০৮:৪৩ এম
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছে ইরান। ওয়াশিংটন ঘোষণা করেছে যে, দেশটির আয়ের সব উৎস বন্ধ করে তাদের বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে। তবে তেহরান দাবি করছে, তারা একঘরে হচ্ছে না। বরং তাদের মিত্রদের সঙ্গে বাণিজ্য আগের মতোই অব্যাহত থাকবে।
তেহরানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোস্তফা খোশচশম আল জাজিরাকে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ওবামা প্রশাসনের সময় থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে আসছে যে, তাদের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান একঘরে হয়ে গেছে। এক দশক আগে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ছিল সবচেয়ে কঠোর। কিন্তু ইরান তা সফলভাবে মোকাবেলা করেছে। রাশিয়া, চীন এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে তাদের সম্পর্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। এইভাবে তারা মার্কিন নজরদারি ব্যবস্থা এড়িয়ে চলতে সক্ষম হয়েছে।
বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক সূত্র থেকে জানা গেছে, ইরান প্রতিদিন ১০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল বিক্রি করে যাচ্ছে। আইআরজিসির একজন মুখপাত্রও জানিয়েছেন, মার্কিন নৌ-অবরোধের বাইরে গিয়ে ইরান তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: খিঁচুনির অভিনয় করে সিনেমা কায়দায় পালিয়ে ১৭ বন্দি গ্রেপ্তার
অবরোধ আরম্ভ হওয়ার পর তেহরান পূর্ব ও উত্তর দিকে নতুন বাণিজ্যিক পথ খুলেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বন্ধ থাকা পাঁচটি সড়ক এখন একটি দেশের ভেতর দিয়েই সচল রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে একঘরে করা সম্পূর্ণ অসম্ভব। তবে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা একটি সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন। তারা বলেছেন, যদি কোনো দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশ মেনে চলে, তবে তাকেও বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করা হবে। কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন, এমন পদক্ষেপ নিলে ওই দেশগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধের সহযোগী হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন