সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৭ পি.এম
পাকিস্তান সম্ভবত ইংল্যান্ডের কাছে তিন টেস্ট সিরিজে হারের শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি। এই কঠিন পরিস্থিতিতে আইসিসির শাস্তি যেন ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে এসেছে।
আইসিসি পাকিস্তানের ১১ পয়েন্ট কেটেছে স্লো ওভাররেটের কারণে। পাশাপাশি, ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানাও আরোপ করেছে।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় ও শেষ টেস্টে নামার আগে পাকিস্তানের পয়েন্ট ছিল ১৬। এজবাস্টন টেস্টের পর আইসিসির শাস্তির ফলে তাদের পয়েন্ট এখন ৫। এটা প্রথমবার নয়, এর আগেও পাকিস্তান পয়েন্ট হারিয়েছে।
গত মে মাসে বাংলাদেশ সফরের সময় পাকিস্তানের ৮ পয়েন্ট কাটা হয়েছিল। এর ফলে, বাবর আজমদের মোট পয়েন্ট কাটা হয়েছে ১৯। তারা মোট ২৪ পয়েন্ট অর্জন করেছিল।
১১ পয়েন্ট কাটা যাওয়ার কারণে পাকিস্তান বর্তমানে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার তলানিতে অবস্থান করছে। তারা ৯ নম্বরে রয়েছে। তালিকাটি শতকরার ভিত্তিতে হওয়ায় পাকিস্তানের পিসিটি এখন ৪.৬৩। ৮০ শতাংশ নিয়ে শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
শীর্ষ পাঁচের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। ৫৫.৫৬ শতাংশ নিয়ে তারা চারে অবস্থান করছে, নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে। বাংলাদেশের উপরে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা (৭৫ শতাংশ) ও নিউজিল্যান্ড (৭২.২২)। ৫১.৫২ শতাংশ নিয়ে পাঁচে রয়েছে ভারত। পরবর্তী পজিশনে আছে ইংল্যান্ড (৩৮.৫৪), শ্রীলঙ্কা (৩৩.৩৩) এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২০.৮৩)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত আগামী ১৯ অক্টোবর তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
আজ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি এদিন প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন দিন ধার্য করেন।
২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই অর্থ ফিলিপাইনে পাঠানো হয়।
সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, দেশের অভ্যন্তরের কোনো একটি চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ রিজার্ভের অর্থ পাচার করে।
ওই ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫)-এর ৪ ধারাসহ তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এর ৫৪ ধারা ও ৩৭৯ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।
বর্তমানে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দ্বারা তদন্তাধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোর, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন উল্লেখ করেছেন, পদ্মার চরে মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই উদ্দেশ্য সাধনে প্রয়োজন হলে চর এলাকায় যৌথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।
আজ নাটোরের লালপুর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য প্রকাশ করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পদ্মার চর একটি অপার সম্ভাবনাময় স্থান, যেখানে কৃষি, মৎস্য, পশুপালনসহ মানুষের জীবন ও জীবিকার উৎস বিদ্যমান। বর্তমান সরকার চরের বাসিন্দাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করতে যৌথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি আরও জানান, চরে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন রোধে কঠোর প্রশাসনিক তদারকি অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আন্তঃজেলার সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সম্মিলিত অভিযান পরিচালনার বিষয়টিও আমরা বিবেচনা করছি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না। সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আমরা সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে চাই।
এ সময়, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশে সারের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে পূর্ণ ভারসাম্য বিদ্যমান। মজুতদারির মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির সকল অপচেষ্টা রোধে প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের মনিটরিং এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শুধু সার নয়, সরকার প্রদত্ত সকল সুবিধা সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর।
সভায় সভাপতিত্ব করেন লালপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবীর হোসেন।
এর আগে, প্রতিমন্ত্রী লালপুর উপজেলা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। সভা শেষে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ জলাশয় এবং লালপুর উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।
এরপর দুপুরে বাগাতিপাড়া উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন। পরে তিনি লালপুর, বাগাতিপাড়া এবং বড়াইগ্রাম উপজেলায় বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রমের কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে মানবিক, দক্ষ ও ভবিষ্যৎ উপযোগী জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের উন্নয়নকে টেকসই ও গতিশীল করার জন্য সরকারের, ব্যবসা ও শিল্পখাত এবং একাডেমিয়ার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ও অংশীদারত্ব গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নভো থিয়েটারের অডিটোরিয়াম হলে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রকল্প বাস্তবায়নে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় আরও জোরদার করা প্রয়োজন। প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় বাড়িয়ে উন্নয়ন প্রকল্পে ওভারল্যাপিং ও ডুপ্লিকেশন বন্ধ করতে হবে। এর ফলে সরকারি সম্পদের সর্বোচ্চ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় ও ব্যয় কমানো সম্ভব হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসা ও শিল্পখাত, একাডেমিয়া এবং সরকার—এই তিন পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ দেশের উদ্ভাবন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণা ও উদ্ভাবনের সঙ্গে শিল্পের বাস্তব চাহিদার সংযোগ ঘটাতে পারলে নতুন প্রযুক্তি, কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।
সরকার উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি বা স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে চায়। তিনি বলেন, একই প্ল্যাটফর্ম ও অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে সার্বিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে। এ ধরনের ইনোভেশন ফেয়ার তরুণ উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং শিল্পখাতের মধ্যে যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিখোর সিইও শাহির চৌধুরী, বিআইআইএনের চেয়ারম্যান সৈয়দ আলমাস কবির, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী, ব্যাংক এশিয়ার ডিএমডি আখতার উদ্দিন মাহমুদ, ইউনিলিভার বাংলাদেশের পরিচালক দুরদানা চৌধুরী এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসিই বিভাগের অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসাইন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলাদেশের উদ্ভাবন ও দক্ষতা উন্নয়নের সম্ভাবনা, প্রযুক্তির ব্যবহার, শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা এবং তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যতের কর্মবাজারের জন্য প্রস্তুত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় ‘সংস্কারের’ অংশ হিসেবে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি ছিঁড়ে ফেলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী, যা প্রতিবাদের চিহ্ন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে ডাকসু সংগ্রহশালায় গিয়ে ছবিগুলো ছিঁড়ে ফেলেন শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার।
এ সময় তিনি মন্তব্য করেন, "এদেশের ভাষা আন্দোলনের আসল নায়কদের বাদ দিয়ে পাকিস্তানের জাঁদরেল জিন্নাহর ছবি কেন ডাকসু রেখেছে তার জন্য প্রশাসন ও ডাকসুর নেতাদের জবাব দিতে হবে।" তিনি আরও বলেন, "যে জিন্নাহ আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, সে জিন্নাহকে কীভাবে এখানে রাখে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ সব জায়গায় রক্তগঙ্গা দিয়েছে। এখানে থাকতে হবে ভাষা আন্দোলনের নায়ক আবুল কাসেমের (ছবি)। এখানে থাকবে শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ।"
আবু তৈয়ব হাবিলদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি ২০২৫ সালে ডাকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে স্বতন্ত্রভাবে ভোট দিয়েছেন।
সংস্কার শেষে রোববার ডাকসু সংগ্রহশালা পুনরায় চালু করে, যেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একক বা গৌরবোজ্জ্বল ছবি না থাকলেও নতুন করে যুক্ত হয় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আলোচিত ছবি।
এর মধ্যে একটি ছবি ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক অনুষ্ঠানের, যেখানে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘কেবল উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।’
স্থান পায় ১৯৪০ সালের মার্চ মাসে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের বার্ষিক সম্মেলনের একটি গ্রুপ ছবি, যেখানে জিন্নাহ রয়েছেন। অপর ছবিটি ১৯৭০ সালের নির্বাচন নিয়ে জিন্নাহর ছবি সংবলিত পাকিস্তানের ডন পত্রিকার প্রতিবেদনের পেপার কাটিং।
ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ‘বিতর্কিত’ ছবি প্রদর্শনের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
সোমবার সকালে সংগঠনটি বলেছে, শিবির নিয়ন্ত্রিত ডাকসুর এই পরিষদ শিক্ষার্থীদের গণআকাঙ্ক্ষা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিকামী চেতনাকে বিসর্জন দিয়ে ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির প্রতি তাদের প্রচ্ছন্ন অনুরাগ ও ‘পাকিস্তান প্রেম’ জাহির করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ