ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফেনীতে মাছবোঝাই পিকআপ ছিনতাই, ৯৯৯-এ ফোনে উদ্ধার


ফেনীতে মাছবোঝাই পিকআপ ছিনতাই, ৯৯৯-এ ফোনে উদ্ধার

ফেনীর সোনাগাজীতে একটি মাছবোঝাই পিকআপ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে চালককে জিম্মি করা হয়েছে। খবর পেয়ে, খামার মালিক ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে রাতের অন্ধকারে পুলিশ অভিযান চালানোর মাধ্যমে পিকআপটি উদ্ধার করে। তবে, সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় গাড়িতে থাকা প্রায় ২ লাখ টাকা মূল্যবান মাছ মরে যায় এবং নষ্ট হয়ে যায়।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার চর চান্দিয়ার কেঁচিদিয়া এলাকায় ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।

জানা গেছে, ওই পিকআপটি শুক্রবার রাতে চর খোন্দকার এলাকা থেকে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। যখন গাড়িটি চর চান্দিয়ার কেঁচিদিয়া এলাকায় পৌঁছায়, তখন একদল দুর্বৃত্ত গতিরোধ করে। দুর্বৃত্তরা চালককে জিম্মি করে গাড়িটি নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: আমতলীতে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

ঘটনা জানার সাথে সাথে খামার মালিক নুরুল আমিন তৎক্ষণাৎ ৯৯৯-এ কল করেন পুলিশের সহায়তা প্রাপ্তির জন্য। অভিযোগ পেয়ে সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ দ্রুত অভিযানে নামে এবং সোনাগাজী হাসপাতাল এলাকা থেকে পিকআপটি উদ্ধার করে। পুলিশ উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যায়।

খামার মালিক নুরুল আমিন সোনাগাজী মডেল থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। এপেক্সে জাহাঙ্গীর আলম, রানা এবং ডালিমের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনকেও আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নুরুল আমিন জানান, ছিনতাইয়ের কারণে গাড়িটি দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকায় এবং গন্তব্যে সময়মতো পৌঁছাতে না পারার জন্য প্রায় ২ লাখ টাকার মাছ মারা গেছে। তিনি জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাশিম বলেছেন, 'ছিনতাইয়ের ঘটনায় একটি লিখিত এজাহার পেয়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।'

আরও পড়ুন: ভৈরব থানার ওসি মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ, ৬ সদস্যের সিন্ডিকেট ঘিরে প্রশ্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষক কার্ডের কারণে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা নিতে পারবে না : কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৫ পি.এম


কৃষক কার্ডের কারণে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা নিতে পারবে না : কৃষিমন্ত্রী

কৃষক কার্ড চালু হওয়ার ফলে মধ্যস্বত্বভোগীরা আর কোনো সুযোগ সুবিধা নিতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ।

তিনি এই বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের সমস্ত কৃষকদের একটি ডেটাবেস তৈরি হবে। এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারব, কোন অঞ্চলে কী ধরনের ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে। যেসব এলাকায় আলুর উৎপাদন বেশি, তাদেরকে আমরা চাহিদার পরিমাণ আগেই জানিয়েও দিতে পারব। এর ফলে কৃষকরা সে অনুযায়ী উৎপাদন করতে সক্ষম হবে। এইভাবে যোগান এবং চাহিদার মধ্যে একটি সমন্বয় থাকতে পারলে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা নিতে পারবে না।

আজ (শনিবার) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথাগুলো বলেন। এ সময় কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, একেক মৌসুমে বিভিন্ন ধরনের সবজি বেশি উৎপাদিত হয়। অনেক সময় বেশি উৎপাদনের কারণে সবজির দাম পাওয়া যায় না। দেখা যায়, কৃষকের ক্ষেতের মধ্যে টমেটো থাকলেও, দাম না পাওয়ার কারণে তারা টমেটো তুলে না। কারণ, ক্ষেত থেকে বাজারে নিয়ে যাওয়ার খরচটাও তাদের ঢাকার প্রয়োজন হয় না। এতে কৃষকেরা ক্ষতির সম্মুখীন হন।

সরকার ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি মিনি কোল্ডস্টোরেজ করার পরিকল্পনা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর কনসেপ্টের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। এসব কোল্ডস্টোরেজ সোলার প্যানেলের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। ফলে কৃষকরা ক্ষতির সম্মুখীন হবেন না।

কৃষিমন্ত্রী আরও জানান, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে কৃষিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই সরকার কৃষকদের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে হতদরিদ্র কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকার ঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার কৃষিকে আধুনিক এবং তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় আনতে কৃষক কার্ড চালু করেছে। এই কার্ডের আওতায় শুধু ধান, গম বা পাটচাষিই নয়; বরং লবণ, সুপারি, নারিকেল, পান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাও অন্তর্ভুক্ত হবেন। এটি সরকারের কাছে প্রকৃত কৃষকের সংখ্যা, উৎপাদনের ধরন এবং ফসলভিত্তিক তথ্য প্রদান করবে। ভবিষ্যতে কৃষি ভর্তুকি, প্রণোদনা এবং অন্যান্য সরকারি সহায়তাগুলি এই কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম ফিশারি ঘাটের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে স্থানীয় প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি সরকার খতিয়ে দেখবে। যদি অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়া ও দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঝাটকা সংরক্ষণ এবং প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে সরকার জেলেদের সহায়তা প্রদান করছে। পাশাপাশি তাদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা গড়ে তুলার উদ্যোগ নিতে সরকারের দায়িত্ব রয়েছে, যাতে তারা দাদননির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হোন। দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ইলিশ রপ্তানি বৃদ্ধিও সরকারের লক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনে ৩০ মিনিট হাঁটলেই পুরস্কার, কেন এমন উদ্যোগ নিল দেশটি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


দিনে ৩০ মিনিট হাঁটলেই পুরস্কার, কেন এমন উদ্যোগ নিল দেশটি?

দিনে ৩০ মিনিট হাঁটলেই পুরস্কার প্রদান করবে ব্রিটিশ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ (এনএইচএস)। সুস্থতার জন্য হাঁটার প্রয়োজনীয়তা অনেক আগে থেকেই স্বীকৃত, কিন্তু এখন প্রথমবারের মতো ব্যায়ামের বিনিময়ে মানুষের জন্য সরাসরি পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করছে একটি এনএইচএস পরিচালিত প্রকল্প।

আগামী বছরের শুরুতে এনএইচএস ইংল্যান্ড-এর ‘ম্যারাথন আ মান্থ’ নামের একটি চ্যালেঞ্জ চালু হবে। এই প্রকল্পে লোকজনকে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটার আমন্ত্রণ জানানো হবে। যারা নিয়ম মেনে হাঁটবেন, মাস শেষে তাদের হাঁটার মোট দূরত্ব হবে প্রায় ২৬ মাইল, যা একটি পূর্ণ ম্যারাথনের সমান।

অংশগ্রহণকারীরা স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ বা অনলাইনে তাদের হাঁটার তথ্য জমা দিতে পারবেন। এনএইচএস জানিয়েছে, যদি অংশগ্রহণকারীরা চ্যালেঞ্জটি সফলভাবে সম্পন্ন করেন, তাহলে বিভিন্ন পুরস্কার পাবেন। পুরস্কারের মধ্যে বিশেষ ছাড় ও বিভিন্ন উপহার থাকতে পারে। এই উদ্যোগ নিয়ে লরেন অ্যান্ড্রু বলেছেন, এটি একটি দারুণ প্রকল্প।

অ্যান্ড্রু মন্তব্য করেছেন, ‘আমি এতে অংশ নেব। প্রতিদিন অল্প করে হাঁটা সহজ হবে।’ তিনি যোগ করেছেন, পুরস্কার হিসেবে পানীয় বা খাবারের মতো উপহার পাওয়া গেলে তা মানুষকে আরও আগ্রহী করে তুলবে।

বিবিসির প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২৫ বছরের কম বয়সীরা এই প্রকল্প নিয়ে বেশ উৎসাহী। এক তরুণী বলেছেন, এই চ্যালেঞ্জ তাকে আরও সক্রিয় হতে অনুপ্রাণিত করবে। নিয়মিত হাঁটার ধারাবাহিকতা রক্ষা করার বিষয়টি তাকে ও তার বন্ধুদের অনুপ্রাণিত করবে। আবার অনেকেই মাসে ম্যারাথনের সমান পথ হাঁটছেন।

এই পুরস্কার হিসেবে তরুণ-তরুণীরা স্বাগত জানিয়েছেন। এনএইচএস জানিয়েছে, তারা প্রকল্পের প্রাথমিক খরচ বহন করবে, তবে ভবিষ্যতে বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান থেকে অনুদান নিতে পরিকল্পনা রয়েছে।

অলিম্পিক পদকজয়ী স্যার ব্রেন্ডন ফস্টারের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই প্রকল্পটি সাজানো হচ্ছে। স্যার ব্রেন্ডন বলেছেন, ‘আমরা মানুষকে হাঁটতে উত্সাহিত করতে চাই।’ এটি ইংল্যান্ডের ১০ বছরের স্বাস্থ্য পরিকল্পনার একটি অংশ।

ব্রেন্ডন বর্ণনা করেছেন, মানুষকে আরও কর্মচঞ্চল করে তোলা তার লক্ষ্য। এনএইচএস ইংল্যান্ড এর তথ্য অনুযায়ী, দেশটির প্রতি ছয়টি মৃত্যুর মধ্যে একটির জন্য শারীরিক পরিশ্রমের অভাব দায়ী। যারা সপ্তাহে ৩০ মিনিটের কম পরিশ্রম করেন, তাদের অলস ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। স্পোর্ট ইংল্যান্ডের এক জরিপে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের নভেম্বরের মধ্যে দেশটির প্রায় ২৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ শারীরিক পরিশ্রম করেন না।

এ প্রকল্পে অন্তত ১ লাখ মানুষকে যুক্ত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে তাদের প্রতিদিনের তথ্য রেকর্ড করা হবে। স্যার ব্রেন্ডন জানিয়েছেন, লক্ষ্য পূরণ হলে এটি হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ম্যারাথন। তিনি আশা করছেন, স্ন্যাপচ্যাট বা ডুয়োলিংগোর মতো ধারাবাহিকতা রক্ষা একটি ভালো অভ্যাস হবে।

মানুষ সপ্তাহে ৫ দিন ৩০ মিনিট হাঁটলে বাড়তি ৪ বছর আয়ু পেতে পারে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য ও নিবন্ধনপ্রক্রিয়া জানানো হবে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এনএইচএস সরাসরি পুরস্কারের খরচ দেবে না এবং সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রকল্পটি পরিচালনা করবে। চিকিৎসকদেরকে রোগীদের এই প্রকল্পে উৎসাহিত করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অ্যাকশন অন সল্ট অ্যান্ড সুগারের গবেষণাপ্রধান সোনিয়া পম্বো দাবি করেছেন, নিয়মিত শারীৰিক পরিশ্রম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একে সহজ ও পুরস্কারযোগ্য করে তুলতে পারলে অনেক বেশি মানুষ আগ্রহী হবে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ব্যক্তিগত অভ্যাসের পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করলে চলবে না, আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে মুক্ত বুদ্ধিচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরলেন তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে মুক্ত বুদ্ধিচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরলেন তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান বিশ্ব এক গভীর ও জটিল সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই একক কোনো আদর্শ, দর্শন বা চিন্তার আধিপত্য মানব সভ্যতার জন্য স্থায়ী সমাধান আনতে পারে না।

তিনি বলেন, ‘জগতের সব ধরনের বৈচিত্র্য, ভিন্নমত ও আদর্শের অবাধ আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই কেবল শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান সম্ভব; আর সেজন্য প্রয়োজন মুক্ত ও দায়িত্বশীল বুদ্ধিচর্চা।’

শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ের একটি অভিজাত হোটেলে বৈশ্বিক গবেষণা, সংলাপ ও জ্ঞানচর্চার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ‘আল-উম্মাহ জার্নাল ও ওয়েবসাইট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. এ এফ এম খালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্বখ্যাত তুর্কি লেখক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ইয়াসিন আকতাই।

স্বাগত বক্তব্য দেন আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও জার্নালের সম্পাদক ইন চিফ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যখন বিভ্রান্তি, বিভাজন ও ভাসাভাসা আলোচনা দ্রুত বাড়ছে, তখন জ্ঞান, নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বিশ্বাসযোগ্য বুদ্ধিবৃত্তিক উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। আল-উম্মাহ জার্নাল ও ওয়েবসাইট জ্ঞানভিত্তিক আলোচনা ও গবেষণামূলক অবদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বস্ত মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।’

তিনি বলেন, ভাষা, ‘জাতিসত্তা, ধর্ম, সংস্কৃতি ও ভৌগোলিক বৈচিত্র্য হল প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম। কোনো সুনির্দিষ্ট পরিচয় বা গোষ্ঠী এককভাবে বিশ্বকে শাসন বা আধিপত্য বিস্তার করতে পারে না। সব মতাদর্শের স্কলার বা গবেষকদের এমন এক সাধারণ সমাধান খুঁজে বের করতে হবে, যা সভ্যতার কল্যাণ বয়ে আনবে। অতীতের কোনো একক বীর কিংবা সমাজ একা বিশ্ব সংকটের স্থায়ী সমাধান করতে পারেনি।’

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও সমাদৃত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের সরকার গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন আমাদের এই সরকার সব ধরনের বৈচিত্র্য এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। আমাদের নীতি হলো- যে যার অবস্থান থেকে নিজের কথা বলবেন এবং সুস্থভাবে সেই মতাদর্শের আদান-প্রদান হবে। এটিই প্রকৃত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি। আল-উম্মাহ জার্নালের ঘোষিত উদ্দেশ্য আমাদের এই রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তিনি আরও বাংলা, ইংরেজি, আরবি ও তুর্কি- এই চারটি ভাষায় জার্নালটি প্রকাশের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, পারস্পরিক সংস্কৃতির গভীর বোঝাপড়া আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের সকল ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে সাহায্য করে।

অধ্যাপক ইয়াসিন আকতাই বলেন, মুসলিম বিশ্বের একটি সমৃদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্য রয়েছে। সমসাময়িক বৈশ্বিক বাস্তবতার সঙ্গে সেই জ্ঞানচর্চার সংযোগ ঘটানো এখন সময়ের দাবি। আল-উম্মাহ বিশ্বজুড়ে চিন্তাবিদদের সংযুক্ত করার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হবে।

ড. এ এফ এম খালিদ হোসেন বলেন, এই প্ল্যাটফর্মটি ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কৌশলগত সংযোগ ও সহযোগিতা গড়ে তুলতে এবং মুসলিম উম্মাহর সমসাময়িক চ্যালেঞ্জগুলোর জ্ঞানভিত্তিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে মুসলিম উম্মাহর বুদ্ধিবৃত্তিক নেতৃত্ব, গণমাধ্যম, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন কবে, জানা গেল যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন কবে, জানা গেল যা

আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করা হবে। যেদিন প্রধানমন্ত্রী সময় দেবেন, সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে জাদুঘরটির উদ্বোধনের তারিখ নির্দিষ্ট করা হবে।

শনিবার (৪ জুলাই) সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এই তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছি। বর্তমানে কিছু কাজ বাকি রয়েছে। তবে আগামী ৫ আগস্টের আগেই জাদুঘরটি উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে। এটি মোটামুটি নিশ্চিত। উদ্বোধনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানানোর জন্য সময় চাওয়া হবে, তিনি যেদিন সময় দেবেন, সেদিন উপস্থিত হয়ে উদ্বোধন করা হবে।

উদ্বোধনের পর এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে, এ সম্পর্কে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকেও জানানো হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদদের আত্মত্যাগ, এবং আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের তথ্য ও উপাত্ত সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর উদ্বোধনের ঘোষণা আগেও একাধিকবার প্রকাশ করা হয়েছিল।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাদুঘর পরিদর্শন করে দ্রুত চালুর নির্দেশনা দিয়েছিলেন। পরে তৎকালীন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট উদ্বোধনের ঘোষণা দিলেও সেটা বাস্তবায়ন হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%