শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫১ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন, যেখানে তিনি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান লড়াইকে ‘যুদ্ধ’ বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। শুক্রবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই সংঘাত ‘তুচ্ছ’ বা খুব বড় কোনো বিষয় নয়।
এ বিষয়ে ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, তিনি ভ্যান্সের বক্তব্যের ব্যাখ্যা বুঝতে পারছেন। তিনি জানান, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা বর্তমানে অনিয়মিতভাবে চলছে। এ কারণে ভ্যান্স কেন এটিকে ‘যুদ্ধ’ বলতে চাইছেন না, তা তিনি বুঝতে পারছেন বলেও জানান ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ হয়েছে। এই সংঘাতে ১৮ জন মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের লড়াই শুরু হয়। এর এক দিন আগে, বৃহস্পতিবার, হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, তিনি ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতকে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করবেন না।
আগামী ৩ নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনের আগে এই সংঘাত শেষ হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স বলেন, তিনি এ বিষয়ে কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করতে চান না। তিনি আরো বলেন, ‘এই মুহূর্তে কোনো সক্রিয় গোলাগুলি চলছে না।’ ট্রাম্প ও ভ্যান্সের এসব বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, মার্কিন প্রশাসন ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতকে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের পরিবর্তে সীমিত সামরিক সংঘাত হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে। তবে এতে ইতোমধ্যে বিপুল অর্থ ব্যয় এবং মার্কিন সেনাদের প্রাণহানি ঘটেছে।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যখন ইরানের সঙ্গে চলমান লড়াইকে ‘যুদ্ধ’ বলতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছিলেন, তখনই বৃহস্পতিবার উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র কুয়েতে হামলা চালায় ইরান।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক হামলার জবাবে এই হামলা চালানো হয়।
শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণহানি সাম্প্রতিক কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধের তুলনায় কম। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে এখন পর্যন্ত শুধু বিমান হামলা চালিয়েছে এবং সেখানে কোনো মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়নি।
ট্রাম্প এ সময় ইরান সংঘাতে মার্কিন সেনাদের প্রাণহানির সঙ্গে অন্যান্য সংঘাতের তুলনাও করেন। তিনি ভেনেজুয়েলা ও ভিয়েতনাম যুদ্ধের উদাহরণ দেন।
ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলায় পরিচালিত সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সেনা নিহত হয়নি। আর ইরান সংঘাতে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, সেখানে প্রায় এক লাখ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিলেন। তবে মার্কিন ন্যাশনাল আর্কাইভসের তথ্য অনুযায়ী, ভিয়েতনাম যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর ৫৮ হাজার ২২০ সদস্য নিহত হন।
এক সাংবাদিক ১৮ জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর পরও ইরান সংঘাতকে ‘তুচ্ছ’ বলার বিষয়ে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন। জবাবে ট্রাম্প তার আগের বক্তব্যই পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, এই সামরিক অভিযান ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে দুর্বল করেছে।
ট্রাম্প বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। কারণ, ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে পরিস্থিতি আরো বিপজ্জনক হয়ে উঠত। ট্রাম্পের বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তার প্রশাসন প্রায় ছয় মাস ধরে চলা এই সংঘাতকে সীমিত সামরিক অভিযান হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে। তবে সংঘাতটিতে একাধিক হামলা, বিপুল অর্থ ব্যয় এবং মার্কিন সেনাদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী থেকে সকল রুটের বাস চলাচল প্রায় ৩ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।
শনিবার বেলা পৌনে ১২ টার দিকে দেশ ট্রাভেলসের ম্যানেজার মাসুদুর রহমান বাস চালুর বিষয়টি ঘোষণা করেন।
এর আগে, রাজশাহীর বাস মালিক ও শ্রমিকরা জানান, নাটোর জেলা বাস মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে সকাল ৯ টা থেকে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। প্রশাসনের আশ্বাসের পর বাস চলাচল পুনরায় শুরু করা হয়েছে। মালিক ও শ্রমিকদের যৌথ সভায় স্থায়ীভাবে সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রাম সীমান্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ২১ লাখ ২৭ হাজার ৫৫০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোন, ইয়াবা ট্যাবলেট, গবাদিপশু ও অন্যান্য চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সীমান্ত সুরক্ষায় কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে আনুমানিক ২১ লাখ ২৭ হাজার ৫৫০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোন, ইয়াবা ট্যাবলেট, গবাদিপশু ও অন্যান্য চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়।
বিজিবি জানায়, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপরাধ, মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি অক্ষুণ্ণ রেখে চোরাকারবারিদের অপতৎপরতা প্রতিহত করার পাশাপাশি জনসাধারণের নিরাপত্তা ও স্বস্তি বজায় রাখতে বিজিবির আভিযানিক তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক, পিএসসি স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়া অঞ্চলের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে র্যাব বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ আরসার একজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ ম ফারুক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম জহির (১৯), যিনি উখিয়ার ময়নারঘোনা ১২নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা রশিদ আহম্মদের ছেলে।র্যাব-১৫ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন ১১নং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের মরাগাছতলা এলাকায় মাল্টিপারপাস কমিউনিটি অ্যান্ড সার্ভিস সেন্টারের সামনে একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানের সময় সন্দেহভাজন মোহাম্মদ জহিরকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন এবং ৪ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটককৃত ব্যক্তি মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরসার সক্রিয় সদস্য এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অস্ত্র বহন ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র বহনের অভিযোগে নিয়মিত মামলা রুজু করে তাকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট বিভাগের মধ্যে হামের পরিস্থিতি ক্রমাগত উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে ১১৯ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এখন পর্যন্ত চলতি বছরে বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ১৫৭ জনে পৌঁছেছে।
সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের ৫ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে মারা যাওয়া দুই শিশুর একজন সিলেটের এবং অন্যজন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বাসিন্দা। তাদের চিকিৎসা শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে নতুন ১১৯ জন ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৪৮ জন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৭ জন ভর্তি হয়েছেন। মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ১৮ জন, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ৪ জনসহ বিভাগের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও রোগী ভর্তি হয়েছে।
নতুন রোগী ভর্তির পাশাপাশি, বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৯৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২০৫ জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৬০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ৪২ জন, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ২৯ জন এবং সিলেটের পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০ জন রোগী ভর্তি আছেন।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৩৬৩ জন, হবিগঞ্জে ১৫৩ জন, মৌলভীবাজারে ১৫৮ জন এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তদের মধ্যে দুজন রুবেলা রোগীও রয়েছেন।
মৃত্যুর হিসাব অনুযায়ী সিলেট বিভাগের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে দেখা যায়, এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে সিলেটে ৬০ জন, হবিগঞ্জে ১৭ জন, মৌলভীবাজারে ১২ জন এবং সুনামগঞ্জে ৫৮ জনের মৃত্যু ঘটেছে। আর নিশ্চিত হাম রোগে সিলেটে ৪ জন, হবিগঞ্জে ৪ জন, মৌলভীবাজারে ১ জন এবং সুনামগঞ্জে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগে বিভাগের মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১৫৭ জন।
নতুন করে দুই শিশুর মৃত্যু এবং এক দিনে ১১৯ জনের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনায় বিভাগজুড়ে হাম পরিস্থিতির তীব্রতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সিলেট ও সুনামগঞ্জে মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হওয়ায় এ দুই জেলায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে শুধুমাত্র সিলেট জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে শত শত সন্দেহজনক হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে রোগীর চাপ সবচেয়ে বেশি। প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হওয়ায় হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা প্রদানে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ হিসাব বলছে, ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নতুন করে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে সন্দেহজনক রোগী হিসেবে বিপুলসংখ্যক মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এবং মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নজরদারি ও চিকিৎসাব্যবস্থা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ