০৫:৪৪ পি.এম
ঢাকা, ৭ আগস্ট, ২০২৬ : জিওস্পেশিয়াল এক্সপার্ট বাংলাদেশি বিজ্ঞানী কবির উদ্দিন ডেটা ইউজার ও প্রোভাইডার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন। ২০২৬ সালের গ্লোবাল ফ্লাড পার্টনারশিপ (জিএফপি) বার্ষিক সম্মেলন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিগহাম ইয়ং বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে তাকে এ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার দেওয়া হয়।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে তিনি জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের পানি, পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে (ইউএনইউ-আইএনডব্লিউইএইচ) দুর্যোগ ও বাস্তুতন্ত্র বিষয়ক ভূ-স্থানিক বিশ্লেষণের গবেষণা ফেলো হিসেবে কাজ করছেন।
‘ফ্রম রিসার্চ টু অপারেশনস: অ্যাডভান্সিং গ্লোবাল ফ্লুড ফোরকাস্টিং অ্যান্ড অপারেশনাল হাইড্রোলজি’ শিরোনামে সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৭৮ জন জলবিজ্ঞানী, জিওস্পেশিয়াল এক্সপাট ও পেশাজীবী।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
গ্লোবাল ফ্লাড পার্টনারশিপের স্টিয়ারিং কমিটি স্থানীয় পর্যায়ের অংশীজনদের কার্যকর সংযোগ স্থাপনে গবেষণালব্ধ প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের জন্য কবির উদ্দিনকে সম্মাননা প্রদান করেছে।
সম্মেলনে কবির উদ্দিন ‘বিয়ন্ড র্যাপিড ফ্লুড ম্যাপিং ফ্রম লোকাল টু ন্যাশনাল স্কেল ইউজিং অ্যাকশনেবল জিওস্পেশিয়াল ডেটা ফর রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড ফ্লুড শেল্টার সুইটেবিলিটি’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এই কার্যক্রমে তিনি উপগ্রহভিত্তিক ভূ-পর্যবেক্ষণ চিত্র ও ভৌগোলিক তথ্যব্যবস্থা (জিআইএস) ব্যবহার করে বন্যার ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং উপযুক্ত আশ্রয়কেন্দ্র চিহ্নিত করার পদ্ধতি তুলে ধরেন।
ইউএনইউ-আইএনডব্লিউইএইচ-এ যোগদানের আগে, কবির উদ্দিন দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিমড)-এ ডেটা বিশ্লেষক, ইন্টারন্যাশনাল চার্টার স্পেস অ্যান্ড মেজর ডিজাস্টার্স-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক এবং সেন্টিনেল এশিয়ার ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বন্যার জলমগ্নতা মানচিত্র তৈরিতে তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলো ২০০৮ সালের কোসি বন্যা, ২০১০ সালের পাকিস্তান বন্যা, ২০১৬ সালের বিহার বন্যা এবং নেপালের কাঠমান্ডু ও থামে এবং বাংলাদেশের ফেনী নদী অববাহিকায় ২০২৪ সালের বন্যা মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও বন্যার ঝুঁকি হ্রাসে স্যাটেলাইট তথ্যের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, তিনি নেপালের জলবিজ্ঞান ও আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আসছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন