০১:৫২ পি.এম
চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা এলাকার বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাতদলের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ডাকাতদের কাছ থেকে রামদা, ছোরা ও মাস্ক উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়নের ঘোড়ামারা সাকিনের নয়াটিলা মাজারের নিকটবর্তী জঙ্গল থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— চট্টগ্রাম ভূজপুর থানার রহমতপুর এলাকার মোঃ আনোয়ার হোসেন (২৩), ফেনী সদর থানার রাজ নগর এলাকার বেলায়েত হোসেন (৩০) এবং জোরারগঞ্জ থানার ঘোড়ামারা এলাকার মোঃ আলাউদ্দিন ওরফে মামুন (৩৬)।
পুলিশ জানায়, বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের নয়াটিলা টু কয়লা বাজার এলাকায় ডাকাতের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম-এর দিক-নির্দেশনায় এবং জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিশেষ টহল জোরদার করা হয়।
এরই অংশ হিসেবে এসআই মোঃ আকরামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে রাস্তার পাশে জঙ্গলে ১৪-১৫ জনের একদল সশস্ত্র মুখোশধারী ডাকাতকে ডাকাতির প্রস্তুতি নিতে দেখা যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি ১০-১২ জন অন্ধকারে পালিয়ে যায়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের হেফাজত থেকে একটি সাড়ে ২৪ ইঞ্চির লোহার তৈরি রামদা, বিভিন্ন আকারের চারটি লোহার লম্বা ছোরা ও ৭টি কালো রঙের মাস্ক উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছে, তারা মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনে ডাকাতি করার উদ্দেশে সেখানে সমবেত হয়েছিল।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে মোঃ আলাউদ্দিন ওরফে মামুনের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানা ও সিএমপির বায়েজিদ বোস্তামী থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র ও মাদক আইনে অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার অন্য আসামিদের বিরুদ্ধেও নানা অপরাধের তথ্য রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং পালিয়ে যাওয়া বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন