প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফ্রান্সের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষার জন্য কিছু শহরের মেয়রদের আংশিকভাবে কারফিউ জারির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকোর্নু।
প্রধানমন্ত্রী লেকোর্নু বলেন, সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোকে পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করবে এবং "এই তহবিল সহিংসতার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের কাছ থেকেই আসবে।"
তিনি আরও জানান, একটি আইন প্রণয়ন করা হবে, যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে যে, যারা সম্পদের ক্ষতি করেছে, তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দাঙ্গা ও লুটপাটের ফলে যারা কর্মহীন হয়েছেন, তাদের জন্য একটি আংশিক বেকারত্ব তহবিল গঠনের ঘোষণাও দিয়েছে ফ্রান্স সরকার।
জনগণ যাতে দ্রুত সেই তহবিলের সহায়তা পেতে পারে, সেটি নিশ্চিত করতে ফ্রান্স সরকার বীমা সংস্থাগুলোর সাথে আলোচনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী লেকোর্নু। চলমান বিক্ষোভ, দাঙ্গা, লুটপাটসহ সামগ্রিকভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য উগ্র-বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছেন তিনি।
এদিকে, প্যারিসে চলমান বিক্ষোভ ঠেকাতে ব্যর্থতার দায় নিয়ে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রঁ কাছে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ। তবে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁ সেটি প্রত্যাখ্যান করে তাকে স্বপদে বহাল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন