ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রোহিঙ্গার সংখ্যা নিয়ে মিয়ানমারের বিভ্রান্তিকর তথ্যে ঢাকার ক্ষোভ


রোহিঙ্গার সংখ্যা নিয়ে মিয়ানমারের বিভ্রান্তিকর তথ্যে ঢাকার ক্ষোভ

জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগণের সংখ্যা নিয়ে দেশটির সাম্প্রতিক বিভ্রান্তিকর এবং ত্রুটিপূর্ণ বিবৃতির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোরের সঙ্গে বৈঠক করতে মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত হন মিয়ানমার অনুবিভাগের মহাপরিচালক তৌফিক-উর-রহমান। বৈঠকে মহাপরিচালক গত ১৫ আগস্ট মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত রোহিঙ্গা বিষয়ক বিবৃতিটি উল্লেখ করেন এবং বলেন, ওই বিবৃতির অনেক তথ্য ভুল পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। বিশেষ করে, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগণের সংখ্যা নিয়ে মিয়ানমারের দেওয়া তথ্য সঠিক নয়, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই বিষয়টি জানানো হয়। তিনি আবারও জোরালোভাবে উল্লেখ করেন যে, জাতিসংঘ ব্যবস্থায় নিবন্ধিত তথ্যই একমাত্র সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পরিসংখ্যান, যা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া প্রকৃত জনসংখ্যাকে প্রতিফলিত করে। বৈঠকে মহাপরিচালক দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ভিত্তিতে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের যাচাইকরণ প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে চাপ দেন। বাংলাদেশ স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় আশ্রয়শিবিরে জন্ম নেয়া শিশু এবং ২০১৭ সালের সংকটের পর রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা নতুন সংখ্যানুপাতকেও অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বাংলাদেশ বর্তমানে এই জনগণের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার তথ্য অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং যথাসময়ে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মহাপরিচালক এই অতিরিক্ত তথ্যগুলো যাচাই প্রক্রিয়ায় সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ভুলভাবে সংজ্ঞায়িত করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। রাষ্ট্রদূতকে তৌফিক-উর-রহমান মনে করিয়ে দেন যে, রোহিঙ্গারা কোনোভাবেই ‘বাঙালি’ নন। তাদের একটি নিজস্ব ও সুনির্দিষ্ট জাতিগত পরিচয় রয়েছে, যা অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত মিয়ানমার রাষ্ট্র নিজেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করত। রাষ্ট্রদূত ইউ কিয়াও সো মো বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করেন যে, ঢাকার এই গভীর উদ্বেগ এবং পর্যবেক্ষণগুলো তিনি দ্রুত তার দেশের রাজধানীতে পৌঁছে দেবেন। একইসাথে তিনি যাচাইকৃত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন শুরু করতে তার সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা এই মানবিক সংকটের স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে মহাপরিচালক বৈঠক শেষ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিইসির সঙ্গে আইজিপির সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


সিইসির সঙ্গে আইজিপির সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

আজ তিনি রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচনী ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এ সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা বা নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি বলেন, 'আমরা এ বিষয়ে শিগগিরই কার্যক্রম শুরু করবো।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের শুল্ক এড়াতে শেষ মুহূর্তের চেষ্টায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী কার্নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৫ পি.এম


ট্রাম্পের শুল্ক এড়াতে শেষ মুহূর্তের চেষ্টায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী কার্নি

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্য চুক্তির সময়সীমা ঘনিয়ে আসার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বোঝানোর জন্য কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি শেষ সুযোগ পাচ্ছেন। কানাডার ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপ এড়ানোর লক্ষ্যে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার একটি সংক্ষিপ্ত সময়সীমা রয়েছে।

আগামী ১৯ আগস্ট দুই দেশের মধ্যে যদি কোনো সমঝোতা না হয়, তবে এই শুল্ক কার্যকর হয়ে যাবে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আসন্ন ৫০ শতাংশ শুল্ক এড়াতে শেষ মুহূর্তের আলোচনা অত্যন্ত নাজুক এবং বর্তমানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

১৯ আগস্ট ডেডলাইনের আগে ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে একটি ন্যায্য চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। যদি কোন কারণে চুক্তি সম্পন্ন না হয়, তাহলে কানাডা পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি রাখছে বলেও তিনি যোগ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মুসলিমরা জেরুজালেমের অধিকার ছাড়বে না’ কেন পাঠ্যপুস্তক থেকে এই বাক্যটি বাদ দিল সৌদি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৫ পি.এম


‘মুসলিমরা জেরুজালেমের অধিকার ছাড়বে না’ কেন পাঠ্যপুস্তক থেকে এই বাক্যটি বাদ দিল সৌদি?

সৌদি আরবের শিক্ষা কারিকুলাম ও পাঠ্যপুস্তকে বড় ধরনের পরিবর্তনের খবর পাওয়া গেছে। নতুন পাঠ্যবই থেকে ‘মুসলিমরা কখনোই জেরুজালেমের অধিকার ছেড়ে দেবে না’ শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ বাক্যটি অপসারণ করা হয়েছে।

ইসরায়েলভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর মনিটরিং পিস অ্যান্ড কালচারাল টলারেন্স ইন স্কুল এডুকেশন (ইমপ্যাক্ট-এসই)-এর একটি সাম্প্রতিক পর্যালোচনায় এই তথ্যটি সামনে এসেছে। সংস্থাটি সৌদি আরবের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, দেশটির শিক্ষা কারিকুলামে এখনো ইসরায়েলকে ‘দখলদার’ হিসেবে বর্ণনা করা এবং ফিলিস্তিন ইস্যুতে অতীতে জায়নবাদী এক নেতার ঘুষের প্রস্তাব তুলে ধরার সমালোচনা করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসের শেষের দিকে প্রকাশিত ওই পর্যালোচনায় বলা হয়, সৌদি পাঠ্যবইয়ে ব্যবহৃত পূর্বের বাক্যটি এমন ইঙ্গিত বহন করত যেন জেরুজালেমে মুসলিমদের উপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণ হুমকির মুখে রয়েছে। সংস্থাটির মতে, ওই অংশটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধারণা তৈরি হতে পারত যে জেরুজালেম হলো মুসলিম এবং অন্যান্য বিশেষত ইসরায়েলি গোষ্ঠীর মধ্যকার একটি চলমান সংঘাতময় এলাকা। অথচ বাস্তবে সাম্প্রতিক সময়েও অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের ঐতিহাসিক আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের আশকারায় চরমপন্থী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের প্রার্থনার অনুমতি দেওয়াসহ নানা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।

ইমপ্যাক্ট-এসই তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, নতুন পাঠ্যক্রম থেকে ধর্মীয় চরমপন্থা ও ইহুদিবিদ্বেষমূলক বিভিন্ন অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে। এমনকি পবিত্র কোরআনের কিছু আয়াত এবং হাদিসের উল্লেখও আগের চেয়ে সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। সংস্থাটি দাবি করছে, এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অমুসলিম বা অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি মনোভাব ইতিবাচক হবে।

এবং কেবল ধর্মীয় বিষয়ই নয়, ঐতিহাসিক মানচিত্র এবং ভৌগোলিক পরিচিতির ক্ষেত্রেও সৌদি কর্তৃপক্ষ পরিবর্তন এনেছে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নতুন বইগুলোতে পূর্বের যেসব মানচিত্রে পুরো এলাকাকে ‘ফিলিস্তিন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, সেখান থেকে ফিলিস্তিন নামটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে, যদিও সরাসরি ‘ইসরায়েল’ নামটি এখনো যুক্ত করা হয়নি। এছাড়া একাদশ শ্রেণির একটি ইতিহাস বইয়ে ‘জায়নবাদী শত্রু’ শব্দগুচ্ছের পরিবর্তে ‘ইসরায়েলি দখলদারিত্ব’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও ইসরায়েলি সংস্থাটির মতে, ইসরায়েলকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করার অবস্থান থেকে পুরোপুরি সরে আসতে হলে এই পরিবর্তনও যথেষ্ট নয়।

এদিকে, পাঠ্যবইয়ে জায়নবাদীদের ‘ধূর্ত ও প্রবঞ্চক’ হিসেবে বর্ণনা করা এবং সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আবদুল আজিজকে জায়নবাদী নেতা চাইম উইজম্যানের ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার ঘটনাটির বর্ণনা থাকা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েলি সংস্থাটি। তাদের মতে, এটি শিক্ষার্থীদের মনে জায়নবাদ সম্পর্কে চক্রান্তমূলক ধারণা দেয়। যদিও ঐতিহাসিক নথি প্রমাণ করে যে ১৯৪০ সালের মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক স্মারক অনুযায়ী, উইজম্যান ফিলিস্তিনিদের জর্ডান ও ইরাকে পুনর্বাসনের বিনিময়ে বিপুল অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন, যাকে বাদশাহ আবদুল আজিজ চরম জঘন্য অপরাধ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৎস্য খাতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটেছে, এবার রপ্তানি বাড়াতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ পি.এম


মৎস্য খাতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটেছে, এবার রপ্তানি বাড়াতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, বর্তমানে দেশের মৎস্য খাত অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সক্ষমতা অর্জন করেছে। এখন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

আজ মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০২৬ সালের জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় আয়োজন ঢাকার বাইরে কিশোরগঞ্জে করার সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, মৎস্য উৎপাদনে হাওরাঞ্চলের মুখ্য ভূমিকা রয়েছে। দেশের মিঠাপানির মাছের একটি বড় অংশ হাওরাঞ্চল থেকে আসে। এজন্য প্রান্তিক পর্যায়ের মৎস্যচাষি, জেলে এবং মৎস্য খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত মানুষের কাছে কর্মসূচির বার্তা পৌঁছাতে ঢাকার বাইরেই এ আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নের জন্য নদী খনন, খাল সংস্কারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। পরবর্তীকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াও মৎস্য খাতের উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নিয়েছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘এবার আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই বড় আয়োজন করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ও নির্দেশনার মাধ্যমে ঢাকার বাইরের এ কর্মসূচি আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতির কারণে পুরো আয়োজনটি প্রাণবন্ত ও ব্যতিক্রমী হয়ে উঠেছে।’

জাতীয় মৎস্য পক্ষের আয়োজন সফল করতে মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘হাতের পাঁচটি আঙুলের মতো আমাদের সবার দায়িত্ব আলাদা হতে পারে, কিন্তু সবাই একসঙ্গে কাজ করলেই একটি মুষ্টিবদ্ধ হাতের মতো শক্তি তৈরি হয়। এবারের আয়োজনও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সফল হয়েছে।’

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের দেওয়া দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। কোনো দায়িত্বে অবহেলা বা কাজে ফাঁকি দেওয়া যাবে না। প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজের যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই নীতিতে বিশ্বাস রাখেন। তিনি বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা ও দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা ও সরকারি দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনগণের সঙ্গে থেকেই দেশের উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’- এই চেতনাকে ধারণ করেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একা কারও পক্ষে কোনো বড় কাজ করা সম্ভব নয়। একটি দক্ষ ও আন্তরিক টিম থাকলে যেকোনো অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। এজন্য কর্মকর্তাদের জনগণের কল্যাণে আরও আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। মৎস্য খাতের উন্নয়নে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে এ খাতের উন্নয়নে কয়েকটি প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রান্তিক অর্থনীতিতে মৎস্য অধিদপ্তর আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, মৎস্যচাষি ও সাধারণ মানুষ সরকারি সেবা নিতে এসে যেন কোনো ধরনের হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। যার যে দায়িত্ব, তা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। জনগণের সেবা প্রদানে কোনো ধরনের কার্পণ্য করা যাবে না। তিনি বলেন, সরকারের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরকে আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

সভাপতির বক্তব্যে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক বলেন, জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় আয়োজন ঢাকার বাইরে সর্বশেষ ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর এবার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাঠপর্যায়ের মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার ফলে এবারের আয়োজন মৎস্য খাতের সঙ্গে সম্পৃক্তদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মৎস্যচাষি, জেলে ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%