মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:৪১ পি.এম
গাছ আমাদের পরিবেশের প্রাণ। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য বিশুদ্ধ অক্সিজেন প্রয়োজন, যা গাছ সরবরাহ করে। সুতরাং আমাদের সবার বেশি করে গাছ লাগানো উচিত। একটি সুন্দর এবং বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার জন্য গাছের বিকল্প নেই। প্রকৃতি আমাদের জীবনের এক অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে সবুজের ছোঁয়ায় মন স্বাভাবিকভাবে শান্ত হয়ে ওঠে।
প্রকৃতি তার নিজস্ব রূপ ও লাবণ্যে আমাদের চারপাশকে সাজিয়ে রেখেছে। যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা থেকে মুক্তি পেতে আমরা বারবার প্রকৃতির কাছে ফিরে যাই। বন ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষিত হলে পৃথিবী বাঁচবে, এই বিশ্বাস থেকে লক্ষাধিক চম্পা ফুল গাছ লাগিয়ে দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৪ প্রাপ্ত রাঙামাটি পার্বত্য জেলার কৃতি সন্তান পরিবেশবিদ সবুজ চাকমা।
আজ বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট-২০২৬ পাহাড় ও সমতলে 'সবুজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান' গড়ে তোলার লক্ষ্যে চন্দ্রঘোনা ১১ নং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ১৮৮০ সালে রাজা ভূবণমোহন রায় কর্তৃক নির্মিত ভূমিদাতা শুভংকর বড়ুয়া (মহুরী) পূর্ণনির্মাণ ২০০৯ ঐতিহ্যবাহী কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহার প্রাঙ্গন ও সড়কের দুই পাশে রোপনের জন্য ফলজ, ফুল, বনজ ও ঔষধী গাছের চারা বিতরণ ও রোপন করেছেন রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা।
বিহারের সড়কের দুই পাশে লাগানোর জন্য গাছের চারাগুলোর মধ্যে রয়েছে: চম্পা ফুল, চাপালিশ, তেলশুর, তেতুল, সিভিট, বিলাতি গাব, অর্জুন, জারুল, সোনালু, নিম, কৃষ্ণচুড়া, আমলকি, রাধাচুড়া, বহেরা, হরতকি, কাজু বাদাম, মেহগুনি, সজিনা, বেল ও ড্রাগন ইত্যাদি চারা।
এ সময় কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহার অধ্যাক্ষ দীপংকর মহাথেরো, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুঁই চাকমা, স্থানীয় দায়ক এবং গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সবুজ চাকমা বলেন, পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগিয়ে নতুন বনাঞ্চল সৃষ্টি করা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা প্রত্যেক পাঠক নাগরিকের জন্য দায়িত্ব। তিনি সকলকে সবুজ বনায়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. ফয়সাল মিয়া (১৩) নামের সপ্তম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর নামাপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে ঘটে এই বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনা, যেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ফয়সাল মিয়া লক্ষ্মীপুর নামাপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আওয়াল মিয়ার ছোট ছেলে এবং স্থানীয় লক্ষ্মীপুর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ফয়সাল বিদ্যুৎপৃষ্ট হলে তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়, তবে শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনায় পরিবারে শোকের মাতম নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে ওঠে। প্রতিবেশী এবং স্থানীয়রা তাঁকে একজন ভদ্র, নম্র ছেলে হিসেবে জানতো।
এব্যাপারে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে এক কিশোরের মৃত্যু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসক স্যারের নিকট থেকে লাশ দাফনের অনুমতি পাওয়ার পর, লাশ দাফনের ব্যবস্থা করবে পরিবারের সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ ও অসহায় মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে Exodus Global Service Bangladesh নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও অনুসন্ধানের জন্য তালাশ বিডির দুই সাংবাদিক প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে গেলে সেখানে বিদেশে যাওয়ার আশায় টাকা দিতে আসা আরও কয়েকজন ব্যক্তির দেখা মেলে।
অনুসন্ধানকালে উপস্থিত ব্যক্তিরা জানান, তারা বিদেশে যাওয়ার আশায় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় তালাশ বিডির সাংবাদিকরা প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ও বৈধতার বিষয়ে জানতে চাইলে উপস্থিত কয়েকজনের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে তারা টাকা না দিয়েই সেখান থেকে চলে যান এবং সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এদিকে প্রতিষ্ঠানটির বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনপত্র সম্পর্কে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্টরা তা দেখাতে অনীহা প্রকাশ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির বৈধতা ও বিদেশে কর্মী পাঠানোর সক্ষমতা নিয়ে আরও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিদেশে পাঠানোর কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা নেওয়া হচ্ছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা বা বৈধ কাগজপত্র দেখানো হয়নি।
তালাশ বিডির অনুসন্ধানে উঠে আসা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা। একই সঙ্গে বিদেশে যাওয়ার নামে প্রতারণা বন্ধে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স, অনুমোদন ও কার্যক্রম যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাধারণ মানুষের অর্থ ও নিরাপত্তার স্বার্থে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
তবে Exodus Global Service Bangladesh-এর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিরুদ্ধে সরকার এর প্রতি আকুল আবেদন ভুক্তভোগীদের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কারাগার থেকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরের ওপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে ঘিরে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে বর্তমান সরকারের মধ্যে। পাকিস্তানের প্রবীণ সাংবাদিক হামিদ মীর ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানিয়েছেন।
হামিদ মীর বলেন, পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসে আদালতের এ ধরনের সুবিধা অনেক সময় ক্ষমতাচ্যুত বা কারাবন্দি নেতাদের আবার রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের পথ তৈরি করেছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি নওয়াজ শরিফের কথা উল্লেখ করেন। ২০১৯ সালে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য জামিন পেয়ে নওয়াজ লন্ডনে গিয়ে ফিরে পাকিস্তানের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছিলেন।
সম্প্রতি, সুপ্রিম কোর্ট ইমরান খানের শারীরিক অবস্থার অবনতির প্রেক্ষাপটে আদিয়ালা কারাগার থেকে তাকে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করে। তবে শেহবাজ শরিফ সরকার এই নির্দেশের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
হামিদ মীরের মতে, পাকিস্তানে আদালতের এ ধরনের সিদ্ধান্তগুলোকে প্রায়ই পাড়ার আড়ালে কোন সমঝোতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হয়। এজন্য শরিফ পরিবার মনে করতে পারে, ইমরান খানও কিছু গোপন সমঝোতার মাধ্যমে সুবিধা পাচ্ছেন।
ক্ষমতাসীন জোটের মাঝেও সম্প্রতি মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। পিপিপি নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে অবস্থান নিয়েছেন।
একইসাথে তরুণদের মধ্যে রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতি অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ইমরানের জনপ্রিয়তা এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বাস্তবতা উল্লেখ করে হামিদ মীর বলেন, পাকিস্তানের রাজনীতিতে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে। যেমন নওয়াজ শরিফ কারাগার থেকে বের হয়ে রাজনীতিতে ফিরে এসেছেন, তেমনি ইমরান খানও সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরতে পারেন।
তার মতে, ইমরান খানের সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের আশঙ্কা বর্তমানে শরিফ সরকারের উদ্বেগের অন্যতম কারণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ ৮৮ ভোট পেয়েছেন। যদিও তিনি রাষ্ট্রপতি প্রার্থী, থাকার কারণে সংসদ সদস্য না হওয়ার কারণে তিনি ভোট দিতে পারেননি।
বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। পরে ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশন এ এম এম নাসির উদ্দিন ফলাফল ঘোষণা করেছেন।
সিইসির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী মোট ৩৪৩টি ভোট বৈধ হয়েছে। এতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট। অন্যদিকে, প্রার্থী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
তিনি জানিয়েছেন, মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪৯ জন এবং ভোট দিয়েছেন ৩৪৩ জন সংসদ সদস্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ