রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২২ পি.এম
সংসদ ভবন, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আগের সরকারের আমলে নেওয়া প্রায় ১ হাজার ৩০০টি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থনৈতিক কার্যকারিতা যাচাই এবং সম্ভাব্য অনিয়ম চিহ্নিত করতে সরকার পৃথকভাবে প্রতিটি প্রকল্প মূল্যায়ন করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এসব প্রকল্প নিয়ে কয়েকটি মামলা ও সংশ্লিষ্ট বিষয় আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
আজ জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য রেহানা আক্তার রানুর (সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪) এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগের ‘ফ্যাসিস্ট’ সরকার দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিয়ে বিপুলসংখ্যক প্রকল্প গ্রহণ করেছিল। এর ফলে বর্তমান সরকারকে এসব ঋণের দায় পরিশোধের বড় ধরনের চাপ বহন করতে হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক বিষয় বিচারাধীন এবং অনেকগুলো প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। তবে, আমরা প্রতিটি প্রকল্প আলাদাভাবে মূল্যায়ন করছি।’
তিনি জানান, বিভিন্ন পর্যায়ে বাস্তবায়নাধীন প্রায় ১ হাজার ৩০০টি প্রকল্প বর্তমান সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। এসব প্রকল্প পৃথকভাবে পর্যালোচনার কাজ শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, 'অনেক প্রকল্পের মূল্যায়ন প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে, আবার অনেকগুলো মধ্যবর্তী পর্যায়ে রয়েছে।'
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পগুলোর প্রয়োজনীয়তা ও অর্থনৈতিক কার্যকারিতা যাচাই করে ইতোমধ্যে কিছু প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে, কোনো কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় সেগুলো বাতিল করার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, 'আমরা অনেক প্রকল্প বাদ দিচ্ছি। আবার এমন কিছু প্রকল্প রয়েছে, যেগুলো শেষ পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় আমাদের তা সম্পন্ন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।'
আমির খসরু বলেন, এসব প্রকল্পের কারণে সৃষ্ট আর্থিক দায়, বিশেষ করে প্রকল্পগুলোর বিপরীতে নেওয়া ঋণ পরিশোধের দায়িত্বও বর্তমান সরকারকে বহন করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগের সময়ে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ার ফলে দেশের অর্থনীতির ওপর যথেষ্ট চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, 'এতো অল্প সময়ে বাংলাদেশ এর আগে এতো বিপুল পরিমাণ ঋণ নেয়নি। এসব ঋণ পরিশোধ করতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত কঠিন সময় পার করছে।'
সরকারি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকার চারটি মৌলিক নীতি গ্রহণ করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এগুলো হলোÑ অর্থের যথাযথ ব্যবহার বা ‘ভ্যালু ফর মানি’, বিনিয়োগের বিপরীতে প্রত্যাশিত মুনাফা বা রিটার্ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিষয় বিবেচনা করা।
তিনি অভিযোগ করেন, আগের সরকারের নেওয়া অনেক প্রকল্পে এসব বিষয় যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, 'দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তাদের অধিকাংশ প্রকল্পে অর্থের যথাযথ ব্যবহার, বিনিয়োগের রিটার্ন, কর্মসংস্থান কিংবা পরিবেশগত বিষয় বিবেচনা করা হয়নি।'
আমির খসরু বলেন, জনগণের অর্থ বিনিয়োগ করে এমন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার, যাতে সেসব বিনিয়োগ থেকে পরিমাপযোগ্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুফল পাওয়া যায়। পর্যাপ্ত সুফল ছাড়া অতিরিক্ত আর্থিক দায় সৃষ্টি করেÑ এমন বিনিয়োগ থেকে সরকার বেরিয়ে আসতে চায়।
তিনি বলেন, আগের সময় থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া আরো বেশ কিছু আর্থিক ও অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলা করতে হচ্ছে সরকারকে। এর মধ্যে ব্যাংকিং খাত ও শেয়ারবাজারে কথিত অনিয়ম এবং উন্নয়ন প্রকল্পের বিপরীতে সৃষ্ট ঋণের দায়কে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কথাও উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বহির্বিশ্বের এই সংকট দেশের বিদ্যমান কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, 'আজ সরকারকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সব দায় বহন করতে হচ্ছে। এর ওপর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এই সময়কে আরো কঠিন করে তুলেছে।'
তবে এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও সরকার দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অর্থমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারি অর্থের বিনিয়োগ থেকে জনগণের জন্য সুফল নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, 'আমরা আশা করি, বর্তমানে এই চারটি নীতির ভিত্তিতে যে বিনিয়োগ করা হচ্ছে, তা বাংলাদেশের জনগণের জন্য সুফল বয়ে আনবে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ২০’ পর্দায় ফিরছে।নতুন মৌসুমে আবারও সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করবেন বলিউডের সুপারস্টার সালমান খান। একটি প্রতিবেদন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।প্রতি মৌসুমেই ‘বিগ বস’ নতুন চমক নিয়ে হাজির হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটছে না।নতুন প্রতিযোগীদের পরিচয়, রহস্যময় ঘর এবং বদলে যাওয়া খেলার নিয়ম—এসব নিয়ে শুরু থেকেই আলোচনা চলছে শোটি সম্পর্কে।
আজ রাত ৯টায় ‘বিগ বস ২০’-এর গ্র্যান্ড প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে। দর্শকরা অনুষ্ঠানটি জিওহটস্টারে সরাসরি দেখতে পারবেন। পাশাপাশি টেলিভিশনে কালার্স টিভিতে শোটি রাত ১০টা ৩০ মিনিটে সম্প্রচারিত হবে।নতুন মৌসুমের প্রতিযোগীদের নিয়ে ইতোমধ্যে জোর জল্পনা শুরু হয়ে গেছে। নির্মাতাদের প্রকাশিত কয়েকটি প্রোমোতে সম্ভাব্য প্রতিযোগীদের আভাস পাওয়া গেছে।
আলোচনায় রয়েছেন ইশা রিখি এবং অভিনেতা-রাজনীতিক মনোজ তিওয়ারির মেয়ে রীতি তিওয়ারি। এছাড়া সম্ভাব্য প্রতিযোগী হিসেবে ফয়সাল খান, উদিতি সিং, কুশল তানওয়ার, কাজি তৌকির, ইয়ুং ডিএসএ এবং খুশি দুবের নাম শোনা যাচ্ছে। রিয়া চক্রবর্তীর ভাই শোয়িক চক্রবর্তীর নামও আলোচনায় রয়েছে।এমনকি বক্সিং তারকা মেরি কম-এর নামও সম্ভাব্য প্রতিযোগী হিসেবে সামনে এসেছে।
তবে গ্র্যান্ড প্রিমিয়ারে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরই জানা যাবে, কারা সত্যিই ‘বিগ বস’-এর ঘরে প্রবেশ করছেন।এবারের ‘বিগ বস’ বাড়িতে চোখ ধাঁধানো আয়োজন থাকছে। বাড়ির নকশায় ‘ডুয়ালিটি’ বা দ্বৈততার ধারণা ব্যবহার করা হয়েছে। পরিচিত জিনিসপত্রকে অচেনা রূপ দেওয়া হয়েছে। পুরো বাড়ির সাজে রয়েছে রঙিন ও কল্পনাপ্রবণ আবহ। বাড়িটির নকশায় অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে জনপ্রিয় কল্পকাহিনি ‘অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’ থেকে।
এবারের বাড়ির সবচেয়ে বড় রহস্য ‘রুম নম্বর ২০’। ঘরটি দর্শকদের জন্য এখনো উন্মুক্ত হয়নি। শো এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এই ঘরের রহস্য প্রকাশিত হবে। ফলে প্রতিযোগীদের পাশাপাশি ‘রুম নম্বর ২০’ নিয়েও দর্শকদের কৌতূহল তুঙ্গে রয়েছে।নতুন মৌসুমের প্রচারণায় সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে ‘জীবন দান’। ট্রেলারে সালমানকে বলতে শোনা গেছে, ‘বিগ বসে মিলেগা, মেরি জান... এক্সট্রা জীবন দান।’ এই ‘জীবন দান’ প্রতিযোগীদের জন্য কী সুবিধা নিয়ে আসবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। শো শুরু হলে ধীরে ধীরে সেই রহস্য উন্মোচিত হবে।
সব মিলিয়ে নতুন প্রতিযোগী, নতুন নিয়ম, রহস্যময় ‘রুম নম্বর ২০’ এবং সালমান খানের সঞ্চালনা—এসব মিলিয়ে ‘বিগ বস ২০’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ এবারও তুঙ্গে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধায় সাড়ে আট লাখ টাকার চোরাই মোবাইলসহ গ্রেপ্তার ২
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে একটি দোকানের টিনের চাল কেটে ৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকার মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য মালামাল চুরির অভিযোগে পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার প্রায় তিন মাস পরে, গাইবান্ধা সদর উপজেলার হকার্স মার্কেট এলাকায় পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিনের নির্দেশনায় অভিযান চালিয়ে বিদ্রোহ কুমার কুন্ডসহ একটি দল তাদের আটক করে। অভিযানের সময় চুরি হওয়া ৮টি স্মার্টফোন ও ৯টি বাটন ফোনসহ মোট ১৭টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন গাইবান্ধা সদর উপজেলার কলেজপাড়া এলাকার গৌর চন্দ্র বিশ্বাস (৩৯) এবং মধ্য-ফলিয়া (পুলবন্দি) এলাকার মো. সুজন মাহমুদ (৪০)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ জুন রাত আনুমানিক ১টার দিকে দোকানমালিক মো. মুকুল হোসেন দোকানটি তালা দিয়ে বাড়িতে চলে যান। পরদিন সকাল ৯টার দিকে দোকান খুলে তিনি দেখতে পান, ভেতরের মালামাল এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে। পরে তিনি লক্ষ্য করেন, দোকানের ওপরের টিন কেটে চোরেরা ভেতরে প্রবেশ করে মালামাল চুরি করেছে।
চোরেরা দোকান থেকে ২৭টি স্মার্টফোন, ১১০টি বাটন ফোন, চার্জার, এয়ারফোনসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য ৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় দোকানমালিক মো. মুকুল হোসেন ১ জুলাই সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটির এফআইআর নং-০৪, জিআর নং-২১৬/২০২৬।
মামলার তদন্তে চোরাই মোবাইলের সন্ধান পাওয়ার পর পুলিশ অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা সদর থানার হকার্স মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া ৮টি স্মার্টফোন ও ৯টি বাটন ফোন উদ্ধার করা হয়। একই অভিযানে গৌর চন্দ্র বিশ্বাস ও মো. সুজন মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে কঞ্চিবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সেলিম রেজা মন্তব্য করেন, "আমরা দিন-রাত বিশেষ অভিযান চালিয়ে চোরদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।" গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রশাসনিক সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শাস্তি পাওয়া ২০ কর্মকর্তার দণ্ডাদেশ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভাগীয় মামলার সুনির্দিষ্ট দায় থেকেও তাদের পূর্ণ অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
আজ রাষ্ট্রপতির কাছে করা আপিলের পর্যালোচনা শেষে এনবিআর চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপনে দণ্ডাদেশ বাতিল ও অব্যাহতির এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
দণ্ড মওকুফ প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- এনবিআর-এর দ্বিতীয় সচিব (উপ-কমিশনার) মো. শাহাদাত জামিল, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের রাজস্ব কর্মকর্তা শফিউল বশর, ঢাকা উত্তর কমিশনারেটের রাজস্ব কর্মকর্তা সবুজ মিয়া এবং খুলনার কাস্টমস মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেটের উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।
এ ছাড়া কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট (চট্টগ্রাম)-এর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) মো. জাকির হোসেন, একই কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার মো. সানোয়ারুল কবির, গাজীপুরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডু, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার আ.আ.ম. আমীমুল ইহসান খান এবং ঢাকা পশ্চিমের অতিরিক্ত কমিশনার সিফাত-ই-মরিয়মের ওপর আরোপিত লঘুদণ্ড বাতিল ও মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তালিকায় আরও রয়েছেন নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (মূল্য সংযোজন কর, ঢাকা)-এর অতিরিক্ত কমিশনার হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদার।
একই আদেশে শাস্তি থেকে মওকুফ পেয়েছেন কর ক্যাডারের একাধিক কর্মকর্তা। তারা হলেন—কর অঞ্চল-ময়মনসিংহের যুগ্ম কর কমিশনার মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা, কর অঞ্চল-যশোরের যুগ্ম কর কমিশনার মো. মামুন মিয়া, কর অঞ্চল-গাজীপুরের অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী, কর অঞ্চল-২২ (ঢাকা)-এর অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) সুলতানা হাবীব, কর অঞ্চল-যশোরের অতিরিক্ত কর কমিশনার মুরাদ আহমেদ, যুগ্ম কর কমিশনার মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দিন খান এবং ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট ইউনিট (ঢাকা)-এর যুগ্ম কর কমিশনার মাসুমা খাতুন।
এর পাশাপাশি খুলনার উপ-কর কমিশনার মো. জিল্লুর রহমান, কর অঞ্চল-২১ (ঢাকা)-এর উপ-কর কমিশনার ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল এবং কর অঞ্চল-দিনাজপুরের অতিরিক্ত কর কমিশনার মির্জা আশিক রানার ওপর অর্পিত লঘুদণ্ড সম্পূর্ণ বাতিল এবং বিভাগীয় মামলার চার্জ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এনবিআর-এর সংস্কার ও তৎকালীন বিভিন্ন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ২০২৫ সালে একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কর্মবিরতি বা আন্দোলনে অংশগ্রহণ ও সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু এবং বেতন স্কেল ২ থেকে ৩ ধাপ অবনমনসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে আপিল আবেদন করলে রাষ্ট্রপতি তা মঞ্জুর করেন। এর আলোকেই প্রজ্ঞাপন জারি করে তাদের শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের লালবাগ থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী আজমকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
অনৈতিক ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু এবং সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন এই তথ্য জানিয়েছেন।
বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান মিন্টুর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে যে, আলী আজমকে তার পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়া, বহিষ্কৃত ব্যক্তির সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার জন্য দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:০৯
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ