বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৬ পি.এম
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এবং ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, "অপরাধীর কোনো দল নেই। অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক, ছাড় নেই।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অপরাধ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা যত প্রভাবশালীই হোক।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের ধারা ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, "জান-মালের নিরাপত্তা বিধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ দমনে অত্যন্ত কঠোর ও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছেন।" তিনি মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর, দখলের ঘটনায় অভিযুক্ত এমপিকে পদত্যাগ করানোর কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কমিটি বিলুপ্ত করা, অভিযুক্ত নেতাকর্মীদের দল থেকে বহিষ্কার, গ্রেপ্তার এবং থানার ওসি প্রত্যাহারসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।" অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা না করে অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, একটি মাদকমুক্ত, সুশৃঙ্খল ও সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় প্রতিটি ইউনিয়নে ৮ বিঘা জমির ওপর খেলার মাঠ এবং উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, ক্রীড়া ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনা মূল্যে ক্রীড়াসামগ্রী দেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে। ধোবাউড়ায় একটি ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, কৃতী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে সরকার বিনা মূল্যে ল্যাপটপ এবং কৃতী ছাত্রীদের সাইকেল দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে আগামী বছর থেকে ক্রীড়াকে বাধ্যতামূলক পাঠ্যক্রমের অংশ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর লক্ষ্য হলো—শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলাকে শুধু বিনোদন হিসেবে নয়, ভবিষ্যতে একটি সম্ভাবনাময় পেশা হিসেবেও গ্রহণ করতে পারে।
তিনি বলেন, আধুনিক বিশ্বে খেলাধুলা একটি মর্যাদাপূর্ণ পেশা এবং বড় অর্থনৈতিক ক্ষেত্র। আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরাও যেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রীড়াবিদ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, সে সুযোগ তৈরি করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী থেকে পরশুরামের দিকে যাচ্ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর। এই সময় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক বৃদ্ধের হাতের ইশারা দেখে গাড়িটি হঠাৎ থেমে যায়। এরপর প্রধানমন্ত্রী তাকে কাছে ডেকে নেন। বৃদ্ধ ব্যক্তি হাতে থাকা ফুল দিয়ে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর দুজনের মধ্যে কথোপকথন শুরু হয়। আবেগঘন মুহূর্তে বৃদ্ধ ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী মাথায় হাত বুলিয়ে দেন এবং দোয়া করেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকালে ফেনী থেকে পরশুরামে যাওয়ার পথে এই ঘটনা ঘটে। দুই প্রজন্মের এই আন্তরিক মুহূর্তটি উপস্থিত মানুষের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করে। বৃদ্ধের প্রধানমন্ত্রী প্রতি স্নেহ ও ভালোবাসার দৃশ্য দেখে অনেকেই মোবাইল ফোনে মুহূর্তটি ধারণ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যখন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল, তখন ওই বৃদ্ধ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাকে দেখে গাড়ি থামানো হয়। প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি থেকে নেমে তার কাছে এগিয়ে যান। বৃদ্ধের দেওয়া ফুল গ্রহণ করে তার সঙ্গে কথা বলেন। তবে বৃদ্ধের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।
একপর্যায়ে বৃদ্ধ ব্যক্তি স্নেহভরে তারেক রহমানের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করেন—‘আল্লাহ প্রধানমন্ত্রীকে দীর্ঘ হায়াত দান করুন।’
চারপাশের মানুষ তখন নীরবে সেই দৃশ্য দেখছিলেন। কারো হাতে মোবাইল ফোন ছিল, কেউবা দূর থেকে ভালোবাসা ও স্নেহের এই মুহূর্তটি দেখছিলেন। রাজনৈতিক কর্মসূচির ব্যস্ততার মধ্যেও একজন প্রবীণের কাছে গাড়ি থামিয়ে প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে যাওয়ার ঘটনা উপস্থিত মানুষের মনে আলাদা আবেগ সৃষ্টি করে।
ফেনী সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জেলার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাহাড়ের দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক মাসব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে দীঘিনালা জোন। প্রশিক্ষণ শেষে ৪২ জন পাহাড়ি শিক্ষার্থীর হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দীঘিনালা জোনের পরিচালনায় এবং জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় বাবুছড়া, বরাদম ও আলমগীর টিলা আর্মি ক্যাম্পে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
দুর্গম পাহাড়ি এলাকার শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করা এবং কম্পিউটার ব্যবহারে তাদের মৌলিক দক্ষতা গড়ে তোলাই ছিল এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য। এক মাসের প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা কম্পিউটার পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পায়।
প্রশিক্ষণ শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ৪২ শিক্ষার্থীর হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। সনদ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সুবিধাভোগীরা দীঘিনালা জোনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এ ধরনের প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন ও কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষাখাতের গুণগত মানোন্নয়ন এবং আধুনিক ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য সরকারের অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
তিনি আজ রাজধানীর বারিধারাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ বিষয়টি তুলে ধরেন।
বৈঠকটি শিক্ষাখাতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় পরিচালিত ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন’ (হিট) প্রকল্পের প্রভাব ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করার জন্য অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ পেলে মাহদী আমিন জানান, সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে যদি বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে কোনো প্রতিষ্ঠান বা বিনিয়োগকারী আগ্রহী হয়।
সরকার উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ তৈরিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
সভায় দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এছাড়া শিক্ষার সার্বিক মান ধরে রাখা এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক’ বাস্তবায়নের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষাখাত বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও উদ্ভাবনের সুযোগ সম্প্রসারণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
তিনি সরকারের উন্নয়নমূলক পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে জানান, শিক্ষাখাতে গৃহীত উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু, সবার জন্য কারিগরি শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, বাধ্যতামূলক কারিগরি ল্যাব চালু, পরীক্ষাগার সুবিধার আধুনিকায়ন, মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ স্থাপন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করা।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ইকোসিস্টেম অফিস স্থাপন, স্টার্টআপ ফান্ড গঠন, উদ্ভাবন কার্যক্রম জোরদার, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং অফিস চালু এবং জব ফেয়ার আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও নিয়োগদাতাদের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য 'শিক্ষার্থী ঋণ কর্মসূচি' চালুর উদ্যোগের কথাও তিনি বৈঠকে পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে হিট প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকদের অভিজ্ঞতা, প্রকল্পটির প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক, ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী স্কট ম্যাকডোনাল্ড, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব, হিট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট টি এম আসাদুজ্জামান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সভা শেষে মাহদী আমিনের সঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী স্কট ম্যাকডোনাল্ডের একটি পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে শিক্ষাখাতে বাংলাদেশ সরকার ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের বিদ্যমান অংশীদারিত্ব আরো জোরদার, সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষাখাতে সরকারের নেওয়া নানা সংস্কারমূলক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক উল্লেখ করেছেন, "আমরা ডিভাইসের হাত থেকে আমাদের সন্তানদের দূরে রাখতে চাই। আমরা একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে চাই। মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে খেলাধুলা।"
তিনি আরও জানান, "খেলাধুলার জন্য মাঠের প্রয়োজন, ইতোমধ্যে সরকার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে স্টেডিয়াম এবং প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।" পরিকল্পনার বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসক ও ইউএনওদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আজ দুপুরে ভোলা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "আমাদের খেলোয়াড়দের পেশাগত যে স্বীকৃতি, সেই স্বীকৃতি বাবদ আমরা ক্রীড়া ভাতা, ক্রীড়া কার্ড প্রদান করছি।" তিনি উল্লেখ করেন, "পড়াশোনা করে শুধু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার হবে না, পড়াশোনা করে যাতে খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি।" ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টসের মাধ্যমে তৃণমূলের খেলোয়াড়দের প্রতিভা অন্বেষণ করে বিকেএসপিতে ভর্তি করানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "যারা ট্যালেন্ট তাদের মধ্যে কেউ যদি ফুটবলের হয়, কেউ যদি ক্রিকেটের হয়, কেউ যদি ভলিবলের হয়, কেউ যদি সাঁতারের হয় তাদেরকে জাতীয় খেলোয়াড় বানিয়ে তাদেরকে মাঠে নামাব, এটি হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য।"
তিনি জানান, "চতুর্থ শ্রেণি থেকেই আমাদের আগামী যে শিক্ষাক্রম সেখানে ‘খেলাধুলা’ নামক একটি বই সংযোজন হচ্ছে।" পাঠ্যপুস্তকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "গত ১৭ বছর স্বৈরাচারী সরকার শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে। তাদের নিজেদের পকেট ভারী করেছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের কোনো উন্নয়ন করেনি।"
আমাদের বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী মাত্র সাত মাসের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড দিয়েছেন। শিক্ষার ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
আমিনুল হক বলেন, "ভোলা এবং বরিশাল জেলার প্রতিটি উপজেলায় ল্যাব তৈরি করা হবে।" তিনি বিশ্বাস করেন, "কম্পিউটার ল্যাব তৈরির মাধ্যমে আজকের কার্যক্রমে আরও অনেক বেশি অংশগ্রহণ বাড়বে।"
ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মো. জোবায়েদ হোসেন, ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।
অনুষ্ঠান শেষে ১৮ জন সফল ফ্রিল্যান্সারকে স্বীকৃত স্বরূপ ল্যাপটপ ও স্মার্ট ফোন প্রদান করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ভোলার ইলিশায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন বায়োগ্যাস পল্লী ও শহরের পুরাতন যুগীরঘোল এলাকায় জেলা ক্রীড়া দলের অফিস উদ্বোধন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ