বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৫৫ পি.এম
ন্যাটোভুক্ত দেশ সুইডেনে অবস্থিত রাশিয়ার দূতাবাসে একটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। দূতাবাসের বক্তব্য অনুযায়ী, একটি ড্রোন যন্ত্র থেকে লাল রং দ্বারা ভর্তি একটি বাক্স ফেলা হয়েছে এবং আরেকটি ড্রোনের মাধ্যমে একটি নকল বিস্ফোরকও ফেলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, দূতাবাসের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সুইডেনে রাশিয়ার দূতাবাস ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। একটি কোয়াডকপ্টার দূতাবাসের প্রাঙ্গণে লাল রং ভর্তি একটি বাক্স ফেলেছে। আরো একটি ড্রোনে সংযুক্ত একটি নকল বিস্ফোরক যন্ত্র দূতাবাস ভবনের ঠিক পাশের স্থানে পড়ে গেছে।”
অন্যদিকে, দূতাবাস এ ঘটনাকে রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশনকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের একটি প্রকাশ্য প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছে। তারা এও জানিয়েছে যে, এ ধরনের ধারাবাহিক হামলা এবং এর পরিণতির পূর্ণ দায় সুইডেনের উপর বর্তায়।
এর আগে রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশন জানিয়েছিল যে, ২০২৪ সালের মে মাস থেকে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাশিয়ার কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোতে ১৫টির বেশি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে গেছে। দূতাবাসের দাবি, কয়েকটি ঘটনার সময় ভারী কাচের পাত্রে রং বহন করা হয়েছে, যা বিধ্বস্ত হলে কাচের টুকরা এবং ভারের কারণে গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি সৃষ্টি করেছিল।
রাশিয়া জানিয়েছে, প্রতিটি হামলার পর পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী স্বাগতিক দেশ হিসেবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে সুইডেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তারা একটি কূটনৈতিক নোট পাঠিয়েছে। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে হামলাকারী হিসেবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি এবং একই ধরনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা অভিযোগ করেছেন যে, সুইডিশ কর্তৃপক্ষের নীরব সমর্থনের মাধ্যমে সুইডেনে রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশনে এসব ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটছে। তিনি ভিয়েনা কনভেনশনের অধীনে সুইডেনকে আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা কঠোরভাবে পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। সূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের জুন মাসে দেশের পণ্য রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ে তুলনায় প্রায় ২৬ শতাংশ বেড়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল পণ্য এবং কৃষিপণ্যের রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ফলে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি থেকে অর্জন করেছে ৪২০ কোটি মার্কিন ডলার। ২০২৫ সালের একই মাসে এই আয় ছিল ৩৩৪ কোটি মার্কিন ডলার। ফলে, এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ।
তবে সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (জুলাই-জুন) পুরো সময়কালে দেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় হয়েছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে এই আয় ছিল ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলার। অর্থাৎ, বার্ষিক হিসাবে রপ্তানি আয় সামান্য কমেছে।
ইপিবির বক্তব্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন, জ্বালানি বাজারের অস্থিতিশীলতা এবং প্রধান রপ্তানি বাজারগুলোতে চাহিদা কম থাকা সত্ত্বেও আগের অর্থবছরের তুলনায় রপ্তানি আয় ধরে রাখা বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের সক্ষমতা এবং অভিযোজন ক্ষমতার প্রমাণ।
দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক খাত জুন মাসে মোট ৩৩৯ কোটি মার্কিন ডলার আয় করেছে, যা আগের বছর একই মাসের তুলনায় ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালের জুনে এই খাতের আয় ছিল ২৭৯ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে নিট পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং বুনন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ।
জমা হয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭০ কোটি মার্কিন ডলার, যা দেশের মোট রপ্তানি আয়ের বৃহৎ অংশ।
অন্যান্য খাতের মধ্যে, জুন মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ৪৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ। পুরো অর্থবছরে এসব খাতের জন্য রপ্তানি আয় ১২৩ কোটি ডলার, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি।
একই সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি জুনে বেড়েছে ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থবছরের জন্য এই খাতের রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৮ কোটি ৩৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি।
হোম টেক্সটাইল খাতে জুনে রপ্তানি বেড়েছে ৫৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং সম্পূর্ণ অর্থবছরে এটা বেড়েছে ৬ দশমিক ৫২ শতাংশ। প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি জুনে বেড়েছে ৪৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং অর্থবছরের উপর ভিত্তি করে বেড়েছে ২১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এছাড়াও, কৃষিপণ্যের রপ্তানি জুন মাসে ৪৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশভিত্তিক বাজার অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় একক রপ্তানি গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখানে রপ্তানি হয়েছে ৯০৫ কোটি ডলারের পণ্য, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার হিসাবে যথাক্রমে জার্মানি এবং যুক্তরাজ্য তাদের স্থান ধরে রেখেছে। জুন মাসে বাংলাদেশে শীর্ষ ২০টি রপ্তানি গন্তব্যেই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
ইপিবি আশা করছে, রপ্তানি পণ্য এবং বাজারের বহুমুখীকরণের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী হবে এবং এটি দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধের লক্ষ্য নিয়ে মোংলায় বিশেষ ম্যানগ্রোভ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
ব্র্যাক জলবায়ু পরিবর্তন কর্মসূচির অধীনে এবং ড্যানিশ মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স-এর অর্থায়নে ‘রেইন ফর লাইফ প্রোজেক্ট’-এর আওতায় এই কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মোংলার চিলা ইউনিয়নের কলাতলা গ্রামের পশুর নদীর পাড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানের মাধ্যমে উপকূলের মানুষ এবং বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করার লক্ষ্য নিয়ে এই প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় বনাঞ্চলে মোট ৩৫ হাজার চারা রোপণ এবং বীজ বপন করা হবে।
এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শারমিন আক্তার সুমী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)-এর কেন্দ্রীয় নেতা ও পরিবেশযোদ্ধা মো. নূর আলম শেখ এবং ব্র্যাক প্রকল্পের অপারেশন ম্যানেজার প্রকাশ চন্দ্র বিশ্বাস।
এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ব্র্যাকের অন্যান্য কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমী জানিয়েছেন, সরকার আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে।
মোংলা উপজেলা অত্যন্ত জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় এখানে বনায়ন খুবই জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় ব্র্যাকের এই ম্যানগ্রোভ বনায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি উপকূলের মানুষ ও প্রকৃতি রক্ষায় গাছ রোপণের পাশাপাশি তা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কেন্দুয়া উপজেলার আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়ে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
এই বিতরণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ হলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে সঞ্চালিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নেত্রকোণা-৩ (আটপাড়া -কেন্দুয়া) আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী এই প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রিফাতুল ইসলাম এবং অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার উজ্জ্বল সাহা।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, "কৃষকের উন্নয়নই দেশের উন্নয়ন"। বর্তমানে সরকার কৃষিবান্ধব নীতি বাস্তবায়ন করে সব সময় কৃষকদের পাশে রয়েছে এবং আমরা একটি সমৃদ্ধ, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি কৃষকদের এই সরকারি প্রণোদনার সঠিক ব্যবহারের জন্য আহ্বান জানান যাতে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হয়।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ১০ শিক্ষার্থী চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি কারণ তারা প্রবেশপত্র পাননি।
যদিও কলেজের এক খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে ফরম পূরণের চেষ্টা করেছিলেন তারা, অভিযোগ রয়েছে যে তিনি প্রতারণা করেছেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার সকালে কলেজের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। কলেজ ও শিক্ষার্থী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজ থেকে তিন বিভাগে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। তবে মানবিক বিভাগের ১০ জন শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে ফরম পূরণ করতে না পারায় তারা কলেজের খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওনের কাছে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে ফরম পূরণের প্রতিশ্রুতি পান। তিনি প্রায় দুই মাস আগে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়েছেন।
২৪ জুন অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন কার্ড বিতরণ করা হলেও ওই ১০ শিক্ষার্থী তা পাননি। শাওন তাদের জানিয়েছেন যে দেরিতে ফরম পূরণ করায় কিছুটা সময় লাগবে প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন কার্ড পেতে। পরবর্তীতে ৩০ জুন ও ১ জুলাই দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি সময়ক্ষেপণ করেছেন। বুধবার রাত ৯টার পর থেকে শাওনের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার পরীক্ষার দিন প্রবেশপত্র না পেয়ে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সম্রাট সরকার বলেন, শাওন নিজেকে কলেজের স্টাফ পরিচয় দিয়ে আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে ফরম পূরণের ব্যবস্থা করবেন। সেই বিশ্বাসে আমরা টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি শুধু আশ্বাস দিয়ে সময় পার করেছেন। এখন আমাদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হয়ে গেল। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি আমাদের।
মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান বলেন, বুধবার বিকেলে দুই শিক্ষার্থী এর বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি জানান, কলেজে সব ধরনের ফি ব্যাংকের মাধ্যমে নেওয়া হয় এবং ফরম পূরণের জন্য আলাদা কমিটি রয়েছে। হাতে টাকা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই।
তিনি আরও বলেন, শাওন খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন। বিষয়টি জানার পর তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। বর্তমানে তার মুঠোফোন বন্ধ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ