ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিকদের ওয়াশ অধিকার নিশ্চিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত


শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিকদের ওয়াশ অধিকার নিশ্চিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত

শ্রীমঙ্গলে চা বাগানের শ্রমিকদের পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং নাগরিক সমাজের সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে একটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সংলাপটি সোমবার (৫ অক্টোবর) শ্রীমঙ্গলের মহসিন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। ‘জরংরহম ভড়ৎ জরমযঃং ভড়ৎ ঝঃৎবহমঃযবহরহম ঈরারষ ঝড়পরবঃু ঘবঃড়িৎশ ঃড় অপযরবাব ঝউএ ৬’ প্রকল্পের আওতায় ‘উরধষড়মঁব ড়হ ডঅঝঐ জরমযঃং ভড়ৎ ঞবধ এধৎফবহ ডড়ৎশবৎং’ শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজন করে ম্যাক বাংলাদেশ (গঅঈ ইধহমষধফবংয)।

সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন শ্রীমঙ্গল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম এবং ম্যাক বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এ হামিদ ও উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাকিব। অনুষ্ঠানে ম্যাক বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী আরমান খান মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। এই প্রেজেন্টেশনে চা বাগানের শ্রমিকদের পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়।

সংলাপে উপজেলার বিভিন্ন চা বাগানের নারী চা শ্রমিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধি, হরিজন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিসহ ৩০ জন অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা চা শ্রমিকদের নিরাপদ পানি, উন্নত স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

আরও পড়ুন: কালিয়াকৈরে মহাসড়ক জুড়ে অবৈধ দোকান ও অটো স্ট্যান্ড, শিক্ষার্থী ও গার্মেন্টস শ্রমিকরা জিম্মি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাল্লায় সংখ্যালঘু তরুণীকে অপহরণের অভিযোগ ছাত্রদল নেতা তোফাজ্জুল হক বাপনের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১২ পি.এম


শাল্লায় সংখ্যালঘু তরুণীকে অপহরণের অভিযোগ ছাত্রদল নেতা তোফাজ্জুল হক বাপনের বিরুদ্ধে

সুনামগঞ্জের শাল্লায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক তরুণীকে অপহরণের অভিযোগ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব তোফাজ্জুল হক বাপনের বিরুদ্ধে উঠেছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে তরুণীর বাবা রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে শাল্লা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে, শনিবার, এই ঘটনার জন্য থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।

অভিযোগকারী বাবা জানিয়েছেন, তাঁর ২০ বছর বয়সী মেয়েকে তোফাজ্জুল হক বাপন অপহরণ করে নিয়ে গেছেন। এরপর থেকে মেয়েটির কোনো খোঁজখবর পাওয়া যাচ্ছে না। মেয়েটি শাল্লা উপজেলা সদরের ঘুঙ্গিয়ারগাঁও গ্রামের বাসিন্দা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন কৃষকের সন্তান। অভিযুক্ত তোফাজ্জুল হক বাপন শাল্লা উপজেলার বাহাড়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের বিরন মিয়ার ছেলে, যিনি ২৮ বছর বয়সী।

শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঘুঙ্গিয়ারগাঁও গ্রামের এক তরুণীকে অপহরণের অভিযোগে শনিবার থানায় একটি জিডি করা হয়েছিল। রোববার দুপুরে মেয়েটির বাবা সরাসরি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও মেয়েটিকে উদ্ধারে পুলিশের অভিযান চলছে।’ অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে তোফাজ্জুল হক বাপনের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

শাল্লা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তারেক হাসান মুন্না বলেন, ‘বাপনের চলাফেরা ভালো না। গতকালই শুনতে পেরেছি, তার বিরুদ্ধে থানায় এক মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ হয়েছে। বিষয়টি জানার পর সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা ছাত্রদলের সভাপতিকে জানানো হয়েছে।’

সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. তারেক মিয়া জানান, ‘শাল্লা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণের অভিযোগ হয়েছে বলে শুনেছি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মেয়েটির সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। যেহেতু তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হবে।’ শাল্লা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আওয়াল বলেন, ‘শুনেছি শাল্লা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব একটি ঘটনা ঘটিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।’ শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তরুণীকে উদ্ধারের পাশাপাশি অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে অভিযোগের সত্যতা এবং তরুণীর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রামবাংলার ঐতিহ্য হাডুডু হারিয়ে যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৬ পি.এম


গ্রামবাংলার ঐতিহ্য হাডুডু হারিয়ে যাচ্ছে

একসময় বিকেল হলেই গ্রামাঞ্চলের মাঠে হাডুডুর আসর জমে উঠত। খেলোয়াড়রা মাঠের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে যেত। প্রতিপক্ষের সীমানায় গিয়ে ‘হাডুডু’ বলার সময় উত্তেজনায় চারপাশ কাঁপত। খেলোয়াড়দের সঙ্গে মাঠের চারপাশে নারী, পুরুষ, শিশু-কিশোর ও প্রবীণরাও ভিড় করতেন। একটি খেলার মাধ্যমে পুরো গ্রামের উৎসবের আবহ তৈরি হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বিনোদনের ধরন বদলে গেছে। এখন মাঠের সেই জায়গা দখল করে নিয়েছে মোবাইল ফোন, অনলাইন গেম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। কিছু জায়গায় খেলার মাঠ সংকুচিত হয়েছে, আবার কিছু জায়গায় মাঠ হারিয়ে গেছে বসতবাড়ি বা অন্য ব্যবহারে। নিয়মিত প্রতিযোগিতা, প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবও যোগ হয়েছে। এর ফলে একসময় জনপ্রিয় হাডুডু এখন হারিয়ে যেতে বসেছে।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ৩ নম্বর সিংড়া ইউনিয়নের ভার্ণাপাড়া গ্রামে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। স্থানীয়দের মতে, একসময় এ এলাকায় নিয়মিত হাডুডু খেলা হতো। দূর-দূরান্ত থেকে দল আসত। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে মানুষের ভিড় থাকত। বর্তমানে সেই মাঠে খেলোয়াড়ের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। তরুণদের একটি বড় অংশ মাঠের বদলে মোবাইল ফোন ও অনলাইন বিনোদনে সময় কাটাচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. ফয়েজ উদ্দিন বলেন, ‘আগে হাডুডু ছিল গ্রামের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। বিকেল হলেই ছেলেরা মাঠে চলে যেত। এখন মাঠে খেলোয়াড়ের চেয়ে মোবাইল হাতে তরুণের সংখ্যা বেশি।’ প্রবীণ হাডুডু খেলোয়াড় মোহাম্মদ মোকসেদ আলী বলেন, ‘খেলার প্রতি আগ্রহ এখনো আছে। কিন্তু নিয়মিত মাঠ, প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম ও প্রতিযোগিতা না থাকায় অনেকেই আর ধরে রাখতে পারছে না।’ আরেক প্রবীণ খেলোয়াড় মোহাম্মদ আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘একসময় বিকেল হলেই আমরা মাঠে ছুটে যেতাম। হাডুডুর প্রতি সবার আলাদা ঝোঁক ও উদ্যম ছিল। খেলোয়াড়দের সামাজিকভাবেও সম্মান ছিল। এখন সেই পরিবেশ নেই। তরুণদের মধ্যে এ খেলার ভবিষ্যৎ নিয়ে আগ্রহ তৈরি হচ্ছে না।’

শুধু খেলা নয়, সামাজিক বন্ধনও হারাচ্ছে। হাডুডু শুধুমাত্র শরীরচর্চার একটি খেলা নয়, এটি গ্রামীণ সমাজের সামাজিক বন্ধন ও লোকজ সংস্কৃতির অংশ। একটি ম্যাচের মাধ্যমে এক গ্রামের সঙ্গে অন্য গ্রামের মানুষের যোগাযোগ তৈরি হতো। খেলাকে ঘিরে বাড়ত পরিচয়, বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্য। স্থানীয় শিক্ষক আফতাব উদ্দিন সরকার বলেন, ‘আমি হাডুডুর প্রতি আগ্রহী ছিলাম এবং বিভিন্ন গ্রামের মাঠে খেলোয়াড় ও সংগঠক হিসেবে যুক্ত ছিলাম। শিশু-কিশোরদের শুধু পড়াশোনা ও প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে আটকে রাখলে তাদের শারীরিক ও সামাজিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলো ফিরিয়ে আনতে বিদ্যালয় ও স্থানীয় পর্যায়ে উদ্যোগ প্রয়োজন।’

প্রয়োজন নিয়মিত আয়োজন। স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘বছরে একবার কোনো অনুষ্ঠান করলেই ঐতিহ্যবাহী খেলা বাঁচবে না। নিয়মিত প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। খেলোয়াড়দের উৎসাহ দিতে পুরস্কার ও পৃষ্ঠপোষকতাও প্রয়োজন।’

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক বলেন, হাডুডুসহ গ্রামীণ খেলাগুলো ধরে রাখতে পরিকল্পিতভাবে প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং মাঠ ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। স্থানীয় পর্যায়ে উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ রুবানা তানজিন বলেন, ‘ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতির অংশ। হাডুডু যাতে হারিয়ে না যায়, সে জন্য স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।’

স্থানীয়দের মতে, হাডুডুকে টিকিয়ে রাখতে শুধু খেলোয়াড় তৈরি করলেই হবে না, প্রয়োজন খেলার মাঠ সংরক্ষণ, নিয়মিত টুর্নামেন্ট, প্রশিক্ষণ এবং সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। বিদ্যালয় পর্যায়েও এ ধরনের খেলাকে উৎসাহিত করা যেতে পারে। নইলে একসময় গ্রামবাংলার মাঠ থেকে হারিয়ে যাবে ‘হাডুডু’ নামের সেই চিরচেনা হাঁক। নতুন প্রজন্ম হয়তো জানবেই না, একসময় একটি খেলা ঘিরে কীভাবে পুরো গ্রামের মানুষ একসঙ্গে মাঠে জড়ো হতো, কীভাবে খেলোয়াড়ের প্রতিটি দৌড় আর প্রতিপক্ষের সীমানা ছোঁয়ার মুহূর্তে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ত চারপাশ। ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার আগে তাই হাডুডুর মাঠে আবারও ফিরিয়ে আনতে হবে সেই প্রাণের হাঁক-‘হাডুডু... হাডুডু...’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজিবপুরে ২ পুরিয়া গাঁজাসহ আটক ১, ৭ দিনের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৭ পি.এম


রাজিবপুরে ২ পুরিয়া গাঁজাসহ আটক ১, ৭ দিনের কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুরে ২ পুরিয়া গাঁজাসহ মোঃ নাসির (৩৪) নামের একজনকে পুলিশ আটক করেছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চর রাজিবপুর থানাধীন ধুলাউরি এলাকায় জনৈক সোহেল রানার দোকানের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি ধুলাউরি এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের পুত্র।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নাসিরের কাছ থেকে ২ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক সেবনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫০০ টাকা জরিমানা এবং ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে।

পরে দণ্ডপ্রাপ্ত নাসিরকে কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার, রৌমারী সার্কেল মোঃ রাসেল কবির মন্তব্য করেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

মাদক সেবন, বিক্রয় ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৈয়দপুর প্লাজায় চুরির ঘটনায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে ব্যবসায়ীদের সড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৭ পি.এম


সৈয়দপুর প্লাজায় চুরির ঘটনায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে ব্যবসায়ীদের সড়ক অবরোধ

এফএনএস (ওবায়দুল ইসলাম; সৈয়দপুর, নীলফামারী) : সৈয়দপুর প্লাজা সুপার মার্কেটে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি স্বর্ণ ও মোবাইল ফোনের দোকানে চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। দোকানে পাহারাদার থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই চুরির ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে ব্যবসায়ীরা প্রশ্ন তুলেছেন। চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং সিসি ক্যামেরার ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্লাজার প্রকল্প পরিচালক আলহাজ্ব গুলজার আহমেদকে বিষয়টি অবহিত করা হলেও, এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। প্রকল্প পরিচালকের বক্তব্য এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, চুরির ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে আন্দোলন করে আসছেন প্লাজার ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে, চুরি যাওয়া মালামালের ক্ষতিপূরণও দাবি করছেন ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা।

ক্ষতিপূরণের দাবিতে ৫ অক্টোবর সৈয়দপুর প্লাজার সামনে শেরে বাংলা সড়ক অবরোধ করেন ব্যবসায়ীরা। এই অবরোধের ফলে ব্যস্ততম সড়কটিতে যান চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ছোট যানবাহনের চালকসহ সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়।

ব্যবসায়ীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে সড়ক অবরোধ করে তাদের দাবি আদায়ের জন্য অবস্থান করেন। পরে তারা ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা বা আল্টিমেটাম দিয়ে অবরোধ তুলে নেন। এ সময় সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%