ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পূজায় নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব, তবে এতে অংশ নিলে ঈমান থাকবে না: মুফতী আব্দুল মালেক


পূজায় নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব, তবে এতে অংশ নিলে ঈমান থাকবে না: মুফতী আব্দুল মালেক

দেশে বসবাসরত অমুসলিমদের পূর্ণ নিরাপত্তা প্রদান রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলেও, উদারতার নামে কোনো মুসলমান যদি পূজায় অংশগ্রহণ করে অথবা তাকে সঠিক মনে করে, তবে তার ঈমান থাকবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতী আব্দুল মালেক।

সম্প্রতি জুমার বয়ানে তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামের মূল ভিত্তি হলো তাওহীদ এবং একমাত্র আল্লাহ তাআলার ইবাদত করা। আল্লাহ তাআলা চাইলে তাওহীদে বিশ্বাসীদের অন্যান্য গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন, কিন্তু শিরকের মতো মহাপাপ তিনি কখনো ক্ষমা করবেন না। মানবজাতিকে শিরক থেকে বিরত রেখে তাওহীদের ছায়াতলে আনতেই আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে সকল নবী ও রাসূলকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন।

অমুসলিমদের নাগরিক ও ধর্মীয় অধিকারের প্রসঙ্গে খতিব বলেন, দেশে অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের নিজ নিজ পরিসরে ধর্ম পালন করার অধিকার রয়েছে এবং এতে ইসলামের কোনো আপত্তি নেই। রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও জরুরি দায়িত্ব হলো, তারা যেন নিরাপদে তাদের পূজা বা উৎসব পালন করতে পারে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

আরও পড়ুন: মঙ্গলবার অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক সেমিনারে যোগ দেবেন ডা. জুবাইদা রহমান

তবে আকিদাগত অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি সতর্ক করেন, কোনো মুসলমান যদি উদারতা বা নমনীয়তার নামে পূজায় শরিক হয় অথবা পূজাকে সঠিক পথ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় বা সমর্থন করে, তবে তার ঈমান থাকবে না। নিরাপত্তা প্রদান এবং আকিদাগতভাবে শিরককে সমর্থন করা এক বিষয় নয়।

বয়ানে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ক্ষমার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে মুফতী আব্দুল মালেক বলেন, তায়েফের ময়দানে চরম নির্যাতন ও রক্তাক্ত হওয়ার পরও মহানবী (সা.) জালিমদের ধ্বংস চাননি। তিনি তাদের নিরাপত্তা দিয়েছিলেন এই আশায় যে, তারা ঈমান না আনলেও হয়তো তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একদিন এক আল্লাহর ইবাদত করবে এবং শিরক থেকে মুক্ত থাকবে। মুসলমানদেরও নিজ ধর্মের মূল আকিদা অক্ষুণ্ন রেখে সমাজে শৃঙ্খলা ও ইনসাফ বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমরা সবাই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ, শুধু যে যার ধর্ম পালন করছি: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


আমরা সবাই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ, শুধু যে যার ধর্ম পালন করছি: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায় দীর্ঘকাল ধরে একত্রে বসবাস করে আসছে। তিনি বলেন, "আমরা সবাই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ, শুধু যে যার যার ধর্ম পালন করছি।"

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে মোংলায় কানাইনগর ও পৌরসভায় সার্বজনীন পূজা মন্দির পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমূলক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, "আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ধর্ম যার যার, উৎসব তার তার, কিন্তু নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার রয়েছে।" তিনি বলেন, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতির এই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে যেসব উদ্যোগ ও কর্মসূচি গ্রহণ করছেন, সেগুলোর জন্য দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

সেবামূলক নানা সুবিধার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডসহ কোনো সরকারি সেবা থেকেই প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত নাগরিকরা বাদ পড়বেন না। এজন্য সমাজের সকলকে উদার মানসিকতা ধারণ করার আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়া দরিদ্র নারীদের পরিবার পরিচালনার জন্য নানা ধরনের আর্থিক ও সামাজিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও জানান তিনি।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমি আপনাদের টাকা-পয়সা চুরি করে খাব না, যেন কেউ আমাকে চোর বলতে না পারে।"

মোংলা বন্দর ও সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার পরিবেশগত সংকট তুলে ধরে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সারাদেশের মানুষ গাছ লাগানোর চেষ্টা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের এই উপকূলীয় অঞ্চল জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।" এখানকার পরিবেশ ও মানুষের সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তিনি জানান, "আপনাদের জন্য এলাকার সব সমস্যা সমাধানে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।"

ধর্মীয় অনুভূতির সার্বজনীন গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, "প্রত্যেকটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান আসে সাম্যের বার্তা নিয়ে।" তিনি জানান, শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্যবদ্ধভাবে চলাই হলো সব ধর্মের মূলমন্ত্র। তবে তিনি lament করেন, "আমরা আজকাল স্বার্থপর হয়ে গেছি, পরিবারের বাইরে চিন্তা করতে পারি না।" তিনি বলেন, এই সংকীর্ণ মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। জনগণের সব প্রত্যাশা ও সমস্যা পূরণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অর্থিতা হাওলাদার, মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান, উপজেলা বিএনপি সভাপতি আ: মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকির হোসেন, বিএনপি নেতা শেখ রুস্তুম আলী, বাবুল হোসেন রনি, আ: হাকিম বাচ্চু, মো. নজরুল ইসলাম, কমলা বেগম ও আয়েশা সিদ্দিকাসহ আরও অনেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু শব্দের ব্যবহার নেই : গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


বাংলাদেশে সংখ্যালঘু শব্দের ব্যবহার নেই : গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। সকলেই বাংলাদেশি, বিএনপি সরকার সব সময় পূজার আয়োজনের প্রতি নজর রাখছে এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়িয়ে আছে।

সোমবার দুপুর ২টায় কাউখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান ও উপহারসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর আরও উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর এবারের দুর্গাপূজায় সবচেয়ে বেশি আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। আপনারা যেভাবে আমাদের পাশে ছিলেন এবং আছেন, আমরাও আপনাদের পাশে রয়েছি। শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সমর্থন দিচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপজেলার ২৫টি পূজা মণ্ডপের প্রতিটিতে ৪ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। এছাড়াও স্থানীয় অসহায় ও দুস্থ মানুষের মধ্যে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবীর, সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দীন মোহাম্মদ, কাউখালী থানার ওসি আনোয়ার হোসেন, এবং পূজামণ্ডপের প্রতিনিধি পল্লব সিকদার, অ্যাডভোকেট সুধীর, জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী রতন ও পলাশ কর্মকার।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক। পরে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমন্ত্রণ পেয়ে বিরোধীদলীয় নেতা আসেননি, জুলাইকে ধারণ করেন না : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


আমন্ত্রণ পেয়ে বিরোধীদলীয় নেতা আসেননি, জুলাইকে ধারণ করেন না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যে, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও বিরোধীদলীয় নেতা ও বিরোধী দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেননি। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, বিরোধী দলের সঙ্গে সরকারের দূরত্ব থাকতে পারে, তবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও আত্মত্যাগকারীদের পাশে না এসে তারা প্রমাণ করেছেন যে, তারা জুলাইকে ধারণ করে না।

তিনি সোমবার ঢাকার ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন শেষে এই কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতেই বিরোধী দলের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আজকের এই আয়োজন জুলাইয়ের আত্মত্যাগকারী মানুষদের সম্মান জানানোর জন্য। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিরোধীদলীয় নেতাসহ বিরোধী দলের শীর্ষ ব্যক্তিদেরও যথাযথভাবে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। আপনারা সরকারি মঞ্চে না বসলেও পারতেন, কিন্তু যাঁরা জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছেন, সেই জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে এসে তো বসতে পারতেন।"

তারেক রহমান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, "সরকারের সঙ্গে আপনাদের রাজনৈতিক দূরত্ব আছে, সেই দূরত্ব থাকুক—তাতে কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু যে মানুষগুলো জীবন উৎসর্গ করল, যারা আহত হলো, চোখ হারাল—যাদের রক্তের বিনিময়ে আজ আপনারা বিরোধীদলীয় নেতা ও সংসদ সদস্য হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন, সেই বীরদের মাঝেও আপনারা এলেন না। আজ যদি আপনারা এই মানুষগুলোর পাশে এসে দাঁড়াতেন, তবে আমরা বুঝতে পারতাম বিএনপি যেভাবে জুলাইকে ধারণ করে, আপনারাও জুলাইকে সেভাবেই হৃদয়ে ধারণ করেন। কিন্তু আপনাদের অনুপস্থিতি প্রমাণ করে আপনারা জুলাইকে ধারণ করেন না।"

তিনি আরো যোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের রক্তস্নাত ইতিহাস ও জুলাই শহীদদের অবদানকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার এই রাজনৈতিক মানসিকতা অত্যন্ত হতাশাজনক। এর মাধ্যমে বিরোধী দল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ও সাধারণ মানুষের গভীর অনুভূতির প্রতি চরম অনীহা প্রদর্শন করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, মেয়রদের হাতে কারফিউ জারির ক্ষমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


ফ্রান্সের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, মেয়রদের হাতে কারফিউ জারির ক্ষমতা

ফ্রান্সের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষার জন্য কিছু শহরের মেয়রদের আংশিকভাবে কারফিউ জারির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকোর্নু।

প্রধানমন্ত্রী লেকোর্নু বলেন, সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোকে পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করবে এবং "এই তহবিল সহিংসতার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের কাছ থেকেই আসবে।"

তিনি আরও জানান, একটি আইন প্রণয়ন করা হবে, যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে যে, যারা সম্পদের ক্ষতি করেছে, তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দাঙ্গা ও লুটপাটের ফলে যারা কর্মহীন হয়েছেন, তাদের জন্য একটি আংশিক বেকারত্ব তহবিল গঠনের ঘোষণাও দিয়েছে ফ্রান্স সরকার।

জনগণ যাতে দ্রুত সেই তহবিলের সহায়তা পেতে পারে, সেটি নিশ্চিত করতে ফ্রান্স সরকার বীমা সংস্থাগুলোর সাথে আলোচনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী লেকোর্নু। চলমান বিক্ষোভ, দাঙ্গা, লুটপাটসহ সামগ্রিকভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য উগ্র-বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছেন তিনি।

এদিকে, প্যারিসে চলমান বিক্ষোভ ঠেকাতে ব্যর্থতার দায় নিয়ে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রঁ কাছে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ। তবে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁ সেটি প্রত্যাখ্যান করে তাকে স্বপদে বহাল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%