শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১৮ পি.এম
নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের বিরুদ্ধে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও দীর্ঘদিনের নির্বাচনি প্রতীক ব্যবহারে কমিশনের নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন করেছেন তিনি। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য উল্লেখ করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন অন্তর্বর্তী নির্দেশে জানায়, তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলের পরিচয় ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে। সেই বিরোধের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষই পুরোনো দলীয় নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই এই অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরদিন দুই গোষ্ঠীর জন্য নতুন নাম ও প্রতীক নির্ধারণ করে কমিশন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীকে দেওয়া হয় মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক। অন্যদিকে অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীকে দেওয়া হয় গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং খাম প্রতীক। কমিশনের এই সিদ্ধান্ত অবশ্য তৃণমূলের মূল নাম বা জোড়াফুল প্রতীকের চূড়ান্ত মালিকানা কার, সেই প্রশ্নের নিষ্পত্তি নয়।
কমিশন জানিয়েছে, দুই পক্ষের দাবি নিয়ে পৃথকভাবে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া চলবে। অর্থাৎ আপাতত উপনির্বাচনের জন্যই নতুন নাম ও প্রতীকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনে কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা এবং দলীয় সংগঠন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য বিবেচনার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
তার পক্ষের দাবি, দলের সাংগঠনিক কাঠামো এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অবস্থান যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। বিদ্রোহী বিধায়কদের বিরুদ্ধে বিধানসভায় চলতে থাকা অযোগ্যতা সংক্রান্ত আবেদনগুলিও এখনও নিষ্পত্তি হয়নি বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর মমতা জানিয়েছিলেন, তিনি দলীয় নাম ও প্রতীক ফিরে পাওয়ার জন্য রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। এবার সেই লড়াই পৌঁছাল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।
অন্যদিকে ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে আইনি এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন বাড়ছে। সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে কোনো পরিবর্তন আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহ। তাকে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের রাজপুত্র হিসেবে অভিহিত করা হয়। মাত্র চার বছরের অভিনয় জীবনে ২৭টি সিনেমা উপহার দেওয়া এই প্রয়াত চিত্রনায়কের জন্মদিন আজ।
১৯৭১ সালের আজকের তারিখে (১৯ সেপ্টেম্বর) সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলা চলচ্চিত্রের ক্ষণজন্মা এই নক্ষত্র। যদি তিনি জীবিত থাকতেন, তাহলে আজ তিনি ৫৫তম বছরে প্রবেশ করতেন। সকলের প্রিয় এ ‘স্বপ্নের নায়ক’ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পৃথিবী ত্যাগ করে চলে যান না ফেরার দেশে, তার মৃত্যুর কারণ এখনও রহস্যের আবরণে ঢাকা।
পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী এবং মাতা নীলা চৌধুরীর প্রথম সন্তান শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন থেকে রুপালি পর্দার সালমান শাহ হয়ে ওঠেন ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমায় অভিনয় করার মাধ্যমে। ছবিতে তার অভিনয়ের পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।
রুপালি পর্দায় অভিষেকের পর খুব শিগগিরই তিনি কোটি তরুণ-তরুণীর স্বপ্নের নায়ক হয়ে ওঠেন। চার বছরের ক্যারিয়ারে মাত্র ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে তিনি আকাশ সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
যদিও সালমান শাহ তার অভিনয় জীবন শুরু করেন টেলিভিশন নাটক দিয়ে। ১৯৮৫ সালে বিটিভির ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকের মাধ্যমে তিনি অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন নব্বই দশকের এই তুমুল জনপ্রিয় চিত্রনায়ক। এরপর তিনি কাজ করেছেন—দেয়াল (১৯৮৫), সব পাখি ঘরে ফেরে (১৯৮৫), সৈকতে সারস (১৯৮৮), নয়ন (১৯৯৫) এবং সর্বশেষ স্বপ্নের পৃথিবী (১৯৯৬) নাটকে।
রুপালি পর্দায় সালমান শাহর সঙ্গে চিত্রনায়িকা শাবনূরের জুটি ছিল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাদেরকে অন্যতম সেরা জুটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সালমানের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতে তার নায়িকা ছিলেন শাবনূর।
ক্ষণজন্মা এই তুমুল জনপ্রিয় নায়কের ছবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বুকের ভেতর আগুন’ ইত্যাদি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় নাট্যধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে বাদ পড়ার গুঞ্জন উঠেছে অভিনেতা সাইদুর রহমান পাভেল সম্পর্কে। সম্প্রতি তার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
এর আগে পাভেলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। ভিডিওটি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনা চলছিল। এর পরপরই নতুন অভিনয়শিল্পীদের তালিকায় পাভেলের নাম অনুপস্থিত থাকায় গুঞ্জন আরও জোরালো হয়।
বৃহস্পতিবার পরিচালক কাজল আরেফিন অমি তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’র শিল্পীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেন। সেখানে ধারাবাহিকটির পরিচিত ও নিয়মিত শিল্পীদের নাম থাকলেও সাইদুর রহমান পাভেলের নাম দেখা যায়নি। এই বিষয়টি পাভেলকে ধারাবাহিক থেকে বাদ দেওয়ার গুঞ্জনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
তবে পাভেলকে সত্যিই ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে কিনা, সে সম্পর্কে নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি অথবা অভিনেতার পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবরটিকে আপাতত গুঞ্জন হিসেবেই গণ্য করা হচ্ছে।
‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ধারাবাহিকটির বিভিন্ন চরিত্র ও অভিনয়শিল্পীকে নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ সবসময় তুঙ্গে থাকে। তাই নতুন তালিকায় পাভেলের নাম অনুপস্থিত থাকায় স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর নতুন পর্বগুলোতে পাভেলকে দেখা যাবে কিনা। নির্মাতা অথবা অভিনেতার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এলেই গুঞ্জনের অবসান হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার দেখতে দেখতে বিয়ের এক বছর পূর্ণ হলো। তানজিম তৈয়বের সঙ্গে জীবনের দ্বিতীয় ইনিংসের এক বছর আজ। এ উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী। জানালেন তার জীবনের অতীত যন্ত্রণা, মানসিক লড়াই এবং বর্তমান সুখের অভিজ্ঞতার কথা।
এর আগে ২০২০ সালে প্রথম স্বামী হারুনুর রশীদ অপুর সঙ্গে প্রথম সংসারের তিক্ততা আর নানা টানাপোড়েনের ইতি টেনে দ্বিতীয়বারের মতো নতুন ঘর বাঁধেন শবনম ফারিয়া। সেই বিচ্ছেদের দীর্ঘ পাঁচ বছর পর ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ব্যাংক কর্মকর্তা তানজিম তৈয়বকে বিয়ে করেন তিনি।
তানজিম তৈয়ব অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ওয়েলস থেকে ফিন্যান্সিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। জীবনের সব তিক্ততা পেছনে ফেলে তানজিম ও তার পরিবারের সান্নিধ্যে এখন নতুন সানন্দে দিন কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জীবনের দ্বিতীয় ইনিংসকে সৌভাগ্য মনে করে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে একটি পোস্ট দেন শবনম ফারিয়া। সেই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— ‘আল্লাহ তার সৃষ্টিকে খুব বেশি দিন কষ্টে রাখেন না। তিনি আমাকেও এত বছরের কষ্ট সহ্য করার উপহারস্বরূপ এই ভদ্রলোককে আমার জীবনে পাঠিয়েছেন। তার চেয়েও বড় উপহার— আমাকে চমৎকার একটা পরিবারের অংশ করেছেন, যেখানে আমি আমার শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে সব শেয়ার করতে পারি। ননদের সঙ্গে তার ভাইকে নিয়ে হাসাহাসি করতে পারি। আলহামদুলিল্লাহ।’
ঘরোয়াভাবেই বিবাহবার্ষিকীর প্রথম প্রহর আয়োজন করেন এ অভিনেত্রী। কেক কেটে নিজেদের সুন্দর মুহূর্ত উপস্থাপন করেন। এরপর তা ফেসবুকে পোস্ট করে তার ভক্ত-অনুরাগীদের জানান দেন।
আবেগঘন বার্তায় স্বামী তানজিম তৈয়বের জন্য একটি মিষ্টি ও হাস্যরসাত্মক বার্তাও জুড়ে দেন ফারিয়া। তানজিমকে ট্যাগ করে মজার ছলে তিনি লিখেছেন— হ্যাপি অ্যানিভার্সারি তানজিম। সামনের বছরের তোমার প্রতিপাদ্য বিষয়— ‘রুম থেকে বের হলে লাইট/ফ্যান/এসি অফ করতে হয়’ আর ‘ফ্রিজ থেকে পানি বের করলে ফ্রিজের দরজা বন্ধ করতে হয়’।
এ ছাড়া অতীত জীবনের ভুল সিদ্ধান্ত এবং সামাজিক চাপের কথা জানিয়ে শবনম ফারিয়া বলেন, প্রত্যেকটা মানুষের মতো আমিও জীবনে অনেক ভুল করেছি। কিন্তু আমার কিছু ভুল শুধু ভুল বললে হবে না— লিটরালি নিজের সঙ্গে নিজে অন্যায় করেছি।
তিনি বলেন, সামাজিকতা রক্ষায় নিজ চরিত্রের বাইরে গিয়ে অন্যায় সহ্য করেছি। পচা শামুকে পা কেটে এমন দাগ ফেলেছি যে, প্লাস্টিক সার্জারি করেও সে দাগ তোলা যাবে না।
অভিনেত্রী আরও বলেন, সহ্য না করতে পারলে সামাজিক মাধ্যমে এসে কখনো কখনো রাগ ঝেড়েছি, নিজের এবং অন্যের ওপর জমা এই জেদ সরাতে কাউন্সেলিং ও থেরাপি কিছুই বাদ দিইনি।
জীবন থেকে তার বেশ কিছু বছর চলে গেছে ভেতরে সেই জমা আর্তনাদ থেকে পালাতে বলে উল্লেখ করেন শবনম ফারিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢালিউডের অভিনেত্রী পরীমনি অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও সক্রিয়। তিনি সবসময় তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নিজের ভালোবাসা ও অনুভূতির কথা প্রকাশ করেন। নিজের জীবনের ঘটনাবলী বা রটনা সম্পর্কে কোনো কিছুই আড়াল করেন না তিনি।
পরীমনির জীবনের ‘প্রথম প্রেম’ বা প্রিয় ক্রাশ নিয়ে নেটদুনিয়ায় আলোচনা চলতেই থাকে, নেটিজেন ও ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে। এ বিষয়ে জানার আগ্রহও তাদের মধ্যে কম নয়। পর্দায় নিয়মিত কাজের পাশাপাশি, পরীমনি নেটদুনিয়ায় নিজের ভালো লাগার মুহূর্তগুলো অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করে থাকেন। যদিও কিছু বছর আগে এ বিষয়ে তিনি নীরবতা ভেঙেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতা এখনও বজায় রেখেছেন তিনি।
পরীমনির একাধিক প্রেম ও বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনার শেষ নেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জীবনের ‘প্রথম সবকিছু’ নিয়ে কথা বলেছেন। প্রথম ক্রাশ, প্রথম প্রেম, প্রথম আয়, প্রথম ছবি মুক্তি পাওয়ার অনুভূতি ইত্যাদি বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। প্রথম ক্রাশ সম্পর্কে জানতে চাইলে, পরীমনি বলেন— ‘ক্রাশ! রনিত রায়।’ অর্থাৎ ‘আদালত’ সিরিজের ‘কেডি পাঠক’ হিসেবে পরিচিত সেই অভিনেতার নামটাই উল্লেখ করেন তিনি।
এবার সামাজিক মাধ্যমে সেই প্রথম প্রেমের মানুষের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন পরীমনি। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তিনি ফেসবুক পেজে ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা, কেডি পাঠকখ্যাত রনিত রায়ের একটি ভিডিও শেয়ার করেন। ভিডিওতে রনিত রায়কে গভীর মনোযোগে বাঁশি বাজাতে দেখা যায়। কেডি পাঠক ভিডিও প্রকাশ করে লিখেছেন— ‘যাদের ছাড়া আপনি বাঁচতে পারবেন না, তাদেরকেই আপনি তৈরি করছেন— আপনাকে ছাড়া বাঁচতে শেখার জন্য।’
প্রথম ভালোবাসার মানুষের বাঁশির সুর এবং জীবনমুখী আবেগঘন ক্যাপশন পরীমনির মনকে আকৃষ্ট করেছে, তা বলাই বাহুল্য। তাই হয়তো ভিডিওটি নিজের ওয়ালে শেয়ার করে তিনি রনিত রায়ের নাম লিখে পাশে একটি লাল ভালোবাসার ইমোজি যুক্ত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ