আঃ হামিদ মধুপুর( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০৪:৪৬ পি.এম
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ১নং কুড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সকলের দোয়া, সমর্থন ও রায় প্রত্যাশা করেছেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. খালিদুজ্জামান শামীম (বি.এ)।
রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত থেকে খালিদুজ্জামান শামীম এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি উপজেলা কৃষকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া ধলপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি, নেদুর বাজার উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি, কুড়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি, রানিয়াদ (ফুলবাড়ী) আলীয়া মাদরাসার সাবেক সহ-সভাপতি এবং মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সাবেক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়াও তিনি বর্তমানে কুড়ালিয়া গোরস্থান হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অতীতে উপজেলা খাস জমি বন্দোবস্ত কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
নির্বাচনী অঙ্গীকার প্রসঙ্গে খালিদুজ্জামান শামীম বলেন, “জনগণ আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করলে ১নং কুড়ালিয়া ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত, ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত, জবরদখলমুক্ত এবং বাল্যবিবাহমুক্ত একটি আধুনিক ও আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব।”
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ, কালভার্টসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহযোগিতা নিয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
খালিদুজ্জামান শামীম জানান, ২০১৭ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই সময় তিনি পরাজিত হলেও দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে এলাকার মানুষের পাশে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, “আমি সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও জনগণের সেবা ও এলাকার উন্নয়নের লক্ষ্যেই কাজ করতে চাই। এজন্য কুড়ালিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের দোয়া, সমর্থন ও মূল্যবান রায় প্রত্যাশা করছি।”
স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে সক্রিয় এই নেতার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতাকে ঘিরে ইউনিয়নের বিভিন্ন মহলে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সমর্থকরা আশা প্রকাশ করছেন, নির্বাচিত হলে তিনি ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ প্রেক্ষিতে, কেন্দ্রটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর অর্থায়নে পরিচালিত হয়। অগ্নিকাণ্ডে প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জাম পুড়ে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনা স্থলে অভিযোগ উঠে যে, একদল অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে কোথায় ঘটনার সৃষ্টি হয় উখিয়ার মধুরছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪-এর ব্লক বি/৬ সংলগ্ন এলাকায়। এসব তথ্য স্বীকার করে উখিয়া ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) সিরাজ আমিন জানান, অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর অর্থায়নে এবং এনজিও সংস্থা সিএনআরএস পরিচালিত স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং সেন্টারে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। তাত্ক্ষণিকভাবে আগুন দ্রুত আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আকার ধারণ করে। খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট, রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক, সেনাবাহিনীর টহল দলসহ এপিবিএন সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনি আরো জানান, অগ্নিকাণ্ডের ফলে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির অফিস, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, আসবাবপত্র এবং চিকিৎসা কার্যক্রমে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। সামগ্রিকভাবে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপি নেতা সামসুজ্জামান সামু।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন অনুসারে সামসুজ্জামান সামুকে চেয়ারম্যান পদে এক বছরের জন্য একটি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
সামসুজ্জামান সামু বর্তমানে রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রংপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছেন। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি রংপুর -৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে সরকার রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। পরে সেই প্রজ্ঞাপনের আওতায় এ সংক্রান্ত আইনও কার্যকর হয়। কর্তৃপক্ষটির দায়িত্ব হবে পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করা, নগর উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা, ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম সমন্বয় করা।
রংপুরে দীর্ঘদিন ধরে একটি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করার দাবি ছিল। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, চেয়ারম্যান নিয়োগের মধ্য দিয়ে নতুন এই প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও কার্যকরী কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ার পথ আরও সুগম হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় "স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম"-এর আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শনী এবং উপজেলা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা-এর আওতাধীন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসান। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির আকন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান হাওলাদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বিপ্লব, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শামীম হাওলাদার, ভাণ্ডারিয়া বন্দর সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু নাসের এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি মুসা ইসলাম সবুজ ও ফাতিন তাসফিয়া।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী বিজ্ঞান প্রকল্প, প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগ এবং স্টার্টআপ আইডিয়া উপস্থাপন করে। প্রদর্শনীতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে মোট ১০টি স্টল স্থান পায়। প্রতিটি স্টলে শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীলতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার পরিচয় তুলে ধরে।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক, গবেষণামুখী ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল দেয়া হয়েছিল, এবং সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন স্কেল বাস্তবায়িত হয়েছে প্রায় ১১ বছর পর।
তিনি শুক্রবার (১২ জুন) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট সম্পর্কিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়ে বলেন।
অর্থমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন যে, পে-স্কেল বসানোর ১১ বছর পর হয়েছে, তবে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, "আমরা আশা করছি, সরকারি কর্মকর্তাদের আয় বাড়লে দুর্নীতি কমবে।"
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাজেট বক্তব্যের সময়, অর্থমন্ত্রী সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি সায় দিয়ে জানান যে, তারা নতুন বেতন কাঠামো তথা নবম জাতীয় পে-স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা করছে, যাতে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন ও সহায়তা করা যায়।
নতুন বেতন কাঠামোর মধ্যে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের মূল বেতনের মধ্যে পার্থক্য ১:৮ অনুপাত রাখা হয়েছে। পূর্বে এটি ছিল ১:৯.০৭৬। আগের বেতন কাঠামোতেও একই অনুপাত কমিশনগুলো সাজিয়েছিল। এছাড়া, নতুন বেতন কাঠামোতে সব পর্যায়ে দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণের মূল বেতন বৃদ্ধি পেতে চলেছে।
বর্তমানে কোন গ্রেডে কত বেতন বাড়ছে তা নিচে উল্লেখ করা হলো:
গ্রেড ১: ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়ছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
গ্রেড ২: ৬৬ হাজার টাকা থেকে বাড়ছে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
গ্রেড ৩: ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়ছে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা।
গ্রেড ৪: ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়ছে ১ লাখ টাকা।
গ্রেড ৫: ৪৩ হাজার টাকা থেকে বাড়ছে ৮৬ হাজার টাকা।
গ্রেড ৬: ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়ছে ৭১ হাজার টাকা।
গ্রেড ৭: ২৯ হাজার টাকা থেকে বাড়ছে ৫৮ হাজার টাকা।
গ্রেড ৮: ২৩ হাজার টাকা থেকে বাড়ছে ৪৭ হাজার ২০০ টাকা।
গ্রেড ৯: ২২ হাজার টাকা থেকে বাড়ছে ৪৫ হাজার ১০০ টাকা।
গ্রেড ১০: ১৬ হাজার টাকা থেকে বাড়ছে ৩২ হাজার টাকা।
গ্রেড ১১: ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়ছে ২৫ হাজার টাকা।
গ্রেড ১২: ১১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বাড়ছে ২৪ হাজার ৩০০ টাকা।
গ্রেড ১৩: ১১ হাজার টাকা থেকে বাড়ছে ২৪ হাজার টাকা।
গ্রেড ১৪: ১০ হাজার ২০০ টাকা থেকে বাড়ছে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা।
গ্রেড ১৫: ৯ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বাড়ছে ২২ হাজার ৮০০ টাকা।
গ্রেড ১৬: ৯ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বাড়ছে ২১ হাজার ৯০০ টাকা।
গ্রেড ১৭: ৯ হাজার টাকা থেকে বাড়ছে ২১ হাজার ৪০০ টাকা।
গ্রেড ১৮: ৮ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বাড়ছে ২১ হাজার টাকা।
গ্রেড ১৯: ৮ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়ছে ২০ হাজার ৫০০ টাকা।
গ্রেড ২০: ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়ছে ২০ হাজার টাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ