মঠবাড়ীয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০২:৪৯ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে ইরান।গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করার পর এবার টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দল বেলজিয়ামের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেছে টিম মেল্লি।
তবে মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও যাতায়াতসংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইরানের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ।নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচশেষে যেমন দলটিকে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হয়েছিল, তেমনিই বেলজিয়ামের বিপক্ষে একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয় তারা।
লস অ্যাঞ্জেলেস ত্যাগ করার আগে ড্রেসিংরুমে একটি হাতে লেখা চিঠি রেখে যায় ইরান দল। এর মধ্যে তারা ভেন্যু কর্তৃপক্ষ ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
চিঠিতে লেখা ছিল, ধন্যবাদ লস অ্যাঞ্জেলেস, আপনাদের আতিথেয়তার জন্য। আমরা লস অ্যাঞ্জেলেসে এসেছিলাম গর্ব নিয়ে, সম্মানের সঙ্গে লড়েছি এবং এখন মর্যাদা নিয়ে ছেড়ে যাচ্ছি।
এছাড়া ইরানি সমর্থকদের উদ্দেশে তারা লিখেছে, প্রত্যেক ইরানিয়ানকে ধন্যবাদ, যারা তাদের হৃদয়, আওয়াজ এবং প্রাণ দিয়ে ১৮০ মিনিট আমাদের সমর্থন দিয়েছে। প্রত্যেক দেশের মাঝে শান্তি, সম্মান এবং বন্ধুত্ব বজায় থাকুক।
চিঠিটি শুধুমাত্র কৃতজ্ঞতার বার্তাই বহন করেনি, বরং এর মধ্যে একটি প্রতীকী প্রতিবাদও ছিল।নীল কালিতে লেখা চিঠির নিচে লাল কালিতে ‘৭৬৮’ এবং ‘মিনাব’ শব্দ দুটি উল্লেখ করা হয়।ইরানের দাবি অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবের একটি স্কুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ১৬৮ শিশু নিহত হয়েছিল। সেই ঘটনার স্মরণ করেই চিঠিতে শব্দ দুটি লেখা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নেইমারের পারিবারিক ভিডিও ঘিরে নেট দুনিয়ায় ঝড়।
ড্রেসিংরুমে রেখে যাওয়া এই বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে ক্রীড়াঙ্গনের মাধ্যমে শান্তি, মানবতা ও আন্তর্জাতিক সংহতির আহ্বান হিসেবে দেখছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদা প্রদান না করায় ক্রয় করা ভিটায় দোকান নির্মাণে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি জমির মালিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষককে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে বাজার বণিক সমিতির ওই সভাপতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত নেতার নাম রতি মিয়া। তিনি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি এবং দক্ষিণকুল গ্রামের বাসিন্দা।
রোববার (২১ জুন) গভীর রাতে তাহিরপুর থানার পুলিশ তাকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।
শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় ‘চাঁদা না পেয়ে শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি’ শিরোনামে ২০ জুন আরটিভিতে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এ ব্যাপারে উল্লেখ্য যে, গত ২০ জুন শনিবার সকালে তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর বাজারের বাজার ভিটে দোকান নির্মাণকে কেন্দ্র করে শিক্ষক মোক্তার হোসেনকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠে। লাঞ্ছনার শিকার মোক্তার হোসেন, আনোয়ারপুর বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং এলাকার পাতারী তিওর জালাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে তাকে ডেকে নিয়ে লাঞ্ছিত করেন রতি মিয়া।
ঘটনার দিন শিক্ষক মুক্তার হোসেন অভিযোগ করেন আরটিভি অনলাইনকে। তিনি বলেন, আনোয়ারপুর বাজারে তার ক্রয় করা একটি ভিটা রয়েছে। আওয়ামী লীগের আমলে উপজেলা প্রশাসন তার ভিটার দোকানসহ আরও কিছু দোকান ভেঙে দিয়েছিল। সম্প্রতি অন্যান্য দোকান মালিকরা পুনরায় দোকান নির্মাণ করছেন দেখে তিনিও দোকান নির্মাণের উদ্যোগ নেন। কিন্তু বার বার বাধা ও চাঁদা দাবি করছিলেন বাজার বণিক সমিতির সভাপতি রতি মিয়া।
ওই দিন সকালে তিনি বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য বাজারে রাস্তায় অটোরিকশার অপেক্ষা করছিলেন। এসময় রতি মিয়া তাকে ডেকে এনে দোকান নির্মাণের বিষয়ে জানতে চান। তখন মুক্তার হোসেন জানান, তিনি দোকান নির্মাণের প্রস্তুতি নিয়েছেন। এরপর রতি মিয়া তাকে দোকান নির্মাণে নিষেধ করেন এবং হাতে থাকা ছাতা দিয়ে মারপিট শুরু করেন। বাজারে উপস্থিত লোকজন তাকে রক্ষা করেন।
একই দিন তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি অবহিত করেন। সংসদ সদস্য পুলিশকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। এর পর তিনি বিকেলে রতি মিয়ার বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় অভিযোগ দাখিল করেন।
তবে অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে রতি মিয়া ওই দিন আরটিভি অনলাইনকে বলেন, তিনি শিক্ষক মোক্তার হোসেনকে মারপিট করেননি এবং কোনো চাঁদাও চাননি। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।
চাঁদা না পেয়ে শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনির বিষয়টি নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, শিক্ষকের দায়ের করা মামলায় রতি মিয়াকে রোববার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে থাকা একটি ঢাকনাবিহীন ম্যানহোলে পড়ে মোছা. নাজমা খাতুন (২৪) নামের এক নারীর মৃতুর খবর পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
রোববার (২১ জুন) বিকেলে ভারী বৃষ্টির পর সড়কের পাশে জমে থাকা পানির মধ্যে হাঁটার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নাজমা খাতুন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার লাংগলঝাড় এলাকার আব্দুল বারীর মেয়ে। তবে গাজীপুরে তিনি কোথায় বসবাস করতেন এবং কী কাজ করতেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন বিকেলে গাজীপুরে ভারী বৃষ্টির কারণে ভোগড়া বাইপাস এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও ফুটপাত পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় নাজমা খাতুন ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পানির নিচে থাকা একটি খোলা ম্যানহোলে পড়ে যান। পানির প্রবল স্রোত এবং গভীরতার কারণে তিনি দ্রুত তলিয়ে যান।
ঘটনাটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালান। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে ভোগড়া মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টার পর তারা ম্যানহোল থেকে নাজমা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ এবং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। বাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোখলেসুর রহমান বলেন, খোলা ড্রেনে পড়ে যাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত নারীর পরিচয় এবং গাজীপুরে তার অবস্থানসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।
গাজীপুরে খোলা ড্রেন ও ঢাকনাবিহীন ম্যানহোলে পড়ে মৃত্যুর ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকায় ঢাকনাবিহীন ম্যানহোলে পড়ে ফারিয়া তাছনিম জ্যোতি (৩২) নামের এক নারী নিখোঁজ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দীর্ঘ ৩৬ ঘণ্টা পর টঙ্গীর শালিকচূড়া বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
ওই ঘটনার পর নগরীর খোলা ড্রেন ও ম্যানহোলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে রিটও করা হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই ঘটনার পরও নগরীর বিভিন্ন স্থানে খোলা ম্যানহোল ও অরক্ষিত ড্রেন রয়ে যাওয়ায় জননিরাপত্তা নিয়ে আবারও গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, নগরীর ব্যস্ত সড়ক ও ফুটপাতসংলগ্ন ড্রেন-ম্যানহোলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সিটি করপোরেশনের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু বহুদিন ধরে অনেক স্থানে খোলা ম্যানহোল, ভাঙা ড্রেন এবং অপর্যাপ্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও তা কার্যকরভাবে সমাধান করা হয়নি। ফলে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে, প্রাণহানিও ঠেকানো যাচ্ছে না।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এ ধরনের ঘটনায় দায়িত্বে থাকা সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং দায়িত্বশীলদের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। তাদের মতে, শুধু দুর্ঘটনার পর দায়সারা তৎপরতা নয়, বরং ঝুঁকিপূর্ণ সব ম্যানহোল ও ড্রেন দ্রুত চিহ্নিত করে স্থায়ীভাবে ঢাকনা বসানো, সতর্কতামূলক চিহ্ন স্থাপন এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় নগরবাসীর জীবন আরও বড় ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নগরবাসীদের দাবি, গাজীপুর মহানগরের খোলা ম্যানহোল ও অরক্ষিত ড্রেনগুলো দ্রুত শনাক্ত করে জরুরি ভিত্তিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে অবহেলা বা গাফিলতির কারণে যদি কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটে, তবে দায়ী ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত সোমবার দেশের সাবেক আইনমন্ত্রীকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের ২০২৪ সালে জারি করা সংক্ষিপ্ত ও ব্যর্থ সামরিক আইন ঘোষণার ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
এই তথ্য জানিয়েছে দেশটির ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, সিউল কেন্দ্রীয় জেলা আদালতের বরাত দিয়ে ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি জানায়, সামরিক আইন ঘোষণার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রথম বিচারেই সাবেক আইনমন্ত্রী পার্ক সুং জাকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ