ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে অনিশ্চিয়তা প্রকট: ইসলামী আন্দোলন


আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে অনিশ্চিয়তা প্রকট: ইসলামী আন্দোলন

বাজেটে এত অধিক আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে যে, বাজেটকে আশাবাদে ভারাক্রান্ত বলেই মনে হচ্ছে। অথচ বাস্তবায়ন করা এই বাজেট কঠিন হবে। সুতরাং, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এই বাজেটকে সুলিখিত বলে উল্লেখ করেছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর যুগ্ম-মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে পেশকৃত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের উপরে প্রদত্ত তৎক্ষণাৎ এক প্রতিক্রিয়াতে এসব কথা বলেছেন।

বাজেট বক্তৃতায় জুলাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে, যেখানে “সমাজ-সংস্কৃতির বুনন, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন”, জনমিতিকি লভ্যাংশ, দীর্ঘজীবিতা লভ্যাংশ ও গণতান্ত্রিক লভ্যাংশের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। “স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও ন্যায্যতা”কে মূল বিবেচনা করেই বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। এগুলো সাধুবাদযোগ্য। তবে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির আশাবাদ, মূল্যস্ফীতি ৭.৫ এ নামিয়ে আনা এবং ৬.৫ প্রবৃদ্ধির লক্ষমাত্রা অর্জন করা, বর্তমান বাস্তবতায় অত্যন্ত কঠিন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ৮ নভেম্বর

বাজেট বক্তৃতায় ভঙ্গুর অর্থনীতি ও অস্থির বিশ্বরাজনীতির কথাও আলোচনা করা হয়েছে কিন্তু এর পরেও এমন আশাবাদ ব্যক্ত করা কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বলেই মনে হচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, জনগণকে অপ্রাপ্তিযোগ্য আশা না দিয়ে বাস্তবভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা উচিত।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র বলেছেন বাজেট বক্তৃতায় ২০৩০-৩১ অনু্ষ্ঠানে দেশে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮.৫ শতাংশে উন্নীত করা, মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা, প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ জিডিপি'র ২.৭ শতাংশে উন্নীত করা এবং মোট বিনিয়োগকে জিডিপি'র ৪০ শতাংশে উন্নীত করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। এ সকল লক্ষ্যই চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে কর ব্যবস্থাপনাকে সম্পূর্ণ অটোমেশনের আওতায় আনার মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি রোধ করা, রাজস্ব-জিডিপি'র অনুপাত বাড়ানো যা বর্তমানে ৬.৮ শতাংশ এবং যা ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে ৯.৬ শতাংশে উন্নত করার আশা ব্যক্ত করা হচ্ছে, সেগুলোও চ্যালেঞ্জিং সমস্যা। কারণ রাজস্ব আদায় পদ্ধতি ও চর্চা বর্তমানে দুর্নীতি ও অদক্ষতায় নিমজ্জিত রয়েছে। এই খাতে সংস্কার আনতে অন্তর্বতী সরকারকে প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়েছিল।

ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগ নির্ভর অর্থনীতির যে আশাবাদকে সাধুবাদ জানানো হয়েছে, সেখানেও রাজনৈতিক অস্থিরতা, নীতি দুর্বলতা, সংস্কার নিয়ে সরকারের অনিহা বিনিয়োগের জন্য অদৃশ্য বাঁধা হয়ে আছে।

ব্যাংক ও আর্থিক খাতে যা প্রতিশ্রুতি ও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে, তার বাস্তবতা এখন পর্যন্ত নেই। ব্যাংকের প্রতি রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বসানো এবং ইসলামী ব্যাংকে রাজনৈতিক কারণে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। খেলাপি ঋণ হ্রাসের পাশাপাশি ঋণ অনুমোদন ও পুনঃতফসিলের ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এখনই দৃশ্যমান কার্যক্রম নেই।

আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করতে আহ্বান ল্যানসেটের

বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি, পরিচালন ব্যয় হ্রাস করা এবং ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ গ্রহণ কমিয়ে আনার নীতিকে সাধুবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সম্পদ সঞ্চালনে বিশেষভাবে শিক্ষা ও মানবসম্পদ, স্বাস্থ্য, দক্ষতাভিত্তিক কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা, অবকাঠামো, স্থানীয় সরকার ও গ্রামীণ উন্নয়ন, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই খাতগুলোর বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চায়।

ধর্মীয় উপাসনালয়ের নেতৃত্বকে সম্মানি বাবদ ১,০৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব একটি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে। তবে দেশের সকল মসজিদের ইমামদের এ প্রকল্পের আওতাভুক্ত করার দাবি জানানো হচ্ছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র বলেছেন, করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর ও কর্পোরেট কর না বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিদ্যমান করসীমার ভেতরে আদায়যোগ্য কর আদায় করতে পারলে এই বরাদ্দে কোনো ঘাটতি তৈরি হবে না।

আরও পড়ুন: মাওয়া প্রান্তে পদ্মায় গোসলে নেমে নিখোঁজ রাসেলের মরদেহ উদ্ধার

মৌলিক কৃষি ও ভোগ্যপণ্য, যেমন-ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল, বীজসহ বিভিন্ন পণ্যের ওপর উৎসে করের হার ৫ শতাংশ, ২ শতাংশ, ১ শতাংশ হতে কমিয়ে মাত্র ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাবকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। একই সাথে স্বাস্থ্য খাতে কর ছাড়ের অংশ হিসেবে কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ অগ্রিম কর সম্পূর্ণ মওকুফ করার প্রস্তাবকেও একটি ভালো প্রস্তাব হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, এই সরকার সব অর্থেই একটি নতুন সরকার। তাদের প্রস্তাবিত বাজেটকে ইতিবাচকভাবে দেখা যেতে পারে তবে এই বাজেট বাস্তবায়নে নজর রাখা হবে তাদের ওপর। আগামী অর্থ বছরে তাদের প্রকৃত দক্ষতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পাবে। বাজেট সম্পর্কে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খার্গ দ্বীপ রক্ষায় যেসব প্রস্তুতি নিয়েছে ইরান: সিএনএন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ পি.এম


খার্গ দ্বীপ রক্ষায় যেসব প্রস্তুতি নিয়েছে ইরান: সিএনএন

ইরানের খার্গ দ্বীপে মার্কিন সামরিক অভিযানের আশঙ্কায় দেশটি কয়েক মাস ধরে ব্যাপক প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানাচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বীপটিতে হামলার হুমকি দেওয়ার পর এই প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির বিষয়টি আবারও গুরুত্ব পায়।

গত মার্চে সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর হামলার পরপরই ইরান খার্গ দ্বীপে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের ঝুঁকি প্রসঙ্গক্রমে প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা আরও বৃহৎ আকারে সম্প্রসারিত হয়।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, দ্বীপের প্রতিরক্ষায় ইরান অতিরিক্ত স্বল্প-পাল্লার, কাঁধে বহনযোগ্য ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপের জন্য ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা (ম্যানপ্যাডস) মোতায়েন করেছে। এইসব ব্যবস্থা মূলত কম উচ্চতায় উড্ডয়নকারী বিমান ও হেলিকপ্টার এড়াতে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়া, সম্ভাব্য স্থল অভিযান প্রতিহত করার জন্য দ্বীপটির বিভিন্ন স্থানে স্থলমাইন স্থাপন করা হয়েছে বলে সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে দ্বীপের উপকূলীয় এলাকায় এসব বিস্ফোরক বসানো হয়েছে, যেখানে মার্কিন সেনাদের অবতরণের ঝুঁকি থাকতে পারে।

খার্গ দ্বীপকে ইরানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে মনে করা হচ্ছে। দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এই দ্বীপের মাধ্যমে রফতানি করা হয়, ফলে দ্বীপটির নিরাপত্তা ইরানের জন্য কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে।

মার্কিন সামরিক ও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন যে, যদি যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের কোনো অভিযান পরিচালনা করে, তাহলে সেটা অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হবে এবং এতে বড় ধরনের প্রাণহানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ. কে. এম. শামছুল ইসলাম চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা, শিল্প ও সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন।

বৃহস্পতিবার পরিদর্শনকালে তিনি নৌবাহিনীর ঘাঁটি বানৌজা ঈসা খানে অবস্থিত আইএফএফ (IFF) সেন্টার, সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (CNRD) এবং চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড (CDDL)-এর কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘আইএফএফ সেন্টার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের সমুদ্রসীমায় সকল জাহাজের গতিবিধি, তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণ করে থাকে। এটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নজরদারি কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

অপরদিকে, সিএনআরডি হল নৌবাহিনীর একটি গবেষণা ও উদ্ভাবনমুখী প্রতিষ্ঠান যেখানে জ্বালানি পরিশোধন প্রযুক্তি, ড্রোন উন্নয়ন এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা ও উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড-এর কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন। এই প্রতিষ্ঠানটি নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজসহ বিভিন্ন বেসামরিক জাহাজের মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ ও নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং দেশের সামুদ্রিক শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

এ সময় তিনি চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড-এর সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা শিল্পে মেড ইন বাংলাদেশ নীতির আলোকে চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড-এর গুরুত্ব অপরিসীম বলেও তিনি উল্লেখ করেন এবং চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড-এর পেশাগত ও কারিগরি দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এছাড়া তিনি কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড এবং ওয়েস্টার্ন মেরিন লিমিটেড পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান সক্ষমতা, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন।

পরিদর্শন শেষে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের অগ্রগতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং দক্ষ জনশক্তির প্রশংসা করেন। তিনি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, জাহাজ নির্মাণ শিল্প এবং প্রতিরক্ষা খাতের টেকসই উন্নয়নে সকলকে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের আগে নতুন লুকে হাজির মেসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৫ পি.এম


বিশ্বকাপের আগে নতুন লুকে হাজির মেসি

মাঠের জাদু, নান্দনিক গোল কিংবা ফুটবলীয় কোনো চটজলদি মন্তব্য নয়। ২০২৬ বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর ঠিক আগমুহূর্তে একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের নজর কাড়লেন লিওনেল মেসি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের একটি মজার ভিডিও বর্তমানে রীতিমতো ভাইরাল হয়ে উঠেছে। এই ভিডিওতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় নিজের ভোলবদল করেছেন এলএমটেন। তিনি চ্যাটজিপিটির একটি প্রচারণামূলক বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়েছেন এবং নিজের সেই নতুন রূপ দেখে হাসি চেপে রাখতে পারেননি খোদ আর্জেন্টাইন জাদুকর নিজেই।

নিজের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ৫০ কোটিরও বেশি অনুসারীর জন্য তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওতে তাকে একটি আরামকেদারায় বসে বেশ মজারভাবে একটি আবদার করতে দেখা যায়। তিনি জানতে চান, চ্যাট, তুমি কি আমার চুলগুলো আর্জেন্টিনার জাতীয় পতাকার রঙে রাঙিয়ে দিতে পারো? তবে রঙটা যেন একদম স্বাভাবিক দেখায় যাতে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তার জন্য একটি ছবি তৈরি করে দেয়, যেখানে দেখা যায় তার পুরো চুল আকাশি-সাদা রঙে রাঙানো। নিজের এই অদ্ভুত ও মজার রূপ দেখে আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক হাসিতে ফেটে পড়েন। একই সাথে ড্রেসিংরুমে তার সতীর্থদের প্রতিক্রিয়া কেমন হতে পারে তা কল্পনা করে তিনি মন্তব্য করেন, এটা দেখলে দলের ছেলেরা তো হেসেই খুন হবে। এরপর রসিকতা করে তিনি আরও যোগ করেন, এখন আমি দলের সব খেলোয়াড়কে এমন চুলে দেখতে চাই।

বিশ্বকাপের মহোৎসব শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে মেসির এই ‘আকাশি-সাদা’ রূপটি এখন ভক্তদের মাঝে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। তবে মাঠের বাইরের এমন মজার ছলের পাশাপাশি তিনি মাঠের লড়াইয়েও পুরোপুরি মনোনিবেশ করেছেন। কাতার ২০২২-এর পর এবার তিনি টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ঘরে তোলার মিশনে রয়েছেন। ফুটবলের ইতিহাসে এর আগে কেবল ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে ইতালি এবং ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে ব্রাজিল টানা দুবার বিশ্বজয় করার কীর্তি গড়েছিল।

বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট কাটিয়ে অধিনায়ক এখন পুরোপুরি ফিট। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পেয়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। গ্রুপ ‘জে’-তে থাকা আর্জেন্টিনা আগামী ১৬ জুন, মঙ্গলবার আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে। এরপর ২২ জুন অস্ট্রিয়াও ২৮ জুন জর্ডানের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলোতে মাঠে নামবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে আবারও ভূমিকম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৭ পি.এম


দেশে আবারও ভূমিকম্প

দেশে ফের ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে ৯টা ৪০ মিনিটে এটি অনুভূত হয়। ইউরোপীয় মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল সিলেটের করিমগঞ্জ সীমান্তবর্তী ভারতের শিলচরে অবস্থান করছিল। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৪ দশমিক ৫ ছিল এবং এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার, যা ভূপৃষ্ঠ থেকে গভীরে ছিল। সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৩৭ মিনিটের দিকে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার ভূকম্পনে গোটা দেশ কাঁপতে থাকে। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র স্থল ভুটানে ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%