০২:৫৯ এম
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির আবাসিক হল থেকে ১৫ বছর বয়সী ছাত্র মেহেদী হাসানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ছাত্রের পরিবার অভিযোগ করেছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর এলাকার মানুষ উত্তেজিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে ভাঙচুর করে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত উন্মত্ত এলাকাবাসী ওই প্রতিষ্ঠানের সামনে অবস্থান করছিল। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করে। এর আগে, বিকেলে আবাসিক হল থেকে মেহেদী হাসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্তকেন্দ্রকে নতুন গাড়ি হস্তান্তর
মেহেদী হলো রামগঞ্জ উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের রাঘবপুত গ্রামের জিয়াউদ্দিন জিয়ার ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, পরিবারের দাবি, মেহেদীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এর কারণে রাত ৮টার পর থেকে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির সামনে লোকজন জড়ো হতে থাকে। এক পর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন প্রতিষ্ঠানের প্রধান গেট এবং অভ্যর্থনা কক্ষ ভাঙচুর শুরু করে এবং তারা ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
এভাবে ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সেখানে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাইক হাতে উত্তেজিত জনগণের মধ্যে গিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি মাইকে বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং তারা ঘটনার তদন্ত করে এর মূল কারণ উদঘাটন করবেন। তিনি সবাইকে অনুরোধ করেন, ততক্ষণ পর্যন্ত শান্ত থাকতে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ওই ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। উত্তেজিত এলাকাবাসী তার হত্যার অভিযোগ তুলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।
আরও পড়ুন: ত্রিশাল অক্সফোর্ড কিন্ডারগার্টেনে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
