০৭:১৩ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে স্বাগতিকরা শেষ ষোলোয়। এই ম্যাচের জন্য মেক্সিকো সিটি প্রশাসন জোরদার প্রস্তুতি নিচ্ছে। শহরের খেলা দেখার জন্য নির্ধারিত বিভিন্ন স্থানে জনসমাগমকে সীমিত করার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মদ বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে জয়ের পর মেক্সিকোর উদযাপনের সময় চার সমর্থকের মৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষাপটে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দ্বিগুণ করা হয়েছে।
যদিও ‘অ্যাঞ্জেল অব ইনডিপেনডেন্স’ স্মৃতিস্তম্ভ এবং মেক্সিকো সিটির প্রধান চত্বরের ফ্যান ফেস্টে দর্শকসংখ্যা সীমিত রাখা হবে, কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শুক্রবার, মেক্সিকো সিটির মেয়র ক্লারা ব্রুগাদা ম্যাচের আগে ও পরের নিরাপত্তা পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, শ্বাসরোধ ও হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে চার সমর্থকের মৃত্যুর ঘটনার পরে এসব অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মেয়র ক্লারা ব্রুগাদা সাংবাদিকদের বলেন, রোববার মনুমেন্ট টু ইন্ডিপেনডেন্স, যা সাধারণভাবে ‘অ্যাঞ্জেল’ নামে পরিচিত এবং জোকালো চত্বরে প্রবেশ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে নির্ধারিত সংখ্যার বেশি মানুষকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
অন্যদিকে, মেক্সিকো সিটির সরকারবিষয়ক সচিব সিজার ক্রাভিওতো জানান, ৫ জুলাই ভোর থেকে পরদিন পর্যন্ত শহরের কেন্দ্রস্থলে মদজাতীয় পানীয় বিক্রি নিষিদ্ধ থাকবে। তবে ভোজসভা কক্ষ, রেস্তোরাঁ, হোটেল, ব্যক্তিগত ক্লাব, সিনেমা হল, থিয়েটার ও অডিটোরিয়ামে মদপানের অনুমতি দেওয়া থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ক্যাম্পাসের ভিতর ১০০০ রক্তকাঞ্চনের চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২২-২৩ বর্ষের শিক্ষার্থী মানিক রহমান। তিনি জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ, ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যবর্ধন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়াম প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এসময় বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মো. সরওয়ার মুর্শেদ এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
মানিক রহমান তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, "আমি নিজ উদ্যোগে ক্যাম্পাসে ১০০০টি রক্তকাঞ্চন গাছ (জার্মানির ল্যাভেন্ডার প্রজাতী) লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। গাছটি খুবই দৃষ্টিনন্দন। আমাদের ক্যাম্পাসের পাশাপাশি অন্যান্য ক্যাম্পাসের দুইটা গাছও আছে। আমি ভাবলাম, ক্যাম্পাসে যদি আরও সৌন্দর্য বাড়াতে কিছু ফুল গাছ লাগানো যায়, তাহলে ক্যাম্পাসটা অনেক সুন্দর লাগবে। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই আমি শহিদ আনাস হলের দুইটা গাছ খেকে বীজ সংগ্রহ করি।"
তিনি আরও বলেন, "পরবর্তীতে শাহ আজিজুর রহমান হলের পরিত্যক্ত জায়গায় বীজগুলো রোপণ করে চাষযোগ্য করে তুলি। এখন ৩০০০-৪০০০ বীজ থেকে প্রায় ২০০০ চারা হয়েছে। সেই গাছগুলো থেকেই এখন আমি পুরো ক্যাম্পাসে ধাপে ধাপে ১০০০ গাছ লাগাব ইনশাআল্লাহ। যদি পরিকল্পিতভাবে চারাগুলো লাগানো যায়, আমি আশা করি কয়েক বছরের মধ্যে আমাদের ইবি ক্যাম্পাস বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর ক্যাম্পাসে রূপ নিবে।"
বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মো. সরওয়ার মুর্শেদ বলেন, "বৃক্ষ হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে পুরাতন বন্ধু, যে মানুষকে বাঁচতে সাহায্য করেছে এবং পৃথিবীতে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে। তোমাদের মধ্যে এই বৃক্ষ প্রীতি, প্রকৃতি প্রীতি, নদী প্রীতি, এসব যদি আসে তাহলে সেটা খুবই আনন্দের। এই ছেলেটি (মানিক রহমান) আজ সবাইকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে ১০০০ গাছ লাগানোর। ওর অসম্ভব ভালোবাসা গাছের প্রতি। আমি আশা করব, শিক্ষার্থীরা শুধু লেখাপড়া শিখে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চলে যাবে, তা না। প্রত্যেকে যেন একটা করে গাছ লাগিয়ে যায়। তোমাদের পক্ষে যদি সম্ভব হয় আমাদের লেকের ধারে তোমরা কিছু শোভাবর্ধন গাছ লাগাও। প্রকৃতির সঙ্গে থাকো। প্রকৃতি তোমাদেরকে নির্মল আনন্দ দেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুকুর, খালসহ জলাশয় ও পরিবেশ রক্ষার জন্য সাতটি দাবির ভিত্তিতে রবিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের আধুনিক পৌর সুপার মার্কেটের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নদী ও জলাশয় সুরক্ষা আন্দোলনকারী সামাজিক সংগঠন ‘ঢেউ’ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় ২১২টি পুকুর ছিল বলে দাবি করে সেগুলো সংরক্ষণের জন্য দাবি জানিয়েছে। এই দাবি রবিবার (৫ জুলাই) সকালে শহরের আধুনিক পৌর সুপার মার্কেটের সামনে মানববন্ধনে উপস্থাপন করা হয়।
মানববন্ধনে পুকুর, খালসহ জলাশয় ও পরিবেশ রক্ষার জন্য সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর উৎপত্তিস্থল ভাদুঘর থেকে মেড্ডা শ্মশান ঘাট পর্যন্ত ২৬টি খাল (টাউন খাল সহ) পুনরুদ্ধার করতে হবে; টাউন খালের উভয় পাশের সীমানা নির্ধারণের মাধ্যমে দখলমুক্ত করা, সৌন্দর্যবর্ধন করা এবং নৌচলাচলের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা; পৌরসভার নিজস্ব ১০টি পুকুরসহ শহরের ২১২টি পুকুর সংরক্ষণ ও সরকারি গেজেটভুক্ত করা।
এ ছাড়া শহরের কাউতলী মোড় থেকে মেড্ডা বাসস্ট্যান্ড হয়ে ঘাটুরা মোড় পর্যন্ত সড়কের দুই পাশ প্রশস্ত করার দাবিও তুলা হয়; জেলা পরিষদের খালের ওপর নির্মিত সব মার্কেট উচ্ছেদ করে খালের স্বাভাবিক রূপ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানানো হয়; শিশুবান্ধব শহর গড়ার লক্ষ্যে পরিত্যক্ত পুরনো জেলখানার স্থানে আধুনিক শিশু বিনোদন পার্ক নির্মাণেরও দাবি করা হয়; পৌর এলাকার যানজট ও শব্দ দূষণ দূর করার জন্য ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ এবং সব অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
ঢেউ-এর আহ্বায়ক সোহেল আহাদের সভাপতিত্বে ও আলী আকরাম খন্দকার স্বপনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মাদকমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া চাই নামের সংগঠনের সভাপতি মাহফুজুর রহমান পুষ্প, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হাছান তপু, রাজনীতিক নজরুল ইসলাম, শিশু সংগঠক নীহার রঞ্জন সরকার, পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চৌধুরী রিপন, ঐক্যবদ্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ সম্পাদক শেখ আরিফ বিল্লাহ আজিজি, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আরিফ নূরুল আমিন, রোটারিয়ান আশিকুল আলম প্রমুখ।
সাত দফা দাবি তুলে ধরেন ঢেউ-এর যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম আহাদ। পরে জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদ প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমার সীমান্তে নজরদারি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।
আরাকান আর্মি প্রধান আহত হয়ে বাংলাদেশে চিকিৎসা নিচ্ছেন এমন খবর বেড়ে গেছে— এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো তথ্য আছে কিনা, তা জানতে চান এক সাংবাদিক।
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।
মিয়ানমার সীমান্তে, দেশটির সামরিক বাহিনী আরাকান আর্মিদের বিরুদ্ধে আক্রমণ জোরদার করেছে। সীমান্তের এপারে থাকা বাংলাদেশের নাগরিকরা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে আরও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সরকারের কোনো পদক্ষেপ আছে কিনা? এ প্রশ্নের জবাবে ড. খলিলুর রহমান বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আমরা নজর রাখছি। আমরা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়ে দিয়েছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ