন এবং দোয়া ও মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
বিকেলে প্রধানমন্ত্রী খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতে যাওয়ার পথে কাটাখালি মোড়ে অনুষ্ঠিত একটি পথসভায় বক্তব্য প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
পথসভাটি বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা-মোংলা মহাসড়কের কাটাখালি মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী এর আগে সকালে মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
পথসভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের কর্মসূচি রয়েছে। এরপর খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের প্রধান বিরোধী দলের নেতারা সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন। তারা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে যত দ্রুত সম্ভব ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নতুন সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) হার্জলিয়া শহরে ইহুদি নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর এটি ছিল তাদের প্রথম যৌথ বৈঠক। নির্বাচনে ১২০ আসনের ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে কোনো জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ। তিনি বুধবার থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ শুরু করবেন। বিরোধী নেতাদের এই সমঝোতা নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।
তবে বিরোধী জোটের মধ্যে কিছু মতপার্থক্য বিদ্যমান। বিশেষ করে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন করা হবে কি না, তা নিয়ে নেতাদের মধ্যে একমত হতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। নতুন সরকার গঠনে এসব দলের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
বিরোধী নেতারা যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তারা প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের কাছে ইয়াশার পার্টির প্রধান গাদি আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী পদে মনোনয়নের সুপারিশ করবে। পাশাপাশি, সরকারের নীতিমালা ও জোট চুক্তির খসড়া তৈরির জন্য আলোচনা অবিলম্বে শুরু করবে দলগুলো।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন বর্তমান জোট সরকারকে সরিয়ে ‘জাতীয় জরুরি সরকার’ গঠনের লক্ষ্যে দলগুলোর নেতারা সমন্বিতভাবে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈঠকে গাদি আইজেনকট, সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট, ইসরাইল বেইতেনু পার্টির নেতা আভিগদর লিবারম্যান, ডেমোক্র্যাটস পার্টির ইয়ার গোলান এবং ইয়েশ আতিদ পার্টির প্রধান ইয়ার লাপিদ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আইজেনকটের উত্থাপিত চারটি মূলনীতির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন বিরোধী নেতারা। এসব নীতির মধ্যে রয়েছে—সরকারের অংশীদার সব দলকে ইসরাইলকে ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং হামাসকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে অভিহিত করতে হবে।
তবে এসব শর্তের কারণে আরব নেতৃত্বাধীন কয়েকটি দল বিরোধী জোটের সঙ্গে সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে না-ও পারে।
এদিকে, নির্বাচনে তৃতীয় স্থান অর্জন করা বেনেট সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের হাতে সময় নেই। অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে।’
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের ছয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। বুধবার (৪ নভেম্বর) গভীর রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মাহমুদপুর মহল্লা এবং সদর উপজেলার ছোনগাছা, শিয়ালকোল ও সয়দাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ছয় নেতাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—শিয়ালকোল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শিলন্দা গ্রামের আবু তালেবের ছেলে মো. শামসুল আলম (৪৭), সয়দাবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি খিদির ব্রিজ এলাকার মৃত জালাল উদ্দিন শেখের ছেলে মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৮), একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক জারিলা গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে মো. জয়নাল আবেদীন (৪১)।
এ ছাড়া ছোনগাছা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি ছোনগাছা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো. রাশেদুল ইসলাম (৩৪), একই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য পোটল ছোনগাছা গ্রামের আব্দুর রহিম ওরফে শওকতের ছেলে মো. শাহাদাত হোসেন (২২) এবং সিরাজগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের গ্রন্থনা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদপুর মহল্লার আব্দুল বাছেদের ছেলে মো. নাদিম সেখকে (২৩) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার রাতভর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ছয় নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কনিষ্ঠ প্রজন্মের প্রতিনিধিদের দ্বারা ইতিহাস সৃষ্টির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটেছে। সর্বকনিষ্ঠ কংগ্রেস সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জেন-জি প্রজন্মের তরুণ প্রার্থীরা।
নতুন জেনারেশনের নতুন ধারা : নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আসা দুই তরুণ প্রার্থী ২০-এর কোঠায় থেকেই মার্কিন রাজনীতির সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করেছেন। মাইকেল আলফনসো (২৬) : উইসকনসিনের ৭ম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে নির্বাচিত হয়ে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইকেল আলফনসো বর্তমানে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য। তিনি প্রথম ২০০০-এর দশকে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তি, যিনি মার্কিন কংগ্রেসে প্রতিনিধিত্ব করবেন।
মেলাট কিরোস (২৯) : কলোরাডোর ১ম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী এবং ইথিওপীয় বংশোদ্ভূত আইনজীবী মেলাট কিরোস প্রতিনিধি পরিষদে প্রথম জেন-জি নারী হিসেবে স্থান পেয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।
জয়ের পর, মার্কিন আইনসভা কংগ্রেসে তরুণ ও সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নতুন নির্বাচিত আইনপ্রণেতারা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণে তরুণ প্রজন্মের কণ্ঠস্বর আরও জোরালো হবে।
সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ