শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২১ পি.এম
জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার দেখতে দেখতে বিয়ের এক বছর পূর্ণ হলো। তানজিম তৈয়বের সঙ্গে জীবনের দ্বিতীয় ইনিংসের এক বছর আজ। এ উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী। জানালেন তার জীবনের অতীত যন্ত্রণা, মানসিক লড়াই এবং বর্তমান সুখের অভিজ্ঞতার কথা।
এর আগে ২০২০ সালে প্রথম স্বামী হারুনুর রশীদ অপুর সঙ্গে প্রথম সংসারের তিক্ততা আর নানা টানাপোড়েনের ইতি টেনে দ্বিতীয়বারের মতো নতুন ঘর বাঁধেন শবনম ফারিয়া। সেই বিচ্ছেদের দীর্ঘ পাঁচ বছর পর ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ব্যাংক কর্মকর্তা তানজিম তৈয়বকে বিয়ে করেন তিনি।
তানজিম তৈয়ব অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ওয়েলস থেকে ফিন্যান্সিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। জীবনের সব তিক্ততা পেছনে ফেলে তানজিম ও তার পরিবারের সান্নিধ্যে এখন নতুন সানন্দে দিন কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জীবনের দ্বিতীয় ইনিংসকে সৌভাগ্য মনে করে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে একটি পোস্ট দেন শবনম ফারিয়া। সেই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— ‘আল্লাহ তার সৃষ্টিকে খুব বেশি দিন কষ্টে রাখেন না। তিনি আমাকেও এত বছরের কষ্ট সহ্য করার উপহারস্বরূপ এই ভদ্রলোককে আমার জীবনে পাঠিয়েছেন। তার চেয়েও বড় উপহার— আমাকে চমৎকার একটা পরিবারের অংশ করেছেন, যেখানে আমি আমার শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে সব শেয়ার করতে পারি। ননদের সঙ্গে তার ভাইকে নিয়ে হাসাহাসি করতে পারি। আলহামদুলিল্লাহ।’
ঘরোয়াভাবেই বিবাহবার্ষিকীর প্রথম প্রহর আয়োজন করেন এ অভিনেত্রী। কেক কেটে নিজেদের সুন্দর মুহূর্ত উপস্থাপন করেন। এরপর তা ফেসবুকে পোস্ট করে তার ভক্ত-অনুরাগীদের জানান দেন।
আবেগঘন বার্তায় স্বামী তানজিম তৈয়বের জন্য একটি মিষ্টি ও হাস্যরসাত্মক বার্তাও জুড়ে দেন ফারিয়া। তানজিমকে ট্যাগ করে মজার ছলে তিনি লিখেছেন— হ্যাপি অ্যানিভার্সারি তানজিম। সামনের বছরের তোমার প্রতিপাদ্য বিষয়— ‘রুম থেকে বের হলে লাইট/ফ্যান/এসি অফ করতে হয়’ আর ‘ফ্রিজ থেকে পানি বের করলে ফ্রিজের দরজা বন্ধ করতে হয়’।
এ ছাড়া অতীত জীবনের ভুল সিদ্ধান্ত এবং সামাজিক চাপের কথা জানিয়ে শবনম ফারিয়া বলেন, প্রত্যেকটা মানুষের মতো আমিও জীবনে অনেক ভুল করেছি। কিন্তু আমার কিছু ভুল শুধু ভুল বললে হবে না— লিটরালি নিজের সঙ্গে নিজে অন্যায় করেছি।
তিনি বলেন, সামাজিকতা রক্ষায় নিজ চরিত্রের বাইরে গিয়ে অন্যায় সহ্য করেছি। পচা শামুকে পা কেটে এমন দাগ ফেলেছি যে, প্লাস্টিক সার্জারি করেও সে দাগ তোলা যাবে না।
অভিনেত্রী আরও বলেন, সহ্য না করতে পারলে সামাজিক মাধ্যমে এসে কখনো কখনো রাগ ঝেড়েছি, নিজের এবং অন্যের ওপর জমা এই জেদ সরাতে কাউন্সেলিং ও থেরাপি কিছুই বাদ দিইনি।
জীবন থেকে তার বেশ কিছু বছর চলে গেছে ভেতরে সেই জমা আর্তনাদ থেকে পালাতে বলে উল্লেখ করেন শবনম ফারিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢালিউডের অভিনেত্রী পরীমনি অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও সক্রিয়। তিনি সবসময় তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নিজের ভালোবাসা ও অনুভূতির কথা প্রকাশ করেন। নিজের জীবনের ঘটনাবলী বা রটনা সম্পর্কে কোনো কিছুই আড়াল করেন না তিনি।
পরীমনির জীবনের ‘প্রথম প্রেম’ বা প্রিয় ক্রাশ নিয়ে নেটদুনিয়ায় আলোচনা চলতেই থাকে, নেটিজেন ও ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে। এ বিষয়ে জানার আগ্রহও তাদের মধ্যে কম নয়। পর্দায় নিয়মিত কাজের পাশাপাশি, পরীমনি নেটদুনিয়ায় নিজের ভালো লাগার মুহূর্তগুলো অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করে থাকেন। যদিও কিছু বছর আগে এ বিষয়ে তিনি নীরবতা ভেঙেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতা এখনও বজায় রেখেছেন তিনি।
পরীমনির একাধিক প্রেম ও বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনার শেষ নেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জীবনের ‘প্রথম সবকিছু’ নিয়ে কথা বলেছেন। প্রথম ক্রাশ, প্রথম প্রেম, প্রথম আয়, প্রথম ছবি মুক্তি পাওয়ার অনুভূতি ইত্যাদি বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। প্রথম ক্রাশ সম্পর্কে জানতে চাইলে, পরীমনি বলেন— ‘ক্রাশ! রনিত রায়।’ অর্থাৎ ‘আদালত’ সিরিজের ‘কেডি পাঠক’ হিসেবে পরিচিত সেই অভিনেতার নামটাই উল্লেখ করেন তিনি।
এবার সামাজিক মাধ্যমে সেই প্রথম প্রেমের মানুষের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন পরীমনি। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তিনি ফেসবুক পেজে ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা, কেডি পাঠকখ্যাত রনিত রায়ের একটি ভিডিও শেয়ার করেন। ভিডিওতে রনিত রায়কে গভীর মনোযোগে বাঁশি বাজাতে দেখা যায়। কেডি পাঠক ভিডিও প্রকাশ করে লিখেছেন— ‘যাদের ছাড়া আপনি বাঁচতে পারবেন না, তাদেরকেই আপনি তৈরি করছেন— আপনাকে ছাড়া বাঁচতে শেখার জন্য।’
প্রথম ভালোবাসার মানুষের বাঁশির সুর এবং জীবনমুখী আবেগঘন ক্যাপশন পরীমনির মনকে আকৃষ্ট করেছে, তা বলাই বাহুল্য। তাই হয়তো ভিডিওটি নিজের ওয়ালে শেয়ার করে তিনি রনিত রায়ের নাম লিখে পাশে একটি লাল ভালোবাসার ইমোজি যুক্ত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার বিভাগ পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে, যা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এবং মাস্টাররোলে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ ও নিয়মিতকরণের উদ্দেশ্যে কাজ করবে।
১৭ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-১ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
উপসচিব জেসমীন প্রধানের স্বাক্ষরিত আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কমিটিকে সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, সাংগঠনিক কাঠামো, আদালতের আদেশ এবং আইনগত মতামত পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রদান করতে হবে।
কমিটিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব বা যুগ্মসচিবকে আহ্বায়ক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, উন্নয়ন অধিশাখা ও আইন অধিশাখার যুগ্মসচিব বা উপসচিবকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী অথবা তার মনোনীত একজন প্রতিনিধি কমিটির অপর সদস্য হিসেবে থাকবেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-১ শাখার উপসচিব বা সিনিয়র সহকারী সচিব কমিটির সদস্য-সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
অফিস আদেশে কমিটির কার্যপরিধি নির্ধারণ করে বলা হয়েছে যে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (কর্মকর্তা ও কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা, ২০০৯, এলজিইডির সাংগঠনিক কাঠামো, সংশ্লিষ্ট মামলার আদেশ এবং আইন ও বিচার বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত মতামত যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
এসব বিষয় পর্যালোচনা করে এলজিইডির রাজস্ব খাতে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পদে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আত্তীকরণ ও নিয়মিতকরণের বিষয়ে সুপারিশ করবে কমিটি।
জনস্বার্থে জারি করা এ অফিস আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বহুভাষিক সিনেমায় কাজ করার সময় উচ্চারণ এবং ভাষার ব্যবহার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই ট্রলের শিকার হন রাশমিকা মান্দানা। এবার এই সমালোচনার প্রেক্ষিতে সরাসরি কথা বলেছেন ভারতীয় এই অভিনেত্রী।
রাশমিকা নিয়মিত তেলেগু, কন্নড়, তামিল ও হিন্দি ভাষার সিনেমায় অভিনয় করছেন। দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা থেকে বলিউডে তার অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে। তবে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় কাজ করার ফলে নেটিজেনদের একাংশ তার উচ্চারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি কোনো একটি ভাষার বিশেষজ্ঞ নন। বরং কাজের প্রয়োজনে বিভিন্ন ভাষা শিখেছেন এবং প্রতিটি ভাষার সঙ্গে তার আলাদা সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
রাশমিকার মাতৃভাষা কোদাভা টাক। কর্ণাটকের কুর্গ অঞ্চলে এই ভাষার প্রচলন থাকলেও বড় কোনো চলচ্চিত্রশিল্প গড়ে ওঠেনি। এজন্য অভিনয়জীবনের শুরু থেকেই তাকে অন্য ভাষায় কাজ করতে হয়েছে।
২০১৬ সালে কন্নড় সিনেমার মাধ্যমে তার অভিনয়ে অভিষেক ঘটে। এরপর তেলেগু ছবিতে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ‘গীত গোবিন্দম’, ‘ডিয়ার কমরেড’, ‘সারিলেরু নিক্কেভারু’ ও ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’-এর মতো সিনেমা তাকে দক্ষিণ ভারতের পরিচিত মুখে পরিণত করে। পরে ‘গুডবাই’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন। ‘অ্যানিমেল’-এর পর হিন্দি সিনেমাতেও তার পরিচিতি বৃদ্ধি পায়।
বিভিন্ন ভাষায় কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে রাশমিকা বলেন, তিনি কোনো একটি ভাষাকে আঁকড়ে ধরে ক্যারিয়ার তৈরি করেননি। কাজের সুযোগ ও দর্শকের ভালোবাসাই তাকে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় নিয়ে গেছে। তিনি সব ভাষাকেই নিজের ভাষা হিসেবে দেখেন এবং দর্শকের সঙ্গে তাদের ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করেন।
উচ্চারণ নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গে নিজের সীমাবদ্ধতাও স্বীকার করেছেন রাশমিকা। তার বক্তব্য, তিনি অনেক ভাষায় কথা বলেন ও কাজ করেন, কিন্তু কোনো একটি ভাষায় নিজেকে বিশেষজ্ঞ মনে করেন না।
রাশমিকার মতে, ভিন্ন ভাষায় কাজ করার সময় প্রতিটি উচ্চারণ শতভাগ নিখুঁত হওয়া সবসময় সম্ভব নয়। শেখার চেষ্টা এবং দর্শকের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করাটাই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল নিয়ে তিনি খুব বেশি ভাবতে চান না। তার কাছে সিনেমা একটি দলগত কাজ। একটি ছবির সাফল্য বা ব্যর্থতার পেছনে অভিনেতার পাশাপাশি পরিচালক, চিত্রগ্রাহক, সংগীতশিল্পীসহ অনেক মানুষের অবদান থাকে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিটি মন্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে চলতে চান না তিনি।
এদিকে রাশমিকার হাতে বর্তমানে বেশ কয়েকটি বড় প্রজেক্ট রয়েছে। বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে তার নতুন সিনেমা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে। পাশাপাশি ‘মাইসা’ ছবিতে ভিন্ন ধরনের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর জীবনভিত্তিক একটি সিনেমার সঙ্গেও যুক্ত হয়েছেন এই অভিনেত্রী।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ও ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক তানজীম রুবাইয়াত আফিফ ও সদস্য সচিব মোস্তাফিজুল কবীর (মমি আলসারী) স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক করা হয়েছে জিহাদুল মোতালেব মার্শালকে। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন রায়হান আমিন ফাহিম এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে জোবায়েল আলম পাভেলকে।
আহ্বায়ক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে শাখাটির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পাশাপাশি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক করা হয়েছে মো. মহিবুর রহমানকে। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মো. হাসান আল বান্না, আমির হাসনাত খান, জোবায়ের ইবনে আলম, জান্নাতুল ফেরদৌস প্রীতি, সাবরিনা ইসলাম তরী, আশরাফুল ইসলাম ইমন ও ফাতেমা তুজ জোহুরা।
এ শাখায় সদস্য সচিব করা হয়েছে গোলাম সরোয়ার হিমেলকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইশতিয়াকুর রহমান, মো. এমরামুল ইসলাম (নাবিল), ইয়ামিন সরকার, ঐশ্বর্য মৃধা, সিনথিয়া ইসলাম ও এস এম ইয়াসিন আহমেদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ