বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:০২ পি.এম
কেন্দুয়া উপজেলার আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়ে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
এই বিতরণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ হলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে সঞ্চালিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নেত্রকোণা-৩ (আটপাড়া -কেন্দুয়া) আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী এই প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রিফাতুল ইসলাম এবং অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার উজ্জ্বল সাহা।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, "কৃষকের উন্নয়নই দেশের উন্নয়ন"। বর্তমানে সরকার কৃষিবান্ধব নীতি বাস্তবায়ন করে সব সময় কৃষকদের পাশে রয়েছে এবং আমরা একটি সমৃদ্ধ, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি কৃষকদের এই সরকারি প্রণোদনার সঠিক ব্যবহারের জন্য আহ্বান জানান যাতে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হয়।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ১০ শিক্ষার্থী চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি কারণ তারা প্রবেশপত্র পাননি।
যদিও কলেজের এক খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে ফরম পূরণের চেষ্টা করেছিলেন তারা, অভিযোগ রয়েছে যে তিনি প্রতারণা করেছেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার সকালে কলেজের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। কলেজ ও শিক্ষার্থী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজ থেকে তিন বিভাগে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। তবে মানবিক বিভাগের ১০ জন শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে ফরম পূরণ করতে না পারায় তারা কলেজের খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওনের কাছে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে ফরম পূরণের প্রতিশ্রুতি পান। তিনি প্রায় দুই মাস আগে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়েছেন।
২৪ জুন অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন কার্ড বিতরণ করা হলেও ওই ১০ শিক্ষার্থী তা পাননি। শাওন তাদের জানিয়েছেন যে দেরিতে ফরম পূরণ করায় কিছুটা সময় লাগবে প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন কার্ড পেতে। পরবর্তীতে ৩০ জুন ও ১ জুলাই দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি সময়ক্ষেপণ করেছেন। বুধবার রাত ৯টার পর থেকে শাওনের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার পরীক্ষার দিন প্রবেশপত্র না পেয়ে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সম্রাট সরকার বলেন, শাওন নিজেকে কলেজের স্টাফ পরিচয় দিয়ে আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে ফরম পূরণের ব্যবস্থা করবেন। সেই বিশ্বাসে আমরা টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি শুধু আশ্বাস দিয়ে সময় পার করেছেন। এখন আমাদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হয়ে গেল। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি আমাদের।
মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান বলেন, বুধবার বিকেলে দুই শিক্ষার্থী এর বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি জানান, কলেজে সব ধরনের ফি ব্যাংকের মাধ্যমে নেওয়া হয় এবং ফরম পূরণের জন্য আলাদা কমিটি রয়েছে। হাতে টাকা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই।
তিনি আরও বলেন, শাওন খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন। বিষয়টি জানার পর তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। বর্তমানে তার মুঠোফোন বন্ধ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের কেন্দ্রস্থলে একটি জনাকীর্ণ ক্যাফেতে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
এতে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২১ জন হতাহতের খবর পাওয়া গেছে, এর মধ্যে অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ১৬ জন আহত হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত প্যালেস অব জাস্টিস-এর (বিচার প্রাসাদ) কাছে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের সময় ক্যাফেটিতে বহু মানুষ অবস্থান করছিলেন। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, সিরিয়ার জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রধানের বরাত দিয়ে এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ১৬ জন আহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
আহতদের দ্রুত আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিস্ফোরণের পর পরই নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে। উদ্ধারকর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করেন।
তাৎক্ষণিকভাবে বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনও ব্যক্তি বা সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করেনি।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বিস্ফোরণের পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে হামলাটি চালানো হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযান পরিচালনা করে ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
নগরীর বিভিন্ন থানাসহ ডিবি পুলিশের অভিযানের মধ্য দিয়ে বুধবার দিবাগত রাতে এই ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
আজ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে ওয়ারেন্টভুক্ত দু’জন, মাদক মামলায় সাতজন এবং অন্যান্য মামলায় সাতজন রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য টেকসই পেশাগত উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।
ইউজিসির উদ্যোগে ১৫ মাস্টার ট্রেইনার তৈরির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের টেকসই পেশাগত উন্নয়ন কার্যক্রমের সূচনা হলো। প্রথম ধাপে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে ‘মাস্টার ট্রেইনার’ হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে, এই মাস্টার ট্রেইনাররা আরও প্রশিক্ষক তৈরি করবেন এবং দেশে হাজার হাজার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজারের একটি হোটেলে আয়োজিত সিনিয়র ফ্যাকাল্টি প্রফেশনাল ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রামের ‘ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (টিওটি)’–এর প্রথম ব্যাচের সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়। ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
তিনি বলেন, "উচ্চশিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করতে দক্ষ ও দূরদর্শী একাডেমিক নেতৃত্ব গড়ে তোলার বিকল্প নেই।" তিনি আরো বলেছিলেন, "এই কর্মসূচি শুধু একটি প্রশিক্ষণের সমাপ্তি নয়; বরং দেশের উচ্চশিক্ষায় একাডেমিক নেতৃত্ব বিকাশের নতুন যাত্রার সূচনা।" আজ যারা মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে সনদ পেলেন, তারা নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশাগত উন্নয়ন, মানসম্মত পাঠদান, গবেষণা নেতৃত্ব, সুশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখবেন।
মামুন আহমেদ আরো বলেন, হিট প্রকল্পের পরবর্তী ধাপে আরও জাতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষক তৈরি করা হবে। মাস্টার ট্রেইনার এবং ন্যাশনাল ট্রেইনারদের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষক আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি, মান নিশ্চিতকরণ, গবেষণা নেতৃত্ব, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাবেন।
তিনি বলেন, বিদেশি সহায়তার ওপর দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরশীল না থেকে দেশেই দক্ষ প্রশিক্ষক তৈরির মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর শিক্ষক উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের সক্ষমতা দিয়েই ভবিষ্যতের নেতৃত্ব তৈরি করতে পারবে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস, হিট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, অ্যাডভান্স এইচইর পরামর্শক ড. বেন ব্রাবন, দেশীয় পরামর্শক, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন মাস্টার ট্রেইনার এবং হিট প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১০ দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে কৌশলগত সুশাসন, মান নিশ্চিতকরণ, আন্তর্জাতিকীকরণ, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, শিক্ষাদান ও মূল্যায়ন, গবেষণা নেতৃত্ব এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতাসহ উচ্চশিক্ষার ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ