ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বাকৃবিতে শিক্ষার্থীদের মারামারি, ছাত্রদল নেতার ইন্ধনের অভিযোগ অস্বীকার


বাকৃবিতে শিক্ষার্থীদের মারামারি, ছাত্রদল নেতার ইন্ধনের অভিযোগ অস্বীকার

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে আহত করার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে এস.এম. মেরাজুল আনোয়ার সিয়াম নামের এক শিক্ষার্থী প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

সিয়াম ঈশা খাঁ হলের প্রথম বর্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী। অভিযোগপত্রে তিনি সোহরাওয়ার্দী হলের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান ইমনের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছেন। সিয়াম অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেজবাউল হক মিজু, সোহরাওয়ার্দী হলের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমনসহ কয়েকজনকে ঘটনার ইন্ধনদাতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তবে মেজবাউল হক মিজু অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

ঘটনার পরের দিন সোহরাওয়ার্দী হলের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমনকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ঈশা খাঁ হলের প্রথম বর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইয়ামিনও প্রক্টর অফিসে অভিযোগ দাখিল করেছেন।

আরও পড়ুন: শহীদ জিয়ার লক্ষ্য-আদর্শে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ চলছে: উপাচার্য

সিয়াম তার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, গত ৩ নভেম্বর বিকাল আনুমানিক ৪টার সময় বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে সোহরাওয়ার্দী হলের এ ব্লকের ১০২ নম্বর কক্ষে যান। সেখানে তার বন্ধু তাসনিমকে না পেয়ে পূর্বপরিচিত এক শিক্ষার্থীর আমন্ত্রণে তিনি বসেন। কিছুক্ষণ পর ৬৫ ব্যাচের কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান ইমন তাকে বিভিন্ন অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।

সিয়ামের অভিযোগ, এক পর্যায়ে ইমন তার ওপর শারীরিকভাবে হামলা চালান এবং এলোপাতাড়ি চড়, কিল ও ঘুষি মারেন। এতে তার ডান চোখে গুরুতর আঘাত লাগে এবং চোখের আশপাশে কালশিটে পড়ে যায়। পরে তিনি কোনোভাবে ওই কক্ষ থেকে বের হয়ে আসেন।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সময় সোহরাওয়ার্দী হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সিয়াম তাদের মধ্যে হলটির ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইয়ামিনসহ কয়েকজনের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া পরবর্তী সময়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেওয়া হলে তাকে বিভিন্ন ধরনের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন। সিয়াম হামলার জন্য ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেজবাউল হক মিজুর বিরুদ্ধে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন।

ঘটনার পর সিয়াম নিজ আবাসিক হল ঈশা খাঁ হলে ফিরে সহপাঠী ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের বিষয়টি জানান। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

আরও পড়ুন: এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার ফি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

এ বিষয়ে অভিযোগকারী শিক্ষার্থী মেরাজুল ইসলাম সিয়াম বলেন, "আমি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছি। প্রক্টর স্যার আমাকে এ ব্যাপারে পরবর্তীতে দেখা করতে বলেছেন। সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমি এ বিষয়ে আর কিছু বলতে চাচ্ছি না।"

প্রত্যক্ষদর্শী সোহরাওয়ার্দী হলের ১০২ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী মুগ্ধ বলেন, "আমি ওই সময় রুমেই উপস্থিত ছিলাম। প্রথমে যখন সিয়াম জানালার সামনে এসেছিল, আমি তখন খেয়াল করিনি। ওই সময় রুমে থাকা নাজমুল তাকে তার পরিচয় জিজ্ঞেস করে। কিন্তু উত্তরে সিয়াম কিছু বলে না। পরে যখন তাকে চিনতে পারলাম, তখন আমি তাকে রুমের ভেতরে বসতে বলি। তখনও নাজমুল সিয়ামকে তার নাম-পরিচয় জিজ্ঞেস করছিল, কিন্তু সিয়াম কোনো উত্তর দিচ্ছিল না। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয় এবং তারা একে অপরকে আঘাত করে। নাজমুলের আঘাত সিয়ামের চোখের নিচে লাগে এবং সে পরে পানি দিতে বাথরুমে চলে যায়। পরবর্তীতে আমি তাকে ডেকে এনে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করলে সে হলে যাওয়ার কথা বলে চলে যায়।"

ঘটনার পরের দিন, গত ৪ নভেম্বর, সোহরাওয়ার্দী হলের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইয়ামিনকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ঈশা খাঁ হলের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।

জানা যায়, গত ৪ নভেম্বর করিম ভবনে সোহরাওয়ার্দী হলের একজন শিক্ষার্থীকে আটক করে রাখা হয়। পরবর্তীতে তাকে ছাড়াতে এবং বিষয়টি সমাধান করতে সোহরাওয়ার্দী হল থেকে কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে উপস্থিত হন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন ইয়ামিন। একপর্যায়ে করিম ভবনের সামনের হোটেলে দুপুরে খাবার খাওয়ার সময় ঈশা খাঁ হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী এসে তাকে মারধর শুরু করেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইয়ামিন প্রক্টর অফিসে অভিযোগ জানান।

আরও পড়ুন: হাবিপ্রবির পাঁচ শিক্ষার্থী গণিত অলিম্পিয়াডের রংপুর অঞ্চলের সেরা দশে

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ইয়ামিন বলেন, "আমি বিগত দিনের কোনো ঘটনা সম্পর্কেই অবগত ছিলাম না। ৪ তারিখ আমি হলে ফেরার পথে যখন জানতে পারি হলের জুনিয়রকে আটক করা হয়েছে, তাকে ছাড়ানোর জন্যই আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। পরবর্তীতে আমি করিম ভবনের সামনের হোটেলে খেতে যাই। সেই সময়ই সেখানে ঈশা খাঁ হলের প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন উপস্থিত হন এবং আমার হলের নাম জানতে চান। যখন তারা জানতে পারেন আমি সোহরাওয়ার্দী হলের, তখন তারা সবাই মিলে আমাকে এলোপাতাড়িভাবে মারতে শুরু করেন।"

অভিযোগপত্রে তার নাম উল্লেখের বিষয়ে তিনি জানান, "ঘটনার পরের দিন (৫ নভেম্বর) আমি জানতে পারি, আমার বিরুদ্ধে মারপিটের ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু আমি এ ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। এমনকি আমি ওই দিন (৩ নভেম্বর) ঘটনার সময় হলে উপস্থিত ছিলাম না। বিষয়টা এমন যে, আমাকেই মারধর করে আমার নামেই মারপিটের অভিযোগ দেওয়া হলো।"

অভিযুক্ত নাজমুল হাসান ইমন বলেন, "সিয়াম যখন আমাদের রুমে তাসনিমকে খুঁজতে আসে, তখন আমি তার পরিচয় জানতে বারবার নাম জিজ্ঞেস করি। কিন্তু সে সেটার উত্তর না দিয়ে আমাকে বিভিন্ন উসকানিমূলক মন্তব্য করতে থাকে। একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটির জেরে আমাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়।"

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মেজবাউল হক মিজু বলেন, "ঈশা খাঁ হলের ছেলেটি যে সময় তাকে মারার এবং আমাকে সোহরাওয়ার্দী হলে দেখার কথা বলেছে, আমি সে সময় হলে উপস্থিতই ছিলাম না। হলের হাই রেজল্যুশন সিসি ক্যামেরা আছে। কে কখন হলে ঢুকছে, কখন বের হচ্ছে—সবই দেখা যায়। ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই বিষয়টি প্রমাণিত হয়ে যাবে।"

আরও পড়ুন: কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে ৩০ ধাপ পেছাল চুয়েট, ৪১৫তম স্থানে

সিয়ামকে মারধরের ঘটনায় তার ইন্ধনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, "ঘটনা ঘটার পরে আমি জানতে পেরেছি। যাদের মধ্যে মারামারি হয়েছে, তারা কেউই আমার পরিচিত না। আমি যতটুকু জানি, সিয়ামকে যে মারধর করেছে, সে তারই বন্ধু এবং সে ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মী ও তাদের অনুসারীদের সঙ্গে ঘোরাফেরা করে। আমি তাকে চিনিও না। এখানে আমি ইন্ধনদাতা কীভাবে হতে পারি? এই মিথ্যা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।"

মেজবাউল হক মিজু পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, "আমরা ৪ তারিখ করিম ভবনে যাই এক জুনিয়রকে সাহায্য করতে এবং ফেরার পথে আমাদের সঙ্গে থাকা সোহরাওয়ার্দী হলের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইয়ামিন পাশের খাবারের দোকানে গেলে তার ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়। এই হামলার বিষয়ে আমরাও লিখিত অভিযোগ জমা দেব।"

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম বলেন, "আমরা সিয়ামের অভিযোগপত্রটি পেয়েছি এবং ভিডিও ফুটেজসহ বিভিন্ন প্রমাণ খতিয়ে দেখছি। ঈশা খাঁ হলের জুনিয়র ছেলেরা সোহরাওয়ার্দী হলের একজন সিনিয়রকে মেরেছে, এটারও অভিযোগ পেয়েছি। সব বিষয় নিয়েই প্রক্টরিয়াল বডি তৎপর আছে। হলে যেন ছাত্রশৃঙ্খলা বজায় থাকে, এর জন্য আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি।

আরও পড়ুন: জাবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম রেজা সাময়িকভাবে বহিষ্কার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসনাত আব্দুল্লাহ: সরকারের এক বছরে প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থতা স্পষ্ট হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


হাসনাত আব্দুল্লাহ: সরকারের এক বছরে প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থতা স্পষ্ট হবে

সংসদ সদস্য ও এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, বিএনপি সরকারের এক বছরের পর অর্থনীতি এবং আইনশৃঙ্খলা সহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থতা দৃশ্যমান হবে।

তিনি শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এনপিসির আয়োজিত আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, বিএনপি সবসময় আওয়ামী লীগকে পথ দেখিয়েছে। তিনি বলেন, "দলটি সব আন্দোলনের সুবিধা নিতে চায়।" তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই মাসের অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে বিএনপি হীনমন্যতায় ভুগছে।

এনসিপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, বিএনপি আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন নিয়ে আলোচনা করছে। তবে, আগে আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিচার করতে হবে। এরপরই তাদের পুনর্বাসন বা প্রাসঙ্গিকতার বিষয়টি আসবে।

এদিকে, এনসিপির নেতা সারোয়ার তুষার বিএনপিকে নিজের দলের ভেতর গুপ্ত খোঁজার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, আওয়ামী লীগ সম্পর্কে বিএনপিকে একই ভুল দ্বিতীয়বার না করার জন্যও তিনি সতর্ক করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের সৌদি আরবে হুথিদের হামলার তীব্র নিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের সৌদি আরবে হুথিদের হামলার তীব্র নিন্দা

মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ (এমডব্লিউএল) সৌদি আরবে ইরান সমর্থিত হুথিদের হামলার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে, মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হামলা পবিত্র স্থানগুলোর ধর্মীয় মর্যাদা এবং পবিত্রতার পরিপন্থি।

মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের মহাসচিব মোহাম্মদ বিন আবদুল করিম আল-ইসা মন্তব্য করেছেন, হুথিদের এই ধরনের কর্মকাণ্ড সন্ত্রাসী মানসিকতার প্রতিফলন, যা ধর্মীয় পবিত্রতা লঙ্ঘন করে। তিনি আরও বলেন, এটি ধর্ম ও মুসলমানদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার সমার্থক।

জেদ্দাভিত্তিক এই সংস্থাটি সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি, বেসামরিক নাগরিক এবং পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি কর্তৃপক্ষের নেওয়া পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

এদিকে, সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ার পর মক্কা ও মদিনার আশপাশে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

তবে, সৌদি আরবের এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে হুথিরা।

সূত্র: আলজাজিরা

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামরাইয়ে দাঁড়িয়ে থাকা পল্লী সেবা পরিবহনের বাসে দুর্বৃত্তদের আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


ধামরাইয়ে দাঁড়িয়ে থাকা পল্লী সেবা পরিবহনের বাসে দুর্বৃত্তদের আগুন

ঢাকার ধামরাইয়ে ‘পল্লী সেবা পরিবহনের’ একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনার ফলে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে বাসটির সব আসন সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) গভীর রাতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের শ্রীরামপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পাওয়ার পর দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে ধামরাই থানা বাসষ্ট্যান্ডের পূর্বপাশে পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সামনে মেরামতাধীন আরেকটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

পল্লী সেবা পরিবহনের মালিক সূতিপাড়া ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম জানান, দুর্বৃত্তরা বাসটিতে অগ্নিসংযোগ করেছে। তিনি বলেন, "আগুনে বাসের আসনগুলো পুড়ে গেছে। এই বাসটি পোশাক কারখানার শ্রমিক আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হতো।"

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান মন্তব্য করেন, বাসের অগ্নিসংযোগের ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন নির্বাচনে ইতিহাস গড়া প্রথম দক্ষিণ এশীয় মুসলিম নারী সাবা হায়দার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪০ পি.এম


মার্কিন নির্বাচনে ইতিহাস গড়া প্রথম দক্ষিণ এশীয় মুসলিম নারী সাবা হায়দার

ভারতের উত্তর প্রদেশের একটি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন সাবা হায়দার। ২০০৭ সালে বিয়ের পর তিনি স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। শিকাগোতে শুরুতে জীবন গড়ার পাশাপাশি যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। ধীরে ধীরে সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। একবার নির্বাচনে পরাজিত হলেও তিনি দমে যাননি। অবশেষে ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইলিনয়ের ৮৪তম হাউস ডিস্ট্রিক্ট থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি।

গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে অন্তত ৩০ জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রার্থী জয় লাভ করেছেন। তাদের মধ্যে সাবা হায়দার অন্যতম। তিনি ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের ৮৪তম হাউস ডিস্ট্রিক্ট থেকে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বড় ব্যবধানে জয় পান।

নির্বাচনে সাবা পেয়েছেন ২০ হাজার ৭৫৬ ভোট, যা মোট ভোটের ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী ব্রায়ান স্কোপা পেয়েছেন ৮ হাজার ৫২০ ভোট।

এই জয়ের মাধ্যমে সাবা ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় নির্বাচিত প্রথম দক্ষিণ এশীয় নারী হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন। তার আদি বাড়ি ভারতের উত্তর প্রদেশে। মেয়ের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত বাবা সৈয়দ আলী হায়দার বলেছেন, ‘এটি শুধু আমাদের পরিবারের জয় নয়, বরং পুরো দেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত।’

কিন্তু সাবা হায়দার কে? কীভাবে ভারতের একটি শহর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছালেন তিনি? তার জীবনের গল্প জানার জন্য চলুন এগিয়ে যাই।

৪২ বছর বয়সী সাবা হায়দার একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডেমোক্রেটিক রাজনীতিক। তার পরিবারের শিকড় উত্তর প্রদেশের বুলন্দশহর জেলার আওরঙ্গাবাদ শহরে। ভারতে জন্ম ও বেড়ে ওঠা সাবার। তার বাবা সৈয়দ আলী হায়দার একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী। মায়ের নাম চাঁদনি। তাদের পৈতৃক বাড়ি গাজিয়াবাদে। মেয়ের নির্বাচনী জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সেখানে আত্মীয়স্বজন ও পরিবারের সদস্যরা আনন্দ-উৎসবে মেতে ওঠেন।

গাজিয়াবাদের হলি চাইল্ড স্কুলে সাবা পড়াশোনা করেন। পরে রাম চামেলি চাড্ডা বিশ্বাস গার্লস কলেজ থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ভর্তি হন আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে (এএমইউ)। সেখান থেকে বন্যপ্রাণী বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে স্বর্ণপদকও পান।

ছোটবেলা থেকেই সাবার বিভিন্ন সামাজিক ও জনস্বার্থমূলক বিষয়ে আগ্রহ ছিল। তার মা চাঁদনি জানিয়েছেন, স্কুলজীবনে বিতর্ক ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় নিয়মিত অংশ নিতেন সাবা। মানুষের সামনে নিজের মতামত তুলে ধরার আগ্রহ তখন থেকেই তৈরি হয়েছিল তার মধ্যে।

২০০৬ সালে বিয়ে করেন বুলন্দশহরের কম্পিউটারবিজ্ঞান প্রকৌশলী আলী কাজমিকে। তাদের দুই সন্তান রয়েছে—১৬ বছর বয়সি আজিম এবং ১২ বছর বয়সি আইজা।

বিয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে নতুন জীবন

২০০৭ সালে স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান সাবা। শিকাগো এলাকায় বসতি গড়ে তোলেন তারা। নতুন দেশে নতুন পরিবেশে জীবন শুরু করলেও নিজের পড়াশোনা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভিন্ন একটি পেশায় যুক্ত হন সাবা।

তিনি সার্টিফায়েড যোগব্যায়াম প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণ নেন। পরে কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও করপোরেট পেশাজীবীদের যোগব্যায়াম শেখাতে শুরু করেন।

বন্যপ্রাণী বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করলেও যুক্তরাষ্ট্রে এসে সুস্থ জীবনযাপন ও শরীরচর্চার জগতে নিজের জায়গা তৈরি করেন তিনি। এই কাজের সুবাদে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান।

যোগব্যায়াম শেখানোর পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগেও যুক্ত হন সাবা। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ধীরে ধীরে কমিউনিটির নানা সমস্যা, মানুষের চাহিদা এবং স্থানীয় উন্নয়নসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে শুরু করেন।

রাজনীতিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে এই সামাজিক যোগাযোগ ও মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

নিজের রাজনৈতিক প্রচারের সময় কমিউনিটির প্রতি দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরে সাবা বলেছিলেন, ‘সেই সময় থেকেই যে কমিউনিটি আমাকে এবং আমার পরিবারকে ইলিনয়কে নিজেদের ঘর হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে, তাদের জন্য কিছু করার কাজে আমি আমার জীবন উৎসর্গ করেছি।’

সাবার মা চাঁদনিও মেয়ের এই পথচলায় স্বামীর সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্য, সাবার স্বামী সব সময় তাকে উৎসাহ দিয়েছেন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে সহযোগিতা করেছেন।

চাঁদনি বলেন, ‘বছরের পর বছর সুস্থ জীবনযাপন নিয়ে কাজ এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে সাবা তার কমিউনিটির মানুষের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।’

প্রথম নির্বাচনে হার, তারপর ঘুরে দাঁড়ানো

সাবার রাজনৈতিক যাত্রা অবশ্য মসৃণ ছিল না। নির্বাচনী রাজনীতিতে তার প্রথম পদক্ষেপ ছিল ২০২২ সালের নভেম্বরে। সে সময় তিনি ডুপেজ কাউন্টি বোর্ডের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু প্রায় এক হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।

তবে প্রথমবারের পরাজয় তাকে থামিয়ে দিতে পারেনি। বরং তিনি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে থাকেন। এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে দেখা করা, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়া এবং তাদের সমস্যা ও চাহিদার কথা শোনার কাজ চালিয়ে যান।

এরপর ২০২৪ সালে আবারও নির্বাচনে অংশ নেন সাবা। এবার তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন রিপাবলিকান দলের বর্তমান সদস্য প্যাটি গুস্টিন। তাকে পরাজিত করে ডুপেজ কাউন্টি বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হন সাবা।

দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই নির্বাচনে তিনি ৮ হাজার ৫২১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। ডুপেজ কাউন্টির সরকারি নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী, সাবা পেয়েছিলেন ৪০ হাজার ৩৩০ ভোট। অন্যদিকে প্যাটি গুস্টিন পেয়েছিলেন ৩১ হাজার ৩৯৫ ভোট।

ইটিভি ভারত তার এই বিজয়কে ভারতীয় কমিউনিটির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে তুলে ধরে। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডুপেজ কাউন্টি বোর্ডে নির্বাচিত প্রথম ভারতীয় ছিলেন সাবা। গাজিয়াবাদ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় তার উঠে আসার গল্পও গুরুত্ব পায় ওই প্রতিবেদনে।

স্থানীয় সরকারে দায়িত্ব ও জনকল্যাণমূলক কাজ

ডুপেজ কাউন্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পরিবেশ ও কৌশলগত পরিকল্পনাসংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন সাবা।

এ ছাড়া জনস্বাস্থ্য, স্থানীয় উন্নয়ন এবং কমিউনিটির জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয়েও কাজ করেন তিনি। কাউন্টির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলেন সাবা।

শুধু কাউন্টি বোর্ডেই নয়, ডুপেজ কাউন্টি স্বাস্থ্য বিভাগের জনস্বাস্থ্য বোর্ডেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

শিক্ষাক্ষেত্রেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করা ইন্ডিয়ান প্রেইরি এডুকেশনাল ফাউন্ডেশনের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন সাবা। প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় কমিউনিটির শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়নে কাজ করে।

এভাবে যোগব্যায়াম প্রশিক্ষক হিসেবে শুরু হওয়া তার সামাজিক যোগাযোগ ধীরে ধীরে তাকে স্থানীয় প্রশাসন, জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও শিক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়ে যায়।

কী প্রতিশ্রুতি দিয়ে জিতলেন সাবা?

২০২৬ সালের নির্বাচনে সাবার জয়কে তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় নির্বাচিত প্রথম দক্ষিণ এশীয় নারী হয়েছেন।

তার নির্বাচনী এলাকা ৮৪তম হাউস ডিস্ট্রিক্টের আওতায় রয়েছে উইল, ডুপেজ, কেইন ও কেন্ডাল কাউন্টির কিছু অংশ। এ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ শহর ও জনপদের মধ্যে রয়েছে অরোরা, ন্যাপারভিল, অসওয়েগো, মন্টগোমারি এবং বোল্ডার হিল।

নির্বাচনী প্রচারে সাবা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়, সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন।

তার মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও পরিবারের বাড়তি খরচের চাপে কর্মজীবী মানুষ ক্রমেই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন। তাই স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য করা, সরকারি শিক্ষাব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং পরিবারের দৈনন্দিন ব্যয়ের চাপ কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

সাবা জানান, নির্বাচনের আগে টানা ১৫ মাস ধরে তার প্রচার দল নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের কাছে পৌঁছেছে। তাদের সমস্যা, প্রত্যাশা ও উদ্বেগের কথা শুনেছে। মানুষের কাছ থেকে পাওয়া মতামতের ভিত্তিতেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো সাজানো হয়েছে।

বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর নিজের প্রচারাভিযানকে তিনি ‘তৃণমূল পর্যায়ের, সাধারণ মানুষের শক্তিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তার লক্ষ্য ছিল আরও শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিউনিটি গড়ে তোলা।

তিনি আরও বলেন, কর্মজীবী পরিবারগুলোর সমস্যা ও উদ্বেগের কথা তুলে ধরতে চান ইলিনয়ের অঙ্গরাজ্য রাজধানী স্প্রিংফিল্ডে। সেখানে নির্বাচিত অন্য প্রতিনিধিদের সঙ্গে কাজ করে সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান খুঁজবেন।

নিজের নির্বাচনী প্রচারে সাবা বলেছিলেন, ‘কর্মজীবী পরিবারগুলো কী ধরনের সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই জানি। আমাদের সবার মুখোমুখি হওয়া সমস্যাগুলোর সমাধান খুঁজতে আমি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কাজ করতে চাই।’

তথ্যসূত্র: ফোর্বস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%