ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু শব্দের ব্যবহার নেই : গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী


বাংলাদেশে সংখ্যালঘু শব্দের ব্যবহার নেই : গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। সকলেই বাংলাদেশি, বিএনপি সরকার সব সময় পূজার আয়োজনের প্রতি নজর রাখছে এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়িয়ে আছে।

সোমবার দুপুর ২টায় কাউখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান ও উপহারসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর আরও উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর এবারের দুর্গাপূজায় সবচেয়ে বেশি আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। আপনারা যেভাবে আমাদের পাশে ছিলেন এবং আছেন, আমরাও আপনাদের পাশে রয়েছি। শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সমর্থন দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: মঙ্গলবার অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক সেমিনারে যোগ দেবেন ডা. জুবাইদা রহমান

অনুষ্ঠানে উপজেলার ২৫টি পূজা মণ্ডপের প্রতিটিতে ৪ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। এছাড়াও স্থানীয় অসহায় ও দুস্থ মানুষের মধ্যে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবীর, সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দীন মোহাম্মদ, কাউখালী থানার ওসি আনোয়ার হোসেন, এবং পূজামণ্ডপের প্রতিনিধি পল্লব সিকদার, অ্যাডভোকেট সুধীর, জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী রতন ও পলাশ কর্মকার।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক। পরে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

এমএইচ

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে : ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমন্ত্রণ পেয়ে বিরোধীদলীয় নেতা আসেননি, জুলাইকে ধারণ করেন না : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


আমন্ত্রণ পেয়ে বিরোধীদলীয় নেতা আসেননি, জুলাইকে ধারণ করেন না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যে, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও বিরোধীদলীয় নেতা ও বিরোধী দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেননি। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, বিরোধী দলের সঙ্গে সরকারের দূরত্ব থাকতে পারে, তবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও আত্মত্যাগকারীদের পাশে না এসে তারা প্রমাণ করেছেন যে, তারা জুলাইকে ধারণ করে না।

তিনি সোমবার ঢাকার ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন শেষে এই কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতেই বিরোধী দলের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আজকের এই আয়োজন জুলাইয়ের আত্মত্যাগকারী মানুষদের সম্মান জানানোর জন্য। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিরোধীদলীয় নেতাসহ বিরোধী দলের শীর্ষ ব্যক্তিদেরও যথাযথভাবে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। আপনারা সরকারি মঞ্চে না বসলেও পারতেন, কিন্তু যাঁরা জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছেন, সেই জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে এসে তো বসতে পারতেন।"

তারেক রহমান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, "সরকারের সঙ্গে আপনাদের রাজনৈতিক দূরত্ব আছে, সেই দূরত্ব থাকুক—তাতে কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু যে মানুষগুলো জীবন উৎসর্গ করল, যারা আহত হলো, চোখ হারাল—যাদের রক্তের বিনিময়ে আজ আপনারা বিরোধীদলীয় নেতা ও সংসদ সদস্য হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন, সেই বীরদের মাঝেও আপনারা এলেন না। আজ যদি আপনারা এই মানুষগুলোর পাশে এসে দাঁড়াতেন, তবে আমরা বুঝতে পারতাম বিএনপি যেভাবে জুলাইকে ধারণ করে, আপনারাও জুলাইকে সেভাবেই হৃদয়ে ধারণ করেন। কিন্তু আপনাদের অনুপস্থিতি প্রমাণ করে আপনারা জুলাইকে ধারণ করেন না।"

তিনি আরো যোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের রক্তস্নাত ইতিহাস ও জুলাই শহীদদের অবদানকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার এই রাজনৈতিক মানসিকতা অত্যন্ত হতাশাজনক। এর মাধ্যমে বিরোধী দল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ও সাধারণ মানুষের গভীর অনুভূতির প্রতি চরম অনীহা প্রদর্শন করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, মেয়রদের হাতে কারফিউ জারির ক্ষমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


ফ্রান্সের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, মেয়রদের হাতে কারফিউ জারির ক্ষমতা

ফ্রান্সের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষার জন্য কিছু শহরের মেয়রদের আংশিকভাবে কারফিউ জারির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকোর্নু।

প্রধানমন্ত্রী লেকোর্নু বলেন, সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোকে পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করবে এবং "এই তহবিল সহিংসতার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের কাছ থেকেই আসবে।"

তিনি আরও জানান, একটি আইন প্রণয়ন করা হবে, যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে যে, যারা সম্পদের ক্ষতি করেছে, তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দাঙ্গা ও লুটপাটের ফলে যারা কর্মহীন হয়েছেন, তাদের জন্য একটি আংশিক বেকারত্ব তহবিল গঠনের ঘোষণাও দিয়েছে ফ্রান্স সরকার।

জনগণ যাতে দ্রুত সেই তহবিলের সহায়তা পেতে পারে, সেটি নিশ্চিত করতে ফ্রান্স সরকার বীমা সংস্থাগুলোর সাথে আলোচনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী লেকোর্নু। চলমান বিক্ষোভ, দাঙ্গা, লুটপাটসহ সামগ্রিকভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য উগ্র-বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছেন তিনি।

এদিকে, প্যারিসে চলমান বিক্ষোভ ঠেকাতে ব্যর্থতার দায় নিয়ে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রঁ কাছে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ। তবে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁ সেটি প্রত্যাখ্যান করে তাকে স্বপদে বহাল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম রেঞ্জে পুলিশের অভিযানে ৫৪৮ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


চট্টগ্রাম রেঞ্জে পুলিশের অভিযানে ৫৪৮ জন গ্রেফতার

চট্টগ্রাম, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের প্রতিরোধে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫৪৮ জনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযানের সময় ৩ লাখ ২ হাজার ১৮৭ পিস ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৭৩ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ৯০ জন, পুলিশ অ্যাক্ট ৩৪ ধারায় ১৩ জন, ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় দুই জন, কার্যবিধির ১৫১ ধারা ও অন্যান্য আইনে ৪০ জন, পরোয়ানা মূলে ৯৯ জন এবং সাজা পরোয়ানা মূলে ১৬ জন রয়েছেন।

এছাড়া, মাদক মামলায় ৭১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুই জন মাদক বহনকারী এবং ৬৯ জন মাদকসেবী। নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় ৪০ জন মাদক ব্যবসায়ীসহ অভিযানে মোট ১১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩৬ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ৭ হাজার ২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। এ সময় ৩১টি মাদক মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযানে ৩ লাখ ২ হাজার ১৮৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২৪৮ লিটার ৫০০ মিলিলিটার চোলাইমদ, ১৪ কেজি ৫৫০ গ্রাম গাঁজা, চারটি গাঁজা গাছ, চার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ছয় বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ২১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চট্টগ্রামে তিন জন, কক্সবাজারে এক জন, কুমিল্লায় ৯, চাঁদপুরে তিন জন, নোয়াখালীতে চার জন, রাঙ্গামাটিতে এক জন রয়েছেন।

অন্যদিকে, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

জেলা ভিত্তিক আটককৃত কিশোর গ্যাং সদস্যের সংখ্যা: চট্টগ্রাম ৩৪, কক্সবাজার ১২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৯, চাঁদপুর ২৫, নোয়াখালী ১৬, লক্ষ্মীপুর ৯, রাঙ্গামাটি পাঁচ জন এবং খাগড়াছড়ি ১৪ জন।

জনস্বার্থে পরিচালিত এ বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফের অশান্ত ভারতের মণিপুর, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে নিহতদের লাশ রেখে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


ফের অশান্ত ভারতের মণিপুর, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে নিহতদের লাশ রেখে বিক্ষোভ

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে সংঘাতের অবসান ঘটার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, যা গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে চলমান। রাজ্যটিতে গত এক মাসের মধ্যে সহিংসতায় অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ সোমবার কাংপোকপি ও ইম্ফল সীমান্তে সশস্ত্র হামলায় আরও দুজন নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা নিহতদের লাশ মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের গেটের সামনে রেখে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

মেইতেই এবং কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতে মণিপুরে মোট নিহতের সংখ্যা প্রায় ২৬০ জনে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি গত কয়েক দিন ধরে নতুন করে চরম আকার ধারণ করেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে কুকি ও নাগাদের সংঘাতে অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে শেষ এক মাসেই প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪০ জন।

মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ইউ খেমচাঁদ সিং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে উপযুক্ত নিরাপত্তার আশ্বাস দিলেও সহিংসতা থামছে না। বরং প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকায় তা ছড়িয়ে পড়ছে।

গত ৯ ও ১০ তারিখে কামজং, কাংপোকপি ও উরখুল জেলায় সংঘর্ষে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়। গত শনিবার মিয়ানমার সীমান্তবর্তী কামজং জেলার চাসাদ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে কুকি সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি নিহত ও চারজন আহত হন। এরপর ওই জেলার বিভিন্ন গ্রামে অন্তত ২৮টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

গত রবিবার রাতে থৌবাল জেলার খাঙ্গাবক গ্রামে একটি কনসার্ট চলাকালীন দুষ্কৃতীদের পাথর নিক্ষেপের কারণে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে লাইশরাম রাকেশ নামের এক ব্যক্তি নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। বেশ কিছু বাড়িঘর ও যানবাহন পুড়িয়ে দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় থৌবালে কঠোর বিধিনিষেধ ও কারফিউ জারি করে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

সোমবার সকালে ইম্ফল পূর্ব ও কাংপোকপি জেলার সীমান্তবর্তী নংশুম ও খোংবাল থাংখুল জঙ্গলে কাঠ কুড়াতে গিয়ে সশস্ত্র দুষ্কৃতীদের হামলায় দুজন নিহত ও তিনজন আহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের পর ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা নিহতদের মরদেহ নিয়ে সরাসরি মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের গেটের সামনে এসে বিক্ষোভ দেখান। এই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%