বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:১০ পি.এম
যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে হারানোর জন্য এক অভিনব কৌশল নিয়েছে ইরান। তারা সরাসরি অস্ত্রের সংঘাত থেকে দূরে থাকছে এবং বেছে নিয়েছে অর্থনৈতিক যুদ্ধ। এই যুদ্ধে তাদের সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস হলো হরমুজ প্রণালি। ইরান চায়, যুক্তরাষ্ট্র যেন তাদেরই পরাজয় মেনে নিয়ে এই অঞ্চল ছেড়ে চলে যায়।
ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস-এর অধ্যাপক মোস্তফা খোশচেশম আল জাজিরাকে নিশ্চিত করেছেন এই তথ্য। তিনি বলেন, ইরান ভাল করেই জানে, যুদ্ধে আমেরিকাকে পরাজিত করতে হলে একতরফা বা অসম যুদ্ধের পথই গ্রহণ করতে হবে। আর এমন অর্থনৈতিক যুদ্ধে হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। এ কারণেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ব্যাপারে তারা অনড়।
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিজেদের দাবি আদায়ের জন্য এই নৌপথটিকে তারা চূড়ান্ত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তাদের লক্ষ্য হলো, সমঝোতা স্মারকে উল্লেখ থাকা বিভিন্ন শর্তগুলো মানতে যুক্তরাষ্ট্রকে বাধ্য করা। এর মধ্যে রয়েছে, ইরানের আটকে থাকা সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া, লেবাননে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান, গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া।
এদিকে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে জাহাজ চলাচলের যে দাবি যুক্তরাষ্ট্র করেছে, তা পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। তারা জানিয়েছে, তাদের অনুমতি ছাড়া সেখানে কোনো নৌযান যাতায়াত করতে পারবে না। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের এক মুখপাত্র বলেছেন, অতীতের মতোই ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে হরমুজ প্রণালি। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ইরানের ক্ষমতাধর সশস্ত্র বাহিনীর অনুমতি ও তত্ত্বাবধান ছাড়া কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ বা তেলের ট্যাংকার এই প্রণালি দিয়ে নিরাপদে পার হতে পারবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চেলসি, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট ক্লাব, লেফটব্যাক হিসেবে ভাড়া নিয়েছে স্প্যানিশ ফুটবলার পেপ চাভারিয়াকে। ১৮ মিলিয়ন পাউন্ডের চুক্তিতে তিনি লা লিগার ক্লাব রাও ভাল্লেকানো থেকে দলে ভিড়িয়েছেন তাকে।
স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে এই স্প্যানিশ ফুটবলারের যোগদানের চেয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম ও ফুটবল ভক্তদের মধ্যে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে তার গ্ল্যামারাস প্রেমিকা পাওগ্লি, যিনি স্পেনের শীর্ষস্থানীয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার।
দ্য সানের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চেলসির এই নতুন ফুটবলার অপেক্ষা তার প্রেমিকার জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। পাওগ্লির টিকটক ফলোয়ার সংখ্যা ১.১ মিলিয়নেরও উপরে।
শৈশবে দেখা 'দ্য জঙ্গল বুক'-এর বিখ্যাত চরিত্র 'মোগলি'র মতো হওয়ায় তার নাম দেওয়া হয়েছে পাওগ্লি। তবে তিনি তার আসল আইনি নাম এখনো গোপন রেখেছেন।
২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে বুদাপেস্টে একসাথে ছুটি কাটানোর মাধ্যমে এই জুটি তাদের প্রেমের সম্পর্কের শুরু নিশ্চিত করেছিলেন।
প্রেমিকের ঐতিহাসিক দলবদলের পর পাওগ্লি স্যোশাল প্ল্যাটফর্মে আবেগঘন পোস্টে লিখেছেন, "আমি নিশ্চিত ছিলাম যে জীবন তোমার সমস্ত প্রচেষ্টা, স্থিতিস্থাপকতা এবং শৃঙ্খলার পুরষ্কার অবশ্যই দেবে।"
রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়া মার্ক কুকুরেলার জায়গায় চেলসিতে চাভারিয়ারের আগমন ক্লাবটির রক্ষণভাগকে শক্তিশালী করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : সাবেক মন্ত্রী এবং সাংবাদিক নেতা আনোয়ার জাহিদের মৃত্যুর বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) একটি দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার বাদ আসর এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় প্রেসক্লাবের মসজিদে, যেখানে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, সিনিয়র সাংবাদিক কাজিম রেজা, বুলবুল আহমেদ এবং ডিইউজের অন্যান্য সদস্যরা।
বিশিষ্ট সাংবাদিক, মেধাবী রাজনীতিক এবং সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার জাহিদ ২০০৮ সালের ১৩ আগস্ট ইন্তেকাল করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : থাইল্যান্ডের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সম্প্রসারণের লক্ষ্যে, থাইল্যান্ডের সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লেবার-এর আট সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল গত ১২ আগস্ট বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) পরিদর্শন করেছে।
এ উপলক্ষ্যে, প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বোয়েসেলের একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। থাইল্যান্ডের সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লেবার-এর চেয়ারম্যান মি. নিরুত্তি সুটিনন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। অপরদিকে, বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হক বোয়েসেল প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
বৈঠকে বোয়েসেলের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল, নৈতিক, নিরাপদ এবং স্বল্প ব্যয়ে দক্ষ কর্মী প্রেরণের বিদ্যমান মডেল সম্পর্কে থাই প্রতিনিধিদলকে অবহিত করা হয়। এ মডেল সম্পর্কে প্রতিনিধিদল সন্তোষ প্রকাশ করে এবং নৈতিক ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে বোয়েসেলের উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।
বৈঠকে, থাইল্যান্ডের নির্মাণ, কৃষি, পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য থাইল্যান্ডের সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লেবার-এর প্রতি বোয়েসেলের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়।
এ সময় বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উল্লেখ করেন, থাইল্যান্ডের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মী প্রেরণের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কারিগরি প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওরিয়েন্টেশন প্রদান করা হবে। এর মাধ্যমে কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মপরিবেশের সঙ্গে তাদের অভিযোজন এবং নিরাপদ ও টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে শ্রমবাজারভিত্তিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য থাইল্যান্ডে অধিকতর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।
একই সঙ্গে, স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল, নিরাপদ এবং নৈতিক অভিবাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বৈঠকটি শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার দেবীদ্বারে চাঞ্চল্যকর ফরিদা ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় তাঁরা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি ফাঁসির দাবি জানান।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা পরিষদ গেট থেকে শুরু হয়ে এই বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে, শেষ পর্যন্ত কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার নিউমার্কেট মুক্তিযুদ্ধ চত্বরে স্বাধীনতা স্তম্ভের পাদদেশে গিয়ে থামে। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবাদ সভা।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন যে, গহনা ও টাকা লুট করার উদ্দেশ্যে বাসার ভাড়াটিয়া সেজে লাইলী আক্তারের নেতৃত্বে ফরিদা ইয়াসমিনকে হত্যা করা হয়েছে।
তারা তাদের দাবি জানান যে, ঘুমন্ত অবস্থায় ফরিদাকে শ্বাসরোধে হত্যা করার পর তাঁর মরদেহকে কুপিয়ে খণ্ডিত করে গোপন করার চেষ্টা করা হয়।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত লাইলী আক্তারসহ সকল আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তাঁরা অভিযোগ করেন যে, বিচারহীনতার কারণে অপরাধীরা বারবার অপরাধ করার সুযোগ পাচ্ছে।
এছাড়া বক্তারা দাবি করেন যে, ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর দেবীদ্বারে একটি শিশু হত্যার ঘটনায় লাইলী বেগমসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার হলেও কয়েক বছরের মধ্যে তাঁরা জামিন নিয়ে মুক্তি পেয়ে যান।
তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, যদি ওই মামলায় যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হত, তাহলে পরবর্তীতে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঘটত না।
নিহত ফরিদা ইয়াসমিনের স্বামী মো. মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘সরকারের কাছে আমার দাবি, আমার স্ত্রীর হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসি চাই। এমন সাজা দিতে হবে, যা ভবিষ্যতে অপরাধীদের জন্য একটি বার্তা হয়ে থাকে।’
প্রতিবাদ সভায় নিহতের দুই মেয়ে রাবেয়া বসরী ও মরিয়ম আক্তার, কাজী নাসির উদ্দিন, সিয়াম আহমেদ, মোশাররফ হোসেন, মো. জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাতে ফরিদা ইয়াসমিনকে হত্যার অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।
পরে শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে দেবীদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর মোহনা আবাসিক এলাকায় মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়ার মালিকানাধীন বাসা থেকে ফরিদার মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়। এরপর ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ