ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আর্জেন্টিনার জয়ে খোঁচা দিয়ে যে কথা লিখলেন শাহনাজ খুশি


আর্জেন্টিনার জয়ে খোঁচা দিয়ে যে কথা লিখলেন শাহনাজ খুশি

ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপ চলমান। তাই বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি ফুটবল খেলায় মনোযোগী হয়েছেন। তিনি ফুটবল খেলা ভীষণ ভালোবাসেন। রোববার (১২ জুলাই) সকালে বিশ্বকাপের শেষ কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে পৌঁছেছে, যা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তাদের জন্য সম্মানের বিষয়। লিওনেল মেসি ও তার সতীর্থরা এ ঐতিহাসিক বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছেন। তারকা অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি এই জয়ে ভীষণ আনন্দিত। তিনি তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যমে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দিয়েছেন।

অভিনেত্রী এর আগে আর্জেন্টিনার প্রতি নিজেদের সমর্থনের কথা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন। সেমিফাইনালে ওঠার পরও তিনি নিজের প্রিয় দলের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার এ জয়ে এখন বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের আরেক ধাপ কাছে পৌঁছে গেছে। দলের রুদ্ধশ্বাস জয়ের পর দেশের অনেক তারকাও উচ্ছ্বাসিত হয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে মেসি-ভক্তরা সেই আনন্দ ছড়িয়ে দিচ্ছেন, যার সঙ্গে শাহনাজ খুশিও কণ্ঠ মিলিয়েছেন।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

মেসিদের এই জয়ের পর শাহনাজ খুশি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে কিছু খোঁচা দিয়েছেন? আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করে লিখেছেন— ‘আর কথা না বলি!’

এই পোস্টের সঙ্গে দেওয়া দুটি ইমোজি বোঝাচ্ছে, খুব অল্প কথায় যেন দলের প্রতি সমালোচক ও নিন্দুকদের উদ্দেশে এক চিমটি খোঁচা ছিল। পোস্টটি প্রকাশের পর অনেক অনুসারী মন্তব্য করে আর্জেন্টিনার জয় উদযাপন করেছেন। এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন— ‘এবার নিন্দুকদের মুখ বন্ধ, মেসি আবারও প্রমাণ করলেন’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েতে মার্কিন হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংসের দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ এম


কুয়েতে মার্কিন হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংসের দাবি ইরানের

লাটভিয়ার স্কেডেতে সামরিক মহড়া চলাকালীন, একটি হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম (হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার)। ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, তারা একটি ‘নির্ভুল ড্রোন অভিযানের মাধ্যমে কুয়েতে মোতায়েন থাকা যুক্তরাষ্ট্রের হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস করেছে।

দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং সেগুলোর লঞ্চ পড, যা ইরানের দিকে হামলার জন্য প্রস্তুত ছিল, সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, এ হামলায় বেসরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনজন মার্কিন কর্মকর্তা নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

বিবৃতি অনুসারে, সাম্প্রতিক হামলাগুলোতে এবং ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের সামরিক অভিযানের সময়, ইরানের দক্ষিণ উপকূলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্র স্বল্প-পাল্লার হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র বা কুয়েতের কর্তৃপক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে কুয়েত জানিয়েছিল যে, দেশটির উত্তরাঞ্চলের তিনটি স্থল সীমান্ত চৌকি এবং কুয়েত অয়েল কোম্পানি (KOC) পরিচালিত একটি অফশোর ড্রিলিং প্ল্যাটফর্মে হামলা হয়েছে। এতে অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং একজন কর্মী আহত হয়েছেন। তবে ওই হামলার জন্য কোনো পক্ষকে দায়ী করেনি কুয়েত।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপই জবাবহীন থাকবে না’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ এম


‘ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপই জবাবহীন থাকবে না’

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বা দেশটির শীর্ষ সামরিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের গুপ্তহত্যার চেষ্টা অথবা হামলার ঘটনায় ‘কঠোর ও চূড়ান্ত’ জবাব নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন দেশের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপই জবাবহীন থাকবে না। খবরটি এসেছে আলজাজিরার মাধ্যমে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে গরিবাবাদি বলেন, এ বিষয়ে ইরানের পার্লামেন্ট কিংবা এক্সপিডিয়েন্সি কাউন্সিলের একটি আইন পাস করা উচিত, যা সর্বোচ্চ নেতা বা শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যেকোনো হামলার ক্ষেত্রে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে, তা আগেই নির্ধারণ করে দেবে।

গরিবাবাদি বলেন, এ উদ্যোগ ইরানের বিদ্যমান নীতির ধারাবাহিকতা হবে, যেখানে সামরিক আগ্রাসনের জবাব শক্তিশালীভাবে দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

গরিবাবাদির মতে, হামলার পরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিবর্তে প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি আগে থেকেই আইনে নির্ধারিত থাকা উচিত। তিনি আরও লেখেন, “ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপই জবাবহীন থাকা উচিত নয়।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আইএএস হওয়ার আগে ভাল মা হওয়া উচিত’, আনন্দীবেনের মন্তব্যে দেবীদের তুলনা টানলেন কঙ্গনা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ এম


‘আইএএস হওয়ার আগে ভাল মা হওয়া উচিত’, আনন্দীবেনের মন্তব্যে দেবীদের তুলনা টানলেন কঙ্গনা?

কঙ্গনার মতে, নারী বা পরিবারের যত্ন নেওয়া এক ধরনের আলাদা করে শেখার বিষয় নয়। তাঁর মতে, নারীদের মধ্যে লালনপালন করার ক্ষমতা সহজাত। সেই কারণেই নারীর দেবী, শক্তি, অন্নপূর্ণার মতো নানা নামে ডাকা হয়।

একজন নারীর আইএএস অথবা শিক্ষিকার মতো পেশাদার হয়ে ওঠার আগে 'দক্ষ' মা হওয়া উচিত। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন পটেলের এই মন্তব্য নিয়ে সমাজমাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কিছু মানুষ এই মন্তব্য সমর্থন করেছেন, তবে এটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে।

এবার এই মন্তব্য সমর্থন করে কঙ্গনা রনৌত। আনন্দীবেনের মন্তব্য সমর্থন করে রবিবার তিনি এক্স হ্যান্ডলে নিজের ছোটবেলার স্মৃতি তুলে ধরেন। লেখেন, ছোটবেলায় তাঁর ভাই ফুটবল ও ক্রিকেট খেলতেন, এবং তিনি পুতুলের জন্য ছোট ছোট ঘর বানাতেন। তাদের জামাকাপড় সেলাই করতেন এবং রান্না করে খাওয়ানোর ভান করতেন। ছোট ছোট মাটির উনুন বানাতেন। নিজেকে পুতুলের মা বলে ভাবতেন। কঙ্গনার মতে, সন্তান বা পরিবারের যত্ন নেওয়া নারীদের কাছে আলাদা করে শেখার বিষয় নয়। নারীদের মধ্যে লালনপালন করার ক্ষমতা সহজাত। এই কারণে নারীকে দেবী, শক্তি, অন্নপূর্ণার মতো নানা নামে ডাকা হয়। তবে শুধু দায়িত্ব পালনের জন্য নয়, ভালবাসা, নিজের হাতে খাওয়ানোর মধ্যে নারী সত্যিই আনন্দ খুঁজে পায়। কঙ্গনা মনে করেন, “এটা এমন কিছু নয় যা আমাদের শিখতে হয়। মানুষের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব ঈশ্বরই আমাদের দিয়েছেন। এটাই আমাদের প্রকৃত স্বভাব।”

অভিনেত্রী আরো বলেন, ইতিহাস জুড়ে নারীদের শক্তি, যত্ন এবং স্নেহের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছে। তিনি বলেন, “তাই নারীদের দেবী, শক্তি, অন্নপূর্ণা, মাতা, এমন অনেক নামে ডাকা হয়।”

কঙ্গনার এই মন্তব্য নিয়েও নানা রকম মতামত জানিয়েছেন নেটাগরিকরা। অনেকে জানিয়েছেন, কঙ্গনা নিজেও তো স্বেচ্ছায় বিয়ে করেননি এবং মা হননি। বরং পেশার জগতে তিনি তাঁর পাকাপাকি জায়গা তৈরি করেছেন। তাই কিভাবে তিনি আনন্দীবেনের মন্তব্য সমর্থন করছেন? কঙ্গনার অংশগ্রহণকারী ভক্তেরা তাঁর মন্তব্যও সমর্থন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে হাঁটার উপকারিতা জানুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ এম


কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে হাঁটার উপকারিতা জানুন

প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস রক্তে চর্বির মাত্রা উন্নত করতে সক্ষম। এটি উচ্চ-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন বা তথাকথিত 'ভালো কোলেস্টেরল'-এর মাত্রা বৃদ্ধি করে। একই সঙ্গে এটি নিম্ন-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন বা ‘খারাপ কোলেস্টেরল’ এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

হাঁটার ফলে শরীরে এমন কিছু এনজাইম বা উৎসেচক উদ্দীপিত হয়, যা অস্বাস্থ্যকর চর্বি ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে। হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য বিশেষজ্ঞরা প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি গতিতে দ্রুত হাঁটার পরামর্শ দেন।

কোলেস্টেরল কমানোর ক্ষেত্রে দৈনিক হাঁটার পদক্ষেপ বাড়ানো একটি চমৎকার সূচনা হতে পারে।

মেরিল্যান্ডের বাল্টিমোরের 'জনস হপকিন্স সিকারন সেন্টার ফর দ্য প্রিভেনশন অব কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ'-এর পরিচালক, কার্ডিওলজিস্ট ও অধ্যাপক ড. রজার ব্লুমেন্থাল বলেন, ব্যায়ামের এই উপকারিতার পেছনের সম্পূর্ণ কারণ এখনো পুরোপুরি জানা না গেলেও এর ইতিবাচক প্রভাব সুস্পষ্ট। অ্যারোবিক ব্যায়াম ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে পরিচিত।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘হেলথসেন্ট্রাল’-এর সূত্র ধরে তিনি আরও জানান, যে কোনো শারীরিক ক্রিয়াকলাপ যা হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয়, তা কোলেস্টেরলের মাত্রা এবং রক্তচাপ—উভয়ই উন্নত করতে সক্ষম।

ড. ব্লুমেন্থাল বলেন, হাঁটা একটি সহজ ব্যায়াম যা অনায়াসেই দৈনিক রুটিনের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মাঝারি গতিতে নিয়মিত হাঁটা উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি কমাতে দ্রুত গতিতে দৌড়ানোর মতোই কার্যকর।

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন খারাপ কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপ কমাতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিটের মাঝারি অ্যারোবিক ব্যায়ামের পরামর্শ দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই সময় বাড়িয়ে প্রতি সপ্তাহে ২০০ মিনিট হয়, তবে আরও বেশি স্বাস্থ্যগত সুবিধা পাওয়া সম্ভব।

এর হিসাব দাঁড়ায় সপ্তাহে পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে, অথবা প্রতিদিন ২০ মিনিটের কিছু বেশি সময় হাঁটা।

এই ব্যায়াম যে এক টানেই শেষ করতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। দিনে দুবার ১০ মিনিট করে হাঁটলেও তা স্বাস্থ্যে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দৈনিক হাঁটার পরিমাণ বাড়ানো, কোলেস্টেরল কমানো এবং হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাসের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থাপনা তুলে ধরা হয়েছে। যারা সাধারণত শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয়, তারাও দৈনন্দিন চলাফেরা সামান্য বাড়ানোর মাধ্যমে উপকৃত হতে পারেন। ড. ব্লুমেন্থাল বলেন, প্রতিদিন মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটলেও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যগত সুবিধা পাওয়া যায়।

গবেষণাও এই পরামর্শকে সমর্থন করে। 'দ্য ল্যানসেট' জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে মাত্র ১৫ মিনিটের পরিশ্রমের ব্যায়াম নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিদের তুলনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ১৭ শতাংশ কমিয়ে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন অল্প সময় হাঁটা দিয়ে শুরু করার পরামর্শ দেন। একটি বাস্তবসম্মত সময় বেছে নিন এবং ধীরে ধীরে অভ্যাস গড়ে তুলুন। যদি ছুটির দিনে আপনার সময় ভালো মেলে, তবে শুক্র ও শনিবার দীর্ঘ সময় হাঁটুন এবং কর্মদিবসে অপেক্ষাকৃত কম সময় হাঁটুন। কোলেস্টেরল ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের স্থায়ী উন্নতির জন্য হাঁটাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নেওয়া জরুরি।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র এক সেশনের ব্যায়াম কোলেস্টেরলের ওপর খুব সামান্যই প্রভাব ফেলে। কিন্তু ১৮ সপ্তাহ ধরে প্রতি সপ্তাহে ১৬০ মিনিট অ্যারোবিক ব্যায়ামের মাধ্যমে ভালো কোলেস্টেরল স্পষ্ট বৃদ্ধি পায়।

ড. ব্লুমেন্থাল বলেন, মানুষ হয়তো শুরুতেই সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটার লক্ষ্য পূরণ করতে পারবে না, তবে এই লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারলেও দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে রক্তচাপ, রক্তে শর্করা এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত হতে শুরু করে।

দৈনিক ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন (প্রয়োজনে সেশনটি ভাগ করে নিতে পারেন)। এটি আপনাকে সপ্তাহে ২০০ মিনিটের গণ্ডি পার করিয়ে দেবে, যা আরও বেশি স্বাস্থ্যগত সুবিধা আনবে।

একবার হাঁটা যখন দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হবে, বিশেষজ্ঞরা তখন এর সঙ্গে কিছু সময়ের জন্য দ্রুত হাঁটার অংশ যোগ করার পরামর্শ দেন।

হাঁটার গতি বাড়ানো হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য মানুষের দৌড়ানো শুরু করতে হবে না। কেবল একটু দ্রুত হাঁটার মাধ্যমেই বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ-তীব্রতার অ্যারোবিক ব্যায়াম খারাপ কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সহায়তা করতে পারে। ড. ব্লুমেন্থাল প্রতি ঘণ্টায় অন্তত তিন মাইল গতিতে হাঁটার এবং ধীরে ধীরে কিছু কিছু হাঁটার সেশনে গতি বাড়িয়ে ঘণ্টায় চার মাইল করার পরামর্শ দেন।

বিশেষজ্ঞরা একটি চার সপ্তাহের কর্মসূচির পরামর্শ দেন। কর্মসূচিটি সম্পন্ন করার পর, অর্জিত অগ্রগতি ধরে রাখতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত দুবার দ্রুত হাঁটা বজায় রাখতে বলা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, যে কোনো নতুন ব্যায়াম কর্মসূচি শুরু করার আগে তা আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা তা নিশ্চিত করতে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা উচিত। একই সঙ্গে, কোলেস্টেরল কমানোর সামগ্রিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হৃদপিণ্ডের জন্য উপকারি খাদ্যতালিকা নিয়েও আলোচনা করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: সামা টিভি 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%