০১:৪৮ এম
ঢাকার কেরানীগঞ্জে অবৈধভাবে ফুটপাত ও সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ করেছে কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। এই অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্য ছিল পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করা, যানজট নিরসন এবং সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করা।
রবিবার (৮ নভেম্বর) বিকাল ৫টায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুলাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে স্থাপিত দোকানপাট, অস্থায়ী স্থাপনা এবং বিভিন্ন ধরনের দখল উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক। উচ্ছেদ অভিযানে ফুটপাত ও সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে দখলে থাকা ফুটপাত ও সড়কের জায়গা পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২ নভেম্বর) ফুটপাত থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার পর একদিনের মধ্যে আবার ফুটপাত দখল করে দোকান বসানো হয়। তাই বুলডোজার ব্যবহার করে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা ছোট-বড় দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সরকারি জায়গা ও ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। উচ্ছেদের পর পুনরায় কেউ যাতে সেখানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বা দোকানপাট বসাতে না পারে, সে বিষয়ে নজরদারি রাখা হবে।
আরও পড়ুন: শেরপুরে জমিজমা বিরোধে ভাতিজাদের হামলায় চাচা নিহত, অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন
স্থানীয়রা জানান, ফুটপাত দখল হয়ে থাকায় পথচারীদের মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হতে হচ্ছিল। এতে যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছিল। প্রশাসনের এ অভিযানে ফুটপাত ও সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলে তারা আশা করছেন।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। "কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন