ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালে নতুন পুলিশ কমিশনারের যোগদান উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত


বরিশালে নতুন পুলিশ কমিশনারের যোগদান উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) নতুন কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ'র যোগদান উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে আলোচনা হয় নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা ও পুলিশের সঙ্গে গণমাধ্যমের সমন্বয়ের বিষয়ে।

মিট দ্য প্রেসে সাংবাদিকরা বরিশাল নগরীর সার্বিক নিরাপত্তা, মাদক ও কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন, চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের পুলিশের সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও মতামত তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা হত্যায় ৩ দিন পর মামলা, প্রধান আসামী ছাত্রদল নেতা রিজভী

নতুন কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি, অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ এবং জনবান্ধব পুলিশিং জোরদারের প্রত্যাশা জেগে উঠেছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরাও পুলিশের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণকে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য দিতে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মিট দ্য প্রেসে বিএমপি’র ঊর্ধতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন কমিশনারের সাথে বরিশালের গণমাধ্যমকর্মীদের আনুষ্ঠানিক মতবিনিময়ের সূচনা হলো।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসক মো. আরিফ মিয়া আটক

সম্প্রতি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহকে নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি গত ৫ আগস্ট পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি পুলিশ সদর দপ্তরে ডিআইজি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি অতীতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে খালের দুই পাশের সড়ক বেহাল, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


কাউখালীতে খালের দুই পাশের সড়ক বেহাল, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা শহরের অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক এসবি সরকারি বালিকা বিদ্যালয় সড়ক ও কচুয়াকাটি খালের দুই পাশের সড়ক দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে বেহাল হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ। দ্রুত সড়ক দুটি সংস্কার করা না হলে খালের সঙ্গে সড়ক বিলীন হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কাউখালী এসবি সরকারি বালিকা বিদ্যালয় সড়কের কচুয়াকাটি খালের উত্তর পাড়ে স্কুল এলাকা থেকে বেইলি ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এবং খালের দক্ষিণ পাশে উত্তর বাজার থেকে বেইলি ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের পিচ ও ইট উঠে গিয়ে মাটি বের হয়ে গেছে। বৃষ্টির পানি জমে এসব স্থানে কাদার সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন এসব সড়ক দিয়ে রিকশা, অটোরিকশা, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চালকদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় খানাখন্দে পানি ও কাঁদা জমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল হোসেন “এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ সবাইকে এই রাস্তা ব্যবহার করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার অবস্থা খারাপ হলেও স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। দ্রুত সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
আরেক বাসিন্দা ব্যবসায়ী সুজন হোসেন“খালের দুই পাশের রাস্তার অনেক জায়গায় পিচ ও ইট উঠে গেছে। বর্ষার সময় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। খালের পাড়ের কিছু অংশও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে কোনো এক সময় রাস্তার অংশ খালের মধ্যে ধসে পড়তে পারে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ চলাচল করলেও দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। দ্রুত সংস্কার না হলে জনদুর্ভোগের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও উপজেলা শহরের স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থাও ব্যাহত হতে পারে।
এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ হোসাইন রাসেল বলেন, “সড়ক দুটির বর্তমান অবস্থা আমরা অবগত আছি। ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে দ্রুত সংস্কারের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “খালের দুই পাশের সড়কগুলো জনগুরুত্বপূর্ণ। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে যাতে জনসাধারণকে দুর্ভোগে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও অবনতির আগেই কচুয়াকাটি খালের উত্তর ও দক্ষিণ পাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দুটি দ্রুত সংস্কার করে মানুষের চলাচলের উপযোগী করা হোক। একই সঙ্গে খালের পাড় সংরক্ষণ করে সড়ক রক্ষায় স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাজ্যে ভিসার অপব্যবহারে শীর্ষে পাকিস্তানি নাগরিকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


যুক্তরাজ্যে ভিসার অপব্যবহারে শীর্ষে পাকিস্তানি নাগরিকরা

পাকিস্তানিদের যন্ত্রণা চরমে পৌঁছেছে এবং এতে ব্রিটেনের অভিবাসন ব্যবস্থা নজিরবিহীন সংকটে পড়েছে। সরকারের নতুন তথ্য অনুসারে, পাকিস্তানি নাগরিকরা বৈধ ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের পর আশ্রয়ের জন্য আবেদন করছে রেকর্ড পরিমাণে। এই আবেদনকারীদের মধ্যে স্টুডেন্ট, ওয়ার্ক এবং ভিজিটর ভিসাধারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

বৈধ ভিসাকে স্থায়ী বসবাসের ‘গোপন দরজা’ হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা ব্রিটিশ নীতিনির্ধারকদের মাঝে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিশ্বের ১৭৫টি দেশকে পেছনে ফেলে পাকিস্তান এখন যুক্তরাজ্যে আশ্রয় প্রার্থীর সর্ববৃহৎ উৎস হয়ে উঠেছে। মোট আশ্রয় আবেদনের ১০টির মধ্যে একটি পাকিস্তানি নাগরিকের, যা ২০২২ সালের তুলনায় পাঁচগুণেরও বেশি। দীর্ঘদিন ধরে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়া নৌকা অভিবাসন ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু; কিন্তু নতুন তথ্য জানাচ্ছে— বিমানবন্দরের বৈধ প্রবেশপথ দিয়েই চলছে সবচেয়ে বড় অপব্যবহার।

এ প্রবণতার মূল কৌশল হচ্ছে ‘ভিসা সুইচিং’। পর্যটক, ছাত্র অথবা অস্থায়ী কর্মী হিসেবে ভিসা নিয়ে প্রবেশ করার পর হাজার হাজার মানুষ রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন জমা দিচ্ছে। সীমান্ত পার হওয়ার পর খুব অল্প কিছু দিনেই তারা শরণার্থী আবেদনের সুযোগ নিচ্ছে। গত বছর প্রায় ১০,০০০ পাকিস্তানি বৈধ কাগজপত্রের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করার পর তাদের মত পাল্টিয়ে আশ্রয় দাবি করেছেন। সবচেয়ে বড় অনিয়ম ঘটছে স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে। উচ্চশিক্ষার জন্য আসা ৫,৮৮৮ জন পাকিস্তানি ছাত্র পড়াশোনা সম্পন্ন না করেই আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, যা ভারত ও বাংলাদেশের সম্মিলিত সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। یہ ধারাটি এক পরিকল্পিত অপব্যবহারের পরিচায়ক— প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে প্রবেশ নিশ্চিত করা, পরে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় অজুহাতে আশ্রয়ের আবেদন করা।

ওয়ার্ক ভিসা ও ভিজিটর ভিসার ক্ষেত্রেও পাকিস্তান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। ২০২৪ সালে মোট আশ্রয় আবেদনের ৩৭.৬ শতাংশই এসেছে সেই সব ব্যক্তির কাছ থেকে, যারা সাময়িক ভিসা ব্যবহারের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করেছিলেন। অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকসের সাবেক সিনিয়র কর্মকর্তা জেমি জেনকিন্স এই পরিসংখ্যানকে ‘পদ্ধতিগত ব্যর্থতা’ বলে মন্তব্য করেছেন।

তার মতে, যুক্তরাজ্যের উদার ভিসা নীতি এক প্রকার ফাঁকফোকর তৈরি করেছে যা নিষ্ঠুরভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজনীতিবিদরা যখন ছোট নৌকায় স্লোগানে ব্যস্ত, তখন বৈধ প্রবেশপথে আশ্রয় ব্যবস্থার ভাঙন গভীর হচ্ছে বলে তিনি সতর্ক করেন। পরিস্থিতি ব্রিটিশ সমাজে নতুন বিতর্কের সূচনা করেছে। বিশেষত সেই অঞ্চলে উত্তেজনা বেশি, যেখানে অতীতে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত পুরুষদের জড়িত থাকার অভিযোগে ‘গ্রুমিং গ্যাং’ কেলেঙ্কারি এখনও প্রভাব ফেলছে। অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ সামাজিক আস্থা বাড়ানোর বদলে আরও কমিয়ে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শ্যাডো হোম সেক্রেটারি ক্রিস ফিলিপ বলেন, ব্রিটেনের সীমান্ত ব্যবস্থা প্রকাশ্যে অপব্যবহারের শিকার। তার দাবি, আশ্রয় প্রক্রিয়া কখনই ছাত্র বা পর্যটকদের জন্য বিকল্প প্রবেশের পথ হিসেবে তৈরি হয়নি। বিরোধী দল অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক মন্দা, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি দেশত্যাগের আগ্রহ বাড়ালেও সমালোচকদের মতে, দারিদ্র্য আশ্রয়ের বৈধ ভিত্তি নয়। নিপীড়ন ছাড়া অন্য কোন কারণকে শরণার্থী মর্যাদার যুক্তি হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। হোম সেক্রেটারি শাবানা মাহমুদের নেতৃত্বে হোম অফিস ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধে নতুন কঠোর নীতি আনার পরিকল্পনা করছে। যারা ভিসা সুইচিংয়ে জড়াবে, তাদের স্থায়ী বসবাস পেতে ২০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে এবং প্রতি ৩০ মাসে তাদের স্ট্যাটাস পর্যালোচনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুটের কাঁধে ফের অধিনায়কত্ব, কতটা ঝুঁকি নিল ইংল্যান্ড?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


রুটের কাঁধে ফের অধিনায়কত্ব, কতটা ঝুঁকি নিল ইংল্যান্ড?

রুট ইতিমধ্যে ইংল্যান্ডের টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটার হয়ে উঠেছেন। এখন তার সামনে সম্ভবত শচীন টেন্ডুলকারের ১৫ হাজার ৯২১ টেস্ট রানের রেকর্ড অতিক্রম করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু অধিনায়কত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব তার এই যাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

৩৫ বছরের এই রুট আগে প্রায় পাঁচ বছর ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন। সেই সময় নেতৃত্বের দায়িত্ব এটি তার জন্য মানসিকভাবে ক্লান্তি নিয়ে এসেছিল। এক সময় তিনি অধিনায়কত্বকে নিজের ক্যারিয়ারের জন্য বাধা হিসেবে আপাতভাবে মনে করেছিলেন।

তবে তিনি আবারও দলের প্রয়োজনের জন্য নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণে রাজি হয়েছেন। কিন্তু এই মেয়াদ কতদিন স্থায়ী হবে, সেই বিষয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজমান। ইংল্যান্ড সম্ভবত ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের অপেক্ষা করে হ্যারি ব্রুককে ভবিষ্যৎ অধিনায়ক হিসেবে প্রস্তুত করার পরিকল্পনা নিয়েছে, এমন সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে।

রুটের জন্য স্বস্তির একটি সুযোগ হতে পারেন নতুন প্রধান কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। নিউজিল্যান্ডের সাবেক টেস্ট অধিনায়ক ফ্লেমিং কৌশলগতভাবে দক্ষ এবং খেলোয়াড়দের ওপর চাপ কমিয়ে নিজ দায়িত্বের ওপর চাপ নিতে পরিচিত। মইন আলী উল্লেখ করেছেন যে, ফ্লেমিং খেলোয়াড়দের চাপ নিজের দিকে টেনে নিতে পারেন।

তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯ আগস্ট হতে যাওয়া তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ফ্লেমিং উপস্থিত থাকবেন না। তার অনুপস্থিতিতে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মার্কাস ট্রেসকোথিক। এর ফলে শুরুতেই রুটকে অতিরিক্ত দায়িত্ব নিতে হতে পারে।

এছাড়া ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণের পুনর্গঠন প্রক্রিয়াও চলছে। স্টুয়ার্ট ব্রড, বেন স্টোকস এবং জেমস অ্যান্ডারসনের মতো অভিজ্ঞরা অবসর নেয়ার পর দলের বোলিং বিভাগ অভিজ্ঞতা হারিয়েছে। এর ফলে নতুন করে একটি দল তৈরি করার সময় রুটকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে হচ্ছে।

রুটের রানের বিষয়ে কখনই বড় প্রশ্ন ওঠেনি। বরং নেতৃত্বের অতিরিক্ত চাপ তার ব্যাটিংকে কতটা প্রভাবিত করে, সেটি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। চাপমুক্ত থাকলে রুট আরও কিছু বছর শীর্ষ পর্যায়ে ব্যাটিং করতে পারবেন, এই বিশ্বাসও মার্টিন প্রকাশ করেছেন।

ইংল্যান্ড আবারও রুটকে অধিনায়কত্বে ফিরিয়ে এনে একটি ঝুঁকি নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্ত কতটা সফল হবে, সেটি সময়ই বলবে। তবে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে মূল্যবান ব্যাটারের ব্যাটিং যেন নেতৃত্বের চাপের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা এখন তাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের সেই বলের মূল্য প্রায় ১২৫ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ পি.এম


ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের সেই বলের মূল্য প্রায় ১২৫ কোটি টাকা

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত একটি ম্যাচের স্মারক এবার নিলামে উঠতে যাচ্ছে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়াগো ম্যারাডোনার দুই ঐতিহাসিক গোল, ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ এর সাক্ষী সেই বলটির সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ১২৫ কোটি টাকা হতে পারে।

১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড মুখোমুখি হয়েছিল। এই ম্যাচের সময় ম্যারাডোনা প্রথমে তার হাতে বিতর্কিত গোলটি করেন, যা পরে ‘হ্যান্ড অব গড’ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠে। কিছু সময় পর, একক নৈপুণ্যের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের একাধিক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে তিনি অসাধারণ একটি গোল করেন, যা নির্বাচিত হয় ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ হিসেবে। এই দুটি গোলেই ব্যবহার করা হয়েছিল একই বল।

চার দশকের কাছাকাছি সময় পরেও ঐতিহাসিক সেই বলটি সংরক্ষিত রয়েছে, তবে সময়ের সাথে সাথে এর চামড়া জীর্ণ হয়ে গেছে এবং এর ভেতরের বাতাসও কিছুটা বেরিয়ে গেছে। যদিও এটি মাঠে ব্যবহারের উপযোগী নয়, কিন্তু ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম মূল্যবান স্মারক হিসেবে এর গুরুত্ব এখন অনেক বেশি।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি নিলাম প্রতিষ্ঠান, হেরিটেজ অকশনস আগামী ২১ আগস্ট বলটির নিলাম শুরু করবে। ২৩ আগস্ট বিজয়ী ক্রেতার নাম ঘোষণা করার কথা রয়েছে। নিলাম প্রতিষ্ঠানটির আশা, বলটির দাম অন্তত ১ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২৫ কোটি টাকা। তবে নিলামের প্রাথমিক ভিত্তিমূল্য ২৫ লাখ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

হেরিটেজ অকশনসের ক্রীড়া বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড্যান ইমলার মনে করেন, এটি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে স্মরণীয় বলগুলোর একটি। ঐতিহাসিক ম্যাচের গুরুত্ব, ম্যারাডোনার কিংবদন্তি এবং দুটি অবিস্মরণীয় গোল সব মিলিয়ে বলটির প্রতি সংগ্রাহকদের আগ্রহ ব্যাপক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ম্যারাডোনার স্মারকের নিলামমূল্য অতীতেও বড় অঙ্কে পৌঁছেছে। ২০২২ সালে ওই ম্যাচে তার পরা আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিটি ৯৩ লাখ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছিল। ইংল্যান্ডের সাবেক মিডফিল্ডার স্টিভ হজ ৩৬ বছর ধরে জার্সিটি নিজের কাছে রেখেছিলেন এবং পরে সেটি নিলামে তোলা হয়।

ঐতিহাসিক বলটির মালিকানার ইতিহাসও বেশ দীর্ঘ। ম্যাচের রেফারি তিউনিসিয়ার আলি বিন নাসের বহু বছর ধরে বলটি নিজের কাছে সংরক্ষণ করেছিলেন। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ চলাকালে প্রথমবারের জন্য এটি নিলামে তোলা হলে একজন অজ্ঞাতপরিচয় ক্রেতা ২৩ লাখ ৭০ হাজার ডলারে এটি কিনে নেন। সে সময় এটিই ছিল সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া ফুটবল।

যদিও পরে সেই রেকর্ড ভেঙে যায়। ২০২৪ সালে জাপানি বেসবল তারকা শোহেই ওহতানির ব্যবহৃত একটি বেসবল ৪৩ লাখ ৯২ হাজার ডলারে বিক্রি হয়।

তবে এখন ম্যারাডোনার ঐতিহাসিক বলটির সম্ভাব্য মূল্য আগের সব ফুটবল স্মারকের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত ও স্মরণীয় দুই গোলের সাথে সরাসরি জড়িয়ে থাকা এই বলের আসল মূল্য কত হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%