বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৫ এম
যুক্তরাষ্ট্রে নকল ওজন কমানোর ওষুধ ওজেম্পিক বিক্রির একটি আন্তর্জাতিক চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, তারা চীন থেকে নকল ওজেম্পিক এনে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন পরিবেশকের কাছে কম দামে বিক্রি করতেন।
অভিযুক্তদের মধ্যে ৩৩ বছর বয়সী স্বপ্নদীপ রায় এবং ৩৭ বছর বয়সী ভিকি রামানচা রয়েছেন। উভয়ই ভারতের নাগরিক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বসবাস করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মধ্যাঞ্চলীয় আদালতে ২০২৫ সালে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) অভিযোগপত্র প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি সামনে আসে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তারা চীনের অনুমোদনহীন প্রস্তুতকারকদের কাছ থেকে হাজার হাজার নকল ওজেম্পিক সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করেন। পরে এসব ওষুধ কম দামে দেশটির বিভিন্ন পরিবেশকের কাছে বিক্রি করা হতো। সেখান থেকে তা সাধারণ ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাত।
আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নকল ওষুধগুলোর মোড়ক, ভেতরের নির্দেশনা, লেবেল ও সূচ পর্যন্ত নকল করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল ক্রেতাদের বিশ্বাস করানো যে তারা অনুমোদিত ওজেম্পিক কিনছেন। আসল ওজেম্পিক তৈরি করে ডেনমার্কের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নোভো নরডিস্ক।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ইতালি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের পর আদালতে হাজির হন স্বপ্নদীপ রায়। অন্যদিকে ভিকি রামানচা এখনো পলাতক রয়েছেন।
দুজনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার ও প্রতারণার ষড়যন্ত্রের একটি অভিযোগ, পাচারের তিনটি অভিযোগ এবং নকল ওষুধ বিক্রি ও বিক্রির উদ্দেশ্যে নকল ওষুধ রাখার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রত্যেকের সর্বোচ্চ ৭১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নকল ওজেম্পিকের সরবরাহ নিয়ে আপত্তি থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ম না মানতে উৎসাহিত করতেন তারা। একটি বার্তায় তারা লিখেছিলেন, কম দামে পণ্য চাইলে কিছু নিয়ম এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি মেনে নিতে হবে। এছাড়া চক্রের সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে তারা হুমকি দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেছে কৌঁসুলিরা।
২০২৪ সালের মার্চে ভিকি রামানচা প্রায় ১১ হাজার নকল ওজেম্পিকের চালান যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের একটি গুদামে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া ফ্লোরিডার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে হাজার হাজার নকল ওষুধ বিক্রি বা সরবরাহ করা হয়।
২০২৩ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন দেশটির ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থায় নকল ওজেম্পিক পাওয়া যাওয়ার বিষয়ে ভোক্তাদের সতর্ক করেছিল। সংস্থাটি জানিয়েছে, নকল ওষুধের সংখ্যা বাড়ছে এবং এগুলো মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের নিয়ম অনুযায়ী, ওজন কমানোর জন্য ব্যবহৃত এই ধরনের ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নেওয়া যায় না।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের অপরাধবিষয়ক বিভাগের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ টাইসেন দুভা বলেন, বিশেষ করে বহুল ব্যবহৃত নকল ওষুধ মানুষের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। তার দাবি, অভিযুক্তরা মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আর্থিক লাভ করেছেন।
স্বপ্নদীপ রায়ের আইনজীবীরা মঙ্গলবারের শুনানি ও তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সূত্র: সিবিএস নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসরকারি খাতের শীর্ষস্থানীয় বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স সম্প্রতি নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি এক্সিকিউটিভ (নিউট্রিশন অ্যান্ড মেনু প্ল্যানিং) পদে লোকবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এবং শেষ হবে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত।
আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন।
এক নজরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
প্রতিষ্ঠানের নাম: ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স
পদের নাম: এক্সিকিউটিভ (নিউট্রিশন অ্যান্ড মেনু প্ল্যানিং)
পদসংখ্যা: ০১টি
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন, ফুড সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে বিএসসি
অন্যান্য যোগ্যতা: বিমান সংস্থা বা হোটেলে কাজের দক্ষতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: প্রার্থীদের জন্য ১ থেকে ২ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন, তবে অভিজ্ঞতা না থাকলেও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ২৮ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা (উত্তরা)
বেতন: ৩৫,০০০ টাকা (মাসিক)
অন্যান্য সুবিধা: প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, বছরে ২টি উৎসব বোনাস, সপ্তাহে ২ দিন ছুটি, দুপুরের খাবার সুবিধা এবং কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী জীবন বিমা।
আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন .
আবেদনের শেষ সময়: ১৫ অক্টোবর ২০২৬
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরে এক যুবককে আটক করা হয়েছে, যার কাছে প্রায় সাড়ে ৩ কেজি সোনা পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার সময় ২১ বিজিবি দপ্তরের একটি প্রেসনোটে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
আটকের শিকার রিপন হোসেন (৪১) শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের পুত্র।
এর আগে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার সময় স্থানীয় বাগআঁচড়া বাজারের একটি মার্কেট থেকে সোনার বারসহ পাচারকারী রিপনকে আটক করা হয়। পরে উদ্ধার করা বারগুলো যশোরের একটি দক্ষ জুয়েলারি দ্বারা যাচাই করা হলে জানা যায়, সেগুলো খাঁটি সোনা এবং ২৪ ক্যারেটের।
এ বিষয়ে খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান গণমাধ্যমকে জানান, গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রুদ্রপুর বিজিবি ক্যাম্পের একটি বিশেষ টহল দল শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া বাজারের বাবু সুপার মার্কেট থেকে রিপনকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসে। এ সময় তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার কাছে কৌশলে লুকানো অবস্থায় ২৬টি সোনার বার জব্দ করা হয়, যার মোট ওজন প্রায় ৩ কেজি ৪৩৮ গ্রাম। এর বাজার মূল্য ৭ কোটি ৬৭ লাখ ৫৫ হাজার ৬৯০ টাকা।
তিনি আরও জানান, আটককৃতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে শার্শা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অতীতের রাজনৈতিক বিভাজন, প্রতিহিংসা ও সংঘাতের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে জাতীয় স্বার্থে দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের এক টেবিলে বসে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজকর্মী ও আশ্চর্য ইনোভেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অর্ণব ওয়ারেস খান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে অর্ণব বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দেশের বৃহত্তর স্বার্থে পরস্পরের সঙ্গে সংলাপ ও সমঝোতার পথ খুঁজে নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও জাতীয় ঐক্যের পরিবেশ তৈরি হলে বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিকে এগিয়ে যেতে পারে।
বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরিদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, জায়মা রহমান ও তারেক রহমান যেন মেজর জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ঐতিহ্য থেকে শিক্ষা নেন। একইভাবে শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও পরিবারের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ভূমিকা থেকেও শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অর্ণবের ভাষায়, রাজনৈতিক উত্তরাধিকার যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে বিভাজন তৈরি না করে; বরং দেশের স্বার্থে সহনশীলতা, পারস্পরিক সম্মান ও দায়িত্বশীলতার চর্চা তৈরি করে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ দেশের মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা ও বিবেকবোধ আরও শক্তিশালী হলে প্রতিহিংসামুক্ত একটি নতুন রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে উঠতে পারে।
পরিবেশ ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ প্রসঙ্গে
বক্তব্যের শেষদিকে পরিবেশ ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত বলে তিনি যেসব গোষ্ঠীর সমালোচনা করেন এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের উদ্দেশে অর্ণব রূপকধর্মী ভাষা ব্যবহার করেন। নিজের নামের সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর নামের মিল টেনে তিনি বলেন, তাঁকে শুধু একটি ঝড়ের প্রতীক হিসেবে না দেখে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও দৃঢ়তার প্রতীক হিসেবেও বিষয়টিকে দেখা যেতে পারে।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিকূলতা তাঁকে তাঁর লক্ষ্য থেকে সরাতে পারবে না। এ সময় তিনি সমুদ্র, ঝড় ও সুনামির বিভিন্ন উপমা ব্যবহার করে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
তবে তাঁর বক্তব্যের এ অংশে ব্যবহৃত ‘সুনামি’, ‘মহাসাগর’সহ বিভিন্ন শব্দকে তিনি রূপক অর্থে ব্যবহার করেছেন বলে তাঁর বক্তব্যের ধরন থেকে বোঝা যায়।
ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উৎসবের অধিকার
অর্ণব বলেন, সাধারণ মানুষের মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিদেরও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, নিজস্ব পছন্দ এবং পরিবারকে নিয়ে ঈদ, পূজা কিংবা বড়দিনের মতো উৎসব উদযাপনের অধিকার রয়েছে।
তাঁর মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কোনো ব্যক্তিকে সবসময় সংঘাত ও রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখা উচিত নয়। রাজনৈতিক মতাদর্শের বাইরে ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক সম্পর্ক ও সামাজিক আনন্দেরও গুরুত্ব রয়েছে।
তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্ম গতানুগতিক রাজনৈতিক বক্তব্যের বাইরে নতুন ধরনের ভাষা ও চিন্তা প্রত্যাশা করে। এ কারণেই তিনি শ্লেষ, পপ-কালচার এবং শাহরুখ খানের জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের সংলাপ ব্যবহার করে নিজের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবনা প্রকাশ করছেন।
অর্ণব দাবি করেন, বক্তব্যের ভাষায় হাস্যরস থাকলেও নিজের রাজনৈতিক লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি সচেতন এবং বাইরের সমালোচনা বা বিতর্কের মধ্যেও শান্ত ও স্থির থাকার চেষ্টা করেন।
জামালপুর-২ আসনের নির্বাচনী স্মৃতি
অতীতে জামালপুর-২ আসনের নির্বাচনী পরিবেশের স্মৃতিচারণ করে অর্ণব বলেন, একসময় সেখানে রাজনৈতিকভাবে উত্তেজনাপূর্ণ ও ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করলেও তিনি নিজের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বিশ্বাস থেকে সরে আসেননি।
তাঁর দাবি, নির্বাচনী পোস্টার ও ব্যানারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ চার জাতীয় নেতার ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনি কোনো ধরনের আপস করেননি।
অর্ণব বলেন, রাজনৈতিক প্রতিকূলতা থাকলেও নিজের আদর্শ ও বিশ্বাস প্রকাশের অধিকারকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন।
আইনি লড়াই ও ন্যায়বিচারের দাবি
নিজের বিরুদ্ধে কথিত অন্যায় ও আইনি লড়াইয়ের প্রসঙ্গে অর্ণব ওয়ারেস খান বলেন, তাঁর ন্যায়বিচার-সংক্রান্ত একটি বিষয় আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
তিনি দাবি করেন, তাঁর সঙ্গে অন্যায় হওয়ার পর থেকেই তিনি প্রতিবাদ করে আসছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন পক্ষ তাঁকে চাপের মধ্যে ফেলে নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও তিনি তাতে সম্মত হননি।
তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনী মাঠে তাঁর সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে অন্যায় করা হয়েছিল এবং ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টির সত্যতা সামনে আসবে।
তবে আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত এসব অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য।
বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসার কথা
নিজের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অর্ণব বলেন, তিনি বাংলাদেশকে হৃদয়ের গভীর থেকে ভালোবাসেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মেজর জিয়াউর রহমান, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, তাজউদ্দীন আহমদ ও কমরেড মণি সিংহের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক ভূমিকা থেকে তিনি নিজস্বভাবে অনুপ্রেরণা নেন।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্ন রাজনৈতিক ধারার ইতিবাচক দিকগুলোকে একসঙ্গে বিবেচনা করেই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নিয়ে ভাবতে হবে।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু সেই মতপার্থক্য যেন জাতীয় স্বার্থ, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানুষের অধিকারের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।
‘নতুন বাংলাদেশ’-এর প্রত্যাশা
বক্তব্যের শেষাংশে অর্ণব ওয়ারেস খান একটি বিভাজনমুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
তাঁর মতে, তরুণ প্রজন্মের সামনে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে রাজনৈতিক পরিচয় বা মতপার্থক্যের কারণে কেউ ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, সামাজিক মর্যাদা কিংবা মত প্রকাশের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবর্তে সংলাপ, পারস্পরিক সম্মান এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের স্বার্থই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) একটি অভিযানে দুই যাত্রীর কাছ থেকে শুল্কমুক্ত সীমার অতিরিক্ত ৮১ দশমিক ৫০ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্টের (এ-শিফট) কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। এসময় দুবাই থেকে আসা এমারেটসের একটি ফ্লাইটের যাত্রী রোমান মিকাইলভ গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় তার সব ব্যাগেজ স্ক্যান করা হয়। পরবর্তীতে তল্লাশি করে ৭৮ দশমিক ৫০ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।
এনবিআর জানায়, যাত্রী বিদেশি পাসপোর্টধারী হওয়ায় প্রযোজ্য ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী তাকে ১ লিটার মদ শুল্কমুক্তভাবে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়। তবে বাকি ৭৭ দশমিক ৫০ লিটার মদ আটক করা হয়।
অন্যদিকে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তুর্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে আসা যাত্রী সামিউল ইসলাম যখন গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করছিলেন, তখন তার ব্যাগেজ স্ক্যান করা হয়। এ সময় আরও ৪ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ পাওয়া যায় এবং তা আটক করা হয়। দুই ঘটনায় অনুমোদিত ১ লিটার বাদ দিয়ে মোট ৮১ দশমিক ৫০ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
এনবিআর জানায়, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, গ্রিন চ্যানেলসহ বিমানবন্দরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে গোপন তথ্য, যাত্রী প্রোফাইলিং ও নিবিড় নজরদারির মাধ্যমে চোরাচালান এবং ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার প্রতিরোধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ