মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৮ এম
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজুকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর লালমাটিয়ার মিনা বাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে গ্রেফতার করে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ।
গ্রেফতার খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজু (৬৯) পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ওই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার বাড়ি পাবনার আমিনপুরের নাটিয়াবাড়ী এলাকায়।
পুলিশের জানায়, সোমবার রাতে মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়ায় মিনা বাজারের সামনে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আরজুকে আটক করে। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আটকের সময় ধস্তাধস্তি করতে গিয়ে তিনি সামান্য আঘাত পান।
মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ জানায়, আরজু হৃদ্রোগে আক্রান্ত। গ্রেফতারের পর তার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে পুলিশি প্রহরায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাকে চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হয়।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হক আরজুকে আটক করা হয়েছে। পরে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলার বিষয়ে যাচাই-বাছাই ও তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর একটি মামলা কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে সিনেমা ‘ট্রাইব্যুনাল’। এই সিনেমাটি পরিচালনা করছেন রায়হান খান। আদালতকেন্দ্রিক গল্পের এই সিনেমায় একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল ঢালিউড অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়ার। তবে কোর্টরুম ড্রামা ঘরানার আলোচিত এই সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন তিনি।
গত বছর ব্যারিস্টারের ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য নুসরাত ফারিয়া সিনেমাটিতে যুক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে ‘ট্রাইব্যুনাল’ সিনেমাটি আর করছেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।
নুসরাত ফারিয়া গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি সিনেমাটিতে আর অভিনয় করছেন না। অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণেই এই সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
এদিকে, নুসরাত ফারিয়া ‘লজ্জা’ নামে নতুন একটি সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন। এই সিনেমাটিতে তার সহশিল্পী হিসেবে থাকছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। নতুন কাজটির ঘোষণার পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বহুমুখী পরিচয় তৈরি করার চেষ্টা করেছেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। উপস্থাপনা দিয়ে দর্শকদের নজরে আসার পর মডেলিং ও অভিনয়ে নিজের জায়গা তৈরি করেন তিনি। বড়পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয়েছিল ‘আশিকী’ সিনেমার মাধ্যমে। এরপর একে একে ‘হিরো ৪২০’, ‘বাদশা-দ্য ডন’, ‘বস-২’, ‘পটাকা’, ‘শাহেনশাহ’সহ বিভিন্ন সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।
বড়পর্দায় তার উপস্থিতি যেমন আলোচিত হয়েছে, ঠিক তেমনই ব্যক্তিগত স্টাইল ও সামাজিক মাধ্যমের সক্রিয় উপস্থিতির কারণে নিয়মিত খবরের শিরোনামে থাকেন এই অভিনেত্রী।
দেশের পাশাপাশি কলকাতার সিনেমায়ও কাজ করেছেন নুসরাত ফারিয়া। বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমায় নায়িকা হিসেবে পরিচিতি পেলেও সময়ের সঙ্গে চরিত্র নির্বাচনে পরিবর্তনের চেষ্টা করেছেন এই অভিনেত্রী। অভিনয়ের পাশাপাশি সংগীতেও তাকে দেখা গেছে। নিজের কণ্ঠে গান প্রকাশের পাশাপাশি মিউজিক ভিডিওতেও কাজ করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে কয়েক দফা কমার পর বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে সবশেষ ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সেদিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ওই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা।
এর আগে গতকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সবশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী, মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গত সপ্তাহে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হারের পর সিরি’আয় আবারও জয়ের পথে ফিরেছে ইন্টার মিলান। সান সিরোয় উদিনেসের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুটা স্বাগতিকদের জন্য ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। দুই গোলে পিছিয়ে পড়লেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে শেষ পর্যন্ত ৫-৩ গোলের বড় জয় তুলে নেয় ক্রিস্তিয়ান কিভুর দল।
নতুন লিগ মৌসুমে এটি ইন্টারের টানা চতুর্থ জয়। চার ম্যাচে পূর্ণ ১২ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে।
ম্যাচের শুরু থেকেই ইন্টারকে চাপে রাখে উদিনেসে। নবম মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে মাথা ছুঁইয়ে জেমস আবানকওয়া গোল করে সফরকারীদের এগিয়ে দেন। মাত্র সাত মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইয়ুর্গেন এক্কেলেনকাম্প। কিয়ান ডেভিসের বাড়ানো বল কাছ থেকে জালে পাঠান তিনি।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করে ইন্টার। মার্কাস থুরামের পরপর দুটি প্রচেষ্টা দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন উদিনেসের গোলরক্ষক মাদুকা ওকোয়ে। তবে ২৬তম মিনিটে দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে ইন্টারের হয়ে ব্যবধান কমান কার্লোস অগুস্তো।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ১০ মিনিট আগে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। থুরামের পাস পেয়ে বাঁকানো শটে উদিনেসের জালে বল পাঠান নিকোলো বারেলা। ফলে বিরতিতে দুই দল ২-২ সমতায় যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে ইন্টারের আক্রমণের সামনে অনেকটাই অসহায় হয়ে পড়ে উদিনেসে। ৫৭তম মিনিটে অ্যান্ডি দিউফ ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে বল পেছনে বাড়িয়ে দেন। সেখান থেকে নিচু শটে দূরের পোস্ট ঘেঁষে বল জালে পাঠিয়ে ইন্টারকে প্রথমবারের মতো এগিয়ে দেন থুরাম।
এর ১০ মিনিট পর ব্যবধান আরও বাড়ান পিও এসপোসিতো। পিওত্র জিয়েলিনস্কির দ্রুত পাস পেয়ে কাছ থেকে নিচু শটে গোল করেন তিনি।
ম্যাচ শেষ হওয়ার ১০ মিনিট আগে ইন্টার পঞ্চম গোলের দেখা পায়। বদলি হিসেবে নামা আনজে-ইয়োআন বন্নির প্রথম শট ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন ওকোয়ে। তবে ফিরতি বল নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় জালে পাঠান ইন্টারের ফরোয়ার্ড।
যোগ করা সময়ে উদিনেসের হয়ে একটি গোল শোধ করেন ইদ্রিসা গেয়ি। এতে ব্যবধান কিছুটা কমলেও শেষ পর্যন্ত ৫-৩ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইন্টার।
এই জয়ে টানা দ্বিতীয় লিগ ম্যাচে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও জয় পেল ইন্টার। এর আগে নাপোলির বিপক্ষেও ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল তারা। পরে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৩-২ গোলে ম্যাচটি জিতে নেয় তারা।
চার ম্যাচে চার জয় ও ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্টার। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে রোমা।
এর আগে দিনের আরেক ম্যাচে তোরিনোকে ২-০ গোলে হারিয়ে সাময়িকভাবে শীর্ষে উঠেছিল রোমা। চার ম্যাচে নিজের ষষ্ঠ গোল করে রোমাকে এগিয়ে দেন ডনিয়েল মালেন। যোগ করা সময়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন নিকোলো পিসিল্লি। তবে ইন্টারের কামব্যাকের পর দুই দলই চার ম্যাচে শতভাগ জয় নিয়ে সমান ১২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও মূল টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমানোর উদ্দেশ্যে আজ মঙ্গলবার থেকে অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (এভিএস) চালু হচ্ছে। নতুন এই পদ্ধতিতে সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কেনার সময় প্রদান করা ব্যাংক হিসাব নম্বরটি টাকা পাঠানোর পূর্বে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট তফসিলি ব্যাংকগুলোর সমন্বয়ে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এই সিস্টেমটি চালু করছে।
অর্থ বিভাগের ‘স্ট্রেনদেনিং পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম টু এনাবল সার্ভিস ডেলিভারি (এসপিএফএমএস)’ কর্মসূচির আওতায় এভিএস চালু করা হচ্ছে। বর্তমানে সরকারের ১১টি জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের মধ্যে ৯টির লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ন্যাশনাল সেভিংস স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা এনএসসি সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
এনএসসি সিস্টেমে বর্তমানে নিবন্ধিত একক গ্রাহকের সংখ্যা ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার ২২৪। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে মুনাফা ও মূল অর্থ পরিশোধ করা হয়। একই সময়ে গড়ে প্রায় ৮ হাজার নতুন সঞ্চয়পত্র ইস্যু হয়। জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর যাচাইয়ের ব্যবস্থা আগে থেকেই বিদ্যমান ছিল, তবে এবার ব্যাংক হিসাব যাচাইয়ের পদ্ধতি যুক্ত হলো।
পূর্বে গ্রাহকের দেওয়া হিসাব নম্বর সরাসরি সিস্টেমে যুক্ত করা হতো। যদি কোনো সংখ্যা ভুল হতো, তাহলে ইএফটি ফেরত আসত এবং তথ্য সংশোধন করে পুনরায় টাকা পাঠাতে হতো। এতে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাজের চাপও বৃদ্ধি পেত। ভুল নম্বরের কারণে একজনের প্রাপ্য অর্থ অন্যের হিসাবে চলে যাওয়ার ঝুঁকিও ছিল।
নতুন ব্যবস্থায় হিসাব নম্বর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি অবকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট তফশিলি ব্যাংকের মাধ্যমে তা যাচাই করা হবে। প্রথমে হিসাবটি সঠিক ও সচল কিনা যাচাই করা হবে এবং পরে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের সঙ্গে হিসাবধারীর তথ্য মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। ফলে লেনদেনের পূর্বেই ভুল বা অসামঞ্জস্য শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
নতুন সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কেনার সময় এবং পরবর্তী সময়ে ব্যাংক হিসাব পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষেত্রেও এভিএস ব্যবহৃত হবে।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর জানিয়েছে, এভিএস চালুর ফলে ভুল হিসাব নম্বরের কারণে ইএফটি ফেরত আসার ঝুঁকি কমবে, বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অতিরিক্ত কাজও কমবে। একই সঙ্গে গ্রাহকের প্রাপ্য অর্থ নিরাপদে ও নির্ভুলভাবে প্রকৃত হিসাবধারীর হিসাবে পাঠানো সহজ হবে।
অর্থ বিভাগের মতে, এভিএস জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের ডিজিটাল সেবা আধুনিকায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর ফলে সঞ্চয়পত্রের লেনদেন আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য হবে এবং গ্রাহকের অর্থ দ্রুত ও সঠিক সময়ে নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে পৌঁছানো নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ