প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পুকুর, খালসহ জলাশয় ও পরিবেশ রক্ষার জন্য সাতটি দাবির ভিত্তিতে রবিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের আধুনিক পৌর সুপার মার্কেটের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নদী ও জলাশয় সুরক্ষা আন্দোলনকারী সামাজিক সংগঠন ‘ঢেউ’ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় ২১২টি পুকুর ছিল বলে দাবি করে সেগুলো সংরক্ষণের জন্য দাবি জানিয়েছে। এই দাবি রবিবার (৫ জুলাই) সকালে শহরের আধুনিক পৌর সুপার মার্কেটের সামনে মানববন্ধনে উপস্থাপন করা হয়।
মানববন্ধনে পুকুর, খালসহ জলাশয় ও পরিবেশ রক্ষার জন্য সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর উৎপত্তিস্থল ভাদুঘর থেকে মেড্ডা শ্মশান ঘাট পর্যন্ত ২৬টি খাল (টাউন খাল সহ) পুনরুদ্ধার করতে হবে; টাউন খালের উভয় পাশের সীমানা নির্ধারণের মাধ্যমে দখলমুক্ত করা, সৌন্দর্যবর্ধন করা এবং নৌচলাচলের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা; পৌরসভার নিজস্ব ১০টি পুকুরসহ শহরের ২১২টি পুকুর সংরক্ষণ ও সরকারি গেজেটভুক্ত করা।
এ ছাড়া শহরের কাউতলী মোড় থেকে মেড্ডা বাসস্ট্যান্ড হয়ে ঘাটুরা মোড় পর্যন্ত সড়কের দুই পাশ প্রশস্ত করার দাবিও তুলা হয়; জেলা পরিষদের খালের ওপর নির্মিত সব মার্কেট উচ্ছেদ করে খালের স্বাভাবিক রূপ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানানো হয়; শিশুবান্ধব শহর গড়ার লক্ষ্যে পরিত্যক্ত পুরনো জেলখানার স্থানে আধুনিক শিশু বিনোদন পার্ক নির্মাণেরও দাবি করা হয়; পৌর এলাকার যানজট ও শব্দ দূষণ দূর করার জন্য ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ এবং সব অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
ঢেউ-এর আহ্বায়ক সোহেল আহাদের সভাপতিত্বে ও আলী আকরাম খন্দকার স্বপনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মাদকমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া চাই নামের সংগঠনের সভাপতি মাহফুজুর রহমান পুষ্প, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হাছান তপু, রাজনীতিক নজরুল ইসলাম, শিশু সংগঠক নীহার রঞ্জন সরকার, পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চৌধুরী রিপন, ঐক্যবদ্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ সম্পাদক শেখ আরিফ বিল্লাহ আজিজি, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আরিফ নূরুল আমিন, রোটারিয়ান আশিকুল আলম প্রমুখ।
সাত দফা দাবি তুলে ধরেন ঢেউ-এর যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম আহাদ। পরে জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদ প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন