০১:০৮ এম
ভারতের রাজধানী দিল্লির মালব্য নগরের একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে ৭ দেশের মোট ২২ জন নিহত হয়েছেন। এই নিহতদের মধ্যে রয়েছে মো. নুরুল আমিন (৪৪) নামের একজন বাংলাদেশি নাগরিক।
নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়তা করছে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। হাইকমিশন চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবার সদস্যদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে ঘটনার সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন তাদের ফেসবুক পেজে দেওয়া বার্তা থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ৪ জুন সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ৩ জুন সকালে নয়াদিল্লির একটি হোটেলের অগ্নিকাণ্ডে ২ বাংলাদেশি পরিবার বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উভয় পরিবারই হোটেলে অবস্থানরত থাকাকালীন পাশের ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য দিল্লিতে এসেছিলেন।
এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার কারণে ৭ দেশের মধ্যে ২২ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে মো. নুরুল আমিন নামের একজন বাংলাদেশি নাগরিক। নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন তার মরদেহ দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়তা করছে।
এছাড়া চিকিৎসাধীন বৃদ্ধভোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে হাইকমিশন।
বৃহস্পতিবার সকালে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সব বাংলাদেশি নাগরিককে পরিদর্শন করেন এবং তাঁদের চিকিৎসার অবস্থা সম্পর্কে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
বার্তায় আরো জানানো হয়, হাইকমিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতালে অবস্থান করছেন এবং রোগী ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় করে যেকোনো জরুরি প্রয়োজন মোকাবেলার জন্য কাজ করছেন। ভুক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে হাইকমিশন ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন