ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
১২:২৬ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী পেস আক্রমণের বিপক্ষে টেস্টে সাফল্য পেতে ব্যাটারদের দীর্ঘ সময় মনোযোগ ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ডারউইনে প্রথম টেস্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, প্রতিটি সেশন ধরে ভালো ক্রিকেট খেলাই দলের মূল লক্ষ্য।
দীর্ঘ ২৩ বছর পর বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে। দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টটি বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায় ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে শুরু হবে।
প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে হারের পরও বাংলাদেশ আত্মবিশ্বাস হারাচ্ছে না। শান্তর মতে, ম্যাচ কত দিন গড়াবে সেটি নিয়ে না ভেবে প্রতিটি সেশনে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার দিকেই মনোযোগ থাকবে দলের।
শান্ত বলেন, 'আমরা তো খেলোয়াড় হিসেবে পাঁচ দিন ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই, প্রতিটা সেশন বাই সেশন খেলতে চাই, আমরা যেটা সব সময় বলি।'
তিনি আরও বলেন, 'একেকটা সেশন গুরুত্বপূর্ণ। চার দিন যাবে, পাঁচ দিন যাবে, নাকি তিন দিন যাবে এ ধরনের আলোচনা থাকবেই। কিন্তু খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের সব সময় লক্ষ্য থাকবে যে আমরা কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি।'
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে বাংলাদেশের ব্যাটারদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হবে নতুন বল সামলানো। মারারা স্টেডিয়ামের ড্রপ-ইন উইকেটে পেসাররা শুরুতে বাড়তি সুবিধা পেতে পারেন। তাই আগ্রাসনের বদলে পরিস্থিতি বুঝে নিজেদের স্বাভাবিক ব্যাটিং করার পরামর্শ দিয়েছেন শান্ত।
তিনি বলেন, 'আমার মনে হয়, নতুন বলে সব সময় সব জায়গায় চ্যালেঞ্জ থাকে, এখানে হয়তো একটু বেশি থাকবে। এখানে যতক্ষণে আমরা ব্যাটিং করব, যে-ই ব্যাটিং করবে, যার যার সহজাত খেলাটা খেলবে এবং রানের জন্য খেলবে।'
ব্যাটারদের দীর্ঘ সময় উইকেটে থাকার গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে শান্ত বলেন, 'লম্বা সময় মনোযোগ ধরে রেখে ব্যাটিং করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তারা খুবই ভালো বোলিং অ্যাটাক। তাই এই অ্যাটাককে ঠিকমতো সামলাতে হলে আমাদের অবশ্যই আরও অনেক বেশি মনোযোগ এবং ভালো চিন্তাভাবনা নিয়ে ব্যাটিং করতে হবে।'
এদিকে চোট কাটিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়া লিটন দাস প্রথম টেস্টের জন্য পুরোপুরি ফিট বলেও নিশ্চিত করেছেন শান্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো শক্তিকে জনগণ আর সুযোগ দেবে না।
তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ছিলেন। এ কারণেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের পরিবার নিয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্র করেন।
বুধবার সকালে বনানীতে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।
রিজভী জানালেন, ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো। একটি পরিবারকে নানা ভাবে বিপর্যস্ত করার জন্য পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা কোনো কিছু বাদ রাখেননি।
তিনি আরো বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বলেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরিদের পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার প্রচেষ্টা পরিচালনা করেছিল ফ্যাসিবাদী সরকার। হাসিনা কোনোভাবেই জিয়া পরিবারের দেশপ্রেম বরদাশত করেননি। এখন সেই হাসিনা জনগণের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে গেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) বা অভিবাসন পুলিশের হাতে এবার উঠতে যাচ্ছে একটি ভয়ংকর হাতিয়ার। এটি অবাধ্য ও মারমুখী ব্যক্তিদের দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে যন্ত্রণা দেওয়ার ক্ষমতা সম্পন্ন বৈদ্যুতিক শক দিতে সক্ষম বিশেষ গ্লাভস বা দস্তানা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে।
ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (ডিএইচএস) সোমবারের এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ডলার খরচ করে আইসিই হাজার হাজার ‘জি.এল.ও.ভি.ই’ (জেনারেটেড লো আউটপুট ভোল্টেজ এমিটার) কেনার পরিকল্পনা করেছে। এই গ্লাভসগুলো যাদের তৈরি করেছে তারা হলেন কেন্টাকির ‘কমপ্লায়েন্ট টেকনোলজিস’। দেখতে এটি সাধারণ হাতমোজার মতোই। কিন্তু এর মধ্যে লুকানো একটি বোতাম চাপলে এটি বৈদ্যুতিক মোডে চলে যায়। যখন এটি সরাসরি ত্বকে স্পর্শ করে, তখন এটি তাৎক্ষণিকভাবে তীব্র যন্ত্রণার সৃষ্টি করে, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে অপরাধীকে কাবু করে ফেলতে সক্ষম।
গবেষক জন পিটার্স এই বৈদ্যুতিক শকটিকে ‘মৌমাছির হুলের’ সঙ্গে তুলনা করেছেন। তার ধারণা, অপেক্ষাকৃত দুর্বল বা বয়স্ক কর্মকর্তাদের জন্য এই প্রযুক্তি গাড়ি বা বন্দিশালা থেকে অবাধ্য ব্যক্তিদের বের করার ক্ষেত্রে দারুণ কার্যকর হবে। প্রস্তুতকারক কোম্পানি জানাচ্ছে, এই গ্লাভস ব্যবহারের জন্য কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হবে। তবে শিশু, অন্তঃসত্ত্বা, বৃদ্ধ বা কেবল মৌখিকভাবে প্রতিবাদকারীদের ওপর এর প্রয়োগ পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ নিয়ে ডিএইচএস বা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
এমন উদ্যোগে মানবাধিকার কর্মীরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের (এসিএলইউ) কর্মকর্তা জেন রলনিক বোরচেটা মন্তব্য করেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতি কার্যকর করতে আইসিই ইতিমধ্যেই মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগে অভিযুক্ত। এখন নতুন এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশেষত সামান্য একটি বোতাম চেপে তারা সাধারণ মানুষকে নিঃশব্দে বৈদ্যুতিক শক দিতে সক্ষম হবে, যার পরিণতি হতে পারে অত্যন্ত ভয়াবহ। যদিও কিছু সমর্থকদের মতে, রাস্তায় সাধারণ টহলের বদলে মূলত জেলখানা ও সহিংস বন্দিদের স্থানান্তরের মতো নির্দিষ্ট কাজেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট বিভাগে হামের পরিস্থিতি উদ্ভূত উদ্বেগজনক রূপে পৌঁছেছে। বিগত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত দুটি শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৯ জন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর ফলশ্রুতিতে চলতি বছরে বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩০ জনে।
বুধবার (১২ আগস্ট) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত হামের প্রতিবেদনে এসব তথ্য স্পষ্ট করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ জনের শরীরের মধ্যে হামে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত বিভাগে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৯০১ জনে পৌঁছেছে।
জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সিলেটে ২৯৮ জন, হবিগঞ্জে ১২৩ জন, মৌলভীবাজারে ১২৭ জন এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৩ জনের হামে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। নিশ্চিত আক্রান্তদের মধ্যে হবিগঞ্জের দুজনের রুবেলাও রয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন ৯৯ জন সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৫০ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৯ জন, নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুজন, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে একজন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে দুজন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঁচজন ভর্তি হয়েছেন।
সব মিলিয়ে বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ২৮৬ জন সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৪৮ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭০ জন এবং রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৪ জন রয়েছেন। এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২৯ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১১ জনসহ অন্যান্য হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও রোগীরা চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
জেলা ভিত্তিক মৃত্যুর হিসাব থেকে দেখা যাচ্ছে, হামের প্রাদুর্ভাবের ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে। এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে সিলেটে ৪৩ জন, হবিগঞ্জে ১৬ জন, মৌলভীবাজারে ১২ জন এবং সুনামগঞ্জে ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা সিলেটে চারজন, মৌলভীবাজারে একজন এবং সুনামগঞ্জে একজন। সন্দেহজনক ও নিশ্চিত—দুই হিসাব মিলিয়ে সিলেটে মোট ৪৭ জন, হবিগঞ্জে ১৬, মৌলভীবাজারে ১৩ এবং সুনামগঞ্জে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩০ জনে।
স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুই শিশুর একজন সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পাঁচ মাস বয়সী এবং অন্যজন সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ছয় মাস বয়সী। জানা গেছে, দুজন চিকিৎসাধীন ছিলেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ