ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব দিনমজুর হেলালের পরিবার, সহায়তার আকুতি


রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব দিনমজুর হেলালের পরিবার, সহায়তার আকুতি

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে দিনমজুর হেলাল উদ্দিনের পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। আগুনের কারণে একটি ছাগল পুড়ে মারা গেছে এবং একটি গাভীন গরু গুরুতর দগ্ধ হয়েছে। রিকশা-ভ্যান, ঘরের আসবাবপত্র, পোশাক, মেয়ের পড়ার বই, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নিত্যব্যবহারের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলী এলাকার ফরাদপুর গ্রামের সাদ্দামপাড়ায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত হেলাল উদ্দিন ওই এলাকার একজন দিনমজুর। তার দুই সন্তান রয়েছে। পরিবারটি জানায়, প্রতিদিনের মতো ভোরে হেলাল কাজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় তার স্ত্রী রান্না করতে রান্নাঘরে যান। রান্নাঘরের পাশে রাখা পাটকাটি/পাটে কোনোভাবে আগুন লেগে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: মধুপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও হাত ধোয়া প্রদর্শনী

আগুনে বসতঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পুড়ে মারা যায় একটি বড় ছাগল, যার আনুমানিক মূল্য ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। গাভীন একটি গরুও আগুনে গুরুতর দগ্ধ হয়েছে। যদিও সেটি জীবিত রয়েছে, তবে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পরিবার জানিয়েছে।

এছাড়া আগুনে পুড়ে গেছে একটি রিকশা-ভ্যান, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা। ঘরের আসবাবপত্র, পোশাক, মেয়ের পড়ার বই, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ বিভিন্ন সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পরিবারটির দাবি, ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র পুনরায় ঠিক করতে অনেক টাকার প্রয়োজন হবে। দগ্ধ গরুটির চিকিৎসা ও রিকশা-ভ্যান মেরামতেও বড় অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসে একাধিকবার ফোন করা হয়। তবে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়দের চেষ্টায় আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি গোপালপুর এলাকা থেকে ফিরে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।

অগ্নিকাণ্ডের ফলে হেলাল উদ্দিনের পরিবারের সদস্যরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বর্তমানে দগ্ধ অবস্থায় হেলালের স্ত্রী প্রেমতলী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: হোসেনপুরের ‘হেরার আলো ইসলামী ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস, প্রেশার ও ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি

বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পাশাপাশি উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন রিকশা-ভ্যানটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গবাদিপশুর মধ্যে একটি মারা গেছে এবং গাভীন গরুটিও গুরুতর দগ্ধ। ফলে দুই সন্তান নিয়ে পরিবারটির সামনে এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।

অবস্থায় আগুনে সর্বস্ব হারানো হেলাল উদ্দিনের পরিবারটি জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে। দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা না হলে পরিবারটির পক্ষে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা কঠিন হয়ে পড়বে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

গোদাগাড়ী উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মমিনুল হক এ বিষয়ে বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমাদের কাছে রিপোর্ট পাঠালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান জানান, ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় ব্যক্তি ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বা মেম্বারের মাধ্যমে যোগাযোগ করে ক্ষতিগ্রস্থের রিপোর্ট পাঠালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া তিনি নিজে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে ফোনে জানাবেন বলে জানান।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন/ধানের শীষ নাকি দাঁড়িপাল্লা, কার ওপর আস্থা রাখছেন ভোটাররা

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অসহায় দিনমজুর পরিবারের দুর্দশার বিষয়টি বিবেচনা করে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহে যুবতীর মরদেহ উদ্ধার, স্বজনদের দাবি হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪০ পি.এম


ঝিনাইদহে যুবতীর মরদেহ উদ্ধার, স্বজনদের দাবি হত্যা

ঝিনাইদহ শহরের কোরাপাড়ায় শিখা (২২) নামে এক যুবতীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘটেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে কোরাপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তি মুকুলের ঘর থেকে এক সন্তানের জননী শিখার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, মুকুল শিখাকে হত্যা করে গলায় ওড়না পেচিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। শিখা সদর উপজেলার সাধুহাটী ইউনিয়নের শহিদুল ইসলামের কন্যা।

অভিযোগ রয়েছে, কোরাপাড়া গ্রামের হাকিম মেম্বরের ছেলে গ্রীল মিস্ত্রি মুকুল একজন নারী লোভী ব্যক্তি। বিভিন্ন স্থান থেকে সে নারীদের নিজ বাড়িতে এনে ফুর্তি করতো বলে জানা গেছে। রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে শিখাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসে মুকুল। পরে সে বাসর ঘর সাজায়। দুই দিন পর শিখার লাশ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলতে দেখা যায়।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, শিখা মামা পরিচয় দিয়ে মুকুলের বাসায় ওঠে। কিন্তু মুকুলের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। ঢাকা থেকে বাসে আসার সময় তাদের পরিচয় হয়। এ সময় মুকুল শিখাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসে। কিন্তু বাড়িতে এসে বিয়ে নিয়ে আলোচনা শুরু হলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রতিবেশীরা অভিযোগ করেন।

শিখার পিতা শহিদুল ইসলাম জানান, মেয়ের সঙ্গে তার যোগাযোগ নেই। মাঝে মাঝে মোবাইলে কথা হয়। প্রথমে মেয়েকে বিয়ে দেওয়া হয়। প্রথম স্বামীর ঘর করেনি। তারপর প্রবাসি ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক করে। এসব কারণে মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক রাখেননি। তিনি মনে করেন, শিখাকে হত্যা করা হতে পারে।

শিখার মামা তরিকুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধারের পর মুকুল বলেছে শিখাকে সে চেনে না। অথচ তার ঘর থেকেই লাশ উদ্ধার হয়েছে। এ সময় শিখার শরীরে থাকা জামা কাপড় ছেঁড়া ছিল। তাই ঘটনাটি রহস্যজনক বলে মনে হচ্ছে। তাছাড়া লাশ উদ্ধারের সময় মুকুল পুলিশ দেখে পালিয়ে যায়। তাই তাদের সন্দেহ, শিখাকে হত্যা করা হয়েছে।

তরিকুল আরও জানান, ঢাকা থেকে আসার পর মুকুল শিখাকে ফোন করে বাসায় ডেকে নেয়। দু’জনার মোবাইলে কললিষ্ট চেক করলে হত্যার মোটিভ জানা যাবে।

ঝিনাইদহ সদর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রোকনুজ্জামান জানান, ঘরের দরজা ভেঙে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাঁচবিবিতে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪৫ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ দুইজন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪১ পি.এম


পাঁচবিবিতে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪৫ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ দুইজন আটক

পাঁচবিবিতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ১৪৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুইজনকে আটক করেছে। আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে, পাঁচবিবি থানার ওসি তামবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, মাদক মামলায় তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন-পাঁচবিবি উপজেলার কেশবপুর গ্রামের মো. খলিল মন্ডলের ছেলে মো. আব্দুর রশিদ (৪৫) এবং ছিট মানিক গ্রামের মো. তোফাজ্জলের ছেলে মো. গোলাম কিবরিয়া (৪২)।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার আয়মারসুলপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের মো. খলিল মন্ডলের বসতবাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ১৪৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং আব্দুর রশিদ ও গোলাম কিবরিয়াকে আটক করা হয়।

পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাবিরুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে কেশবপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১৪৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামইরহাটে আদালতের রায় অমান্য করে হামলার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪১ পি.এম


ধামইরহাটে আদালতের রায় অমান্য করে হামলার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

নওগাঁর ধামইরহাটে আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও বসতবাড়িতে জবরদখলের চেষ্টা, ভাঙচুর, গাছপালা কর্তন ও দই কারখানায় হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উত্তর চকযদু গ্রামের মৃত বছির উদ্দিনের ছেলে ভুক্তভোগী তোজাম্মেল হক। ৫ অক্টোবর (সোমবার) রাত ৯ টায় ধামইরহাট পূর্ব বাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তোজাম্মেল হক বলেন, গত বুধবার দিবাগত রাতে প্রতিপক্ষ সোলাইমান আলী তার ভাড়াটে ৪০/৫০ জন লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে আমার বসতবাড়িতে জবরদখলের উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। আমি ফজরের নামাজের পর লোকমুখে ঘটনা শুনে জমিতে গিয়ে দেখি আমার বাড়ীঘর ভাঙচুর, গাছপালা কেটে ফেলা হয়েছে এবং আমার দই তৈরির কারখানা ভাঙচুর করে নগদ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। এতে আমার সর্বমোট প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তোজাম্মেল হক জানান, এ সময় ঘটনার খবর শুনে মেহবুব, হামিদ ও ইব্রাহিম নামে ৩ ব্যক্তি তার খোঁজখবর নিতে আসলে প্রাণভয়ে তারাও ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে বাধ্য হন।

ভুক্তভোগী মোজাম্মেল হক আরও বলেন, আমাইতারা মৌজার জে.এল নং- ১০৬, খতিয়ান নং- ১১৩, দাগ নং- ১৭১ এর মোট ১ একর ৩০ শতকের মধ্যে ৪৭ শতক জমি তিনি বৈধভাবে ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। জমির খাজনা-খারিজের সকল কাগজপত্র তার নামে হালনাগাদ রয়েছে। প্রতিপক্ষ ওই জমির মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করলে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ২৬/০১/২৫ তারিখে ৪৩/২০ নং মামলার রায় বিজ্ঞ আদালত তোজাম্মেল হকের পক্ষে প্রদান করেন। পরবর্তীতে আমার প্রতিপক্ষ ৫১/২৫ নং সত্ব আপিল মামলা দায়ের করলে আদালত ১৭/০৮/২৫ তারিখে আপিল মাামলা না মঞ্জুর করে।

সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, আদালতের রায়কে উপেক্ষা করে প্রতিপক্ষ তাকে হয়রানি করতে গত ৪ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও একটি পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। এমনকি একজন সাবেক অতিরিক্ত সচিবকে জড়িয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। “আমি কোনো হামলার সাথে জড়িত নই। আমাকে ফাঁসানোর জন্য প্রতিপক্ষ মিথ্যা অভিযোগ করছে। আমি এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি এবং প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচার দাবি করেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাটমোহরে খাসজমির বসতবাড়ি থেকে ভূমিহীন নারী রমিজা খাতুনকে উচ্ছেদের অপচেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪২ পি.এম


চাটমোহরে খাসজমির বসতবাড়ি থেকে ভূমিহীন নারী রমিজা খাতুনকে উচ্ছেদের অপচেষ্টা

পাবনার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের মস্তালীপুর গ্রামে সরকারি খাসজমিতে বসবাসরত এক ভূমিহীন নারীকে উচ্ছেদের অপচেষ্টা করা হচ্ছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী নারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এলাকার প্রভাবশালী রুহুল-আলামিন গং ওই খাসজমি দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। অসহায় ওই ভূমিহীন নারী হলেন রমিজা খাতুন (৬০)। তার স্বামী আনার আলী অনেক আগেই তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। ভুক্তভোগী নারী গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বামী পরিত্যক্তা রমিজা খাতুন প্রায় ২২ বছর আগে মস্তালীপুর গ্রামে সরকারি রাস্তার পাশে খাসজমিতে কুড়ে ঘর তুলে বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘ ২২ বছর ধরে তিনি সেখানে বসবাস করছেন। এ অবস্থায়, ওই ভূমিহীন নারীর বসতবাড়ির পাশের প্রভাবশালী নুর মোহাম্মদের ছেলে আলামিন ও রুহুল আমিন গং খাসজমি জবরদখলের জন্য রমিজা খাতুন ও তার ছেলে রবিউলকে উচ্ছেদের অপচেষ্টা করছেন। গত সোমবার আলামিন গং রমিজা ও তার ছেলে রবিউলকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাণভয়ে রমিজার ছেলে রবিউল পাশের চড়ইকোল গ্রামে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের রেখেছেন। বর্তমানে স্বামী পরিত্যক্তা রমিজা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। যে কোন মুহূর্তে তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে সরকারি খাসজমি দখল করে নিতে পারে আলামিন গং।

ভুক্তভোগী রমিজা খাতুন বলেন, ‘প্রতিদিনই আমাকে মেরে ফেলার ও বাড়ি ভেঙে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি আজ (মঙ্গলবার) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। এছাড়া এই খাসজমি বন্দোবস্তের জন্য এসিল্যান্ডের কাছে বারবার আবেদন করেছি। ইউনিয়ন ভূমি অফিসেও আবেদন করেছি। কিন্তু আমাকে খাসজমি দেওয়া হচ্ছেনা। আমি এখন অসহায়। আমাকে এখান থেকে উচ্ছেদ করা হলে, আমি কোথাও যাবো, থাকবো কোথায়।’

এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী বলেন, ‘খাসজমি ভূমিহীনই পাবেন। কেউ এটা দখল করতে পারবেনা। কারা এটা করছে, আমি অবশ্যই বিষয়টি দেখবো।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%