প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বহুভাষিক সিনেমায় কাজ করার সময় উচ্চারণ এবং ভাষার ব্যবহার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই ট্রলের শিকার হন রাশমিকা মান্দানা। এবার এই সমালোচনার প্রেক্ষিতে সরাসরি কথা বলেছেন ভারতীয় এই অভিনেত্রী।
রাশমিকা নিয়মিত তেলেগু, কন্নড়, তামিল ও হিন্দি ভাষার সিনেমায় অভিনয় করছেন। দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা থেকে বলিউডে তার অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে। তবে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় কাজ করার ফলে নেটিজেনদের একাংশ তার উচ্চারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি কোনো একটি ভাষার বিশেষজ্ঞ নন। বরং কাজের প্রয়োজনে বিভিন্ন ভাষা শিখেছেন এবং প্রতিটি ভাষার সঙ্গে তার আলাদা সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
রাশমিকার মাতৃভাষা কোদাভা টাক। কর্ণাটকের কুর্গ অঞ্চলে এই ভাষার প্রচলন থাকলেও বড় কোনো চলচ্চিত্রশিল্প গড়ে ওঠেনি। এজন্য অভিনয়জীবনের শুরু থেকেই তাকে অন্য ভাষায় কাজ করতে হয়েছে।
২০১৬ সালে কন্নড় সিনেমার মাধ্যমে তার অভিনয়ে অভিষেক ঘটে। এরপর তেলেগু ছবিতে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ‘গীত গোবিন্দম’, ‘ডিয়ার কমরেড’, ‘সারিলেরু নিক্কেভারু’ ও ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’-এর মতো সিনেমা তাকে দক্ষিণ ভারতের পরিচিত মুখে পরিণত করে। পরে ‘গুডবাই’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন। ‘অ্যানিমেল’-এর পর হিন্দি সিনেমাতেও তার পরিচিতি বৃদ্ধি পায়।
বিভিন্ন ভাষায় কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে রাশমিকা বলেন, তিনি কোনো একটি ভাষাকে আঁকড়ে ধরে ক্যারিয়ার তৈরি করেননি। কাজের সুযোগ ও দর্শকের ভালোবাসাই তাকে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় নিয়ে গেছে। তিনি সব ভাষাকেই নিজের ভাষা হিসেবে দেখেন এবং দর্শকের সঙ্গে তাদের ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করেন।
উচ্চারণ নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গে নিজের সীমাবদ্ধতাও স্বীকার করেছেন রাশমিকা। তার বক্তব্য, তিনি অনেক ভাষায় কথা বলেন ও কাজ করেন, কিন্তু কোনো একটি ভাষায় নিজেকে বিশেষজ্ঞ মনে করেন না।
রাশমিকার মতে, ভিন্ন ভাষায় কাজ করার সময় প্রতিটি উচ্চারণ শতভাগ নিখুঁত হওয়া সবসময় সম্ভব নয়। শেখার চেষ্টা এবং দর্শকের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করাটাই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল নিয়ে তিনি খুব বেশি ভাবতে চান না। তার কাছে সিনেমা একটি দলগত কাজ। একটি ছবির সাফল্য বা ব্যর্থতার পেছনে অভিনেতার পাশাপাশি পরিচালক, চিত্রগ্রাহক, সংগীতশিল্পীসহ অনেক মানুষের অবদান থাকে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিটি মন্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে চলতে চান না তিনি।
এদিকে রাশমিকার হাতে বর্তমানে বেশ কয়েকটি বড় প্রজেক্ট রয়েছে। বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে তার নতুন সিনেমা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে। পাশাপাশি ‘মাইসা’ ছবিতে ভিন্ন ধরনের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর জীবনভিত্তিক একটি সিনেমার সঙ্গেও যুক্ত হয়েছেন এই অভিনেত্রী।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন