০৭:০৫ পি.এম
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় দেশের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা, সঠিক অভিবাসন ব্যয় নিশ্চিত করা এবং চাকরির শতভাগ নিশ্চয়তা প্রদান করার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, মালয়েশিয়ায় আর ‘যেমনে-তেমনে’ কর্মী পাঠানোর সুযোগ থাকবে না; পুরো প্রক্রিয়াটিকে একটি সুনির্দিষ্ট শৃঙ্খলার আওতায় আনা হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ইস্কাটনে অবস্থিত প্রবাসী কল্যাণ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন। এই সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এবং সচিব মো. মোখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
আরিফুল হক চৌধুরী জানান, বেসরকারি এজেন্সির ওপর নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের ঝুঁকি এড়াতে সরকারী সংস্থা বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লি.-কে (বোয়েসেল) অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ভোটের পাঁচ দিন আগে বাইশিমাস নির্বাচন স্থগিত, প্রার্থীদের প্রতিবাদ
বিদেশে কর্মী পাঠানোর আগে চাকরির নিশ্চয়তা এবং যাতায়াত খরচ সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হবে। মন্ত্রী বলেন, ‘প্রাইভেট এজেন্সির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন। তাই আমরা বোয়েসেলের মাধ্যমে পাঠানোর জোর চেষ্টা করছি। তারা প্রায় প্রস্তুত এবং আশা করা যাচ্ছে ৮ অক্টোবরের মধ্যে বোয়েসেল প্রক্রিয়াটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হবে।’
তিনি আরও বলেন, যেসব বেসরকারি এজেন্সি চাহিদাপত্র নিয়ে আসছে, মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন সরেজমিনে তা যাচাই করছে। বর্তমানে মালয়েশিয়ার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস-এ প্রয়োজনীয় ডেটা ইনপুট দেওয়ার কাজ চলছে।
সার্বিয়ার ভিসাপ্রাপ্তদের আন্দোলন সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কিছু অসাধু ট্রাভেলস এজেন্সি শত শত যুবকের কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা করে নিয়ে ভিসা প্রতারণা করেছে। এখন তারাই লোক জড়ো করে আন্দোলন করাচ্ছে।
প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, যাদের ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট সঠিক থাকবে, তারা নিয়ম অনুযায়ী ক্লিয়ারেন্স পেয়ে যাবেন। কিন্তু যারা ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে প্রতারণা করেছেন, তাদের কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনা হবে।
আরও পড়ুন: হায় সেলুকাস, আমাদের এই বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন