প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কারাগার থেকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরের ওপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে ঘিরে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে বর্তমান সরকারের মধ্যে। পাকিস্তানের প্রবীণ সাংবাদিক হামিদ মীর ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানিয়েছেন।
হামিদ মীর বলেন, পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসে আদালতের এ ধরনের সুবিধা অনেক সময় ক্ষমতাচ্যুত বা কারাবন্দি নেতাদের আবার রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের পথ তৈরি করেছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি নওয়াজ শরিফের কথা উল্লেখ করেন। ২০১৯ সালে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য জামিন পেয়ে নওয়াজ লন্ডনে গিয়ে ফিরে পাকিস্তানের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছিলেন।
সম্প্রতি, সুপ্রিম কোর্ট ইমরান খানের শারীরিক অবস্থার অবনতির প্রেক্ষাপটে আদিয়ালা কারাগার থেকে তাকে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করে। তবে শেহবাজ শরিফ সরকার এই নির্দেশের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
হামিদ মীরের মতে, পাকিস্তানে আদালতের এ ধরনের সিদ্ধান্তগুলোকে প্রায়ই পাড়ার আড়ালে কোন সমঝোতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হয়। এজন্য শরিফ পরিবার মনে করতে পারে, ইমরান খানও কিছু গোপন সমঝোতার মাধ্যমে সুবিধা পাচ্ছেন।
ক্ষমতাসীন জোটের মাঝেও সম্প্রতি মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। পিপিপি নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে অবস্থান নিয়েছেন।
একইসাথে তরুণদের মধ্যে রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতি অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ইমরানের জনপ্রিয়তা এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বাস্তবতা উল্লেখ করে হামিদ মীর বলেন, পাকিস্তানের রাজনীতিতে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে। যেমন নওয়াজ শরিফ কারাগার থেকে বের হয়ে রাজনীতিতে ফিরে এসেছেন, তেমনি ইমরান খানও সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরতে পারেন।
তার মতে, ইমরান খানের সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের আশঙ্কা বর্তমানে শরিফ সরকারের উদ্বেগের অন্যতম কারণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন