ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিরাপদ খাদ্য আইনে এক সপ্তাহে ২০ লাখ টাকা জরিমানা, ৬টি মামলা


নিরাপদ খাদ্য আইনে এক সপ্তাহে ২০ লাখ টাকা জরিমানা, ৬টি মামলা

ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পরিচালিত অভিযান ও সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য আইনে গত এক সপ্তাহে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ লাখ টাকা জরিমানা এবং ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) চলমান আইন প্রয়োগ ও মনিটরিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ২০ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক সপ্তাহে এসব জরিমানা ও মামলা করা হয়।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়, নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ বাস্তবায়নে উল্লিখিত সময়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় মোট ৬টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। বাধ্যতামূলক নিবন্ধন না করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরি, রেফ্রিজারেটরে লেবেলবিহীন মাছ-মাংস ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী সংরক্ষণ এবং ট্রেড লাইসেন্স, খাদ্যকর্মীদের স্বাস্থ্যসনদ ও পেস্ট কন্ট্রোলের প্রমাণক প্রদর্শনে ব্যর্থতার মতো অপরাধে ২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ২টি মামলা দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় আটক আরো ৪৮৬ জন

এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী ও সিরাজগঞ্জ জেলায় মোট ৩টি প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। পোড়া তেল ব্যবহার, অননুমোদিত রাসায়নিক রং ব্যবহার, উৎপাদনস্থলে তেলাপোকা ও ছারপোকার বিচরণ, পণ্যের গায়ে লেবেল না থাকা এবং নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের মতো অপরাধে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

এ সময়ে লক্ষ্মীপুর ও কিশোরগঞ্জে পৃথকভাবে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী সামারি ট্রায়াল পরিচালনা করা হয়। লক্ষ্মীপুরে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এবং নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে পরিচালিত অভিযানে খাদ্য প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়ায় ২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে, কিশোরগঞ্জে ৩টি খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ এবং মোড়কে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার দায়ে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন খাদ্যস্থাপনা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সারা দেশে খাদ্যস্থাপনা মনিটরিং কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান এবং খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানসহ মোট ২৮৮টি খাদ্য প্রতিষ্ঠান মনিটরিং করা হয়। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবেশন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনে নিরাপদ খাদ্যবিধি অনুসরণের বিষয়টি তদারকি করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

এদিকে, নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বহুমুখী প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন এবং ভোক্তার করণীয় সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে বাংলাদেশ টেলিভিশনে টিভিসি ও স্ক্রলবার্তা এবং বাংলাদেশ বেতারে নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক বিভিন্ন অডিওবার্তা প্রচার করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি, রিলস ও ভিডিওর মাধ্যমে নিয়মিত সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, জনগণের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত তদারকি, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ, মোবাইল কোর্ট, খাদ্য নমুনা পরীক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার এই কার্যক্রম আরও গতিশীল ও বিস্তৃত করা হবে।

আরও পড়ুন: ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত রাবি শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা আইসিইউতে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৩ পি.এম


জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুরের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, জমির বিরোধের কারণে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে। আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব তথ্য দেন।

মন্ত্রী জানান, ক্যান্টনমেন্ট থানার অন্তর্ভুক্ত মানিকদি নামাপুরা এলাকায় এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। সেখানে ৩৫ কাঠা জমি নিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওটি বিরোধপূর্ণ জমির ওপর অবস্থিত।

তিনি আরও জানান, এক পক্ষের সঙ্গে ‘নিউ গিনি প্রপার্টিজ’ নামের একটি ডেভেলপার কোম্পানির সম্পর্ক রয়েছে। অন্য পক্ষের সঙ্গে একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার যোগসূত্র রয়েছে।

প্রাথমিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, রাতে একদল লোক জমিটি দখলের উদ্দেশ্যে সেখানে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে সালমান মুক্তাদিরের টিনশেডের স্টুডিওও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে কন্টেন্ট তৈরির কার্যক্রম চলছিল।

তিনি জানান, জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯-এ ফোন পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাজা কার্তুজের খোসা ও দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

চাঁদাবাজির সঙ্গে হামলার সম্পর্ক রয়েছে কিনা এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে এই তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

মন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তাদির এই ভাঙচুরের শিকার হয়েছেন। তবে তিনি নিজে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে কেউ তার কাছে চাঁদা দাবি করেনি; ফলে এ ঘটনায় এখনও তার পক্ষ থেকে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। যদি তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা দায়ের করেন, তবে আমরা বিষয়টি তদন্ত করতে পারব।

তিনি জানান, স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে পুরো পরিস্থিতি উদঘাটনের জন্য আরও বিস্তারিত তদন্তের প্রয়োজন হবে। তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য ভবিষ্যতে জানানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানকে পর্যটনবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৩ পি.এম


বান্দরবানকে পর্যটনবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী

বান্দরবান, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু মন্তব্য করেছেন যে, বান্দরবান শহরটি ছোট হলেও এটি অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শহরটিকে পরিচ্ছন্ন ও পর্যটনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, "সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকলে বান্দরবানের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা মোটেও কঠিন কোনো কাজ নয়।"

আজ বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় পর্যটন শিল্পের সার্বিক উন্নয়ন, শহরের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাঙ্গু নদীকে কেন্দ্র করে পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জনজীবনের মানোন্নয়ন বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময়, পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, শহরের যানজট নিরসন এবং স্থানীয় জনগণকে পর্যটকদের সঙ্গে মানবিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করার আহ্বান জানান, যাতে পর্যটন মৌসুমে পার্বত্য চট্টগ্রামে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমন নির্বিঘ্ন হয়।

মন্ত্রী ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে শুরু করে পুরো শহরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রত্যেকের বাসাবাড়ির পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে সব কাজে স্পষ্ট জবাবদিহিতা এবং পারস্পরিক সমন্বয় থাকা উচিত।

মন্ত্রী সাচিং প্রু পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন এবং পতিত জমিতে চাষাবাদের বিশেষ করে বান্দরবানের মাটিতে কফি ও কাজুবাদাম চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা উল্লেখ করে কৃষকদের উৎসাহিত করার নির্দেশ দেন।

তিনি পানির তীব্র সংকটের টেকসই সমাধানের জন্য বৃষ্টি, ঝিরি, নদী ও লেকের পানি সংরক্ষণের পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপরও জোর দেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সার্বিক কল্যাণে দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান মন্ত্রী সাচিং প্রু।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম বাচ্চু।

এ ছাড়া সভায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং পর্যটন খাতের অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে ভ্যানচালক সুমন হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ এম


বরিশালে ভ্যানচালক সুমন হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার

বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভ্যানচালক সুমন হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ২নম্বর আসামি মো. সুমন শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৮ এবং বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার শিয়ালঘুনি ১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া সুমন শিকদার (২৪) কালেরকাঠি ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. বাবুল হোসেন সিকদারের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি এলাকায় ভ্যানচালক সুমন শিকদারকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। খবর পেয়ে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুমনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে ওই এলাকায় রেগান নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে সুমনের বাকবিতণ্ডা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের মা মোছা. মনোয়ারা বেগম বাদি হয়ে ১১ সেপ্টেম্বর বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলার নম্বর-১৯।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, পূর্ববিরোধের জের ধরে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সুমনকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালান। নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রীকে কেন্দ্র করে মনা তালুকদারের সঙ্গে সুমনের বিরোধের কথাও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাকেরগঞ্জ থানার এসআই আসাদুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮ ও বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে শিয়ালঘুনি ১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা থেকে মামলার ২ নম্বর আসামি মো. সুমন শিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে ভাবীকে হত্যার দায়ে দেবরের যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ এম


পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে ভাবীকে হত্যার দায়ে দেবরের যাবজ্জীবন

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রির বিরোধের কারণে ভাবী হামিদা খানম (৬০) কে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা এবং নাতনী রুমা আক্তার সীমাকে (৪) হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মো. আজলু মিয়া (৪০) নামের আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। এছাড়াও, তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সুনামগঞ্জের ১ম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকবর হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. শেরেনুর আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা ও এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর দিরাই পৌরসভার নতুন বাগবাড়ী এলাকায় এই হত্যার ঘটনা ঘটে।

নিহত হামিদা খানমের মেয়ের স্বামী মো. মফশ্বির আলী জানান, পৈতৃক সম্পত্তি কম দামে বিক্রি করার কারণে আসামি আজলু মিয়ার সঙ্গে তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী হামিদা খানমের বিরোধ তৈরি হয়। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আজলু মিয়া হামিদার বসতঘরে ঢুকে লোহার হাতুড়ি দিয়ে হামলা চালান। এ সময় হাতুড়ির আঘাতে ঘটনাস্থলেই হামিদার মৃত্যু ঘটে এবং শিশু সীমা গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা আজলু মিয়াকে হাতুড়িসহ ঘটনাস্থল থেকে আটক করে এবং আহতদের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। শিশু রুমা আক্তার সীমাকে পরবর্তীতে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনার পরদিন, ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর, আটক আজলু মিয়ার বিরুদ্ধে দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে আদালত আসামি আজলু মিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করে আজকের রায় প্রদান করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%