বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:২৬ পি.এম
সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে জয় ‘বাংলা স্লোগান’ দিয়ে আলোচনায় আসা মডেল সিমু আক্তার বৃষ্টি, যিনি মিষ্টি সুবাস নামেও পরিচিত, তাকে জুলাই মাসের হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী গোলাম রাব্বানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, ৩ আগস্ট মিষ্টি সুবাসকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা, আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক শফিউল আলম সোহাগ। আদালত ওইদিন আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।
ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবর্ষণের ঘটনায় মিষ্টি সুবাস এজাহারভুক্ত আসামিদের সহযোগী হিসেবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নিয়েছিলেন।
বর্তমানে মিষ্টি সুবাস আশুলিয়া থানার অপর একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। তদন্তে প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে এই মামলার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। সেই কারণে মামলাটির সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখান।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বেলা আড়ার দিকে বৈষম্য বিরোধী কোটা আন্দোলনের পক্ষে মিছিল করার জন্য আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল মোড় এলাকায় এক অংশগ্রহণকারী রুহুল আমীন ছিলেন। এসময় আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে বাদীর বাম পায়ের গোড়ালীতে গুরুতর আহত হন। দীর্ঘ চিকিৎসার পর গত ৩ অক্টোবর ভুক্তভোগী রুহুল আমীন বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টার মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মোট ৫৩ জনকে এজহারভুক্ত আসামি করা হয়।
উল্লেখ্য, চলতি বছর ২৬ মার্চ দুপুর ১ টা ১০ মিনিটে আশুলিয়া থানাধীন নবীনগর জাতীয় স্মৃতি সৌধের মূল বেদির সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ২২ বা ২৫ জন নেতাকর্মী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবির প্লেকার্ড ব্যবহার করে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, অবৈধ নির্বাচনের অবৈধ সরকার মানি না মানবো না, শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে স্লোগান দেয়।
এসময় পুলিশ মিষ্টি সুবাশসহ দুজনকে আটক করে। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় আসলে তিনি জামিনে কারাগার থেকে মুক্ত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের স্বাস্থ্য এবং শারীরিক অবস্থা নিয়ে চরম উদ্বেগ ও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন লন্ডনে অবস্থানরত তার দুই ছেলে, কাসিম খান ও সুলাইমান ঈসা খান। তারা মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেন যে, পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ গত সাত মাস ধরে তাদের পরিবার, আইনজীবী এবং চিকিৎসকদের তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দিচ্ছে না।
ইমরান খান এবং তার স্ত্রী, বুশরা বিবির অবিলম্বে মুক্তি এবং তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও চিকিৎসাসেবার নিশ্চয়তার দাবিতে, বুধবার পাকিস্তানজুড়ে তার দল, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর হাজার হাজার কর্মী রাজপথে নেমে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দেশটির নেতৃত্ব দেওয়া সাবেক এই ক্রিকেট তারকাকে দুর্নীতি এবং রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা ফাঁসের অভিযোগে অভিযুক্ত করে এক বছর ধরে কারাগারে রাখা হয়েছে।
তবে, ইমরান খান এবং তার সমর্থকরা দাবি করেন, এই সাজানো মামলা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং প্রতিপক্ষ দমনের অংশ হিসেবে দেওয়া হয়েছে। অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর, ইমরান খান সামরিক বাহিনী এবং যুক্তরাষ্ট্রের যোগসাজশে তাকে উৎখাতের অভিযোগ করে দেশজুড়ে বিশাল সমাবেশ গড়ে তুলেছিলেন, যা পরবর্তীতে সরকার কঠোরভাবে দমন করে। এ সময়ে দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার এবং ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে পিটিআই-কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধা দেওয়া হয়।
লন্ডনে থাকা কাসিম ও সুলাইমান জানান, মিডিয়াতে মুখ খুললেই বাবার সঙ্গে দেখা করার পথ আরও কঠিন হয়ে যায় ইসলামাবাদে। তারা জানিয়েছেন, ভিজিট ভিসা দেওয়া বা বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি করে তাদের সফর আটকে রাখা হচ্ছে।
তাদের ভিসা না পাওয়ার কারণ হিসেবে পাকিস্তানি তথ্য মন্ত্রণালয় সিএনএনকে জানায় যে, ইমরান খানের দুই ছেলে ওভারসিজ পাকিস্তানিদের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের অধিকারী, ফলে তাদের আলাদা ভিসার প্রয়োজন হওয়ার কথা নয় এবং তারা বিষয়টিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু কাসিম ও সুলাইমান স্পষ্ট করেন যে, তাদের পরিচয়পত্রের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে এবং সরকার তা নবায়ন করেনি।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও এক বিবৃতিতে ইমরান খান ও বুশরা বিবির স্বজন এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার সাংবিধানিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং তাদের বেআইনি একক কারাবাস অবিলম্বে বন্ধ করে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
এদিকে, সিএনএন-এর কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে পাকিস্তান সরকার অভিযোগগুলো একবাক্যে নাকচ করে দিয়েছে। সরকারের দাবি, সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে কোনো ব্ল্যাকআউট বা যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার মধ্যে রাখা হয়নি এবং তার স্বাস্থ্য সম্পূর্ণ স্থিতিশীল রয়েছে। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের ২১ মার্চ, ইমরান খান সর্বশেষ তার ছেলের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। কারাবিধি অনুযায়ী তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকার জানায়, ইমরান খানকে সাধারণ কোনো কক্ষে নয়, বরং প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন কয়েদির জন্য নির্ধারিত ৭ কক্ষবিশিষ্ট একটি বিশেষ কম্পাউন্ডে রাখা হয়েছে, যার মধ্যে একটি বড় বারান্দা, লন, বিছানা, টেবিল, চেয়ার, ব্যায়ামের সরঞ্জামসহ যাবতীয় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান।
তবে সরকারের এসব ব্যাখ্যা মানবাধিকার সংস্থা বা ইমরান খানের পরিবারের উদ্বেগকে দূর করার জন্য যথেষ্ট নয়। কাসিম খান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার তার বাবার কোনো আনুষ্ঠানিক স্বাস্থ্য প্রতিবেদন প্রকাশ করতে অস্বীকার করছে, যা থেকে ধারণা করা যায় যে তার শারীরিক অবস্থার হয়তো মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। সামরিক আদালতে দলের ৮৫ জনের দণ্ডপ্রদান এবং অসংখ্য নেতাকর্মীর অন্যায় গ্রেফতারের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, বাবা কখনোই একা রেহাই পাওয়ার জন্য সরকারের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছাবেন না। দেশের ৩৫ কোটি মানুষ ইমরান খানকে তাদের নেতা হিসেবে দেখতে চায়, অথচ কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিবিদকে জোর করে আদালতের আড়ালে ও খাঁচায় বন্দি রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী এবং নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে বনানী সামরিক কবরস্থানে মরহুমের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তার কন্যা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে প্রয়াত মাহবুব আলী খানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এই সময়ে পরিবারের সদস্য, নিকটাত্মীয় ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মাহবুব আলী খান দেশের যোগাযোগ ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছরই পরিবার ও ভক্তদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন যে, ‘১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।’ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা জানান।
মন্ত্রী আরও জানান, ‘আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জের লতিফাবাদে ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই কার্যক্রমে স্বচ্ছতার সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধাভোগী বাছাই করা হবে।’
তিনি উল্লেখ করেন যে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকরা সরকারি সোনালী, জনতা এবং কৃষি ব্যাংক থেকে টাকা তোলার পাশাপাশি বহুমুখী ধরনের সুবিধা পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রস্তাবিত ১০০০ শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল প্রকল্প এলাকা বর্তমানে প্রাথমিক পরিদর্শনে উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়েছে। এখন বিস্তারিত সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য চীনা কারিগরি দলের পরবর্তী সফরের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
প্রতিনিধি দলটি কবে আসবে সেই বিষয়ে এখনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ কারণে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) চীনা দূতাবাসের কাছ থেকে সফরের সময়সূচি জানার অনুরোধ করেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।
২৯ জুলাই স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপ-সচিব ফাতেমা-তুজ-জোহরা ঠাকুরের সই করা এক চিঠিতে এই গুরুত্বপূর্ণ অনুরোধটি জানানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ৫-১৪ মে বাংলাদেশ সফর করে চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির (সিডকা) একটি কারিগরি দল। ৮ মে রংপুরে এবং ৯ মে নীলফামারীতে প্রস্তাবিত হাসপাতালের স্থান পরিদর্শন করে তারা।
১৪ মে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় চীনা প্রতিনিধি দলের প্রধান জানিয়েছিলেন, বিদ্যুৎ ও পানিসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আগে থেকেই থাকায় প্রস্তাবিত স্থানটি হাসপাতাল নির্মাণের জন্য উপযুক্ত।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, প্রতিনিধি দলের পরিদর্শন প্রতিবেদন চীনা দূতাবাসে পাঠানো হবে। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইনভেস্টমেন্ট প্রজেক্ট ডকুমেন্ট (আইপিডি) প্রস্তুতের পূর্বে চীনের আরেকটি কারিগরি দলের বিস্তারিত সমীক্ষা বাংলাদেশ সফরের কথা রয়েছে। এই আইপিডির মধ্যে প্রকল্পের ব্যয় ও আওতা নির্ধারণ করা হবে।
মন্ত্রণালয় জানায়, চীনা দূতাবাস বা ইআরডি, কেউই এখন পর্যন্ত ওই দলের সফরের সময়সূচি সম্পর্কে তাদের কিছু জানাননি। প্রকল্পের পরবর্তী ধাপের কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য ইআরডিকে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
সৈয়দপুর-নীলফামারী সড়কের পাশে চড়াইখোলা ইউনিয়নে দারওয়ানী টেক্সটাইল মিলসের পাশে প্রায় ২৫ একর জমির ওপর প্রস্তাবিত এই হাসপাতাল চীনের অনুদান সহায়তায় নির্মিত হওয়ার কথা রয়েছে। নীলফামারী গণপূর্ত বিভাগের তথ্যমতে, ইতোমধ্যে প্রায় ২৫ থেকে ২৮ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।
এ বছরের ২৫ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটির শর্তসাপেক্ষ অনুমোদন দিলেও চীনের অর্থায়নের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত না হওয়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন আটকে আছে।
চালু হওয়ার পরে এই হাসপাতালে অনকোলজি, নিউরোলজি, কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি এবং শিশু ও নবজাতকদের নিবিড় পরিচর্যার মতো বিশেষায়িত চিকিৎসার পাশাপাশি ২০০ মেশিনসহ একটি ডায়ালাইসিস কেন্দ্র এবং উন্নত রোগ নির্ণয়ের সুবিধা থাকবে।
প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুযায়ী, হাসপাতালটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসার ব্যয় কমানোর পাশাপাশি ঢাকার হাসপাতালগুলোর ওপর রোগীর চাপ কমাতেও সাহায্য করবে।
নীলফামারীর সিভিল সার্জন আবদুর রাজ্জাক জানান, এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হলে এ অঞ্চলের মানুষকে চিকিৎসার জন্য রংপুর বা ঢাকায় যেতে হবে না। এটি শুধু নীলফামারীবাসীরই নয়, বরং পঞ্চগড় ও গাইবান্ধার মতো পার্শ্ববর্তী জেলা বাসিন্দাদেরও উপকারে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ