ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাজউকের প্লট দুর্নীতিতে শওকত আজিজ রাসেল কারাগারে


রাজউকের প্লট দুর্নীতিতে শওকত আজিজ রাসেল কারাগারে

পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মামলায় ১৪ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ হাসেমের ছেলে শওকত আজিজ রাসেলকে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। রবিবার (১ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এই আদেশ প্রদান করেন।

আজিজ রাসেল বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি এবং আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি ওইদিন ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে রাসেলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাসেল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মামলায় ১৪ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। রবিবার তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। তার আইনজীবীরা মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শর্তে জামিনের আবেদন করেন। একইসঙ্গে কারাগারে ডিভিশন চাওয়ার আবেদনও করা হয়। তবে আদালত তার জামিন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরও পড়ুন: জামায়াত আমিরের আহ্বান: পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হতে হবে

এর আগে, গত ১৩ অক্টোবর একই আদালত রাসেলসহ আটজনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে রায় প্রদান করে। মামলার রায়ে শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজকে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাদের উভয় ধারায় ৭ বছর করে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা করে ২০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ১ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন– রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সদস্য এস. ডি. ফয়েজ, এ. কে. এম. ওয়াহেদুল ইসলাম, এস. এম. জাফর উল্লাহ, এইচ. এম. জহুরুল হক, মো. রেজাউল করিম তরফদার, পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ হাসেমের দুই ছেলে শওকত আজিজ রাসেল ও আশফাক আজিজ রুবেল। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে জরিমানাও করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবুধাবিতে স্বর্ণের ছয়টি ডিম প্রত্যাশিত দামে বিক্রি হয়নি, ফেরত নেওয়ার চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


আবুধাবিতে স্বর্ণের ছয়টি ডিম প্রত্যাশিত দামে বিক্রি হয়নি, ফেরত নেওয়ার চেষ্টা

বাংলাদেশে স্বর্ণের তৈরি ছয়টি ডিম আবুধাবি থেকে আনা হয়েছিল। তবে দেশের বাজারে প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ার কারণে সেগুলো ফের আবুধাবিতে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা চলছিল। এই ঘটনায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) পৃথক দুটি অভিযানে ২ কেজি ৭২৮ গ্রাম ওজনের ছয়টি স্বর্ণের ডিম জব্দ করেছে। এগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

রবিবার (১ নভেম্বর) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে আবুধাবিগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১২৭ ফ্লাইটে কাস্টমস গোয়েন্দারা অভিযান পরিচালনা করেন। সন্দেহভাজন যাত্রী মোহাম্মদ মিনহাজকে ফ্লাইট থেকে নামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার সহযোগিতায় তিনটি স্বর্ণের ডিম উদ্ধার করা হয়, যেগুলোর মোট ওজন ১ কেজি ৩৬৪ গ্রাম।

একই সময়ে বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ এলাকায় ফেলে রাখা অবস্থায় আরো তিনটি স্বর্ণের ডিম উদ্ধার করেন কাস্টমস গোয়েন্দারা। এগুলোর ওজনও ১ কেজি ৩৬৪ গ্রাম। দুই অভিযানে মোট ছয়টি স্বর্ণের ডিম জব্দ করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, স্বর্ণের ডিমগুলো পূর্বে আবুধাবি থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। তবে দেশের বাজারে প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ায় সেগুলো আবার আবুধাবিতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছিল।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, ছয়টি স্বর্ণের ডিমের মোট ওজন ২ কেজি ৭২৮ গ্রাম এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

বিদেশ থেকে স্বর্ণ এনে দেশে বিক্রি না হওয়ার পর আবার বিদেশে নেওয়ার প্রচেষ্টার ঘটনায় স্বর্ণ চোরাচালানের নতুন কৌশল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গোয়েন্দারা স্বর্ণের প্রকৃত উৎস, এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা, সম্ভাব্য চোরাচালান চক্র এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোশাক রপ্তানি টানা ৩ মাস বেড়ে ৫.৮২ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


পোশাক রপ্তানি টানা ৩ মাস বেড়ে ৫.৮২ শতাংশ

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় টানা তিন মাস ধরে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি আয় বেড়েছে।

অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৩৭৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ বেশি।

রোববার (১ নভেম্বর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) সংকলিত পরিসংখ্যানে এ চিত্র উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ১ হাজার ২৯৯ কোটি ৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কমেছিল। তবে আগস্ট মাস থেকে রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা ফিরে আসে। আগস্টে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং অক্টোবরে ৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। অর্থাৎ জুলাইয়ে রপ্তানি কমলেও পরবর্তী তিন মাসে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে।

অক্টোবর মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩১৬ কোটি ৭৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার। ২০২৫ সালের একই মাসে এ আয় ছিল ৩০১ কোটি ৯৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে অক্টোবরে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৪ কোটি ৭৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

অক্টোবরে নিটওয়্যার ও ওভেন—দুই ধরনের পোশাক রপ্তানিতেই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। নিটওয়্যার রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১৭৬ কোটি ৫২ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালের অক্টোবরে এ খাতের রপ্তানি আয় ছিল ১৬৫ কোটি ৭৮ লাখ ডলার।

অন্যদিকে, অক্টোবরে ওভেন পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১৪০ কোটি ২৫ লাখ ডলার। আগের বছরের একই মাসে আয় হয়েছিল ১৩৬ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ডলার। সে হিসাবে ওভেন খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৯৬ শতাংশ। অক্টোবরে নিটওয়্যার খাতের প্রবৃদ্ধি ওভেনের তুলনায় বেশি ছিল।

চার মাসের হিসাবেও নিটওয়্যার খাত এগিয়ে রয়েছে। জুলাই-অক্টোবর সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭৭২ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৭২৩ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। ফলে এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

একই সময়ে ওভেন পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৬০১ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের প্রথম চার মাসে এ আয় ছিল ৫৭৫ কোটি ২৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৬০ শতাংশ।

সামগ্রিক পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি এসেছে মূলত নিটওয়্যার ও ওভেন—দুই খাতের আয় বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে। তবে প্রবৃদ্ধির হারে নিটওয়্যার খাত তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছে। জুলাইয়ের নেতিবাচক অবস্থার পর টানা তিন মাস রপ্তানি আয় বাড়ার বিষয়টি দেশের প্রধান রপ্তানি খাতের জন্য ইতিবাচক প্রবণতা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে মাদকের বিস্তার, তরুণ প্রজন্মের ঝুঁকি বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


গাজীপুরে মাদকের বিস্তার, তরুণ প্রজন্মের ঝুঁকি বাড়ছে

গাজীপুরের নগরাঞ্চল থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে মাদকের বিস্তার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাদককারবারিদের শক্তিশালী নেটওয়ার্কের কারণে শ্রীপুর, কাপাসিয়া ও কালীগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ ও বিক্রি বাড়ছে।

অভিযোগ রয়েছে যে, কৌশলে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ধরনের মাদক গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে দিচ্ছে কারবারিরা। মাদকের সহজলভ্যতা তরুণদের একটি অংশকে নেশায় জড়িয়ে পড়তে বাধ্য করছে। নেশার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে কেউ কেউ চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গাজীপুর সদর উপজেলার বাড়িয়া, মির্জাপুর, ভাওয়ালগড় ও পিরোজালী; শ্রীপুরের মাওনা, বরমী, কাওরাইদ, রাজাবাড়ী ও প্রহলাদপুর; কাপাসিয়ার তরগাঁও, টোক, সিংহশ্রী, ঘাগটিয়া, রানীগঞ্জ, চাঁদপুর, নওগাঁ, তিলশুনিয়া, বড়সীট, মৈশাদামনা ও কাজাহাজী এবং কালীগঞ্জের আড়িখোলা, নাগরী, তুমুলিয়া, বক্তারপুর, জামালপুর, জাঙ্গালিয়া, আজমতপুর ও নরুনসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটেছে।

প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মাদককারবারিদের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব এলাকায় মাদক বিক্রি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।

এদিকে, টঙ্গীর হাজীর মাজার এলাকার মাদক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান। তিনি বলেন, "মুম্বাইয়ের বস্তির আদলে গাজীপুরে হাজীর মাজার বস্তি গড়ে উঠেছে। সেখানে মাদক কারবারের বিশাল নেটওয়ার্ক রয়েছে।"

তার দাবি, ওই এলাকায় সাধারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পক্ষে অভিযান পরিচালনা করাও কঠিন। সেখানে মাদক কেনাবেচায় বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন ঘটে।

শ্রীপুরের কাওরাইদ ইউনিয়নে মাদক কারবারের বিস্তার নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা। ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আফতাব উদ্দিন আতা ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবি অভিযোগ করেন, কাওরাইদ রেলস্টেশনের চা-দোকানি হোসেন আলী হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদককারবারির সঙ্গে জড়িত। তাদের দাবি, রেলস্টেশনের চায়ের দোকানকে কেন্দ্র করেই তিনি মাদক বিক্রি করেন।

ওই দুই নেতার অভিযোগ, হোসেন আলী হোসেনের পাশাপাশি তার সাবেক স্ত্রী রোমেজা, ভাই সাইফুল, ভাতিজা শরীফ ও ভাতিজি খুকিও মাদককারবারের সঙ্গে জড়িত। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত মামলার অভিযোগ রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

তবে মাদককারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হোসেন আলী হোসেন। তিনি বলেন, "ষড়যন্ত্র করে একবার তাকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানো হয়েছিল।" তিনি দাবি করেন, তিনি কোনো ধরনের মাদককারবারের সঙ্গে জড়িত নন। তার সাবেক স্ত্রী রোমেজা আগে মাদককারবারি করলেও বর্তমানে তা করেন না বলে জানান তিনি। তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে তার সঙ্গে রোমেজার কোনো সম্পর্ক নেই বলেও জানান হোসেন আলী। কাওরাইদ রেলস্টেশনের আউট সিগন্যালসংলগ্ন জমিটি তার ভাইয়ের বলেও দাবি করেন তিনি।

একই ইউনিয়নের সিএনজিচালক আসমত আলীর বিরুদ্ধেও মাদককারবারের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।

এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শাহ শিবলী সাদিক জানান, মাদকবিরোধী ব্লক রেইড অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন মাদককারবারি ও সেবীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, গত মাসে গাজীপুর জেলায় অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ৮৬৬ পিস ইয়াবা, ১৩৮ কেজি ২৬০ গ্রাম গাঁজা, ৫ গ্রাম হেরোইন, ২৬২ বোতল বিদেশি মদ, ১২০ লিটার চোলাই মদ ও ৪৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিক্ষোভের কারণে ৭ লাখ শ্রমিকের কাজ বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


বিক্ষোভের কারণে ৭ লাখ শ্রমিকের কাজ বন্ধ

ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ডিএমপি এলাকা, গাজীপুর-ময়মনসিংহ এবং সাভার-আশুলিয়া ও জিরানী শিল্পাঞ্চলে ৩১৮টি পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় কাজ না করে এসব কারখানা থেকে বেরিয়ে এসেছেন ৭ লাখ ২ হাজার ২৫৫ জন শ্রমিক। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সূত্রে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

বিজিএমইএ- এর তথ্য অনুযায়ী, ডিএমপি এলাকায় ৩২০টি কারখানার মধ্যে মিরপুরে ৬৮টি বন্ধ রয়েছে। এই কারখানাগুলো থেকে বেরিয়ে এসেছেন ৫১ হাজার ৬২৫ জন শ্রমিক।

গাজীপুর ও ময়মনসিংহ এলাকার ৮৩৬টি কারখানার মধ্যে ২২৫টি বন্ধ রয়েছে। এই দুই এলাকায় কাজ না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে এসেছেন ৫ লাখ ২৫ হাজার ৩৬০ জন শ্রমিক।

অন্যদিকে, সাভার-আশুলিয়া ও জিরানী এলাকার ৪৪১টি কারখানার মধ্যে ২৫টি বন্ধ রয়েছে। এসব কারখানা থেকে বেরিয়ে এসেছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৭০ জন শ্রমিক।

তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি শিল্পাঞ্চলে মোট কারখানার সংখ্যা ২ হাজার ১৩৪টি। এর মধ্যে ১ হাজার ৮১৬টি কারখানা চালু রয়েছে। শ্রম অসন্তোষের কারণে ৩১৮টি কারখানা বন্ধ রয়েছে।

শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুবুল হক সজীব জানান, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কারখানার মালিকরা ছুটি ঘোষণা করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ এখনও মাঠে রয়েছে।

শিল্প পুলিশ আশুলিয়া জোনের পুলিশ সুপার (এসপি) মোমিনুল ইসলাম বলেন, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সব ধরনের চেষ্টা করছে। বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের মালিকরা কারখানার কাজ বন্ধ রেখেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%