সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১৪ পি.এম
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে মুছাপুর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবদুল করিমের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে মুছাপুর ইউনিয়ন যুবদল।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার পণ্ডিতের হাট থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি সন্দ্বীপ থানা গেইট হয়ে এনাম নাহার মোড়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সাবেক ছাত্রদল নেতা মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব এম এ আজিজ, উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন বাবুল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান ডালিম, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন ও রহমতপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক কাজল প্রমুখ।
বিক্ষোভ মিছিলে কয়েক শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। এ সময় বক্তারা বলেন, মো. আবদুল করিম গত ১৭ বছর ধরে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। তাকে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের শিবচরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল রেস করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক্সপ্রেসওয়ের শিবচর হাইওয়ে থানা সংলগ্ন বাচামারা এলাকায় ঢাকাগামী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাকিবুল হাসান (১৯) মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বড়টিয়া-মৌহালী এলাকার তরিকুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে সাকিবুল হাসানসহ তার বন্ধুরা মানিকগঞ্জ থেকে ১১টি মোটরসাইকেলে করে ফরিদপুর হয়ে ভাঙ্গা চৌরাস্তা এলাকায় আসেন। পরে ফরিদপুর থেকে আরও নয়জন বাইকার তাদের সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর ভাঙ্গা থেকে পদ্মা সেতু পর্যন্ত মোটরসাইকেল রেস করার সিদ্ধান্ত নেন তারা।
দুপুরে শিবচরের আড়িয়াল খাঁ সেতু পার হওয়ার পর দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালানোর সময় সাকিবুল নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় তার মোটরসাইকেলটি এক্সপ্রেসওয়ের পাশের রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা খেয়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর সাকিবুলকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলে রেখেই তার সঙ্গে থাকা অন্য বাইকাররা দ্রুত সেখান থেকে চলে যান।
খবর পেয়ে শিবচর হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাকিবুলের মরদেহ উদ্ধার করে। দুর্ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, চলতি বছর ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর বিকেলে) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্ভুক্ত মসজিদ ও মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে অনুদানের চেক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যা সমাধানে সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যুত ও জ্বালানি সমস্যা বৈশ্বিক, এবং এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে। সরকার এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য কাজ করছে। দেশের ১৩০টি গ্যাসকূপ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছে বলেও তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তেল ও বিদ্যুতের মতো গ্যাস নিয়েও কিছু অসাধু ব্যক্তি অবৈধ কাজ করছে। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। যারা অবৈধ কাজ করবে এবং অন্যায় করবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ অবৈধভাবে কাউকে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে রাষ্ট্রের সম্পদ ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে। সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে যাতে রাষ্ট্রীয় সম্পদ কেউ ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমারের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দরের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ড্রোন হামলার চেষ্টার অভিযোগে। জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো বিমানবন্দরটিতে ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মিয়ানমার এয়ারওয়েজ ইন্টারন্যাশনাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে ফেসবুকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়েছে, মান্দালয়ের তাদা-উ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১১ ও ১২ সেপ্টেম্বরের সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলোকে কাছের একটি বিমানবন্দরে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের একটি হামলার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে। ওই গণতন্ত্রপন্থি বিদ্রোহী গোষ্ঠী বিমানবন্দরটিতে ছয়টি ‘আত্মঘাতী ড্রোন’ ছুড়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
সংবাদপত্রটি জানাচ্ছে, হামলার কারণে সাময়িকভাবে কিছু অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা বা যানবাহন কিংবা বিমান রানওয়ের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিমানবন্দরে থাকা সামরিক যুদ্ধবিমানগুলোকে লক্ষ্য করে প্রতিরোধ যোদ্ধারা হামলা চালাচ্ছিল। তবে এই তথ্য আল জাজিরা বা অন্য কোনো সংবাদ সংস্থা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে সংঘাত চলছে। এরপর দেশজুড়ে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে ওঠে, যা পরে সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন সশস্ত্র জাতিগত ও গণতন্ত্রপন্থি গোষ্ঠীর মধ্যে গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।
মিয়ানমারের সাবেক সামরিক সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইংকে পাঁচ বছর সেনাশাসনের পর এপ্রিল মাসে সামরিক-সমর্থিত পার্লামেন্ট প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে। এর মাধ্যমে ক্ষমতার ওপর তার নিয়ন্ত্রণ আরও সুদৃঢ় হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউকের অথরাইজড অফিসার পলাশ শিকদারকে নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অসাধু উপায়ে অনৈতিক সুবিধা পেতে ব্যর্থ হয়ে ওই মহলটি কর্মকর্তা পলাশ শিকদারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে।
পরিকল্পিত ও নিরাপদ নগরায়ণ নিশ্চিতে দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন রাজউকের অথরাইজড অফিসার পলাশ শিকদার। চাকরির শুরু থেকেই সেবাবাজারে অসাধু চর্চা বন্ধ এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেন তিনি।
তবে তাঁর সততার এই দেয়ালই যেন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এক শ্রেণীর কুচক্রী ও অসাধু মহলের সামনে। অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পলাশ শিকদারের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছিল একটি প্রভাবশালী চক্র। কিন্তু কর্মকর্তা নীতিগত অবস্থানে অনড় থাকায় সব ধরনের চেষ্টা ব্যর্থ হয় তাদের।অনৈতিক সুবিধা হাসিল করতে না পেরে এবার ভিন্ন পথ ধরেছে চক্রটি।
কর্মকর্তা পলাশ শিকদারকে ওএসডি করার উদ্দেশ্যে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে জমা দেওয়া হচ্ছে ভিত্তিহীন অভিযোগ।
মূলধারার গণমাধ্যমে ঠাঁই না পেয়ে, কিছু নিবন্ধনহীন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তিকর তথ্য।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অথরাইজড অফিসার পলাশ শিকদারের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
এ বিষয়ে মূল তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
অপপ্রচারের অভিযোগ: সংশ্লিষ্টদের দাবি, একটি কুচক্রী মহল নিয়ম ও নীতির বাইরে অবৈধ সুবিধা হাসিল করতে না পেরে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে।
দায়িত্ব পালন: পলাশ শিকদার সবসময় দাপ্তরিক বিধিমালা ও নিয়মের ভেতরে থেকে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্য: তাকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।
পলাশ শিকদার সবসময় বিধিমালার ভেতরে থেকে কাজ করেন। কোনো অনিয়ম প্রশ্রয় না দেওয়ায় একটি চিহ্নিত চক্র অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
সচেতন মহল বলছেন, একজন সৎ ও নীতিবান সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ ধরনের ষড়যন্ত্র বন্ধে রাজউক ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে সততার সাথে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তারা নিরুৎসাহিত হবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ